বৃষ্টি-৭

খোলাছাদে এই যে বৃষ্টির কণাগুলো
অবিরল শরীর ছুঁয়ে
মুখ ঠোঁট বুক চুঁয়ে
নেমে যায়
কবেকার কোন্‌ পাহাড়ি মেয়ের
উদ্‌গত অশ্রুগাঁথা নিয়ে,
কে জানে।
আমি শুধু লম্বমান।
ভিজে চলি
বালিকার তীব্র অভিমানে।

এদিকে কান্নাগুলো
কখন চুপিচুপি
ছাদের থেকে নেমে
নালা-নদী হয়ে
চলে গেছে সমুদ্রের কোলে।
মেয়েটি?
ততক্ষণে চোখ মুছে নিয়ে
আকাশের নীল খাম ছিঁড়ে
মেঘের ফেরত-চিঠি খোলে……..

বিস্তারিত»

স্নানপর্ব-৬

তেরচা এসে
বৃষ্টির বেশে
ঝাঁপিয়ে’
(তার)
শরীরভরা
বিষণ্ণতা
কাঁপিয়ে

এঁকেবেঁকে
নামছিলো;

ঠিক তখন।
ফোঁটাগুলো শুনতে
পেলো
সাবানটির
ফেনিল
কথোপকথন:
মেয়ে তুমি
এবারো,
গোপনে
অবিরাম
কান্না
ঝরাতে পারো……

বিস্তারিত»

ঈদ মোবারক!!!

১)ঈদের দিনে বাকি সবাই যখন এইদিক ওইদিক বিজি থাকে,এই অধম মাস্ফ্যুরই প্রতিবার দায়িত্ব পড়ে সিসিবির ইঞ্জিনটা চালু রাখার।এই ঈদেও তার ব্যতিক্রম নাই।

২)মেলাদিন সিসিবির কোন গেটটুগেদার হয়না।ভাবতেছি ঈদ পুনর্মিলনীর একটা ব্যবস্থা করলে কেমন হয়!এডু-মডু স্যারদের অনুমতি সাপেক্ষে বাকি সবাইকে প্রস্তাবটা বিবেচনায় আনতে বিনীত অনুরোধ করছি।

৩)মানুষ হিসেবে আমরা কেউই ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে না।আমরা জানি সিসিবিতে শেষ কয়েকদিন বেশ গুরুগম্ভীর পরিবেশ গিয়েছে।এই ঈদের দিনে চলুন না নতুন করে জেগে উঠি!প্রকৃতিতে মেঘ যেমন স্বাভাবিক,মেঘ কেটে যাবার পর সূর্যের ঝলকানিটাও তো স্বাভাবিক!

বিস্তারিত»

চান রাত এবং sms যুদ্ধ

আজকে চান রাত…সবাইকে ঈদ মোবারক…কয়েকদিন আগে রবিন (ককক) আমাদের sms কাব্যের একটা নমুনা পেশ করছিল……সেই সূত্রেই আজকের পোস্ট। ইফতার এর পর থেকেই শুরু হল আমাদের যুদ্ধ, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত sms-গুলো লিখে দিলাম…দেখা যাক এর শেষ কোথায় হয়……।

রবিন (ককক):
ইফতারের দিন হল শেষ,
কি চমতকার বেশ বেশ।
কাল থেকে হবে দিনে খাওয়া,
ইলিশ-পোলাও আর দাওয়াত যাবে পাওয়া।
ঈদের জন্য সবাই খুশি,

বিস্তারিত»

অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (আমি যখন সংখ্যালঘু)

মাঝে মাঝে এই প্রবাস জীবনে খন্ড খন্ড অনেক আনন্দের মুহূর্ত চলে আসে। এই যেমন গাড়ি চালিয়ে যখন পাহাড়ের ঢাল বেয়ে সমতলে নামতে থাকি দূরে দেখতে পাই সাগরের এক ফালি অংশ। রূপালি রেখা, চিকমিক। আর রাতের বেলা হলে দেখবো সেই সাগর পাড়ের শহরটিতে স্তব্ধ জোনাকীদের মেলা। একেকটা এনার্জি সেভিং বালব যেন একেকটা জোনাকী। তারা সেখানে জ্বলেই আছে, নিভতে ভুলে গেছে। তাই দেখে মনটা ঝকমকিয়ে উঠে।

