ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে যখন মেডিকেল কলেজ এ ভর্তি হই, অনেক আশা ছিল, ভাবতাম মেডিকেল কলেজও মনে হয় ক্যাডেট কলেজের মতই হবে…..আমার ক্যাডেট কলেজ খুব ভাল লাগত……স্টাফদের কাজকর্মের জন্য না বরং আড্ডা এবং দুস্টামির জন্য…সকাল থেকে শুরু করে সারাদিনই আমরা দুস্টামি করতাম…এই একসাথে থাকার কারনে আমাদের বন্ধুত্বও হয় সেই রকম…একটা ক্যাডেট এর সাথে আরেকটা ক্যাডেট এর যে কি বন্ধুত্ব তা বাহিরের একটা মানু্য কখনই বুঝতে পারবে না বা ব্যাপারটা ফিল করতে পারবে না…আমরা ক্যাডেটরা একে অপরের জানের বন্ধু ……..।নিজে মরব তবে বন্ধুকে বাচাব…।আমাদের মানসিকতা এরকমই ছিল ……তো এইটা স্বাভাবিক যে আমি আমার মেডিকেল কলেজেও এরকম টাইপের বন্ধু খুজব…যারা আমার সাথে আমার বিপদ আপদে থাকবে বা আমার পিছে আমার ক্ষতি করবে না…..এবং পাইও নাই এটা বলা ঠিক হবে না…এরকম অনেক বন্ধু পেয়েছি যাদের অপর আমি নির্ভর করতে পারব….যারা আমাকে বিপদে আপদে সাহায্য করবে..কিন্তু এইখানে আসার পর বুজলাম যে আসলে সবার সাথে বন্ধুত্ব করা যায় না…এই ব্যাপারটা আমি মেনেই নিয়েছিলাম……বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে নিজের বন্ধুদের নিয়ে ভালই ছিলাম নিজের রাজ্যে…।
বিস্তারিত»এ জার্নি বাই বাস-১
নীচের এই কাহিনী পুরাটাই ব্লগারের নিকট অতীত জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার সন্নিবেশ । ফলে এই ব্লগের সাথে সংশ্লিষ্ট না এমন কারও জীবনের কোন ঘটনার সাথে মিলে যেতেই পারে । তবুও এজন্য ব্লগার দায়ী নয় । এজন্য বড়জোর তার সৌ/দুর্ভাগ্যকে দায়ী করা যেতে পারে
সন্ধ্যা ৬টা
দুরুদুরু বুকে বাস কাউন্টারে আমার পদার্পণ । আল্লাহই জানে কি আছে কপালে……
-ভাই বগুড়ার কোনো সিট হবে ?
মাইর দেনেওয়ালারা
পৃথিবীতে দুই রকমের মানুষ আছে, মাইর খানেওয়ালা আর মাইর দেনেওয়ালা। সময়ে সময়ে মাইর খানেওয়ালারা মাইর দেনেওয়ালাতে পরিণত হন, মাইর দেনেওয়ালারা মাইর খানেওয়ালাতে। যেমন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতা রোটেট করে বিরোধী দলে যায়, তারা হয়ে যায় মাইর খানেওয়ালা। আবার ক্ষমতায় আসলে তারাই মাইর দেনেওয়ালা। সবই আল্লাহ পাকের ইচ্ছা…
তবে পুলিশদের কোন রোটেশান নাই। তাদের কপালে সীল মেরে লিখে দেওয়া হয়েছে, তারা সবসময়ই মাইর দেনেওয়ালা।
বিস্তারিত»জন্ম নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গ
দেশের সরকার তো সেই আদ্দিকাল থেকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পুরা ই ব্যাস্ত। আজ এই পরিকল্পনা তো কাল ওই কর্মসূচি।কিন্তু বিধিবাম সব ক্ষেত্রে ই ব্যাপার টা হয়ে যাচ্ছে “বাঘের মত গর্জন করে ব্যাঙের মত লাফ”। অবশ্য অস্বীকার করব না যে আমাদের দেশের জন্ম নিয়ন্ত্রণ অনেকটা ই করা গেছে, যদি ও জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ব্যাপার টা এখন ও মারাত্মক হুমকি হয়েই রয়ে গেছে।
আমার প্রশ্ন হচ্ছে “জনসংখ্যা বাড়লে সমস্যা টা কি?”
