অনুবাদঃ জন ক্লেয়ারের কবিতা ‘To Mary’

[ইংরেজ কবি জন ক্লেয়ার জন্মগ্রহন করেন ১৭৯৩ সালে আর মৃত্যু ১৮৬৪।দরিদ্রতার কারণে পড়াশুনায় বেশীদূর এগুতে পারেন নি।মাত্র সাত বছর বয়সেই তাকে পশুপালনের মত কঠিন কাজে নামতে হয়!যদিও এটি কবিতা লেখার মত উপযোগী পরিবেশ তাকে দেয় নি,কিন্তু এ সময়ই তিনি পেয়ে যান আরেক ব্রিটিশ কবি জেমস থমসনেদ্যা সিজন আর এটাই তাকে ভবিষ্যতে কবি হতে সহায়তা করে!

বিস্তারিত»

কিছুটা হাস্যরসের সাথে আত্মোপলব্ধি – বাংলাদেশের ক্রিকেট দল

এটি একটি তরতাজা সত্যি ঘটনা, এবং এটি প্রকাশের উদ্দেশ্য কোনভাবে ই কাউকে হেয় করা নয়, বরং এর মাধ্যমে আত্মোপলব্ধির একটি প্রয়াস নেয়া। বাংলাদেশের সাথে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের প্রথম টেষ্ট ম্যাচ চলাকালীন সময়ের ঘটনা। ঘটনাটি সংক্ষেপে এরকমঃ

গতকাল ২১/০৭/০৯ তারিখে আমাদের অফিসে বোর্ড মিটিং চলছিলো। বিশেষ একটি কারনে আমার সেখানে উপস্থিত থাকতে হয়েছিলো। রসকষহীন এরুপ একটি সভায় উপস্থিত থাকতে পেরে আমি নিজেকে একজন নিরানন্দ ব্যক্তি হিসেবেই গন্য করছিলাম।

বিস্তারিত»

চিকিৎসা – (শেষ পর্ব)

dig1
[১] [২-৩] [৪] [৫-৬][৭-৮]
নয়
পরের মাসেই হিয়া, লাবনী, হাসান এই তিনজন কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দিল। হাসান গাড়ি চালিয়ে নিয়ে গেল। ওরা উঠলো ওয়াপদার রেস্টুরেন্টে। হিয়ার বাবাই ঠিক করে দিলেন।
হাসানকে একাই রেখে সেদিন সন্ধ্যায় ওরা দুবান্ধবী সাগরতীরে ঘুরে বেড়ালো। একটা রেস্টুরেন্টে খেল এবং সেখানকার খোলা বারান্দায় সমুদ্রের শব্দ শুনতে শুনতে মাঝ রাত অব্দি গল্প করলো।

বিস্তারিত»

বারংবার বিরক্ত হই, খুবই বিরক্ত

কোনদিনই লেখার অভ্যাস ছিলো না, লিখবো কোনদিন এমনটাও ভাবি নি । গত দু দশকে জীবিকার জন্য লিখতে হয় নি, কিন্তু জীবিকা টিকিয়ে রাখার জন্য কিছু কিছু লিখতে হয়েছে, যেগুলোর পাঠক/শ্রোতা রা উপস্থিত ছিলেন তাদের জীবিকা টিকিয়ে রাখার জন্য ।এর মধ্যে মাঝে মাঝে বিভিন্ন ফর্ম পুরন করতে হয়েছে, সেগুলো ও লেখা, কিন্তু এখন যে অর্থে লিখছি, সেই লেখা না নিশ্চয়ই ।

লেখালেখি, তা যদি কাউকে পড়তে দিতে হয়,

বিস্তারিত»

সাংগঠনিক / প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা – একটি অভিজ্ঞতা – পর্ব ১

এটি আমার চলমান জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার শব্দরুপ মাত্র।

সম্পুর্ন কর্মজীবন এর সিংহভাগে সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়ে, প্রথম মোড় যেদিন নিলাম, সেদিন অর্থ ও বানিজ্য বিষয়ক একটি উপ-দপ্তরের কাজ বুঝে নেবার দায়িত্ব পেলাম। আমাকে যারা নিজেদের প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ দিলেন, তারা ও ইতিপুর্বে আমার ই মতো একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। যদিও তারা কেউই পুর্বতন প্রতিষ্ঠানে ১০ বছরের বেশী ছিলেন না, সেখানে ঐ একই ধরনের প্রতিষ্ঠানে আমার অভিজ্ঞতা ১৮ বছরের ও বেশী।

বিস্তারিত»

স্তোত্র-১

অভাগিনী,কী দিই তোরে দান?
আমার সকল গান-
অসাড় আজি জীর্ণ-অচল আমার কলতান!
ঢেউ তোলে না অবশ বুকে
সুখ ঢালে না কারুর দুঃখে
চুপটি করে যায় সয়ে তার সকল অপমান!

