নো অফেন্স লেডিজ,প্লিজ!

চমৎকার ওয়েদার। রোদ,বাতাস,মেঘ; সবই আছে! তাই নর্দমার পূতিগন্ধময় মমিন্সিঙ নগরে নিতান্ত অনিচ্ছাকৃতভাবে নেমে আসা বিকেলটাকেও চমৎকার বলা যায়। ! এই ওয়েদারে একটা রিকশা নিয়ে অনন্তকাল হাটাহাটি করতে বেরুনো যায়।কোন হুড তোলা হবে না,কোন প্রেমিকার স্থান হবে না পাশে! শুধু আনমনা সিগারেটে আলতো টান হবে!(রমজানের কারণে আপাত সংযম)!
রিকশার মৃদুমন্দ গতি এবং রমজানের আপাত সংযম দুটোতেই ছেদ পড়ল! উল্টোদিক থেকে একটা রিকশা আসছে,আরোহিণী একজন “আগুনের দলা”!

বিস্তারিত»

নতুন ব্লগার হলাম

নতুন ব্লগার হলাম তাই প্রথমইে ছোট একটা লেখা লিখেই শুরু করি।হঠাৎ করইে এই ব্লগের ঠিকানা পেলাম।ভাল লাগলো ক্যাডট কলজে সমন্ধে এরকম একটা ব্লগ পেয়ে।এখানে নিজের মতামত গুলো শেয়ার করা যাবে।অন্যের মতামতও গ্রহন করতে পারবো।এমনিতে আমি সামহোয়্যারইন ব্লগে লিখি।এখন থেকে এখানেও লিখবো আশাকরি।আপনারাও আমাকে সাহায্য করবেন  আপনাদের চিন্তা ভাবনা গুলো দিয়ে।আমি রংপুর ক্যাডট কলেজ থেকে।সিরাজ জ-৭৬০।এখানে আমাদের মাহমুদ ভাইকে দেখলাম  ব্লগ লিখতে।সবার সাথইে কথা হবে।ভাল থাকবনে সবাই।আবার দেখা  হবে এই ব্লগে।আগাম ঈদের শুভেচ্ছা রইল।

বিস্তারিত»

দি নিউ মমিন্সিঙ্গা সার্কাস ….!

ঘুম থেকে উঠে দরজা খোলা মাত্রই দেখলাম প্রচুর ভীড়।বিকেল ৫.৩০ বাজে।আবার কি হল?? ভীড় নীচতলার করিডোর জুড়ে, সিঁড়ির ধাপে ধাপে,দোতলায় গিয়ে তুঙ্গে!! কোমরে তোয়ালে পেঁচিয়ে বের হয়েছিলাম গোসল করার আশা নিয়ে! জুলাই মাসে দিনে অন্তত একবার গোসল না করলে নিজেকে বড় বিবেকহীন মনে হয়। কিন্তু অনুসন্ধিৎসু অন্তঃকরণের কাছে হার মেনে গেলাম! আবার দরজা লাগায়ে হাফ প্যান্ট আর টিশার্ট পরলাম! জুলাই মাসে গোসল রাতেও করা যাবে!

বিস্তারিত»

মায়াবতী তরুণীর প্রতি খোলা চিঠি

আমার ডান হাতের তর্জনী ছুঁয়ে দিতে চাইলে তোমাকে জানতে হবে কেন আমি রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে দুধ চা খাই না, আদা চা খাই। জানতে হবে প্রচণ্ড জ্বরে কিছুই মুখে তুলতে না পারা একলা বালক কেন চিনি গোলানো পানিতে ভিজিয়ে ব্রেড খেতে চায়। তোমাকে জানতে হবে ফুটবল মাঠে খেলতে নামার সময় বালকের কোন হাতের মুঠোয় ধরা থাকে নিরন্তর সাথী ভেনটোলিন ইনহেলার।

আমার বাহু জড়িয়ে ধরতে চাইলে তোমাকে জানতে হবে লিওনেল মেসি কোন পায়ে শট নেয় গোলপোস্টে।

বিস্তারিত»

কিসের বলির পাঠা রনি

এই দফায় আওয়ামীলীগের বা জোট সরকারের ব্যার্থতা কি কি?
বিডিয়ার বিদ্রোহ ১ নম্বরে।
যদিও আমি বিশ্বাস করি না আওয়ামীলীগ এর পিছনে ছিলো। কিনবা এর কোন নেতা ছিলো। যদিও নানকের নাম বার বার এসেছে।
বিভিন্ন গুম খুন নিউজে এসেছে।
বিশেষ করে ইলিয়াস আলী এমপির ঘটনা।
আমি এর পিছনে রাজপুত্রের হাত দেখতে পাই।

কালো বিড়াল আর আবুল হোসেনের সাকোর কথা বিশেষ করে বলার কিছু নাই।

বিস্তারিত»

