এরেই বলে ‘টেক কেয়ার’ !!!

এয়ারফোর্সে চান্স পাওয়ার পর থেকেই মনের ভিতর জানি কেমন কেমন লাগা শুরু হইল,সেই সময় আবার ‘ভীর-জারা’ মুক্তি পেল।মোনতাসিমদের বাসায় প্রায়ই যেতাম(মোনতাসিম ও চান্স পেয়েছিল,বুদ্ধিমান দেখে জয়েন করে নাই)।আমি আর মোনতাসিম ‘ভীর-জারা’র গানগুলি দেখতে দেখতে ভাবতাম আমরা আই এস এস বি কোয়ালিফাইড(হোয়াট এ সুপার কোয়ালিটি!!), এই বুঝি মেয়েরা প্রোপজ করা শুরু করল…একজন আরেকজনরে বলতামঃ
দোস্ত,তোর কি বিরক্ত লাগবে না,এত মেয়ে সামলাইতে?কয়টাকে রিফিউজ করব?
আরে আমরা কি সবাইকে বেল দিব নাকি?একজন/দুইজন থাকবে কনস্ট্যান্ট,বাকিদেরকে :just: ঘুরাবো!
ইত্যাদি ইত্যাদি।

যাই হোক,সময়ের চাকা ছাড়া আর কিছুই ঘুরল না।দেখতে দেখতে ১১ই জানুয়ারি(২০০৫) চলে আসল।

আমাদেরকে বলা হয়েছিল চট্টগ্রামে বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরে রিপোর্ট করার জন্য,সেখান থেকে বি এম এ তে নিয়ে যাওয়া হবে(প্রথম ১০ সপ্তাহের জন্য)।শার্ট-প্যান্ট-সোয়েটার-স্যু ইত্যাদি পড়ে রওয়ানা দিলাম।এক মামা আছেন,তিনি মেজর,বলেছিলেন : কেডস পড়ে যা,দৌড় ঝাঁপ হবে কিনতু। আমি বলেছিলাম : মামা, আমি স্যান্ডেল পড়েও দৌড়াতে পারি(ক্লাস সেভেনে থাকতে,মাগরিবের নামাজের পর হাউসে আসার সময় কত্ত দৌড়িয়েছি… 🙂 ),আর স্যু থাকতে তো এসব কোনো ব্যাপারই না।কলেজে কত্ত পাঙ্গা খেলাম,কিছুই হয় না।

জহুর ঘাঁটিতে বেশ কিছু ফরম্যালিটিজ শেষ করে যখন লাঞ্চ করি,তখন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মুকিত স্যার বললেন : যা পার,খেয়ে নাও।কারন… 🙂 🙂 🙂 সামনে বেশ কিছুদিন কিছু খাওয়ার সুযোগ পাবে না।বিশ্বাস হল আবার হল না।ভাবলাম একবার খালি ডাইনিং এ ঢুকতে পারলেই হয়,সাবা কিরকিরা করে দিব।

বি এম এ আসতে আসতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গেল।গেটের কাছে দেখলাম খাকি ড্রেস পড়া অনেকেই হাঁটাহাঁটি/টেবিলে বসে লেখালেখি করতেছে ।এয়ারফোর্সে আরও ২ জন,আর্মিতে আরও ৪/৫ টা মাহমুদ নামের ছিল।আমারে একজন বললঃ ইয়্যু আর এম.রহমান।
অমি কনফিডেন্টলি বললামঃ মাই নেম ইজ মাহমুদ।(ক্যাডেট নামটারে খুব ভালবাসি,চোখের সামনে অদল বদল মানতে পারছিলাম না)
হুংকার দিয়া বললঃসো হোয়াট?? x-( হোয়াট ডু ইয়্যু ওয়ান্ট টু সে?
আমি তখনও আউল হই নাই,চিমসানো গলায় না বোঝার ভান কইরা বললামঃ মাই নেম ‘ওয়াজ’ মাহমুদ।
লাভ হইল না।
“গো ইন সাইড”-আবারও ব্যাঘ্র গর্জন…(কবীর ভাই বলেছিলেন এম রহমান নাকি মাহমুদের চেয়ে ম্যাচুরড্ শোনায়,কিনতু এই নামে কলেজে মেস ওয়েটার ছিল একজন,তাই একবার চেষ্টা করেছিলাম আর কি)

