খুব স্পষ্ট মনে আছে আমার, ক্লাস ফোর এর প্রথম দিনটির কথা। শ্রুতলিপি ক্লাসে সবার আগে লেখা শেষ করে আঁতেলের মত ম্যাডাম কে খাতা দেখাতে যাচ্ছিলাম। ব্যাপারটা একদমি সহ্য করতে পারেনি আমাদের সাথে সেকেন্ড টাইম চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া রাহাত। দৌড়ে গিয়ে সে আমার খাতায় ঘেচ করে একটি দাগ বসিয়ে দিল। আমি তখন কিছু বলিনি। পরে আবশ্য খোঁজ নিয়ে জানতে পারি সে নাকি ছেলে-মেয়ে, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা সবার সাথে সমানে বেয়াদবি করে বেরায়।
বিস্তারিত»ফটোশপ টিউটোরিয়াল : পর্ব-১ (মাথা কেটে দেহে বসানো!)
শিরোনাম দেখে এতক্ষণে নিশ্চয়ই আইডিয়া করে নিয়েছেন পোস্টটা কীসের উপর। হ্যা বন্ধুরা, আজকের পোস্টে খুব সহজ করে এডোবি ফটোশপ দিয়ে কিভাবে মজার মজার ছবি এডিট করা যায় তার একটা অংশ দেখাবো। যারা একেবারেই নতুন তাদের জন্য একেবারে শুরু থেকেই বলছি। তাই অন্যরা যারা আগে থেকেই জানেন, প্লীজ বিরক্ত হবেন না। 🙂
ফটোশপ হল জনপ্রিয় গ্রাফিক্স সফটওয়্যার নির্মাতা জন ওয়ারনকের এডোবি সিস্টেম ইনকর্পোরেট-এর শক্তিশালী ইমেজ এডিটিং গ্রাফিক্স প্রগ্রাম।
বিস্তারিত»অরন্যের একটি দিন এবং একটি রাত্রি – ৩
৩
শুভ’র হার্ড ব্রেকে একটা ঝাকুনী দিয়ে ফিল্ডারটি মূহূর্তেই থেমে যাবে।
(ক্লোজ শট)কিছুক্ষণ নিথর থেকে মনে মনে হিসাব কষে নিবে শুভ।
তারপর গাড়িটি রিভার্স গিয়ারে ফেলে পিছাতে শুরু করবে। সারাদিনের চিত্ত বিনোদন নিমিষেই উবে গিয়ে ভর করবে আঁধারে আবৃত অশনী সংকেত।
(হাল্কা জুম আউট ) এতক্ষণে গাড়ির বাকিরাও নড়ে চড়ে উঠবে।
পেছন থেকে স্নেহা (শুভ পত্নী) শুধালো, “কি হয়েছে ?
তুমি প্রেম দিলে……
তুমি প্রেম দিলে
মাতাল হবো;অট্টহাসিতে বিদীর্ণ করে
মেঘলা আকাশ সিঁড়ি গড়ে দেব বুকের পাঁজড়ে!
তুমি প্রেম দিলে
আগুন হবো;ঘোর অমানিশা জ্বালিয়ে দেবো
লেলিহান শিখা দাবানলে ছুড়ে অতীত পোড়াবো!
তুমি প্রেম দিলে
জোৎস্নার রাতে একা পাড়ি দেবো আটলান্টিক
নীল চাঁদ ভেঙে ছড়িয়ে দেবো রূপোলী সাগরে!
তুমি প্রেম দিলে
কাশবনে একা রাজহাস হবো;তোমার পায়ের
নিকটে থাকবো চিরকাল প্রেমী ভৃত্যের মতো!
