দুটি কথাঃ অনেক বক্তব্যই অনেক জায়গা থেকে ধার করা।কেউ আবার মানহানির মামলা কইরেননা। বিশেষ করে লিভিং লিজেন্ড আনপ্যারালাল গুরুকে অনুসরণ করা হয়েছে।
হঠাৎ করে আলোর ঝলকানির মত বিশ্ববাসীর চোখকে ধাধিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের প্রত্যয়ী তরুন ক্রিকেটাররা,বাংলাদেশের সোনার ছেলেরা নিউজিল্যান্ডের মত বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম পরাশক্তিকে পর পর ৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে পরাজিত করতে সমর্থ হলো।এটা বাংলাদেশের জন্যে,
(সতর্কীকরণঃ পোস্টটি তাৎক্ষণিক ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া থেকে লেখা এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যক্তি আক্রমণে পরিপূর্ণ।সুশীল পাঠক নিজ দায়িত্বে পড়বেন)
বিখ্যাত ধারাভাষ্যকার চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত ওরফে আমাদের শরাফত ভাই আমাদের নানাভাবে বিনোদন দিলেও ওনার একটা উক্তি মোটামুটি ক্লাসিকের পর্যায়ে ফেলা চলে-“কেনো জানি আম্পায়াররা বাংলাদেশের সাথে ভাল খেলেননা”।
শ্রীলঙ্কান দাঁতাল গন্ডার অশোকা ডি সিলভার কথা বাদই দিলাম,জোকার বিলি বাওডেন থেকে শুরু করে এমনকী স্টিভ বাকনরের মত আম্পায়াররাও হর-হামেশাই বাংলাদেশের বিপক্ষে এমন সব বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দেন যে মাথার চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে করে।গত ইংল্যান্ড সিরিজে আম্পায়ারিং(ক্রিস টাকার এবং আরো এক আম্পায়ার-নাম ভুলে গেছি) সম্পর্কে তো ক্রিকইনফোতে সরাসরি এক দর্শক মন্তব্য করেছিল- “এই দুই আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো না হলে টেস্ট সিরিজের ফলাফল বাংলাদেশের পক্ষেও যেতে পারত।”
আজ আকাশটা এখানে বেশ মেঘলা।হয়ত চলমান নিম্নচাপের কারণেই। একা বসে থাকাটা একটা পানিশমেন্টের মত লাগছে। নেটে বসে হাবিজাবি ব্রাউজ করতে করতে কাহিল হয়ে পড়েছি। একটু আগে Cast away ( Tom hanks ) দেখলাম। এর আগে কত বার দেখেছি মনে নেই। গুনে রাখা হয়নি। মনটা খারাপ কেন তার কারণটা এতক্ষনে আবিষ্কার করলাম।
মুভির একটা দৃশ্যে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। দেখে বিএমএ এর কথা মনে পড়ে গেল।
প্রথম যখন আমার এক বন্ধু আমাকে এই বইটা পড়তে বলেছিল আমি আগ্রহ ভরে সেটা সংগ্রহ করে পড়া শুরু করেছিলাম এবং আশাহত হয়েছিলাম – এটা কি বাচ্চাদের বই সে আমাকে পড়তে বলেছে।
পরে বড় হয়ে আবার যখন এই বইটা পড়তে গেছি তখন ক্রমে ক্রমে বুঝতে পেরেছি কতটা গভীর অর্থ লেখা এই বই-এর গল্পগুলিতে। ফরাসী লেখক Antoine Saint-Exupéry এই বইটি প্রথম লেখেন ১৯৪৩ সালে। এ পর্যন্ত ১৯০টি ভাষাতে অনুদিত হয়েছে বইটি এবং ৮ কোটির বেশী বই বিক্রি হয়েছে।
শুরুর কথা:
ক্লাস সেভেনে যখন আমি ক্যাডেট কলেজে গেলাম তখন এক আজব পরিস্থিতিতে পরলাম, ওইখানে দোষ করলেও দোষ, আবার না করলেও দোষ। সিনিয়ারেরা (বিশেষ করে ১ ব্যাচ নব্য সিনিয়ারেরা) আজব আজব ফল্ট ধরে পাংগানি দেয়।
“কি ব্যাপার মাথা উচু কেন”?…… মাথা নিচু করলে “মাথা নিচু কেন?”
মসজিদ/ডাইনিংয়ে “টাচ” লাগায়, টাচ লাগল কেন?…… স্যরি বল নাই কেন?
স্যরি বললে “এত স্যরি কেন?”
