হাতে লিখতে সময় লাগবে তাই বইটি সরাসরি তুলে দিলাম। লেখক লে কর্নেল (অবঃ) এম এ হামিদ, পিএসসি। বই- তিনটি সেনা অভ্যুথ্বান ও কিছু না বলা কথা। বইটি শিখা প্রকাশনি থেকে প্রকাশ করা হয়েছিলো। প্রথম প্রকাশকাল ১৯৯৩।
বিস্তারিত»
হাতে লিখতে সময় লাগবে তাই বইটি সরাসরি তুলে দিলাম। লেখক লে কর্নেল (অবঃ) এম এ হামিদ, পিএসসি। বই- তিনটি সেনা অভ্যুথ্বান ও কিছু না বলা কথা। বইটি শিখা প্রকাশনি থেকে প্রকাশ করা হয়েছিলো। প্রথম প্রকাশকাল ১৯৯৩।
বিস্তারিত»
১
গ্লাসের বরফটা বারবার গ্লাসের দেয়ালে ঠোকাঠুকি করে অধাতব শব্দ করছে, তাতে সের্গেই এর চিন্তায় বাঁধা পরছে না। কয়েকশো প্রজাপতি হৈ হুল্লোড় করে ওঠে তলপেটে, বুকের কাছটায় হামাগুড়ি দেয় একটা পাখা ভাঙা ডাহুক। ওলগা তবে এমনটা করেই যাচ্ছে, শেষ রাতে ফোনে আসা মেসেজগুলো তাহলে ইনস্যুরেন্স আর ট্যাক্সি কোম্পানির প্রমোশন নয়, বরং একজন সাশা এর সাথে দেখা করার সময় ও ভেনুর আপডেট। সেদিন ভুল করে এপার্টমেন্টের চাবি গাড়িতে ভুলে যাওয়াতে হাতড়াতে হয়েছিল ওলগার হ্যান্ডব্যাগ,
খুব ছোটবেলা RAY-BAN এর সানগ্লাসের সাথে সাদা গেঞ্জি পড়া কোদাল হাতে মেজর জিয়ার ছবি দেখে আমার দুই মামার মতো আমিও মুগ্ধ হয়েছিলাম।আম্মা বলেছিল তার মৃত্যুতে নাকি ৪০ দিন শোকের মাতম উঠেছিল সারা দেশে,এই কথা শুনে আমার মুগ্ধতা আরও বেড়ে গিয়েছিল। বিএনপি আমলে যখন বারবার বিটিভিতে বঙ্গবন্ধুর নামটুকু বাদ দেয়া জিয়ার কণ্ঠ শুনতাম তখনও মুগ্ধ হতাম। মামারা বিএনপির রাজনীতি করায় তার খাল কাটা সহ বিভিন্ন প্রকল্পের কথা শুনে আমি তো জিয়াকে রিয়েল লাইফ সুপারহিরোই ভাবতাম,ম্যাকগাইভার,হারকিউলিস বা রোবোকপ এর মতো।
বিস্তারিত»এ প্রভাত ভরেছে আলোয়, জুড়েছে প্রানের মেলায়।
এ সময় হয়েছে বুঝি শুধুই বয়ে যাওয়ায়।
এ কোন স্রোতে ভেসেছি আমি, এ কোন জলের ডাক!
এ কোন মায়ায় ডুবেছি আমি, এ কোন পথের বাঁক!
এ আকাশ থেকেছে একা, গহন মেঘে ঢাকা,
এ বাতাস ছুয়েছে একা, বেদনার রংয়ে মাখা।
এ সাঁঝে তবু ফিরেছি কোথায়, খুজেছি কোথায় নীড়,
এ রাতে তবু জেগেছি মিছেই,
সেই ঝরনা, গোধূলিবেলায় এক ঝাক পাখি
জীবনের স্রোতে ক্লান্ত হয়ে- নিষ্ফল ডাকাডাকি।
সেই জ্যোৎস্না, নীশিথরাতে এক ঝাক তারা
সময়ের স্রোতে শ্রান্ত হয়ে- কেঁদে কেঁদে হয় সারা।
আছো কী তুমি বন্ধু আমার, গহন নদীর বাঁকে?
