(কিঞ্ছিৎ ভূমিকাঃ আমার কম্পিউটার বিগড়ানোর আর সময় পেল না। সিসিবিতে কতো নতুন পোষ্ট! নারী দিবস উপলক্ষ্যে নতুন একটা লেখা দিতে চেয়েছিলাম তা আর পারলাম না। ঘরওয়ালার কম্পিউটার ধার করে লিখছি এখন। পুরনো একটা রেডিমেট লেখা পোষ্ট করছি। এজন্য আ্ন্তরিকভাবে দুঃখিত। লেখাটা প্রবাসের একটা পত্রিকায় ছাপানো হয়েছিল। এক বছর আগের লেখা। এর মধ্যে দিয়ে পদ্মায় অনেক পানি প্রবাহিত হয়ে গেছে। কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা একদম আগের জায়গাতে রয়ে গেছে বলে এই লেখাটার একটা শব্দও আর পরিবর্তন করলাম না)
১
নারীর ক্ষমতায়ন শব্দটি দিয়ে আসলে কী বোঝায়?
দিল্লী দূর অস্ত
দিল্লী দূর অস্ত
সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজী দিল্লীর একপ্রান্তে একটি মসজিদ তৈরি করেছিলেন। তাঁর মৃত্যুর দীর্ঘকাল পরে একদা এক আউলিয়া এলেন সেই মসজিদে। ফকির নিজামউদ্দিন আউলিয়া। স্থানটি তাঁর পছন্দ হলো। সেখানেই রয়ে গেলেন এই মহাপুরুষ। ক্রমে প্রচারিত হলো তাঁর পূণ্যখ্যাতি; অনুরাগী ভক্তসংখ্যা বেড়ে উঠল দ্রুত বেগে।
স্থানীয় গ্রামের জলাভাবের প্রতি দৃষ্টি আকৃষ্ট হলো। মনস্থ করলেন খনন করবেন একটি দীঘি। যেখানে তৃষ্ণার্ত পাবে জল,
বিস্তারিত»অটোয়ার জার্নাল – এক
এবং ফেসবুক –
২০০৭ সালে ফেসবুকে একাউন্ট খোলার পর থেকে গত চারবছর প্রায় টানা ব্যবহার করে গেছি। ঢাকায় থাকতে একদিন অফিসে বসে তানিয়া আপুর ইমেইলে ফেসবুক খোলার জন্য একটা ইনভাইটেশন পেলাম। “এইটা অনেক মজার, তোমার একটা একাউন্ট করে ফেলো”। সেখানে আমার বন্ধু জুয়েলও আছে। তানিয়া আপু ইউসিএল-এ বায়ো-কালচারাল এ্যানথ্রোপলজিতে পিএইচডি করছেন তখন। আর জুয়েল মাষ্টারস করছে। ওদের সুন্দর সব ছবিটবি দেখে বোঝার চেষ্টা করলাম যে ব্যাপারটা আসলে কি।
এইসব সাদাকাল দিনে-০৪
০।
আজকাল প্রায় সকাল আটটার ক্লাস করা হয় না। স্যার ক্লাসে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলে আর ঢুকার উপায় নেই তাই প্রায় দিন চার তলায় উঠে দেখি ক্লাসের দরজা বন্ধ ঘড়িতে তখন হয়ত আট’টা পাঁচ বা ছয়। এইভাবে ক্লাস মিস করতে করতে ভাবি কীভাবে যে কলেজে থাকতে সকালে পিটিতে যেতাম তা শুধু আল্লায় মালুম। সেভেন এইটে ডিউটি ক্যাডেট থাকতে হুইসেলেরো আর অনেক আগে উঠে কীভাবে অন্যদের জাগাতাম এইটা এখন আমার নিজের কাছেই এক সপ্তমাশ্চার্য।
রেইনা (২)
রেইনা (২)
ডঃ রমিত আজাদ
