আমার অনেক বদ অভ্যাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় বদ অভ্যাস হচ্ছে পড়তে বসলেই ঘুমিয়ে যাওয়া। যখনই পড়তে বসি ঘুমে আমার দু চোখ জড়িয়ে আসে আর আমি আমার স্বপ্নের রাজ্যে বিচরণ করতে থাকি। প্রেপের সময় যখন কোনো ভাইয়া গল্প করতে দিতেন না কিংবা কোনো স্যার হইত একদিন প্রচুর জ্বালাচ্ছেন আমি তখন ঘুম। যতই পানিশমেন্ট দিক কিছুতেই কিছু হয় না। ঘুমের চোটে কত যে উল্টা পাল্টা কাজ করেছি তার ইয়ত্তা নেই।
বিস্তারিত»ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ১০/১১ ড্র + বর্ষসেরা পুরষ্কার
ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের সব চেয়ে বড় আসর চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ২০১০/১১ মৌসুমের গ্রুপ পর্যায়ের ড্র সম্পন্ন হলো কিছুক্ষন আগে। একই অনুষ্ঠানে ইউয়েফা গত মৌসুমের বর্ষসেরা খেলোয়ারদের নাম ঘোষনা করেছে।

মোট ৩২ দলকে নীচের মত করে আটটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছেঃ
- গ্রুপ এঃ ইন্টার মিলান, ওয়ের্ডার ব্রেমেন, টটেনহাম, এফসি টুয়েন্টি।
- গ্রুপ বিঃ লিঁও, বেনফিকা, শাকলে, হ্যাপে তেল আবিব।
…সূতো ছেঁড়া ঘুড়ির স্বপ্নের গল্প…
একদিন স্বপ্নেরা এসে ভীড় করেছিল আমার আঙ্গিনায়।
সেদিন আকাশে ছিল ঝলমলে রোদ
বাতাসে ফুলের গন্ধ
সাগরে টলটলে জল
চারপাশে ছিল সবুজ পাতার হাতছানি
তোমার জন্য আমি
কখনো বলে দাওনি তুমি
অন্ধকারকে ভীষন ভয় তোমার।
তারপরেও আমাকেই তা বুঝে নিতে হয়েছিল;
ঠিক যেমন ভাবে বুঝে নেতে হয়েছিল
তোমার ভালবাসার অজানা ভাষা।
…নতুন করে পাঠগ্রহন শুরু হল তোমার কাছে।
শিখতে থাকলাম অনেক কিছুই-
যতক্ষন আমি তোমার কাছে থাকি,
চিক চিক করতে থাকা উজ্জল চোখ দুটি তোমার
বলে দেয় এর নাম “পাওয়ার আনন্দ”।
এক মুহুর্তের বিরহে ব্যাথায় বিবর্ন
তোমার মুখ আর
হাজার মানুষের ভীড়ে আমাকে খুজতে থাকা
চঞ্চল দুটি চোখ তোমার
নিমিষেই কি প্রশান্ত হয়ে যায়
বলে দেয় এর নাম “স্বস্তি”।
স্বজাতি কুকুর ও সেই সব যুদ্ধবন্দী
‘একাত্তরের সংকটের জন্য কিছু লোক সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে, আবার কেউ কেউ দায়ী করছে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে। বাংলাদেশের অনেক রাজনৈতিক নেতাও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। এমনকি বাংলাদেশের মানুষ এখনো বিশ্বাস করে যে আমরা সঠিক ছিলাম। গোলাম আজম সাহেবসহ সাধারণ মানুষ এখনো মনে করেন না আমরা ভুল করেছি।’
১৯৮৮ সালে ইসলামাবাদে জেনারেল টিক্কা খানের এই সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন মুসা সাদিক। মুসা সাদিক মুজিবনগর সরকারের যুদ্ধ সংবাদদাতা ছিলেন।
“মহান ভূত রজনী” এবং এম সি সি!!
২৫শে আগস্ট! মহান ভুত দিবস!!
ক্যাডেট কলেজের আন-অফিশিয়াল একটা স্পেশাল দিন।
এই দিনে MCC-র বিভিন্ন জায়গায় ভূত দেখা যায়। শুধু তাই নয়, সেই সব ভুতেরা নাকি সুযোগ পেলেই ভূত দিবস উপলক্ষে মকরা ক্যাডেটদের পাঙ্গানোও শুরু করে!!! মকরা ক্যাডেটরা তাদের 2nd choice. মূলত তাদের প্রথম পছন্দ ক্লাস সেভেন এবং এইটের নিরীহ অথবা কালারড পোলাপাইন।
কাহিনী শুরুর আগে আমাদের জেনে নেওয়া উচিত ভূত পেত্নী কি জিনিস!!!???
বিস্তারিত»সমসাময়িক গল্প
রূপান্তর-২
চালের বস্তা কেটে কেটে
আনাজপাতি খুঁটে
সূঁচলো চোখে দাঁতে লেজে
ধুলো জমছিলো আর
মুহূর্তেরা সব কাটছিলো
ঝিমুনির নিরুত্তাপ আমেজে,
প্রচলিত সংজ্ঞায়
সকালের প্রথম রৌদ্র……
প্রথম সকালে
তুমি এসে ছুঁয়ে দিয়ে গেলে আমাকে আদ্যপান্ত
আছড়ে পড়লে আমার উদল বুকে-গলায়-মুখে
জড়িয়ে নিলে কোমল ছোঁয়ায় উষ্ণ আচল তলে
শেষ রাতে জড়িয়ে ধরা বিছানায় আমি ক্লান্ত
তোমার উত্তাপে খানিকটা বিরক্ত
এই ধ্বংসস্তুপে বর্ষার আকাশের তীব্র রৌদ্রে
ধর্ষিত রমনীর মতোই বিপর্যস্ত সবাই
পূব জানালা থেকে খানিকটা দূরে দেখি প্রতিদিন
পানির ট্যাংকির শরীর বেয়ে ওঠা সবুজ শ্যাওলা
বেচেঁ থাকে তোমার উত্তাপে।
ভালো থাক হাসনাত……ভালো থাক দোস্ত……..