একটি মোবাইল কল এবং অতঃপর…
(কাহিনীটা আসলে আমার দুই জন সি সি আর ক্লাসমেট এর। কিন্তু দুইজনই ব্যস্ত থাকায় ওদের অনুমতি সাপেক্ষে আমি লিখছি।)
সেই নার্সারী থেকে শুরু করে আজ অব্দি মোস্তফার দুঃখ, সে জীবনে প্রেম তো দূরে থাক কোন মেয়ের কাছাকাছি আসার সুযোগ ও পায় নি। তাই মেয়েদের মিষ্টি কন্ঠের প্রতি তার আকর্ষণটা একটু বাড়াবাড়িই। অফিস এর চরম ব্যস্ততার মাঝেও ভর দুপুরে কোন এক নাম না জানা ভার্সিটি কন্যার অজানা নাম্বার হতে কল তাকে বিরক্ত করতে পারার কথা না।
বিস্তারিত»স্ব-রচিত প্রথম
কলেজ এর সাহিত্য সাময়িকী তে একবার টুক্লিফাইং করে এক কবিতা দিছিলাম। সেইটা ছাপা হওয়াতে খুব মজা পাইছিলাম। তবে এবার নিজেই একটা লিখছি। তবে এটা কবিতে হইছে কি না এখনও সন্দেহ আছে আমার। এই জন্য শিরোনাম এ কবিতা কথাটা উল্লখ করি নাই। যাউকগা ছাইড়া দিলাম সবার সামনে।
দ্বন্দ্ব
না,
নাটোরের বনলতা সেনের কথা বলছি না।
যার বর্ণনা দিয়ে স্মরণীয় হয়ে গেছেন কবি।
চৌত্রিশের প্রথম আনুষ্ঠানিক জামাই-কেচ্ছা
মাসখানেক আগে আমার সাবেক রুমমেট আমাকে একদিন ফোন করে বলে: বন্ধু, ঈদের তৃতীয় দিন আমার বিয়ে। চলে আসিস। আমি তো বলা যায় আকাশ থেকেই পড়লাম। সাধারণত বিয়ের মাসতিনেক আগে থেকে বেশ কানাঘুষা শোনা যায়, এর বেলায় সেগুলির কোনো বালাই নেই। আমি জিজ্ঞেস করলাম: কে রে? সেই জন যাকে দেখেছিলুম? উত্তর পেয়ে আশ্বস্ত হলাম।
আফটার অল, আমাদের প্রথম কারোর এরকম ঘটা করে বিবাহ, তাই আমি নিজেকে কোনোভাবেই চুপ রাখলাম না।
বিস্তারিত»হাজার ফুল
হাজার ফুলের গন্ধে আমার হৃদয় মাতোয়ারা
আকুল করে- ব্যাকুল করে- করে পাগলপারা
এমন ফুলের ঘ্রাণ
ভরিয়ে দিল প্রাণ
বাজিয়ে দিল আমার প্রাণে কোন সে সুরের ধারা।
ডঃ লরা কী বলেন
ডঃ লরার কথা প্রায়ই শুনতাম এখানে আমার কিছু বন্ধুদের কাছ থেকে যাদের প্রায় সবাই আন্তঃধর্ম কিম্বা আন্তঃরাষ্ট্র বিয়ে করেছে। পেশায় একজন মনোনিজ্ঞানী এই মহিলা রেডিওতে একটা জনপ্রিয় টক শো করতেন সেখানে শ্রোতাদেরকে সম্পর্ক বিষয়ক নানা সমস্যার সমাধান দিতেন। তার নানারকম চটজলদি সমাধানের রেশ ধরে বন্ধুদের মধ্যে ডঃ লরার প্রসঙ্গ উঠতো। আমিও তার টক শো শুনেছি। প্রাশ্চাত্যের তুলনায় কিছুটা রক্ষণশীল বলে মনে হয়েছে। তবে মোটের উপর বেশ ভালোই লাগতো।
বিস্তারিত»একটি ব্যক্তিগত রেসিপি
কাজ করতে একটুও ইচ্ছে করছেনা।কি ভীষণ গরম! সিগারেট খাবার জন্য দুবার অফিসের বারান্দায় এসেই ঘেমে নেয়ে যাবার উপক্রম। দরজা ঠেলে ফের ভেতরে ঢুকতেই নিশা, আমার ব্যক্তিগত সুন্দরী (সরি, সেক্রেটারি), এখনো মানুষ হলেনা-গোছের দুষ্টু হাসি দিয়ে নাক চেপে ধরলো। নাহ্ আজ পালাবো। একটু ইটিশ পিটিশ করতে ইচ্ছে হচ্ছে আজ….