জানি যারা পড়ছেন তাদের কেউ কেউ already প্রস্তুত হয়ে গেছেন আমার এই কথাটার যথোপযুক্ত উত্তর দেওয়ার জন্য।
বিস্তারিত»১৫ কোটি মানুষ থেকে কি ১১ টা ফুটবলারও বের করা যায় না?
আমাদের দেশের জনসংখ্যা যে ঠিক কত তা আমি বলতে পারব না ।তবে ১৫ কোটির নিচে হবার কথা না। কিন্তু মজার ব্যাপারটা হল এই ১৫ কোটি মানুষ থেকে আমরা ১১ জন এমন লোক বের করতে পারি না যারা ভাল ফুটবল খেলে!!!! আজীব!!! অপর দিকে কুয়েত যার জনসংখ্যা ২০ লাখ এর মত … সেই পিচ্চি একটা দেশও বিশ্বকাপ খেলে ফেলেছে। কাতার তো সামনের বিশ্বকাপ হোস্ট করারও ট্রাই করতেছে।
বিস্তারিত»রকিব হাসান থেকে সৈয়দ আবুল মকসুদ

তিন গোয়েন্দা যখন পড়া শুরু করলাম তখন আমি হয়ত ফোরে পড়ি।সারাদিন মাথা গুঁজে রহস্যের সমাধান পড়তাম আর কিশোর পাশাকে হিরো বানিয়ে ফ্যান্টাসিতে ভাসতাম।তিন গোয়েন্দা পড়ার আগে আমি তেমন একটা গল্পের বই পড়তাম না।ছোটবেলায় আমার সমসাময়িক সবাই যখন সারাদিন কার্টুন দেখে কিংবা কমিক পড়ে ফিক ফিক করে হাসে,আমি সেই সময়ে ব্যস্ত খেলাধুলা নিয়ে।অনেক ছোট থেকেই আমার ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা মারাত্মক।আমি আর আমার চেয়ে ৪ বছরের বড় চাচাতো ভাইটি বাড়ির উঠানকে মাঠ বানিয়ে প্রতিদিন সবাইকে যন্ত্রনা দিতাম।আরেকটু বড় হলে আমরা উঠানের পাশাপাশি বড় মাঠেও খেলা শুরু করলাম।আমার খেলার সাথী ছিল আমার বড় ভাইয়ের বন্ধুরা,আমি আমার বয়সী বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট খেলা শুরু যখন আমার ভাইয়ের বন্ধুরা ক্রিকেট ছেড়ে ফুচকা খাওয়া কিংবা চায়ের দোকানে আড্ডা দেয়ার মাঝেই বেশি মজা খুজে পেল।আসলে আমার বয়সি ছেলেরা তখন বরফ-পানি বিংবা ছোয়াছোয়ি খেলা থেকে অবসর নিয়ে মাত্র ক্রিকেট ময়দানে নাম লিখিয়েছে।অবশ্য তাদের সাথে বেশিদিন খেলার সৌভাগ্য আমার হয়নি।ক্লাস ফোরে থাকতে আমি ঢাকায় চলে আসি আর বিদায় জানিয়ে আসি বাল্যবন্ধুদের।
জাগ্রত যখন
স্বাপ্নিক আমি এক
অস্থির সময়স্রোতে বিদ্যমান
স্বপ্নযাত্রার অংশ কোনো।
আশা আর আশংকার সন্ধিস্থলে
ঘুরপাক খায় যাদের ভাবনা,
তেমন কোনো শ্রমিক মৌমাছির চেহারায়
অদৃশ্য জালে বুনা সুখানুভবের
অপেক্ষা আর অস্থিরতায়
