কাজ করতে একটুও ইচ্ছে করছেনা।কি ভীষণ গরম! সিগারেট খাবার জন্য দুবার অফিসের বারান্দায় এসেই ঘেমে নেয়ে যাবার উপক্রম। দরজা ঠেলে ফের ভেতরে ঢুকতেই নিশা, আমার ব্যক্তিগত সুন্দরী (সরি, সেক্রেটারি), এখনো মানুষ হলেনা-গোছের দুষ্টু হাসি দিয়ে নাক চেপে ধরলো। নাহ্ আজ পালাবো। একটু ইটিশ পিটিশ করতে ইচ্ছে হচ্ছে আজ….
কাল একটু ভালো করে সাজগোজ করে এসো কেমন? কাজ আছে… নিশাকে বলে বেরিয়ে পড়লাম।
সিঁড়ি দিয়ে দুরদার করে নামতে নামতে দেখি পৃ-র মেসেজ।
আমার নতুন বান্ধবী
আমার বাবার জন্ম হয়েছিল উনিশ শতকে। তার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে জমা ছিল ব্রিটিশ আমলের লাটবাট থেকে আরম্ভ করে পাক শাসনামলের ক্রঢ়তা পর্যন্ত অনেক কিছুই। তবে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেটি তার হয়নি, ক্যাডেট কলেজে পড়ার। আমাদের সময়কার ক্যাডেট কলেজের নিয়ম কানুন, রীতি রেয়াজ থেকে এখনকার কলেজগুলো যে অনেকটাই ভিন্ন সেটা চাকুরী সুবাদে ১৯৯০ সালে এ এ জি ক্যাডেট কলেজ থাকার সময়ই টের পেয়েছিলাম। তাও লোভ সংবরন করতে পারিনি একমাত্র মেয়েকে ক্যাডেট হিসেবে দেখার।
বিস্তারিত»অরন্যের একটি দিন এবং একটি রাত্রি – ২
২
ব্যাকগ্রাউন্ডে তখনও বাজছে –
Hooray! Hooray! It’s A Holi-Holiday
what a world of fun for everyone, holi-holiday
Hooray! Hooray! It’s A Holi-Holiday
ফ্রেমে একে একে ভেসে উঠছে রিসোর্টটির লোকেশন।
সবুজ ঘাসে উপর হরিন হেঁটে বেড়াচ্ছে – পাশে সুইমিং পুল।
কৃত্রিম লেকে বোট রাইডিং – ঝিরি ঝিরি বাতাসে গাছের পাতা গুলো দুলছে…
সব মিলিয়ে খুবই প্রানবন্ত একটি বিকেল।
পরম
সুন্দর সত্য হে স্বত্বা অনাদি অনন্ত
বসে আছি প্রতীক্ষায় যতক্ষণ নারি
হৃদয় স্পন্দনে মম স্মরণে তোমারি
ছুয়ে যাবো ঠিক হেথা যেথায় সীমান্ত।
নষ্ট যুগের ভ্রষ্ট অবগাহনে ক্লান্ত
বিষন্ন পথিক, কী হারিয়ে খুঁজে ফিরি
গুরুকে জুতা মেরে তারপর গরু দান
লাউফুল চৌধুরী । একে তো লাউগাছের ফুল তারসাথে আবার চৌধুরী। নামটা নিয়ে সুযোগ পেলেই রসিকতায় মেতে ওঠে ছাত্ররা। নতুনদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে বলা হয়, নামটা শুনে সুন্দরের যত সুবাস পাওয়া যায় নামটা আসলে ততই দূর্গন্ধ ছড়ায়। পোলাপান আড়ালে আবডালে কেউ ডাকে খ্যাক, কেউ ডাকে খ্যাত ।