ভিতরে ঢুকে একটা গ্রুপের সাথে অপেক্ষা করছি,শুনলাম কে জানি এসে আমাদেরকে বেলম্যান হ্যাংগারে নিয়ে যাবে,সেখানে ডকুমেন্টেশন হবে,আমরা জাহাঙ্গীর কোম্পানীতে পড়ছি,এই কোম্পানীটা সবচে’ দূরে-যাওয়া আসাতেই মাইল টেস্ট ইত্যাদি।ইতোমধ্যে বুঝে গেছি এখন থেকে যারে দেখব ধমকাধমকি করছে,তারা সিনিয়র,সবাইরে স্যার বলতে হবে।কলেজের সৌহার্দ্যপূর্ণ ‘ভাই’ ডাক…শেষ। 🙁

আমি অবশ্য কলেজের সিনিয়রদেরকে কলিগদের সামনে ছাড়া কখনো স্যার বলতে পারি নাই। :frontroll:

একজন এসে জিজ্ঞাসা করলঃহোয়াই সাম অফ ইয়্যু আর পুটিং অন কেডস?ডোন্ট থিংক ইয়োরসেলফ টু মাচ স্মার্ট।
আমি খুশি,ভাবলাম আমি তো পরি নাই,তাহলে তো এই স্যারের চোখে আমি খানিকটা ভাল O:-) একটু কথা বলে আসি।

কি একটা জানি প্রশ্ন করেছিলাম,মনে নেই।কথায় কথায় স্যার বললঃ হোয়াই ইয়্যু জয়েনেড হেয়ার?
স্যার,ডিফেন্স লাইফ ইজ এডভেঞ্চারাস।
রিয়েলী?
ডেফিনিটলি স্যার।
আর ইয়্যু হিয়ারিং এনিথিং?
(কোথা থেকে জানি খুব চিল্লাচিল্লির আওয়াজ আসতেছিল,রাত হয়ে গিয়েছে তাই বেশী দূর দেখা যাচ্ছিল না )
স্যার,মে বি সাম পিপল আর প্লেয়িং।
হা হা,ইয়্যু উইল ফিল দ্য জোক :grr: :grr: ইয়োর কর্পোরাল উইল ‘টেক কেয়ার’ অফ ইয়্যু…।ভাবলাম কর্পোরাল নিশ্চই কবীর ভাইর মত সবকিছু বুঝিয়ে দিবে আমাকে,কিনতু একি হায়!রিয়াজ স্যার আমাদের উদ্দ্যেশ্যে প্রথম যে বাণী দিয়েছিলেন তা হলঃফা* ইয়্যু
একজন তরুণ তার চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট একদল তরুণকে এই কথা বলতে পারে দেখে জাতি হতবাক! 😮 (আমাদের কর্পোরাল ছিলেন রিয়াজ স্যার(এফ সি সি),ল্যান্স কর্পোরাল ছিলেন সেলিম স্যার(আর সি সি),সাঈদুল স্যার(আর সি সি)।সাঈদুল স্যার মোরাল দিয়া পাঙ্গাইত,কিনতু রিয়াজ স্যার আর সেলিম স্যার…উফ্!খবর হয়ে গিয়েছিল।১০ সপ্তাহ পর চলে আসার সময় অবশ্য স্যারদের সাথে পুরা ফ্রি হয়ে গিয়েছিলাম।আর রিয়াজ স্যারের GF ছিল স্যারের এয়ারফোর্স কোর্সমেট,so স্যার তো আমাদের দুলাভাই :goragori: মাঝে মাঝে পাঙ্গার সময় এসব বিষয় নিয়ে কথা তুলে,আলোচনা দীর্ঘ করে ..একটু রিলাক্স করতাম )

কার কার সাথে তখন দেখা/কথা হয়েছিল,পরে আমি অনেক কিছু মনে করতে পারি নাই।পুরা সময় ছিলাম একটা ঘোরের মধ্যে।

যাই হোক,হঠাৎ কে জানি এসে চিৎকার করে বললঃ অল অফ ইয়্যু টেক ইয়োর ব্যাগ ওভার হেড…রান আপ রান আপ