মার্সিডিস, বিএমডব্লিও কিংবা পোর্শে হাঁকানো
পঙ্গু একদল দীনহীনের কোরাসের মত।
আমি তো এখন এক্স-ক্যাডেট
কলেজ থেকে বিদায় নিয়েছি তা ও ১ বছরের বেশি হয়ে গেল। যতটা শূন্যতার কথা ভেবেছিলাম কলেজ থেকে আসার সময়,আসলে ততটা বোধ করিনি বাস্তবে;সে শুধু বেশির ভাগ পোলাপানের ঢাকা কেন্দ্রিকতা আর ফেসবুকের কারনে। এইচ এস সি র পর আসলে সবার ই মোটামুটি দৌড়ের উপর থাকতে হয়। এই ৪০০ মিটারের গতিতে ৩০০০ মিটার দেয়ার সময় পুরনো স্মৃতি গুলো যে কষ্ট,হতাশা বা দীর্ঘঃশ্বাস জাগায় নি তা নয়। বিভিন্ন কাগজপত্র (সারটিফিকেট) আনতে ২ বার কলেজ এ যাওয়া লাগলে ও দুই বার ই ক্যাডেট দের ভ্যাকেশন ছিল।
বিস্তারিত»দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘোরা হয়নি হয়নি করেও একদম কম জায়গায় যাইনি। সেদিন বসে বসে চিন্তা করছিলাম কয়টা জেলা আমার দেখা হয়েছে। সর্বশেষ ভ্রমণটা ছিল ঢাকা থেকে প্রায় ২.৫ ঘন্টার দূরত্বে মানিকগঞ্জের ঝিটাকা নামক থানায়। ঝিটাকায় ফারুকের বাসায় ঘুরতে যেয়ে ‘ফ্রি’ হিসেবে পদ্মা দর্শনটা বেশ উপভোগ্যই ছিল বটে। তবে সবচেয়ে উপভোগ্য ছিল চরের বাচ্চাদের সাথে ফুটবল ম্যাচটা!
মানিকগঞ্জে যাওয়ার প্রায় মাস ছয়েক আগে ঘুরে এসেছিলাম পাহাড়ের জেলা বান্দরবান থেকে।
বিস্তারিত»যাচ্ছে জীবন – ২
কয়েকদিন ধরে কিছুই ভালো লাগছে না। কাজে প্রচণ্ড চাপ। সেইদিন আয়নায় দেখে মনে হল আমার যা চুল কাঁচা ছিল এইখানে কাজ করে বেশীরভাগই পেকে গেলো। নতুন কোথাও ভালো কোন কাজ খোঁজা দরকার। কিন্তু সারা দুনিয়া জুড়ে চাকুরীর বাজারে মন্দা চলছে, টোরি পার্টি ক্ষমতায় এসে যে কাটছাঁট শুরু করলো তার রেশ যে কোথায় যেয়ে ঠেকে খোদা মালুম। আগে কাজের জন্য দরখাস্ত করলে দুঃখিত বলে চিঠি আসত,
বিস্তারিত»বাবা
আমার মেয়েটা একটা রিতীমতো গল্পখোড়। প্রায়ই মায়েদের দেখি অনুযোগ করতে তাদের বাচ্চাদের টেলিভিশন আসক্তি নিয়ে। আমার তো মাঝে মাঝে বিরক্তিই লাগে যে টেলিভিশন নিয়ে মারযুকাহ যদি ব্যাস্ত থাকতো, তাইলে তো আমি অন্তত সংসারের কাজ, পড়াশুনা ঠিকঠাক মত করতে পারতাম। নাহ, তাকে গল্প শোনাতে হবে। যাই হোক অনেক অনেক গল্পের মধ্যে তার ভীষন পছন্দ আমার স্বরচিত একটা গল্প। গল্পটা অনেকটা এমন,