আছো কী তুমি বন্ধু আমার, উথাল প্রানের বাঁকে?
এই নদীজল, এই সমতল;
এই ঝরনা, এই চরাচর;
এ সবই মায়া, মিছে মরিচীকা।
এ সবই ছায়া,
আমার ফেইসবুকের প্রোফাইলে রিলিজিয়ন এর ঘরে লেখা ক্রিকেট। এটা খেয়াল করে কোন এক বড় ভাই একদিন জিজ্ঞাসা করেছিলেন। উত্তরটা তৎক্ষণাৎ দিতে পারি নাই। কারণ এক লাইনে বলার মত ছিলো না। কারণ যেটা সেটা হলো, আমি কোন ক্রিকেট বোদ্ধা নই। ব্যাট-বল জীবনে ক’বার ছুঁয়ে দেখেছি বলে দেয়া যাবে। খেলোয়াড়ি জীবন বলতে ১৯৯৫ সালে ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের একটুকরো জমিতে টেলএন্ডার/দুধভাত হিসেবে বিপদে পড়ে ব্যাটিং করতে নামা।
বিস্তারিত»ভালো গান শুনলে কাঁদি।
ভালো কবিতা শুনলে কাঁদি।
মানুষের দুঃখে কাঁদি।
মা মারা গেছে, চোখে পানি আসছে না।
আমার মনে পড়ে মায়ের দুঃখে কেদেছি, মায়ের চোখে পানি দেখে কেদেছি।
মার ক্যান্সার যখন ধরা পড়লো ২০০৫ এ সেই খবর ফোনে পেয়ে কেদেছি।
২০০৯ এ আব্বা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়লো। বাচে কি মরে এই অবস্থা।
একটি সাম্প্রতিক চলমান বিষয়ের উপর অনুভূতি জানাতেই এটা লিখা। বিষয়টিতে উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ প্রক্রিয়ার বিশ্লেষন ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্য না খোজার জন্য অনুরোধ করছি।
মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী ও মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর টেলিফোন কথোপকথন শুনলাম। দুজনেই প্রস্তুতি নিয়েই যে কথা বলতে বসেছিলেন তা পরিষ্কার বুঝলাম।
আমার মনে হলো, মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রীর মূল প্রস্ততুতি ছিল দুটি লক্ষ অর্জনে: ১) তাঁর টেলিফোনটি যে ডেড ছিল,
বিস্তারিত»হরতালের মৌসুমে বাজারে এল শীত(শিট)কালীন সবজি মুলা।মুলাকে কেন সবজি বলা হল,কেন এটাকে আগ্নেয়াস্ত্র বলা হল না?আপেলকে কেন ফল বলা হল,সবজির চেয়ে সেটা কোনদিকে উচ্চতর? এই দ্বিধা আমার এখনও দুর হয় নাই।কথা সেটা নয় কথা হচ্ছে হরতালি এবং দুরে দাড়ায়ে করতালি দেয়া ভাইদের এখন ঈদ।অবিসংবাদিত সবজি মুলা এখন বাজারে । রুখবে তাদের কে? মুলা কিভাবে জাতীয় জীবনে সুখ এবং সমৃদ্ধি আনতে পারে?
