এক সন্ধ্যাক্ষণে আশ্বিনের বর্ষণে ,

আশ্বিনের বর্ষা বিকেলে তোমাকে আবার মনে পড়ে
নির্বোধ প্রেমিক..!
ভুলতেও পারে না কৃষ্ণমেঘের গোপন অশ্রুধারা,

রোদঝরা দুপুরে গুমোট মেঘের মতো যুবতীর মুখখানা দেখে
একবার বর্ষণ হয়েছে দস্যুছেলের প্রস্তর রাজ্যে
মার্বেল চোখদুটো ছলছল করেনি
তবে স্বপ্নকুমারের ভাংগা স্বপ্নগুলো ঝনঝন করেছে

বিস্তারিত»

মডেল বিষয়ক অক্ষমতা আর তার পেছনের গল্প…

প্রশ্নটা করে উনি বেশ খানিকটা সময় একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন আমার দিকে, কেমন একটা কৌতুকমাখা নাকি ব্যঙ্গাত্মক এবং প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে, ঠিক বুঝে উঠতে না পারার আগেই স্বতস্ফূর্তভাবেই জবাবটা বেরিয়ে এল মুখ দিয়ে, “যদি আমি রাজি হই?”, ফিক করে হেসে ফেললেন উনি। আর মূহুর্তের মধ্যেই বদলে ফেললেন মুখে ধরে রাখা কোমলতার ছাপটা, আমি কি বুঝতে পারছি, উনার উত্তরটা ঠিক কি আসছে এক্ষুণি??…

উনার সাথে পরিচয় বোধহয় মিনিট দশেকেরও হবেনা।

বিস্তারিত»

E-কার্টুনঃ টিং টং (পর্ব-১)

কাম কাজ খুইজা পাইতেসিলাম না। কাম না থাকলে খই ভাজার নিয়ম। খই ভাজা শিখি নাই, বইসা বইসা কমিক্স বানাইলাম। হুদাই ঘন্টা ধইরা কৃত আজাইরা কামের নিদর্শন নিম্নে দেওয়া হইলো… ;;;

বিস্তারিত»

কলেজের হিন্দী গান

রুমমেটের পিসিতে ‘সুর’ এর গান বাজছে, জানে কেয়া ঢুনতা হ্যায়…হাবিজাবি হাবিজাবি …শুনেই মন উড়ে যাচ্ছে বারবার পাঁচ ছয় বছর আগে…সম্ভবত ইলেভেনে থাকতে এইগানগুলা খুবই জনপ্রিয় ছিল আমাদের মাঝে। তু, দিলকি খুশি দিলকি পেয়ারে তুউউউ…শুনতে শুনতে আর ঝুটি দুলাতে দুলাতে সেভেনের মেয়েগুলো ব্লক পেরিয়ে প্রেপে যেত। আমরা কমন রুমে ক্যাসেট বদলাতাম, এরপর আসত আও নাআআআ…ফাংশনগুলার সময় খুব রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে গেল দেবদাসের ডোলা রে ডোলা রে।

বিস্তারিত»

মানুষ হওয়া

হাজার মানুষ- সেই মানুষের হাজার রকম  শখ
কেউ হতে চায় প্রকৌশলী কেউ বা চিকিৎসক।
আমার কেবল একটা চাওয়া- মানুষ হতে চাই
মানুষ হওয়ার জন্যে আমি মানুষ খুঁজে যাই।

মানুষ হয়ে জন্ম নিলেই যায় না মানুষ হওয়া
মানুষ হয়েও তাই এ আমার নিঃস্ব হয়ে রওয়া।
মানুষ হয়ে জন্ম তো হয়  মানুষ হওয়ার তরে
মানুষ হওয়ার  স্বপ্ন কবে জাগবে ঘরে ঘরে?

বিস্তারিত»

আসেন, মজিলা-রে নিয়া ইট্টু কথা কই

ইন্টারনেট ব্যবহার করেন অথচ মজিলা ফায়ারফক্স -এর নাম শুনেনি এমন মানুষ সারা দুনিয়ায় নাই, আর এইটা নিয়া কোনো সন্দেহও নাই। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, গুগল ক্রোম, অপেরা-এগুলা সবই ইউজ করেছি কিন্তু ক্যান যেন মজিলা-র প্রেম ছাড়তেই পারি নাই। আর এই মজিলা-ফায়ারফক্স ইউজাররা প্রায় সবাই-ই আমরা অ্যাডঅন ইনস্টল করতে অভ্যস্ত। কাজের সুবিধার জন্য আমরা বিভিন্ন সময় অনেক অনেক অ্যাডঅন ইনস্টল করি। কিন্তু ফায়ারফক্সেই কিন্তু এর কনফিগারেশন পরিবর্তন করার অপশন রয়েছে।