” আমার কাছে আসার আগে তুমি আল্লাহ’র কাছে ছিলে,
প্রার্থনা
যদি ক্ষয়ে যাওয়া ছাদ হয় আকাশ
বৃষ্টিরা নিরাপদে সেখানে নেয় আবাস
ধীরে ধীরে তবে মেঝের ধুলো
হলে হোক প্রজাপতি ঘাস।
হুট করে যদি সব ভাঙ্গা চেয়ার
ঘুণে খাওয়া নড়বড়ে টেবিলের কিনার
এই বছর যে পোলাটা বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় ফার্স্ট হইসে সে আমার কলেজের ক্যাডেট জুনায়েদ
একটা ব্যপার খুব লক্ষ্য করে দেখেছি ক্যাডেটদের কোন সাফল্য দেখলে খুব ভাল লাগে।যে কোন কলেজের হোক,সিনিয়র জুনিয়র যাই হোক না কেন…সবার কাছে গল্প করে বলি,জানিস,অমুক ক্যাডেট এই করসে,সেই করসে।এটা অন্য রকম একটা ভালো লাগা।একদম অন্তর থেকে আনন্দ হয় ক্যাডেটদের সাফল্যে।
কিছুক্ষণ আগে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট শুনলাম।আমাদের জুনায়েদ ফার্স্ট!কলেজ থেকেই আমরা গল্প করতাম,জুনায়েদ তো বুয়েটে ফার্স্ট হবে নিশ্চিত।এর আগে আমাদের কলেজেরই জুবায়ের ভাই,জুনায়েদের বড় ভাই বুয়েটে ফার্স্ট হয়েছিল।সে ধারাবাহিকতায় জুনায়েদ এমন একটা পজিশনে পৌছেছিল যেমনেই হোক ওরও তা হতে হবে।কলেজেও নাম্বার পাওয়ার রেকর্ড ভেঙ্গে কোচিং এও সেরকম ছিল।ক্যাডেট ফ্রেন্ড সার্কেলের মাঝে যখন কথা হতো জুনায়েদের ব্যাপারটা বলা হতো…আমাদের কলেজের জুনায়েদ……!
বর্ষার সন্ধ্যা
এই বর্ষার সন্ধ্যায় আমার মনে
খুশি জেগেছে
ঘন ঘন গর্জন বৃষ্টির বর্ষন
গাঢ় মেঘ আকাশে।
রিমঝিম স্বরে বারি ঝরে পড়ে
অমিত গোধূলী ঢাকা সন্ধ্যে
ছল ছল শব্দে ছুটে বারিধারা
বাঁশির সুরের ছন্দে।
নীড় হতে আজ বের হয়নি পাখি
সিক্ত জলে কুন্তল
ভিজা পাতার নিচে, মুদে দু’খানি আঁখি
বাঞ্চা লাভে চঞ্চল।
উৎপল পলে পলে,
বিস্তারিত»অসংলগ্ন ভাবনাচিন্তা ……… ভাসা ভাসা ভাষা পর্ব
আলসেমি করে করে অনেক দিন কিছুই লেখা হয়না। এরমধ্যে কয়েকদিন আগে খেয়াল করলাম ইংরেজীতে স্বপ্ন দেখছি। দুই মাস ধরে দিনের মধ্যে ১৪ ঘন্টারও বেশি ইংরেজীতেই কথাবার্তা বললে হয়তো এইরকমই হয়ে যায়। যাহোক, মনে হলো যেমনই হোক একটা কিছু লেখা যাক।
অনেক আগে রিডার্স ডাইজেস্টে একটা জোক পড়েছিলাম৷ একটা টিন এজ মেয়ে তার মাকে গিয়ে প্রশ্ন করলো, মা, তুমি কেন বাবার প্রেমে পড়লে?
মা জবাব দিচ্ছে,