কাল একটু ভালো করে সাজগোজ করে এসো কেমন? কাজ আছে… নিশাকে বলে বেরিয়ে পড়লাম।
সিঁড়ি দিয়ে দুরদার করে নামতে নামতে দেখি পৃ-র মেসেজ।
আমার নতুন বান্ধবী
আমার বাবার জন্ম হয়েছিল উনিশ শতকে। তার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে জমা ছিল ব্রিটিশ আমলের লাটবাট থেকে আরম্ভ করে পাক শাসনামলের ক্রঢ়তা পর্যন্ত অনেক কিছুই। তবে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেটি তার হয়নি, ক্যাডেট কলেজে পড়ার। আমাদের সময়কার ক্যাডেট কলেজের নিয়ম কানুন, রীতি রেয়াজ থেকে এখনকার কলেজগুলো যে অনেকটাই ভিন্ন সেটা চাকুরী সুবাদে ১৯৯০ সালে এ এ জি ক্যাডেট কলেজ থাকার সময়ই টের পেয়েছিলাম। তাও লোভ সংবরন করতে পারিনি একমাত্র মেয়েকে ক্যাডেট হিসেবে দেখার।
বিস্তারিত»অরন্যের একটি দিন এবং একটি রাত্রি – ২
২
ব্যাকগ্রাউন্ডে তখনও বাজছে –
Hooray! Hooray! It’s A Holi-Holiday
what a world of fun for everyone, holi-holiday
Hooray! Hooray! It’s A Holi-Holiday
ফ্রেমে একে একে ভেসে উঠছে রিসোর্টটির লোকেশন।
সবুজ ঘাসে উপর হরিন হেঁটে বেড়াচ্ছে – পাশে সুইমিং পুল।
কৃত্রিম লেকে বোট রাইডিং – ঝিরি ঝিরি বাতাসে গাছের পাতা গুলো দুলছে…
সব মিলিয়ে খুবই প্রানবন্ত একটি বিকেল।
পরম
সুন্দর সত্য হে স্বত্বা অনাদি অনন্ত
বসে আছি প্রতীক্ষায় যতক্ষণ নারি
হৃদয় স্পন্দনে মম স্মরণে তোমারি
ছুয়ে যাবো ঠিক হেথা যেথায় সীমান্ত।
নষ্ট যুগের ভ্রষ্ট অবগাহনে ক্লান্ত
বিষন্ন পথিক, কী হারিয়ে খুঁজে ফিরি
গুরুকে জুতা মেরে তারপর গরু দান
লাউফুল চৌধুরী । একে তো লাউগাছের ফুল তারসাথে আবার চৌধুরী। নামটা নিয়ে সুযোগ পেলেই রসিকতায় মেতে ওঠে ছাত্ররা। নতুনদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে বলা হয়, নামটা শুনে সুন্দরের যত সুবাস পাওয়া যায় নামটা আসলে ততই দূর্গন্ধ ছড়ায়। পোলাপান আড়ালে আবডালে কেউ ডাকে খ্যাক, কেউ ডাকে খ্যাত ।
তিনি আবার শিক্ষক মানুষ। সে সুবাদে স্যার শব্দটাও যোগ হয়েছে সাথে। ইশকুলে তার নাম হয়েছে খ্যাক সাহেব,
বিস্তারিত»ছোট্ট আমি
আমি একজন পারফেক্ট গাব। বড় ভাই ক্যাডেট কলেজে পড়া সত্ত্বেও আমি আবার সেখানে পড়তে যাই। ক্লাস সেভেন এ যখন ঢুকি ক্লাস এইট এর ভাইয়া দের কে মনে হত এরা মনে হয় অন্য জগতের মানুষ। বাইরের ছেলেদের মত হাসে না, তাদের মত চলাফেরা করে না। কেমন যেন একটু অন্য রকম। এর পর তারা দেখি বলে সিনিয়র এর সাথে ঠিক ভাবে বিহেভ করতে। ঠিক ভাবে বিহেভ করা বলতে যে ঠিক কোনটাকে বোঝায় আমি তখন ও বুঝি না।
বিস্তারিত»