নারীর হাসি

পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তার যত সুন্দর সৃষ্টি  রয়েছে তার মধ্যে বোধ হয় নারী অন্যতম। আর এই নারীর হাসি হচ্ছে নারীর সবচেয়ে সুন্দর দিক। তাইতো যুগে যুগে  লেখক, কবি, সাহিত্যিক কিংবা  দার্শনিকরা নারীর হাসিকে বিভিন্নভাবে চিত্রায়িত করছেন। আজ তারই কিছু কথা নিম্নে উল্লেখ করছি।

ওমর খৈয়াম বলেছেন-  ‘’ কবিতা ও নারী যমজ বোন। একজন ছন্দের রানী আরেকজন হাসির রানী।‘’শেক্সপিয়ার তার স্ত্রী অ্যানির হাসি সম্পর্কে বলেছেন, ” তুমি সুন্দর করে হাসতে পারো বলেই টেমস নদীর পানিগুলো আজো শুকায়নি।”আব্রাহাম লিঙ্কন বলেছেন, ” ক্রিস্টমাসের আনন্দটা এতো বেশী চমৎকারিত্তে ভরপুর হতো না যদিনা ঈশ্বর তোমার কণ্ঠে এতো সুন্দর হাসির শব্দ না দিতো।”জর্জ বার্নাডশ বলেছেন- ” তোমার হাসিটা আমাকে স্মরণ করিয়ে দেয় এখন সকাল। সূর্যটা শুধু উষ্ণতা দান করছে ঘূর্ণিওমান প্রতিবেশীদেরকে।”ফ্রেঞ্চ লেখক মোপাসা বলেছেন-” নিঃসঙ্গ দ্বীপে আমি একটা বটগাছকে ভালবেসে কাটিয়ে দিতে পারতাম যদি  সেটা হাসতে পারতো ঠিক একজন নারী যেভাবে হাসে।”ভ্যানগগ বলেছেন-”  নারীর দেহটা বাদ্যযন্ত্র আর হাসিটা হচ্ছে বাদ্যের শৈল্পিক সুরলহরি।” বারটানড রাসেল বলেছেন-” নারীরা এবং শিশুরা হাসে বলেই পৃথিবীর উপরকার ছাদটা ভেঙ্গে পরছেনা ভুমিতে।”স্যার জোনাথন সুইফট বলেছেন- ” আমি শুধু ইচ্ছে করেই আমার বিড়ালটা কর্তৃক উত্তেক্ত হই কারন আমাকে ওভাবে দেখলে হিলি হাসতে হাসতে লুটিয়ে পড়ে আর সেই হাসিটা আয়ারল্যান্ডের ঝড়ো চেয়েও শক্তিশালী ঝড় তুলে আমার হৃদয়ে।”

১,৭১৩ বার দেখা হয়েছে

৬ টি মন্তব্য : “নারীর হাসি”

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।