মানে সিংহ আর মোষশাবকের মত অবস্থা।
আমার প্রিয় খেলার তালিকাটা মনে হয় এরকম হবেঃ বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল। দেখতে হলে এবং খেলতে হলেও। এই তালিকাটা কিছুদিন আগেও একটু ভিন্নরকম ছিল, কিন্তু আপাতত এইটাই সবচেয়ে কারেন্ট আর আপডেটেড লিস্ট। কিন্তু এইগুলা হইল কনভেনশনাল স্পোর্টস। তালিকায় চতুর্থ নামটা যোগ করতে হলে একটা আনকনভেনশানাল স্পোর্টের নাম লিখতে হয়- পেইন্টবল। পেইন্টবল খেলা সম্পর্কে যারা জানেন না, তার ঘুরে আসতে পারেন প্রাগৈতিহাসিক একটা পোস্ট থেকেঃ
একটা খবর শুনলাম,ব্যাপারটা গুজব কীনা বুঝতে পারছি না।সিলেট ক্যাডেট কলেজের সব ক্লাস টুয়েলভ নাকি কলেজ ছেড়ে পালিয়ে গেছে…??কাল এক ফ্রেন্ডের স্ট্যাটাসে দেখলাম,এই নিয়ে ফেসবুকে ব্যাপক তোলপাড় হচ্ছে?
খবরটা যদি সত্যি হয়ে থাকে তবে সাম্প্রতিক সময়ের খুব আলোড়ন তোলা ঘটনা হবে।কলেজে থাকতে শুনতাম এই ইনটেকের ওই ইনটেকের ভাইয়ারা সবাই কলেজ ছেড়ে পালিয়েছিল।খুব থ্রীল ফীল করতাম এসব শুনে…কিন্তু কেমন পরিস্থিতিতে কলেক ছেড়ে পালানো যায়?আসলে কী হয়েছে ওখানে?
সকালে ঘুম থেকে উঠতেই টের পেলাম ব্যাপারটা । বাম হাতের জয়েন্টে সামান্য ব্যথা করছে । কেনো ? কি হলো আবার ? আল্লাহ মানুষকে একখান শরীর দিয়া ক্যান যে তার এতো প্রবলেম দিসেন –তা একমাত্র আল্লাহ নিজেই জানেন ? এতো অসুখ- বিসুখ দেওয়ার দরকার কি ছিলো ? আর তার জন্য দুনিয়ার ঔষুধ , তার আবার হাজারো টাইম-টেবিল । আমার একটা বড় দূর্বলতা হলো আমি কখনো কোন একটা ঔষুধ ঠিক টাইম- টেবিল মেনে তার কোর্সটা শেষ করতে পারি না ।
না, আমি কোন বিশাল আলোচনা করে প্রবন্ধ লিখতে বসিনি। চলা-ফেরায় কিছু কথা মাথায় আসল, তাই লিখতে বসলাম।
তবে রাজনীতি প্রসঙ্গে যাবার আগে বিজ্ঞাপন সম্বন্ধে কিছু বলে নিই। বিজ্ঞাপন কি জিনিস তা তো আমরা সবাই জানি এবং প্রতিনিয়ত চারপাশে দেখতেও পাচ্ছি। বিজ্ঞাপনের মূল কাজ হল, নির্দিষ্ট কোন পণ্য বা ব্রান্ডকে Promote করা অর্থাৎ সেটা যেন মানুষের মধ্যে চালু হয়ে যায়। যদি বিজ্ঞাপন অনেক সুন্দরও হয় কিন্তু এই ‘চালু করে দেওয়ার’ কাজটি করতে না পারে,
আজকাল প্রেমের বাজার আর শেয়ারবাজারের অবস্থা একইরকম, দু-জায়গাতেই ক্ষুদ্রবিনিয়োগকারীদের বড্ড বেহাল দশা। কর্তৃপক্ষ ( উপরওয়ালা ) খুব একটা সুনজরে রাখেননা। যেটা ধরে রাখবেন তার বাজার দাম যেন পড়তেই থাকে। মূল্য সংবেদনশীল তথ্য না পেলে ভালো কিছু কপালে জুটবেনা। ব্যক্তিজীবনে মূল্য সংবেদনহীন আমার এক প্রেমিকা ও শেয়ার ব্যবসায় ইদানীং খুব মনোযোগ দিয়েছে। তিনি আবার এক কোম্পানীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সেই কোম্পানী আবার কিছুদিন আগে শেয়ার মার্কেটে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
মুক্ত নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে, কার না স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছা করে সেখানে সাদা মেঘের মত ভেসে বেড়াতে? অন্তত আমার করে। অনেক ছোট বেলা থেকে করতো। এক সময় ভাবতাম বিমান বাহিনীতে যোগ দিয়ে এই সুযোগটা গ্রহন করবো, কিন্তু বাবা-মাকে অতটা দুঃখ দিতে মন চাইলো না – এক মাত্র ছেলে হবার কিছু অসুবিধাও আছে। চট্টগ্রামে নব্য সৃষ্ট ফ্লাইং ক্লাবে যোগ দিয়েছিলাম – এই ধারনা নিয়ে যে অন্তত পি,পি,এল লাইসেন্সটা থাকলে মাঝে মাঝে হয়তো সখ করে উড়তে পারবো।