তোর লাগি সুর বেঁধেছিলাম গভীর মমতায়
কোন সে অসুর,আমার সেসব সুর কেড়েছে হায়
তোর পূজাতে জ্বেলেছিলাম গন্ধবিধূর ধূপ
চাঁদের হতে ধার করেছি শঙ্খশাদা রূপ!
তোর প্রতিমায় সে রূপ জুড়ে-
দেবার বেলায় হৃদয় পুড়ে-
তৈরি হলো বুকে আমার বিষের অতল কূপ!

বিস্তারিত»

প্রথম লেখা – ব্লগিং এর প্রানান্তকর চেষ্টা

ব্লগ বা ব্লগিং এবং এ ধরনের চেষ্টাতে সচেষ্ট থাকার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে বিষয়টা, সেটা হলো সমন্বয়। প্রাপ্ত সময়, মনোযোগ, মনন / শৈলী এবং সাহস – এ তিনটির কঠিন ও যুতসই সমন্বয়ের খুব দরকার। শিরোনাম দেখে মনে হওয়াটা স্বাভাবিক যে আমি নব্য ব্লগার। আসলেও বাস্তবতা সেরকম ই। সময় কি পার হয়ে গেলো? কে জানে? বলা কঠিন, যার সময়মতো হয় না, তার কখনো হয় না। কিন্তু পক্ষান্তরে এটাও সত্যি যে,

বিস্তারিত»

স্মৃতির নুড়ি পাথর

একাডেমিক ব্যাপারে আমার স্মৃতি শক্তি খুব ই খারাপ। আমার এখনকার জীবন থেকে আমার ছেলেবেলা, ক্যাডেট কলেজ লাইফ এই দুটোকে আমি একেবারেই আলাদা করে দেখি। আমার এখনকার এই একঘেয়ে যান্ত্রিক,বিষাদদ্ময় জীবনের সাথে যখন সেই সময়কার জীবনের তুলনা করি তখন আমার মনে হয় আমার একবার জন্ম হয় নি ,আমি আগেও একবার জন্ম নিয়েছিলাম। ভীষন্রকম অতীত চারিতায় আমি মগ্ন হই। সেই অতীতচারিতা আমকে কোন বেদনা দেয় না,কেবলি মুগ্ধতা আরা মোহাবিষ্টতায় আমি আচ্ছন্ন হই সেই জীবনের কথা মনে করে।

বিস্তারিত»

প্রবাসে প্রলাপ – ০১২ (বিশ্বকাপ বিড়ম্বনা)

১।
প্রথম বিশ্বকাপ দেখার স্মৃতি ঘিরে আছে ম্যারাডোনাকে ঘিরে। প্রথম খেলাতেই ক্যামেরুনের শারিরীক ফুটবল দিল সব হতাশ করে। ২টা লাল কার্ড দেখেও ওমাম বিয়িক এর দুর্দান্ত এক হেডে ১-০ গোলে হারিয়ে দেয় আমার প্রিয় ম্যারাডোনা, ক্যানেজিয়ার, বুরুচাগার আর্জেন্টিনাকে। পরের খেলা আর দেখিনি কারণ ছোটবেলা থেকেই কেমন যেন মনে হত আমি যেটা দেখব আমার টিম সেটাতেই হারবে। রুমানিয়ার সাথে সেই খেলায় ১-১ ড্র করেছিল মনে হয় আর্জেন্টিনা।

বিস্তারিত»

চিকিৎসা – ৭,৮

dig1
[১] [২-৩] [৪]
[৫-৬]
সাত
সে বছর আর পরীক্ষার জন্য তৈরী হওয়া হলো না। ততদিনে কেয়ার সাথেও অতুলের সম্পর্ক ভেঙ্গে গেছে। কেয়াদের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কটাকেও বড় বেশি অন্তসাঃর শুন্য বলে মনে হতে লাগলো। ক্রমশ লাবনী আবার নিঃসঙ্গ হয়ে গেল। অথচ নিজের মনের টানাপোড়ন, অস্থিরতা কারু কাছে প্রকাশ করবার জন্য খুব করে একজন বন্ধুর অভাব বোধ করছিল।

বিস্তারিত»

এলাম আমরা কীভাবে?