ইংরেজিতে একটি শব্দ আছে – এর বাংলা অনুবাদ ’ কাকতালীয়’। অর্থাৎ কাক এসে তাল গাছের উপর বসল, আর সাথে সাথে একটি তাল পরে গেল। এর মানে কি এই যে কাক এসে গাছের উপর বসল বলেই তালটা পরে গেল? নাকি তালটা পরবে জেনেই কাকটা এসে বসেছিল? আসলে দুটোর কোনটাই না।
বিস্তারিত»সুন্দরবন দর্শন
“সুন্দরবনের জন্য ভোট দিন” সত্যি কথা বলতে কি এখনও ভোট দেয়া হয়নাই। কিন্তু গত তিন দিনের লম্বা ছুটি পেয়ে সুযোগটা কাজে লাগাতে ভুলিনাই। কয়েকজন বন্ধু নিয়ে দে ছুট। সাথে ভাবীরাও আছেন। ১৭ই ফেব্রুয়ারি- ঢাকা থেকে শ্যামলী বাসে করে খুলনা যাত্রা। তারপর ঘাট থেকে নৌকা করে লঞ্চে উঠা- দ্যা রয়েল ম্যাগপাই। লঞ্চের মালিক ও নেতা “ফারুক ভাই”। সে এক জিনিস ভাই…মাইক্রোফোন হাতে পেলে কোন R.J এর ক্ষমতা নেই যে তার কথা কেড়ে নেয়।
বিস্তারিত»আইনের শাসন ও আইনের অপব্যবহারের প্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক হাসিনা-ইউনূস দ্বৈরথ নিয়ে কিছু আলাপ-সালাপ
১
ওয়াহিদা নূর আফজা (শান্তা) আপুর ব্লগ মনে হচ্ছে সিসিবি’র সাময়িক ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিলে। ব্লগের বিষয়টা হচ্ছে ডঃ ইউনূসকে গ্রামীন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদত্যাগ করার জন্য সরকারী নির্দেশ। সরকারের ভাষ্যমতে, মূল গ্রামীন অধ্যাদেশ’ (১৯৮৩/৮৪ সালে জেনারেল এরশাদের সামরিক সরকারের অর্থমন্ত্রী ডঃ আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সময় জারিকৃত) অনুযায়ী গ্রামীন ব্যাংকের ব্যবস্থাপণা পরিচালকের সর্বোচ্চ বয়স সীমা ৬০ বছর যা’ ডঃ ইউনূস ১৯৯৯ সালে অতিক্রম করে গেছেন।
বিস্তারিত»তীর ও গানের কবিতা (The Arrow and the song এর অনুবাদ)
গুণে বাঁধাইয়া
জোরে টান দিয়া
পাঠালাম তীর আকাশে
জানিলাম না
ভাবিলাম না
উড়িয়া পড়িল কোথা সে।
.
এত বেশী গতি
এত দ্রুত মতি
এতই বেগে সে ধায়
কেউই আহারে
খুঁজিয়া তাহারে
সন্ধান নাহি পায়।
- * * *
একখানা গান
সুমধুর তান
দিলাম ছড়িয়ে বাতাসে
জানিলাম না
ভাবিলাম না
কোথায় লুকালো আহা সে।
বাংলাদেশের জন্য কোনটা বেশি ক্ষতিকর???
সিসিবি বড়ই নিস্তরংগ। সহজে কেউ পোস্ট দেয় না। পোস্ট দিলেও সিসিবিয়ানরা কমেন্ট করে না। আমিও এই দোষে দুষ্ট। তারপরও মনের ভেতর প্রশ্ন জাগলে সিসিবি ছাড়া আমার আর কোথাও জিজ্ঞেস করার জায়গা নেই যেখানে নানা মতের উত্তর পাওয়া যাবে। প্রশ্নটা আবার দেশ নিয়ে। গত কয়েকদিন ধরে মাথার মধ্যে খালি ঘুরছে তো ঘুরছেই। সাহস করে জিজ্ঞেসই করে ফেলিঃ
বাংলাদেশের জন্য কোনটা বেশি ক্ষতিকর?