বিস্তারিত»

মেডিকেল সায়েন্স ফিকশনঃ নাথিং গন ইউসলেস


সায়েন্স ফিকশন মানেই কি রোবট, ইলেকট্রনিক্স, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি …ইত্যাদি…ইত্যাদি? মেডিকেল সায়েন্স নিয়েও ফিকশন হতে পারে। বিশ্বাস না হলে পড়ে দেখেন……]

কার্ডিন-এর শরীরটা গত কয়দিন ধরে খুব খারাপ যাচ্ছে। এমনিতেই সারাদিন-রাত একটানা কাজ করে যেতে হয়, বিশ্রাম নেয়ার এতটুকু সময় পর্যন্ত নেই। তার উপর এখন আবার শরীরটাও খারাপ হওয়া শুরু করলো। আর বিশ্রাম নেবেই বা কেমন করে? ওর উপরে ভরসা করেই তো বেঁচে আছে পুরো রাজ্যটার প্রতিটা নাগরিক।

বিস্তারিত»

জীবনালেখ্য

জিতু আপির উপর আমার একটু রাগ হচ্ছে । বাবা তোমার স্টোরে জায়গা নাই , ভাল কথা । তাই বলে তোমার সব লেখাই আমার প্রিয়তে রাখতে হবে—–এ কেমন কথা ? নারী কবিতা পড়েই বোধহয় লিখতে বসেছিলাম……………………

কেউ কথা রাখেনি……………………………

ভয় পেলে ? হা হা হা ভয় নেই,
সুনীলের মত কোন প্রেম কবিতা শোনাতে বসিনি তোমাদের ।
দু’হাত ভরে প্রেমের উপাদান বিলাতে বিলাতে
আমি নিজেই যে আজ নিঃস্ব প্রায় ।

বিস্তারিত»

এই দিনে সেই দিন

আশির দশকে আমরা তখন খুলনায় থামতাম। খুলনা আমার শৈশব এবং কৈশোরের শহর। পৃথিবীর আর কোন শহর এতো বেশি নিজের মনে হয়না। শান্ত এবং স্নিগ্ধ একটি শহর। আমার প্রথম স্কুল সেন্ট জোসেফস, বাসা থেকে হাঁটা দূরত্বে ছিল। আমাদের বাসাটি ছিল ৩৬ আহসান আহমেদ রোড। সেই রাস্তার এক মাথায় ছিল বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আরেক মাথায় ছিল প্রাইমারি টেনিং ইন্সটিটিউট। আর পুরো রাস্তা জুড়ে যেন আমার রাজত্ব ছিল।

বিস্তারিত»

সম্প্রতি অথবা-নগরে

[বহুযুগ আগে, সম্ভবত আগের জন্মে, আমি অফিসে বসে ব্লগিং করতাম। সময় বদলে গেছে প্রথমালু’র চাক চাক বাণীতে, মশলায়। তাই আমি এখন অফিসে বসে ব্লগাইতে পারি না। যা পারি, তা হলো টুকরো টুকরো চিন্তা করতে। অচিরেই চারপাশের হাউকাউ সেই চিন্তার সুতো ছিঁড়ে ফেলে। সেই চিন্তার সুতোগুলো জমিয়ে রাখছিলাম। আজকে জমানো সুতো দিয়ে কিছু বুনে ফেলার একটু সময় পেলাম।]


কাচের জানালায় জমা হচ্ছে ড্রিজ্‌ল বিন্যাস,

বিস্তারিত»

অপমৃত্যু

চলে গেলো ওরা…
আমার দিকে ফিরে তাকালোনা একবার……
একবারও কেউ বললো ন “তোমাকে দু’চোখে দেখতে পারি না আমি……………
……………………………………………………………
……………………………………………………………
এমনই বোধ হয় কিছু একটা লিখেছিলাম আমার জীবনের প্রথম কবিতা হিসেবে । তাও আবার লিখেছিলাম আমার ২ ব্যাচ জুনিয়র যখন কলেজ থেকে এস এস সি পরীক্ষার ছুটিতে যাচ্ছিলো আর আমি আমার রূমের জানালা দিয়ে তাদের দেখছিলাম , তখন । জানিনা কেন সেদিন প্রথমবারের মত আমার মাঝে কবিত্ব জেগে উঠেছিল ,