আমি ধীরে ধীরে আমার অতীত,বর্তমান সব কিছু ভুলে যেতে লাগলাম।পুশ আপ,ফ্রন্ট রোল,সাইড রোল ইত্যাদি কানের কাছে শুনছি অনবরত।খাকি ড্রেস পড়া শত শত মানুষের ভীড়ে শুধু কলেজের কয়েকজন ‘ভাই’ ছাড়া কাউকে চিনতে পারি নাই।ডকুমেন্টেশনে প্রিন্স ভাই(ক্যাপ্টেন কামরুজ্জামান ৫২ বি এম এ) বললেনঃমাহমুদ,ওহ্ স্যরি এম রহমান,সামনে খুব টাফ টাইম যাবে।তুমি সাসটেইন করতে পারবা,i know you are an athlete,নো প্রবলেম।জাস্ট লেগে থাক।

আমি লেগে থাকলাম! :frontroll: :frontroll: :frontroll:

অনেকক্ষণ প্রপার পাঙ্গা ক্যারি করলাম।কিনতু বুঝতে পারছি না যে শেষ হবে কখন!কয়টা বাজে তা ভাবার/দেখার কোনো চান্স নাই।এক গ্রুপের সাথে ফ্রন্টরোল শুরু করি,দেখা যায় আরেক গ্রুপের সাথে ‘গেট আপ’ করছি।ভাবলাম একটু রেস্ট নেই।তাই একবার শ্যুট দিয়ে এসে ফল ইন হওয়ার সময় অজ্ঞান হবার মত পড়ে গেলাম।কে জানি বলতেছিলঃ”ক্যাডেট কলেজ থেকে আসছে না?কিচ্ছু হয় নাই,ভং ধরছে।” আমার এত কথা শুনে লাভ নাই।আমি চান্সে থাকলাম,আরেক গ্রুপের সাথে পরে আস্তে করে জয়েন করে গেলাম। :gulli2:

কোনো এক সময় কোম্পানীতে আসলাম।রুম নাম্বার ছিল সম্ভবত ৬৫। ৩০ সেকেন্ড সময় দিল ড্রেস চেঞ্জ করার।তারপর গেলাম এন্টি রুমে(টিভি নিউজ দেখার জন্য)।আমার পাশে বসলেন একজন স্যার(২য় টার্মের,ইউনিফর্ম পড়েছিলেন),বললেনঃহু আর ইয়্যু?
জিসি এম রহমান,স্যার সালাম স্যার।
ডু ইয়্যু নো মি?
ইয়েস স্যার,ফাহিম স্যার,সালাম স্যার।(নামের আগে রাংক/টার্ম তখনও শিখি নাই )।
ফাকেন …টেল দ্যাট সেকেন্ড টার্ম ফাহিম স্যার,ওকে?নাউ বাটাকাপ
আমি বুঝতেছিলাম না বাটাকাপ কি?পরে বুঝলাম ‘বাটাক’ আপ করে বসে থাকতে হবে!আরেক পাঙ্গা..

অনেকক্ষণ পর বসার সুযোগ পেয়ে বারবার ঘুমিয়ে পড়ছিলাম।ঘুম ভাঙল “জাহাঙ্গীর কোম্পানী জুনিয়র ডিভিশন বসে বসে সাবধান হবে,সা…বধান” শব্দে।তার কিছুক্ষণ পড় “গেট আপ প্লীজ”

এবার বহু প্রতিক্ষীত ডিনার..প্রচণ্ড ক্ষুধা পেটে।১০০/২০০ পুশ আপ দিয়ে ঢুকলাম ভিতরে।খেতে বসতে না বসতেই কার জানি সামান্য আওয়াজ হল কাঁটাচামচে,সাথে সাথে আমরা হয়ে গেলাম আনকার্টিয়াস & buffoon. ব্যস,আবার বাইরে,পুশ আপ দিয়ে দিয়ে মানুষ হবার চেষ্টা করলাম,আবার ভিতরে,আবার শব্দ,আবার বাইরে…শব্দের দুষ্ট চক্রে পতিত আমরা সবাই :((