তিনি আবার শিক্ষক মানুষ। সে সুবাদে স্যার শব্দটাও যোগ হয়েছে সাথে। ইশকুলে তার নাম হয়েছে খ্যাক সাহেব,
বিস্তারিত»ছোট্ট আমি
আমি একজন পারফেক্ট গাব। বড় ভাই ক্যাডেট কলেজে পড়া সত্ত্বেও আমি আবার সেখানে পড়তে যাই। ক্লাস সেভেন এ যখন ঢুকি ক্লাস এইট এর ভাইয়া দের কে মনে হত এরা মনে হয় অন্য জগতের মানুষ। বাইরের ছেলেদের মত হাসে না, তাদের মত চলাফেরা করে না। কেমন যেন একটু অন্য রকম। এর পর তারা দেখি বলে সিনিয়র এর সাথে ঠিক ভাবে বিহেভ করতে। ঠিক ভাবে বিহেভ করা বলতে যে ঠিক কোনটাকে বোঝায় আমি তখন ও বুঝি না।
বিস্তারিত»বৃষ্টি-৭
খোলাছাদে এই যে বৃষ্টির কণাগুলো
অবিরল শরীর ছুঁয়ে
মুখ ঠোঁট বুক চুঁয়ে
নেমে যায়
কবেকার কোন্ পাহাড়ি মেয়ের
উদ্গত অশ্রুগাঁথা নিয়ে,
কে জানে।
আমি শুধু লম্বমান।
ভিজে চলি
বালিকার তীব্র অভিমানে।
এদিকে কান্নাগুলো
কখন চুপিচুপি
ছাদের থেকে নেমে
নালা-নদী হয়ে
চলে গেছে সমুদ্রের কোলে।
মেয়েটি?
ততক্ষণে চোখ মুছে নিয়ে
আকাশের নীল খাম ছিঁড়ে
মেঘের ফেরত-চিঠি খোলে……..
স্নানপর্ব-৬
তেরচা এসে
বৃষ্টির বেশে
ঝাঁপিয়ে’
(তার)
শরীরভরা
বিষণ্ণতা
কাঁপিয়ে
এঁকেবেঁকে
নামছিলো;
ঠিক তখন।
ফোঁটাগুলো শুনতে
পেলো
সাবানটির
ফেনিল
কথোপকথন:
মেয়ে তুমি
এবারো,
গোপনে
অবিরাম
কান্না
ঝরাতে পারো……
ঈদ মোবারক!!!
১)ঈদের দিনে বাকি সবাই যখন এইদিক ওইদিক বিজি থাকে,এই অধম মাস্ফ্যুরই প্রতিবার দায়িত্ব পড়ে সিসিবির ইঞ্জিনটা চালু রাখার।এই ঈদেও তার ব্যতিক্রম নাই।
২)মেলাদিন সিসিবির কোন গেটটুগেদার হয়না।ভাবতেছি ঈদ পুনর্মিলনীর একটা ব্যবস্থা করলে কেমন হয়!এডু-মডু স্যারদের অনুমতি সাপেক্ষে বাকি সবাইকে প্রস্তাবটা বিবেচনায় আনতে বিনীত অনুরোধ করছি।
৩)মানুষ হিসেবে আমরা কেউই ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে না।আমরা জানি সিসিবিতে শেষ কয়েকদিন বেশ গুরুগম্ভীর পরিবেশ গিয়েছে।এই ঈদের দিনে চলুন না নতুন করে জেগে উঠি!প্রকৃতিতে মেঘ যেমন স্বাভাবিক,মেঘ কেটে যাবার পর সূর্যের ঝলকানিটাও তো স্বাভাবিক!