বিস্তারিত»

একটি শিরোনামহীন গল্প

-হ্যালো, কোথায় তুমি?
-এইত আর ৫ মিনিট।
-দশ মিনিট আগেই তো বললে ৫ মিনিট, এখনও ৫ মিনিট শেষ হল না তোমার…
-দাড়াওনা বাবা আর কিছুক্ষন, ২ বছর আগে তো ঘন্টার পর ঘন্টা আমার জন্য ওয়েট করতে,
শুধু আমার মুখের একটা কথা শোনার জ়ন্য……এইত আমি বের হলাম রুম থেকে, তুমি রিকসা ঠিক করেছ তো ?
-হ্যা করেছি, তুমি আস তাড়াতাড়ি…
-এইত লিফট এ আমি…

বিস্তারিত»

দুটি কবিতা/ গান পড়ুন (একটি শুনতেও পাবেন)

আমার সর্বশেষ ব্লগটিতে কথা দিয়েছিলাম যে, সুরসহ কবিতা লিখে দেব পরবর্তী পোস্টে। আজ দু’টি কবিতা পোস্ট করছি- প্রথমটি সুরছাড়া…এবং দ্বিতীয়টি সুরসহ। আপনাদের কেউ যদি গানের ট্র্যাক বানাতে পারদর্শী থেকে থাকেন, আমার সাথে ব্যক্তিগত বার্তায় যোগাযোগ করতে পারেন।
প্রথম গানটি নিয়ে আমার একটা স্বপ্ন আছে- মূলত সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী সুর দিয়েছি গানটিতে, গানটি শুধু গ্র্যান্ড পিয়ানোতেই হবে, অন্য কোন বাদ্যযন্ত্রের আধিক্যতা থাকবেনা। আর দ্বিতীয় গানটিকে সুর করার সময় একটি মেলোডিয়াস মৌলিক সুরের গান সৃষ্টির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছি।

বিস্তারিত»

পুরুষ

আমাকে ভালবাসবার জন্যে তোমাকে পুরুষ হতে হবে।

আমার নেই প্রয়োজন নীল পদ্ম
কিম্বা
দুরন্ত ষাঁড়ের চোখে লাল কাপড় বেধে দেবার।
পুরুষ হবার জন্য
তোমাকে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে
রাক্ষসের প্রানভ্রমর কবজ করতে হবে না;
দিগ্বিজয়ী বীরও হতে হবে না তোমাকে।
সাহস তো জোয়ান অব আর্ক, তারামন বিবি বা
দেবী চৌধুরানীরাও দেখিয়েছিল।
দুর্গার শক্তির কাছে নাকি হার মেনেছিল
মহিষাসুরও!

বিস্তারিত»

অপূর্ণ শেষ ইচ্ছা

বাইরে সুন্দর একটি আলো আলো দিন। ঠান্ডাও না, আবার গরমও না। আসিফ সাধারনত অফিস থেকে দেরীতে ফেরে। আগে ফিরেও বা কি করবে। অফিসের অন্যরা প্রায় সবাই চলে গেছে তখন। একা অফিসে থাকতে ভালই লাগে আসিফের। জালনা দিয়ে বাইরের দূর পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে ভাল লাগে। অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায় তার চার তলার অফিস থেকে। এই দিকেই তার ফেলে আসা জন্মভূমি, তবে অত দূর দেখা যায়না।

বিস্তারিত»

কয়েকজন ‘আমি’র জন্য নস্টালজিয়া

আইপিএল ২০০৮……রাজস্থান রয়েলস এর খেলা। খেলা তুমুল জমছিল! আর ফর্মে রাজন Razasthan Royals, Razasthan Royals করতে করতে মুখে ফেনা তুলার মতো অবস্থা। আমরা পরে বিরক্ত হয়ে এই টিম এর নাম দিয়েছিলাম, “RazaNsthan Royals”। ওর পাগলামী দেখে পোলাপান ওরে খেপানোর চান্সটাও মিস করছিল না। খালি টয়লেটে যায়, আর এসে ফ্লপ মারে। “মোবাইলে দেখে আসলাম…রাজস্থান রয়েলস এর ৪০/৬…” এইসব! তারপর সবাই মিলে রাজনরে পচাই। চরম মজা পাচ্ছি।

বিস্তারিত»