অদ্ভুত উটের পিঠের আরোহী

প্রায় ৪ মাস বাসার মুখ দেখিনা। তাই পরিবারের প্রতি একটা আলাদা টান অনুভব করছি গত ৩ দিন ধরে। অনাকাংখিতভাবে, আরও ভালভাবে বলতে গেলে আশ্চর্যজনকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ ২ তারিখ ছুটি ঘোষণা করে দিয়েছে। ১ তারিখ রাতে রওনা দেব বলে ঠিক করলাম। ২৩ তারিখ টিকেট কাটতে যাবো স্টেশনে। ১২টা পর্যন্ত ক্লাস করে যেই বাসে উঠতে যাচ্ছি,তখনি এক বন্ধু কল করল।”দোস্ত,খবর তো খারাপ।” “ক্যান,কি হইসে?” “২ ঘণ্টা দাঁড়ানোর পর বলে টিকেট নাকি নাই।”

বিস্তারিত»

দৈনিক ধারাবাহিক অভিনয়…

রাত ৯.১৫। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল। জহির বসে আছে বিছানায়।
তার মোবাইলটা বেজে ওঠে হঠাৎ। হাতে নিয়ে দেখে মা কল দিয়েছে গ্রাম থেকে। সে কলটা কেটে দিয়ে নিজেই কলব্যাক করে।

– হ্যালো, মা।
– হ্যালো বাবা কেমন আছিস রে?
– আমি খুব ভাল আছি মা। তোমার শরীর এখন কেমন? রাশেদ আর মিলি কেমন আছে?
– আমার শরীর এখন একটু ভাল। রাশেদ আর মিলি পড়ছে।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজ কড়চা-২

২০০২ থেকে ২০০৮।আমার ক্যাডেট লাইফ।ভালোয় মন্দে মিশিয়ে কেটেছে জীবনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর এই ছয়টি বছর।যেকোন ক্যাডেটের এই ছয়টি বছর কাটে অনেক ঘটনাবহুল।আমিও ব্যাতিক্রম না,মাঝে মাঝে মনে হয় আমার ক্যাডেট লাইফ একটু বেশিই উরা-ধুরা।কলেজের গল্প করতে কার না ভালো লাগে?ছয় বছরের ছোট ছোট ঘটনা নিয়ে আমার এই সিরিজ ‘ক্যাডেট কলেজ কড়চা’।আগেই বলে নেই ঘটনাগুলো ক্রমানুসারে সাজানো নয়।যেটা আগে মনে আসবে সেটাই লিখবো আগে।

(ডিসক্লেইমারঃধূমপান ক্যানসার সহ নানা প্রকারের দুরারোগ্য ব্যাধির কারণ হতে পারে)

বয়স তখন ১৩ কি ১৪।ক্লাস এইটের কোন এক ছুটি।দুই দুষ্টু (ক্যাডেট)বন্ধুর প্ররোচনায় সিগারেটে হাতেখড়ি।আমার ভাব তখন দেখে কে?২ দিনে মনে হলো অনেক বড় হয়ে গেছি।অসম্ভব(!)স্মার্ট লাগতে লাগলো নিজেকে।তার উপর বিলবোর্ডে নেভির প্যাকেট সামনে রেখে জাহিদ হাসানের ছবি,লেখা “শেষ পর্যন্ত সিগারেটটা ধরেই ফেললাম”।ভ্যাকেশনে লুকিয়ে লুকিয়ে সিগারেট খেতাম বাথরুমে,অনেক রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে।মাঝে মাঝে মিসটাইমিং হয়ে যেত।আম্মা বলতো রাতদুপুরে নাকি বিড়ির গন্ধ পায়।নানী এগিয়ে আসতো আমাকে বাঁচাতে,বলতো পাশের বাসার আঙ্কেল রাতে বিড়ি খায়।

বিস্তারিত»

তারেক ওসমানের নিবন্ধ

অনুবাদকের দুই পয়সা

সবার মতোই আমিও পত্রপত্রিকা পড়ি। সময় পেলে বেশ খুঁটিয়েই পড়ি। অনেক সময়ই দেশের চলমান ঘটনাগুলোতে বিশেষত রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহে হতাশ হই। আমি নিশ্চিত যে এটা আমি একা নই, আরো অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে। এ মাসের প্রথম দিকে যখন মিশরে সামরিক বাহিনী জনসমর্থন সাঙ্গ করে নির্বাচিত ইসলামিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডকে ক্ষমতাচ্যুত করে – সংবাদমাধ্যমে তার গতিপ্রকৃতি খেয়াল করছিলাম আর মনে হচ্ছিল এ যেন আমাদের দেশের ‘ওয়ান ইলেভেন’

বিস্তারিত»