বিস্তারিত»চান রাত এবং sms যুদ্ধ
আজকে চান রাত…সবাইকে ঈদ মোবারক…কয়েকদিন আগে রবিন (ককক) আমাদের sms কাব্যের একটা নমুনা পেশ করছিল……সেই সূত্রেই আজকের পোস্ট। ইফতার এর পর থেকেই শুরু হল আমাদের যুদ্ধ, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত sms-গুলো লিখে দিলাম…দেখা যাক এর শেষ কোথায় হয়……।
রবিন (ককক):
ইফতারের দিন হল শেষ,
কি চমতকার বেশ বেশ।
কাল থেকে হবে দিনে খাওয়া,
ইলিশ-পোলাও আর দাওয়াত যাবে পাওয়া।
ঈদের জন্য সবাই খুশি,
অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (আমি যখন সংখ্যালঘু)
১
মাঝে মাঝে এই প্রবাস জীবনে খন্ড খন্ড অনেক আনন্দের মুহূর্ত চলে আসে। এই যেমন গাড়ি চালিয়ে যখন পাহাড়ের ঢাল বেয়ে সমতলে নামতে থাকি দূরে দেখতে পাই সাগরের এক ফালি অংশ। রূপালি রেখা, চিকমিক। আর রাতের বেলা হলে দেখবো সেই সাগর পাড়ের শহরটিতে স্তব্ধ জোনাকীদের মেলা। একেকটা এনার্জি সেভিং বালব যেন একেকটা জোনাকী। তারা সেখানে জ্বলেই আছে, নিভতে ভুলে গেছে। তাই দেখে মনটা ঝকমকিয়ে উঠে।
বিস্তারিত»মেডিকেল সায়েন্স ফিকশনঃ নাথিং গন ইউসলেস

সায়েন্স ফিকশন মানেই কি রোবট, ইলেকট্রনিক্স, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি …ইত্যাদি…ইত্যাদি? মেডিকেল সায়েন্স নিয়েও ফিকশন হতে পারে। বিশ্বাস না হলে পড়ে দেখেন……]
কার্ডিন-এর শরীরটা গত কয়দিন ধরে খুব খারাপ যাচ্ছে। এমনিতেই সারাদিন-রাত একটানা কাজ করে যেতে হয়, বিশ্রাম নেয়ার এতটুকু সময় পর্যন্ত নেই। তার উপর এখন আবার শরীরটাও খারাপ হওয়া শুরু করলো। আর বিশ্রাম নেবেই বা কেমন করে? ওর উপরে ভরসা করেই তো বেঁচে আছে পুরো রাজ্যটার প্রতিটা নাগরিক।
বিস্তারিত»জীবনালেখ্য
জিতু আপির উপর আমার একটু রাগ হচ্ছে । বাবা তোমার স্টোরে জায়গা নাই , ভাল কথা । তাই বলে তোমার সব লেখাই আমার প্রিয়তে রাখতে হবে—–এ কেমন কথা ? নারী কবিতা পড়েই বোধহয় লিখতে বসেছিলাম……………………
কেউ কথা রাখেনি……………………………
ভয় পেলে ? হা হা হা ভয় নেই,
সুনীলের মত কোন প্রেম কবিতা শোনাতে বসিনি তোমাদের ।
দু’হাত ভরে প্রেমের উপাদান বিলাতে বিলাতে
আমি নিজেই যে আজ নিঃস্ব প্রায় ।
এই দিনে সেই দিন
আশির দশকে আমরা তখন খুলনায় থামতাম। খুলনা আমার শৈশব এবং কৈশোরের শহর। পৃথিবীর আর কোন শহর এতো বেশি নিজের মনে হয়না। শান্ত এবং স্নিগ্ধ একটি শহর। আমার প্রথম স্কুল সেন্ট জোসেফস, বাসা থেকে হাঁটা দূরত্বে ছিল। আমাদের বাসাটি ছিল ৩৬ আহসান আহমেদ রোড। সেই রাস্তার এক মাথায় ছিল বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আরেক মাথায় ছিল প্রাইমারি টেনিং ইন্সটিটিউট। আর পুরো রাস্তা জুড়ে যেন আমার রাজত্ব ছিল।
বিস্তারিত»সম্প্রতি অথবা-নগরে
[বহুযুগ আগে, সম্ভবত আগের জন্মে, আমি অফিসে বসে ব্লগিং করতাম। সময় বদলে গেছে প্রথমালু’র চাক চাক বাণীতে, মশলায়। তাই আমি এখন অফিসে বসে ব্লগাইতে পারি না। যা পারি, তা হলো টুকরো টুকরো চিন্তা করতে। অচিরেই চারপাশের হাউকাউ সেই চিন্তার সুতো ছিঁড়ে ফেলে। সেই চিন্তার সুতোগুলো জমিয়ে রাখছিলাম। আজকে জমানো সুতো দিয়ে কিছু বুনে ফেলার একটু সময় পেলাম।]
ক
কাচের জানালায় জমা হচ্ছে ড্রিজ্ল বিন্যাস,