একসময় আসলাম জাহাঙ্গীর কোম্পানীর ৪র্থ তলায়,১ম টার্ম পোর্চে।রিয়াজ স্যার বললঃ”হু অল ওয়্যার এপয়েন্টমেন্ট হোল্ডার ইন কলেজ?”হাত তুললাম।”হোয়াট ওয়াজ দ্যাট?”
স্যার,হাউজ প্রিফেক্ট।
ইয়্যু ওয়্যার লর্ড দেয়ার!বাট নাউ ইয়্যু আর শিটি ফার্স্ট টার্ম!ইয়্যু অল উইল বি ফা**ড ~x(
অনেকক্ষণ একের পর পাঙ্গা খেলাম সেখানে।একফোটা ঘুম তো দূরের কথা,বসতেও পারি নাই।রিয়াজ স্যার যখন যান,তখন সেলিম স্যার আসেন।পাঙ্গানোর জন্য ২ শিফট,পাঙ্গা খাই আমরা একটাই শিফট।একসময় শুরু করলাম ‘নাইস বাথ’ তারপর সাইড রোল।কিভাবে যে পারছিলাম ঐ শীতের মধ্যে কে জানে?

গভীর রাতে মাঠে চলে গেলাম।শুধু একটা পিটি হাফ প্যান্ট পড়ে আছি,খালি গায়ে-খালি পায়ে।শ্যুট দিয়ে এসে সবাই গা ঘেষাঘেষি করে দাঁড়াই যেন ঠান্ডা কম লাগে। পাঙ্গার সাথে সাথে শাউট করছিলামঃ হু ইজ আওয়ার বি এস ইউ ও?বি এস ইউ ও আমিন স্যার(পি সি সি) সালাম স্যার…/হু ইজ আওয়ার সি এস ইউ ও?সি এস ইউ ও সাইফুল স্যার(এস সি সি) সালাম স্যার।

মোটামুটি এইভাবে কেটেছিল সেই কালরাত।পরের কোর্স থেকে নাকি লাইটস আউট ছিল!৩ ঘন্টা করে ঘুমানোর চান্স পেয়েছে তারা..আর আমরা… হায় রে,আমাদের কি দোষ?তবে এখন এসব ভাবতে ভাল লাগে;কি কষ্টের দিন ছিল সে সময়!কিনতু কেউ যদি অপশন দেয় আমি চীফ হব,just ঐ লাইফটা আবার maintain করতে হবে কয়েকদিনের জন্য,তাহলে বলবঃ :no:

রিলাক্সের সাথে কোনো রকম আপোষ..ক্যাডেটরা করে না।

৩,৮৪৩ বার দেখা হয়েছে

১২৯ টি মন্তব্য : “এরেই বলে ‘টেক কেয়ার’ !!!”

  1. রাজীউর রহমান (১৯৯৯ - ২০০৫)

    ভাই, ভয়ের চোটে ISSB দেই নাই।কলেজে থাকতে প্রতি শীতকালে একবার করে প্রতিজ্ঞা করতাম, আর্মিতে যাব না। নিজেরে বড়ই সৌভাগ্যবান মনে হইতেছে। O:-)

    জবাব দিন
  2. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    লেখাটা পড়ে সেই ২০০৪ সালের আমার তিন মাসের ক্ষুদ্র বিএমএ জীবনে ফিরে গেলাম।সব কিছু এত্ত জীবন্ত!আরো মজা লাগল ৫৩ লং কোর্সের আমার দোস্ত সাইদুর,রিয়াজ এদের কথা পড়ে।লেখা খুব ভাল হইছে- :boss:

    জবাব দিন
  3. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    :shy: আচ্ছা আমরা আইএসএসবি কোয়ালিফাই করার পরে দেখতাম সবচেয়ে ইয়ো টাইপ পোলাটাও ইনফর্মাল ফ্যামিলি গ্যাদারিঙ্গে শার্ট ,প্যান্ট জুতা পইড়া প্রোপার হেয়ারকাট দিয়া যাইতেছে।নিজেরাও এমন করছি :shy: তোমাদের সময় কি এইটা ছিল না উইঠা গেছিল???এখনকার ডিজুস আর্মি অফিসার রেজুরে দেখলে তো মনে হয় উইঠা গেছিল x-(

    জবাব দিন
  4. মুসতাকীম (২০০২-২০০৮)
    মোটামুটি এইভাবে কেটেছিল সেই কালরাত।পরের কোর্স থেকে নাকি লাইটস আউট ছিল!৩ ঘন্টা করে ঘুমানোর চান্স পেয়েছে তারা..আর আমরা… হায় রে,আমাদের কি দোষ?