বিস্তারিত»

ভয়ংকর ঝড়

পাঠ্য বই ছাড়া শুধু নুপুরদা আর জিতু আপুর লেখা কিছু কবিতা – ব্যাস……এই আমার কবিতা পাঠের ইতিবৃত্ত । তাই কিছু লিখতে গেলে খুব ভয় হয়……ছন্দ, অন্তমিল, মাত্রা……কত কী সব আছে যেগুলো কোনদিন ভেবেও দেখিনি । আবার ভাবি……এটা তো আমার ব্লগ । আমাদের ব্লগ । এখানেই যদি মনের কথা না বলি…তাহলে আর জায়গা কোথায় ??????? তাই কিছু মনে হতেই আবার কী-বোর্ডে হাত রাখলাম

ধ্বক….ধ্বক……..ধ্বক….উহ !

বিস্তারিত»

মানুষ মানুষের জন্য

সিরাজগঞ্জের শাহাজাদপুরের নাম কে কে শুনেছেন? নিশ্চয়ই অনেকেই জেনে থাকবেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাচারি বাড়ির কল্যানে। জীবনে একবার মাত্র গিয়েছি শাহাজাদপুরে। কাচারি বাড়ির ছবি এখনো চোখে লেগে আছে, কবিগুরুর ব্যবহার করা আসবাব, তাঁর হাতে লেখা চিঠি, কবিতা, আরাম কেদারা, পালকি এসব রয়েছে। কাচারি বাড়ির সাথে লাগোয়া শাহজাদপুর বাজার। সেখানে বাহারি সব লুঙ্গি আর গামছা। হয়তো হাঁট বার ছিল সেদিন, অনেক মানুষ গিজগিজ করছিল। আর কাছেই মিল্কভিটার ফ্যাক্টরি দেখতে গিয়েছিলাম।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১২তম পর্ব

আকাশে মেঘের ঘনঘটা, প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য বৃষ্টির অদম্য ইচ্ছা। মেঘের গর্জন শুনেই কিনা সেদিন মনে মনে ঠিক করেছিলাম আজকে বৃষ্টি হলে বেশ করে ভিজে গোসল করব। আমার এই ইচ্ছা নাকি প্রকৃতির কারণেই সেদিন ঝুম করে বৃষ্টি হয়েছিল সেদিন বোধহয়।

আমি তখন একাদশ শ্রেণীর ক্যাডেট। সদ্য ৭ দিনের শিক্ষাসফর শেষ করে ফিরেছি কলেজের গন্ডিময় যান্ত্রিক জীবনযাত্রায়। মনের মধ্যে তখনও উড়ুউড়ু ভাব। এর মধ্যে সেদিনের ঝুমঝুম বৃষ্টি যেন আমার মনের চাঞ্চল্যতা আরও বাড়িয়ে দিল।

বিস্তারিত»

Facebook-স্ট্যাটাস ডিসেকশন

কেউ যদি প্রশ্ন করে, ফেসবুকের সবচেয়ে মজার টপিক্‌স বা ফিচার কোনটা? কে কী উত্তর দেবেন জানি না। আমার নিজের উত্তর হবে- একেকজনের বাহারি সব স্ট্যাটাস। কোনোটা মজার, কোনোটা দুঃখের, কোনোটা রাগ কিংবা অভিমানে ভরা, মানে ফেসবুকের অন্য আর সব ফিচারের মধ্যে এর মত বৈচিত্র্য আর কোনোটায় আছে কিনা সন্দেহ। কিছু স্ট্যাটাস তো বোঝাই যায় না সে আসলে কী বলতে চাইতেছে? আবার কোনোটা খোলাখুলি বোঝাই যায় সেই জনাব লোক দেখানো কিংবা ভাব মারার জন্য লিখেছেন ওইটা।

বিস্তারিত»

সাপ্তাহিক ২.৪

সিসিবির সাথে পরিচয়ের দুই বছর হয়ে গিয়েছে। নির্দিস্ট দিন তারিখ যদিও মনে নেই, এদিকে সদস্য ডিরেক্টরির আপগ্রেডেশন চলতে থাকায় সদস্য হবার দিন তারিখ ও খুঁজে পাচ্ছি না, তাই ঘটা করে দুই বছর পূর্তি উদযাপন করা হলো না। তবে গত ২-৩ সপ্তাহ যে ব্যস্ততার মধ্যে ছিলাম তাতে হয়ত সুযোগ ও হতো না। আজ অনেকদিন পরে একটু সময় পেয়ে নিজের ব্লগ স্টোর রুমে একটু ঢুঁ মারছিলাম। সেখানে খেয়াল করলাম বিগত ২৩ মাসে মাত্র ৩ মাস বাদে প্রতি মাসে আমার একটা হলেও পোস্ট আছে,