পাঠকের ডায়েরিঃ স্মৃতি উসকে দেওয়া বই- খাকি চত্বরের খোয়ারি

ফেসবুকে বইপড়ুয়া বলে একটা গ্রুপ আছে। শাহাদুজ্জামানের বইয়ের খবরটা সেখান থেকেই পাই। লেখক হিসেবে শাহাদুজ্জামান এমনিতেই পছন্দের তালিকায় আছেন তার উপরে বইটা যখন ক্যাডেট কলেজ নিয়ে লেখা তখন আর তার উপর নজর না দিয়ে পারি নাই। ক্যাডেট কলেজ নিয়ে যেখানে যা পাই পড়ি, নিজের অভিজ্ঞতার সাথে অন্যদেরটা মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করি। তাই আজিজে বইটা চোখে পড়তেই কিনে ফেললাম। এরপর শুধু চুপচাপ পাতা উলটে যাওয়া।

শুরু টা একটু জড়সড়।

বিস্তারিত»

বন্ধু বিয়োগ

বন্ধু ছাড়া কি চলে?
না চলে না।

বন্ধু দিবস ও তো রয়েছে এর প্রমাণ দিতে যে বন্ধুত্ব কতোটা প্রয়োজনীয় জীবনে।
প্রাণিজগতে কি বন্ধু আছে? মানে বন্ধুত্বের চল আছে? দল বেধে অনেকে চলে বটে কিন্তু তাকে কি বন্ধুত্ব বলা চলে! জৈবিক কারণে কোন কোন প্রাণি জোড়া বাধে, সন্তান উৎপাদন করে, কেউ ভালোবাসে, কেউ বাসে না। তবে মায়েরা বোধকরি ভালোইবাসেন। বাবারা কখনো সখনো সন্তানকে মেরে উদরপুর্তিও করেন।

বিস্তারিত»

চেতনা চোরদের জবাব দিতে হবে

শাহবাগে আবেগ চুরি গেল
চেতনা জমা নিয়ে সুদ তুলল
তথাকথিত দেশপ্রেমিকের দল।
ওরা ভুলে যায়
আমার চেতনা শুধু তিন শব্দেই নয়
বুকের ভেতর পুষে রাখছি রাগ
শরীর জুড়ে আমার বাংলাদেশ
হৃদয় আমার পূর্ণ শাহবাগ।
…………
সুদখোরদের জবাব দিতে হবে
চেতনাচোরদের জবাব দিতে হবে।

 

বিস্তারিত»

নতুন সূচনা

– এই ছেলে এই……………………।
কিছুটা অবাক রাত ২টা বাজে এমন সময় এইভাবে কোন মেয়েলী স্বরের ডাক নিশ্চয়ই কেউ আশা করবে না। ঘুরে তাকাতেই দেখলাম হলুদ কামিজ আর সবুজ সালোয়ার পরিহিতা আমাকে তার কাছে এগিয়ে যেতে অনুরোধ করছেন না ঠিক আদেশ দিচ্ছেন। কিছুটা ভয় পাওয়া স্বাভাবিক একে রাত তার উপর কমলাপুর রেলস্টেশন আশে পাশে আর কাউকে দেখা যাচ্ছেনা। তবে যে ধারণাটা মনে আসছিল তা সত্যি হবার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

বিস্তারিত»

খঞ্জনী

আমাদের গল্পটা শীতের শেষের দিকে এক বিকেলের। ম্যাড়মেড়ে, ক্লান্ত কিংবা ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে বসে থাকার কোন বিকেল নয় সেটা। ঝরা পাতার মর্মর শব্দ আর ঠান্ডা বাতাসের শো-শো আওয়াজের সাথে উজ্জ্বল হলদে রোদে ভরা সে বিকেল। এমন সময়ে মনে হয় না কারো ইচ্ছে করে লেপ-কম্বল গায়ে ঘরে বসে থাকতে। বরং ইচ্ছে হয় গরম কাপড় গায়ে চড়িয়ে পকেটে দু’হাত ঢুকিয়ে একলা পথে হাঁটতে। আমি তাই পথে বেড়িয়ে পড়ি।

বিস্তারিত»

কথোপকথন

-ফ্রি তে নাকি কিছুই পাওয়া যায় না।মূল্য দিতে হয়।এইজন্যই বোধহয় তোমার আমার মাঝে অতটা …ইউ নো ..’ম্যাটেরিয়াল ‘ নাই! তোমাকে পেতে আমার ওয়েট করা ছাড়া আরতো কিছুই করতে হয় নি!
-কে বলছে? তোমার সবসময় ফোনে কথাবলা বন্ধুদের কেউ? ….অফকোর্স উইদাউট মিনিং এনি ডিজরেস্পেক্ট টু দেম!তোমার বন্ধুদেরতো আবার সমালোচনা করা নিষেধ! দেবতাকূল!
-হুম! তুমি কি আমাকে খোঁচা দিলা? ইন অ্যান “অ্যাটেম্পট টু টীজ ”

বিস্তারিত»