বিবর্তন সম্পর্কে সাধারণ ধারণার জন্য এই লেখায় ঢুঁ দিতে পারেন।

আমাদের পূর্বপুরুষ এইপ (ape) রা গাছের ডালে ডালে ঘুরে বেড়াতো। যাদের বলা হয়, পুরাতন পৃথিবীর বানর। এই “এইপ” দের থেকেই উদ্ভব হয় Australopith বর্গের (order)। এই বর্গের অন্তগর্ত হলাম আমরা মানুষ, আমাদের সাথে আছে শিল্পাঞ্জি ও গরিলারা। প্রাকৃতিক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওনার জন্যই এইপ থেকে Australopith, এবং Australopith থেকে হোমোসেপিয়ান অর্থাৎ আধুনিক মানুষের বিবর্তন ঘটেছে- ফসিল রেকর্ড দেখে এমনটাই বোঝা যায়।

বিস্তারিত»

চিকিৎসা – পাঁচ, ছয়

dig1
[১] [২-৩] [৪] [৫-৬]
পাঁচ
এদিকে লাবনী প্রাইভেটে ইন্টারমেডিয়েট পরীক্ষা দিবে বলে ঠিক করলো। কোচিং ক্লাসে গিয়ে একদল বন্ধু বান্ধব পেয়ে গেল। ওদের ব্যাপারে বা তাদের সাথে মাঝে মাঝে সময় কাটানোর ব্যাপারে লাবনী আর তখন কোন ভয় নেই। এখানে সবাই ওর মতোই নানা কারণে অনিয়মত ছাত্র ছাত্রী। পড়াশোনার থেকে মুঠোফোনে কথা বলা আর ফেসবুকে নতুন বন্ধু বান্ধবের সাথে যোগাযোগ গড়ে তোলার কাজেই ওদের বেশী উৎসাহ।

বিস্তারিত»

পাঠকের ডায়েরীঃ একজন আরজ আলী

আরজ আলী মাতুব্বরের গল্প আমি প্রথম শুনি এক ঈদের দিন সকালে, ক্যাম্পাসে আংকেলদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের এক জটলায়। ঈদের দিন সকালে একদল মধ্যবয়স্ক মানুষের মাঝে এক কৃষকের গল্প সেরকম মজার কোন বিষয় হওয়ার কথা না কিন্তু তারপরেও আমি দাড়িয়ে দাড়িয়ে শুনে যাই সেই গল্প। কারণ সেটা ছিল আসলে এক অন্যরকম গল্প, সমাজের সাধারণ স্তর থেকে উঠে আসা এক সত্য অনুসন্ধানী মানুষের জ্ঞান পিপাসার বিচিত্র সব গল্প।

বিস্তারিত»

অতঃপর ব্লগর ব্লগর – ৬


জীবন প্রবাহে জীবিকার ছোবলে আক্রান্ত হতে হয় প্রায়ঃশই। কখনো হোঁচট খাই – কখনো বা পিছলে যাই – কখনো বা আমাদের স্রেফ বসে পড়তে হয়। তারপর আমরা হামাগুড়ি দিয়ে নড়তে শুরু করি। ধীরে ধীরে এরপর হেঁটে চলা আর একসময় দৌড়ে চলা। এহেন জীবন যাপনে আমরা অনেক সময়ই বাস্তবতার সাথে সমঝোতা করে নিই। গত ৪ঠা সেপ্টেম্বরের জমকালো ইফতার সন্ধ্যা মিস্‌ করার পর নিজেকে সান্তনা দেওয়ার জন্যই বোধকরি এ ভূমিকাটুকুর অবতারনা।

বিস্তারিত»

চিকিৎসা – ৪

flower bowl
এক দুই তিন
চার
ফেরার পথে সারা পৃথিবী চষা সুমন লন্ডনে একবার তার পুলিশের হাতে পরে নাস্তানাবুদ হওয়ার গল্প বলছিল।
স্বপ্নাতুর চোখে লাবনী জিজ্ঞেস করলো,
-লন্ডন শহরটা কেমন?
-শহরটা অনেক পুরনো তো তাই একটু ঘিঞ্জি ধরনের। রাস্তাঘাট ছোট ছোট, বাড়িঘর দোকানপাট খুব লাগোয়া। ব্যস্ত মানুষজন পেভমেন্ট দিয়ে হাঁটছে। পথে ঘাটে সব সময় গাড়ি, বাস,

বিস্তারিত»