বিস্তারিত»

প্রার্থনা-১

আমায় আর কেউ না দেখুক,জানি তুমি দেখছো ঠিকই
আমার বুকের রক্তফেনা তুমি জানো অলৌকিকই
যে ঘুড়িটার সুতো ছিঁড়ে উড়ে গেল মুক্ত হাওয়ায়
কী প্রবল তৃপ্তি জানো,ঘুড়িটা ফের ফেরত পাওয়ায়!
শিউলী বোঁটা ঘসে হলুদ রং করেছি আমার দেয়াল
এ কেবল তুমিই জানো,আড়াল থেকে রাখছো খেয়াল!
অনেক ভেবে দেখলাম আমি এই যে জীবন চারিপাশে
সেগুলো সব নষ্ট হলে কীই বা এমন যায় বা আসে
তাই এবার ঠিক করেছি অসৎ যত নষ্ট ঘুণে
সরিয়ে তাকে পালিয়ে যাবো অনেক দূরের নির্বাসনে
হে দয়াময় ক্ষমা করো ভুল যা ছিল পাপ অপরাধ
আমায় তুমি মুক্তি দিও;পারিনা আর এই অপবাদ
সইতে ভীষণ কষ্ট জানো,এই হৃদয়ের পাপের গ্লানি
তুমিই কেবল মুছতে পারো-আমি কেবল তোমায় জানি!

বিস্তারিত»

কলেজ হাসপাতাল (স্মৃতিচারণমূলক অথবা গীবত নির্ভর পোস্ট)

হাসপাতাল জায়গাটা সাধারণভাবে কারোরই খুব পছন্দের জায়গা হবার কথা নয়। মৃত্যুর গন্ধে আচ্ছন্ন মৃত্যুপথযাত্রীদের পাঞ্জা লড়বার জায়গা কারি বা পছন্দ হয়। কিন্তু জগতের অনেক বিষয়ের মত এ জায়গাতেও ক্যাডেট কলেজগুলো অনন্য। হাসপাতাল জায়গাটা ক্যাডেটদের কাছে খুব বেশি অপ্রিয় হবার কারন নেই। বরং ডজার ক্যাডেটদের কাছে তা বেহেশততুল্য। রবিবাবুর ছেলেবেলার মত ক্যাডেটদের শরীর বেয়াড়া রকম ভালো হয়। তারপরেও থেমে থাকে না হাসপাতাল নামক জায়গায় গমন এবং ক্লাশ প্রেপ কিংবা পিটি ফাঁকি মারার সুযোগ নেয়া কিংবা দল ধরে বান্দ্রামি করবার বেহেশতি সুযোগ।

বিস্তারিত»

লোডশেডিং

তুমি চাইলেও ভুলতে পারোনা তাকে ।
বারবার তার নিখাঁদ সৌন্দর্য নিয়ে
হাজির হয় সে নিজস্ব ভঙ্গিমায়,
আবির্ভাবের বৈচিত্র নিয়ে–
তোমার সামনে ।
তোমাকে মুক্ত করে দেয় কিছুক্ষণ এই যান্ত্রিক জীবন থেকে ।

অফিসের প্রচন্ড ব্যস্ততার মাঝে বারবার
তোমাকে এনে দেয় কিছুটা দম নেবার ক্লান্ত অবসর ।
কম্পিউটার মনিটরে শেয়ার বাজারের উত্থান-পতন,
সেই সাথে তোমার অসংখ্য ফোনকল –

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১১তম পর্ব

আজকের বিষয়ও আগের পোষ্টের মত ভুত বা ভয় দেখানো নিয়ে। তবে এই কাহিনীটা আগেরটার মত নয়, একটু ভিন্ন। তবে জানা যাক কি সেই ভিন্ন কাহিনী।

এই কাহিনীটাও ঘটেছিল সেই ৩১১ নং রুমে। আর রুমের বাসিন্দারাও ছিলাম আমরা চারজনই(এই সিরিজের আগের পোষ্টে দেখুন, জানতে চাইলে)। তবে এবার কাকে গিনিপিগ বানানোর আয়োজন করা হয়েছিল তা এই মুহূর্তে আমার মনে পড়ছে না। তবে মাঠে আরো কিছু নতুন খেলোয়াড় আমদানি করা হয়েছিল।

বিস্তারিত»