১। কষ্ট এবং ঝুঁকি নিয়ে মোরগপুচ্ছ(ককটেল),
সিসিবি তে অনেকদিন লিখা হয় না। জানিনা কেন। এমন না যে অন্য কোথাও লিখি। লিখি ই না। পড়ি ও না কোন বই। হয়তো কোন সম্পর্ক আছে দুটোর মধ্যে।
আমার আজকাল ওপাড়ের জীবন টা কে মনে পড়ে। আজ একটা কনফারেন্স এর অর্গানাইজার ছিলাম। ৬-১২ এর বাচ্চাদের কনফারেন্স। ওদের মধ্যে কি তীব্র আগ্রহ! কি নির্ভীক!! সব ভেঙ্গেচুরে শিখরে উঠে যাবার কি তীব্র উদ্যম!!! আর সবথেকে বড়…
রাত বাজে ১.২২ মা রাগারাগি করছে ঘুমাতে যাবার জন্যে। আর আমি পাগল হয়ে খুঁজছি আমার কলেজের ডাইরী টা।
আমার কলেজে থাকতে লেখা সব কথা, সব স্বপ্ন।
ভার্সিটির এক বন্ধু বলেছে আমি বাংলা পারিনা। তাকে একটু শো অফ না করলে তো আর হয়না তাই ব্লগের লিঙ্ক দিলাম।
স্রোতের মতোন চারিদিকে ঘিরে ধরলো আমাকে হারিয়ে আসা দিনগুলি।
হারিয়ে আসাই বটে। ফিরে পাবার নয় যা- হারিয়ে আসাই তো নাকি?
প্রাক কথন-
দক্ষিন বাড্ডার বাসিন্দা আলতাফ হোসেন ( বিএসসি) সাহেবের মেয়ে ” তৃপ্তি” এ বছর সরকারী মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করেছে। বড্ড খেয়ালী মেয়ে, আলতাফ সাহেবের ছোট ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে ইন্টার মিডিয়েট পড়বার সময়, তৃপ্তির বান্ধবী রুমী সেদিন তার বর নিয়ে চা খেয়ে গেল বাসায়, অথচ তৃপ্তির সেই দিকে কোন নজর নেই, পড়াশুনা শেষ করতে হবে বলে বলে আজ এই ছয় বছর বিয়ে করেনি।
বিস্তারিত»দুটি মন আর নেই দুজনার। রাত বলে আমি সাথী হবো যে। গানটি মনে পড়লো খুব উদ্ভট এক সময়ে। কমোডে বসে ছিলাম বেশ কিছুক্ষণ। হঠাৎ একরকম গলা ছেড়েই কিছুটা ভুল হলেও গেয়ে উঠলাম। চার লাইন গেয়েই থেমে গেলাম। সুর বাদে আর কিছু মনে নেই। ২৩ বছর আগেকার কোন এক সকালে প্যানাসনিক ক্যাসেট প্লেয়ারে বাজতে থাকা গানের কলি এভাবে মনে পড়ায় অনেকটাই হতহম্ভ আমি। ঘুরেফিরে চারলাইন বেশ কিছুক্ষণ গাইবার চেষ্টা করলাম।
বিস্তারিত»দবিরঃ
ওই আওমি লিগ
কেমন আছিস?
চান্দু!
দবিরঃ
শালা হাচিনা কি তোর শ্বাশুড়ি লাগে?
ক্যান?
দবিরঃ
তুই তো হাচিনা ছাড়া কিসুইইইই বুঝশ না
হা হা
আই লাইক হাসিনা
দবিরঃ
তোর সব পোস্ট তো তাইইইই বলে
বাট আমি আওয়ামী লীগ না।
দবিরঃ
তার অসভ্য-অভব্য কথার জন্য পছন্দ করিস?
পাষ্টে আমি বিএনপি রে ভোট দিছি।
বিস্তারিত»৫।
টাকা-পয়সা মিটিয়ে দিয়ে ন্যাশ টেলিগ্রাফ অফিস থেকে বের হতেই দেখল রাস্তার উপর তিনজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। ওদের মধে সবচেয়ে কুৎসিতদর্শন লোকটা বলে উঠল,
-তুমি কেভিন ন্যাশ?
-কে জানতে চাইছে?
-আমি হেনরি ওয়াকার, এইচ এম র্যাঞ্চ এর ফোরম্যান। আমাদের বস হ্যারি মার্টিন তোমাকে যেতে বলেছে, তোমার সাথে পরিচিত হতে চায়।