    ভাইরে এমন মিথ্যা দাবীর তীব্র প্রতিবাদ জানাই 😕 😕 😕 😕


    "আমি খুব ভাল করে জানি, ব্যক্তিগত জীবনে আমার অহংকার করার মত কিছু নেই। কিন্তু আমার ভাষাটা নিয়ে তো আমি অহংকার করতেই পারি।"

    জবাব দিন
  5. মাহমুদ (১৯৯৮-২০০৪)

    পাঙ্গা কমার ব্যাপারটা আমাকে বলছে আমারই কলেজের পোলাপাইনরা।এখন তাহলে আবার বাড়ছে?
    ব্যাপার না,লেগে থাক। :thumbup:
    ৫৬ বি এম এর মাহমুদ হল সম্ভবত শিশির মাহমুদ তালুকদার,কলেজে নাম ছিল শিশির।
    কলেজ ভাইর রুমে গিয়া হালকা পাতলা ঘুমানো তো কোনো doubt না,এটা অধিকার। 🙂
    মাসরুফ ভাই,tradition remains.. :-B :-B

    জবাব দিন
  6. মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)

    একেবারে জীবন্ত মনে হচ্ছে... ৭ বছর আগে ২১ জানুয়ারির কথা মনে পড়ে যাচ্ছে...
    আমরা ১০ জন (৯ ক্যাডেট+ ১ সিভিল) জয়েন করলাম রাত ১২ টার পর... ভেবেছিলাম পাঙ্গা কম খাব, কিন্তু হায়...!!! পরবর্তি কাহিনি বর্ননা করতে চাই না... বুঝে নিয়েন কি হয়েছিল...।।

    জবাব দিন
  7. মাহমুদ (১৯৯৮-২০০৪)

    আমাদের কোর্স ফল ইন গুলিতে প্রথমেই একটা ভাগ হয়ে যেত: who all were the late comers?Fall Out
    এমন কি কোম্পানী ফল ইনেও এটা হত!
    so,আপনার কষ্ট 'ক্লোজ হোল' করে visualize করে নিলাম sir.. 🙂 🙂
    :frontroll: :frontroll: :frontroll: দিচ্ছি

    জবাব দিন
  8. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    অনেক কিছু মনে পড়ে গেল... জাহাঙ্গীর কম্পানীর স্কোয়ার প্রথম কয়েক সপ্তাহ তো সারারাত ঐ খানেই কেটেছে।

    তবে ক্যাডেটদের কলেজ ভাইয়ের ডাউট নেয়া জিনিষটা নন ক্যাডেটদের বেশ নেগেটিভলি ইফেক্ট করে, আমি জিনিষটা কখনোই সাপোর্ট করতে পারিনি।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  9. মাহমুদ (১৯৯৮-২০০৪)

    সবখানেই তো ক্যাডেটরা :gulli: খায়।নন ক্যাডেট তো বলেই এমনকি আমার কতিপয় :just: Friend রাও বলতোঃ"শুনেছি ক্যাডেট কলেজের ছেলেরা নাকি ...." ইত্যাদি ইত্যাদি ~x( ~x(
    একমাত্র এই একজায়গাতেই একফোঁটা relax পাই ;))
    ছোট্ট ভাইটিকে বিপদে আশ্রয় দিন(যদি সে ফাক আপ না মেরে থাকে) 🙂

    জবাব দিন
  10. মুহিব (৯৬-০২)

    আমার মনে হয় বিএমএ তে যোগদানের দিনটা সকল সামরিক অফিসারদের জীবনে এক স্মরণীয় দিন। সবারই এরকম মজার মজার ঘটনা আছে মনে হয়। তোমার লিখা পড়ে ২১শে জানুয়ারী ২০০৩ এর কথা মনে পড়ে গেল।

    বিএসইউও আমিন (৫২) , আমি যতদূর জানি এক্স ক্যাডেট না।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।