১।
বিস্তারিত»জীবনের অর্থ
নীলচে আকাশের দিকে চেয়ে থেকেছি
আঁধার বন চিরে হেটে গিয়েছি
অতল সমুদ্রে সাঁতার কেটেছি
জীবনের অর্থ খুঁজতে
আমি কিছুই পাইনি
এ প্রাকৃতিক সৃষ্টির মধ্যে
যদিও তারা অনেক অর্থপূর্ণ
মানুষের কল্পনা এবং চিন্তায়
আবারো ফিরে আসা
নতুন এক জীবন দেখা
হোঁচট্ খাওয়া অসহায় প্রার্থনা
যেখানে মানুষ না খেয়ে খাকে।
এই কী জীবনের অর্থ
মুহুর্তেই স্তম্ভিত হই আমি
কিন্তু এক সরল হাসি
আমাকে আশার আলো দেখায়
বেঁচে থাকার প্রেরণাই আসল
রাস্তার নিঃস্ব মানুষের জীবন হতে পারে সুখী
উচ্চবিত্ত মানুষ হতে পারে মলিন
জীবন দেখতে পারে অনেক ভাঙাগড়া
আর্তনাদ এবং হাহাকার আমাদের উতলা করে
আনন্দে আমরা আত্মহারা হই
সম্মোহিত আমরা কখনোই
জীবনের অর্থ বোঝার চেষ্টা করি না।
পরিবর্তনই সংসারের নিয়ম
গ্রীক দার্শনিক হেরাক্লিটাস বলেছিলেন, “একই নদীতে দু’বার অবগাহন করা যায়না”। একই জাতীয় চিন্তা ভাবনার প্রতিফলন পাওয়া যায় আমাদের অঞ্চলের একটি গ্রন্থে।
যা হয়েছে তা ভালোই হয়েছে,
যা হচ্ছে তা ভালোই হচ্ছে,
যা হবে তা ভালোই হবে।
তোমার কি হারিয়েছে – যে তুমি কাঁদছো?
তুমি কি নিয়ে এসেছিলে – যা তুমি হারিয়েছ?
তুমি কি সৃষ্টি করেছ – যা নষ্ট হয়ে গেছে?
দেয়াল পত্রিকা এবং কিছু আবোল তাবোল
আমি, পাবন।
সিরিয়াসনেস শব্দটা আমার অভিধানে মোটামুটি অনুপস্থিত ছিল, আছে এবং থাকবে এই ব্যাপারে সবাই ৯০% এর বেশী নিশ্চিত।
তা হঠাৎ আজকের এই “EMOTIONAL ATTYACHAR” এর রহস্য কি ?
Wall Paper বা সোজা বাংলায় দেয়াল পত্রিকা।
আমার জন্মদিন ২০ফেব্রুয়ারি এবং [আমার কোন পাপের ফল আল্লাহ জানেন] দেয়াল পত্রিকা প্রতিযোগিতা চিরকাল ২১ফেব্রুয়ারি।
আমি “ক্রিয়েটিভ রাইটার” না এবং কপাল পুড়ল ওইখানেই !
শিরোনামহীন কথোপকথন – পাঁচ
পিকো: কি রাব্বী? কি খবর?
আমি: এইইই! ভাইয়ায়ায়ায়া! কি খবর বলো?
আমি ভাল আছি। এখন তোমার বাসায়। আজ থাকছি।
পিকো: গুড! ও তাই? তারপর খবর বলো?
আমি: এইতো চলে …
রাজ ভাইয়ারা শ্রীমঙ্গল গেলো আজ।
পিকো: কি, বেড়াতে গেলো?
আমি: হ্যাঁ।
বিস্তারিত»ভাংতি টাকা প্রসংগ
বাজারে ভাংতি টাকার সমস্যা অনেক দিন যাবত। যতদূর মনে পরে, কমপক্ষে বছর দশেক হবে। এখন সমস্যাটি হয়েছে প্রকট। গতকাল এই ভাংতি টাকার অভাবে আমার ছোট ছেলেটি যেমন, তেমনি আমিও মনে খুব কষ্ট পেয়েছি। গতকাল ছিল মহান একুশে। ছেলেটিকে নিয়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়ে, গেলাম বই মেলায়। এর আগেও দু’দিন গিয়েছি। বই যা কেনার ইতিমধ্যেই কিনে ফেলেছি। ছোট ছেলেটির চোখ এবার ছিল খেলনার দোকানগুলোতে। তার আবদার মত খেলনা কিনে দিয়েছি।
বিস্তারিত»কৌতুক ৩ (ভাষা বিভ্রাট)
ইটালির এক সাগর তীরে, একবার এক ইটালিয়ান তার স্যান্ডেল হারিয়ে ফেলেছে। সে ভাবল কেউ হয়তো নিয়েছে। কাছে-পিঠে দেখল এক বাংলাদেশী তরুণ বসা। ইটালিয়ানটি ভাবলো এই বাংলাদেশীই হয়তো তার স্যান্ডেল নিয়েছে। কিন্তু কথা বলে বোঝা গেল যে বাংলাদেশী তরুণটি ইটালিয়ান ভাষা বোঝেনা। মহা সমস্যা! এবার অপর এক ইটালিয়ান এগিয়ে এল তার সাহায্যে। বলল আমি অনুবাদকের কাজ করি, সামান্য বাংলাও জানি। আপনাকে সাহায্য করার চেষ্টা করতে পারি।
বিস্তারিত»