সালটা ২০০৮ এর দিকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের কিছু বন্ধু যাদের সাথে নিয়মিত চলাফেরা, একে একে সব পাড়ি জমালো সাত সমুদ্রের ওপাড়ে। ইফতেখার, তন্ময়, রুবাইয়্যাৎ সবাই। ইচ্ছে একটাই– আরো বেশী মানুষ হওয়া…..আরো বেশী শিক্ষিত হওয়া।
সৃষ্টিকর্তা আমাকে আর দশটা সাধারণ ছেলের মতনই তৈরী করেছেন। বোর্ড পরীক্ষা গুলোতে খুউব ভালো করলেও নিজের দৌড় প্রথম বুঝতে পারি যখন বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষে দেখি ফলাফলটা হয়েছে টেনেটুনে কোন মতে পাঁশ করার মতন।
বিস্তারিত»শহুরে অন্ধকারের বিপরীতে
এই স্যাঁতসেঁতে কুৎসিত গলিটাকে আমি ঘৃণা করি ভীষণরকম।
প্রতি সন্ধ্যায় একেকটা ক্লান্তিকর দিনশেষে আমি যখন আমার ফ্ল্যাট নামক কবুতরের খোপে ফিরে আসি, আমাকে এই অন্ধকার গলিটা পার করে যেতে হয়। প্রশ্ন উঠতে পারে এই গলিটার বিশেষত্ব কি? আমি উত্তর দেব এইভাবে,
দুর্গন্ধময়, কর্কশ, অন্ধকার এই শহরের প্রায় সমস্ত কদর্যতার খানিক প্রতিনিধিত্ব করা এই সংকীর্ণ রাস্তাটা আশ্রয় দ্যায় একজন অনিয়মিত ভিক্ষুক, দুটো উপচে পড়া ডাস্টবিন,
বিস্তারিত»একটি ভূমিকা এবং কিছু মানুষের গল্প
সিসিবি এখন বেশ সরব। কবিতা, গল্প, ভ্রমণ কাহিনী, দিনলিপি- নানা বিষয়ে কতো লেখা। প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন ব্লগার, নতুন লেখা পাচ্ছি। অফিসে এসেই সিসিবির পাতাটা খুলি। যখনই সময় পাই, পড়ি।
নূপুর অনেকদিন পর মনে হয় কিছুটা অবসর পেয়েছে। ঝর্ণার মতো তড়তড় করে পরপর দুটো পোস্ট নামিয়ে দিয়েছে। ও স্নিগ্ধ রেশমি শব্দমালা দিয়ে এমন মুচমুচে পদ্য লিখে যে এরই মধ্যে শুধু “স্নানপর্ব” দিয়ে সিসিবির আন্ডা-বাচ্চা থেকে বুড়োদের পর্যন্ত তার পাঙ্খা বানিয়ে রেখেছে।
বিস্তারিত»স্মৃতিবিমুখ, প্রমুখ মুখ
০
চিলতে রোদে পাখনা ডুবাই, মুচকি হাসে শহরতলি
রোজ সকালে পড়ছে মনে, এই কথাটা কেমনে বলি?
~~~
– “বল, জোরে জোরে বল, ক’য়ে আ-কারে কা, ম’য়ে আ-কারে মা, ন — কামান”
ওপাশে খানিক নিশ্চুপ বিরতি, তার চোখের দৃষ্টি ফ্যালফ্যালে। বোবা।
– “কি হলো? চুপ করে আছিস কেন? কি বললাম, পড়্!”
ফ্যালফ্যালে চোখের সামনে শক্ত ঝুঁটি ঝলসে ওঠে।
বিস্তারিত»ঢেউপুরাণ
তেরো নদী পার হয়ে
সাত সমুদ্রে নেমে
আপনমনে দুলতে
শুরু করেছিলো,
একটুও না থেমে
অতঃপর ফিসফিসিয়ে
ফিসফিসিয়ে চলেছে
কখনোবা হিসহিসিয়ে
আচমকা, অহমিকায়
কেশর ফুলিয়েছে;
যত এগিয়েছে
অহেতুক
লাফিয়ে লাফিয়ে
গর্জে উঠেছে শুধু,
প্রতিবারের মতো
পুরনো কথা ভেবে
আক্রোশে
অভিমানে
গুমরে উঠে
ফুলতে ফুলতে
ফুলতে ফুলতে
থইথই কথামালার
ফেনিল উচ্ছ্বাসে
একলাফে
প্রায় আকাশ ছুঁয়ে ফেলেই
সমস্ত বুদ্বুদসমেত
হুড়মুড় ক’রে
শেষমেশ
তোমার পায়ে
ভেঙে পড়েছে…..
শব্দ অথবা প্রেমিকাগণ
১।
দিনের শুরু থেকে
গাড়ির হর্ণ
রিক্সার বেল বাজে
ফেরিঅলার কন্ঠে বাজে
পণ্যের বেসুরো বিজ্ঞাপন
ঘড়ির কাঁটায়
ঘন্টাগুলো বেজে যায়
বাজেনা কেবল
তোমার টেলিফোন