কিঞ্চিৎ রস

ঘোষনাঃ সত্যিকার ঘটনার চরিত্রের সাথে নামের কোন মিল নেই।

 

ক্লাস সেভেন। মামুন আর দিনার রুমে টেবিল টেনিস খেলে ধরা খেল প্রচন্ড কড়া টিচার আনিস ফিরোজা ম্যাডামের কাছে। ম্যাডামের আবার একটু গুন্ডামী করার মানে পিঠে দুই চারটা দেবার অভ্যাস আছে। মামুন দেখলো কপালে মার নিশ্চিত। তো একা খাবে কেন? সাথে সাথে করুণ সুরে বলল, ম্যাডাম, আমাদের কোন দোষ নাই, আসিফ আমাদের শিখিয়ে দিয়ে রুমে খেলতে বলেছে।

বিস্তারিত»

মগের মুল্লুক

কবিতাটা লিখেছিলাম অনেকদিন পূর্বে । বর্তমান পরিস্থিতির সাথে ব্যপক মিল যায় বলে দিলাম ।

নির্বিচারে মরছে মানুষ এ দেশের পথে পথে
হরতাল অবরোধে,
দিকে দিকে শুধু বিশৃংখলা আইন মানেনা কেউ
সংঘাত আর সংগ্রামে আজ উঠেছে মরণ ঢেউ
শাসকগোষ্ঠী মত্ত হয়েছে নতুন খেলাতে মেতে
ওরা চায় শুধু ধোকাবাজি করে ক্ষমতার রশি পেতে
হায় হায় শুধু করি
এসব তামাশা বুঝতে না পেরে আমরা জনতা মরি
এখানে অবুঝ জনতার চোখে ওরা দিয়ে যায় ধূলা
এখানে শাসক মদ গিলে যায়,

বিস্তারিত»

ইনসমনিয়া

দীর্ঘ, ক্লান্তিকর, মরবিড শীতের রাতের কার্নিশে
পাপ জমে তিলেতিলে শিশিরের মত অসহায় ঘাসে।
ভেন্টিলেটরে জেগে ওঠে স্টুপিড চড়ুইয়ের প্রলাপ
অপসৃয়মান রাতের ছায়া,চড়ুই আর আমাতে জমে ওঠে আলাপ।
ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দে পুরনো চেয়ারটা হিঁচড়ে বারান্দায় নিয়ে যাওয়া,
অতঃপর বাসি তামাকে সূর্যের বিপরীতে নাচে নীলচে রঙের ধোঁয়া!!
“তোমাদের শোক যখন আমার কবিতার পুঁজি
তখন আমি একফালি রোদের বিলাসিতা খুঁজি।
বহুদিন আগে ছায়াদের দেশ থেকে চুরি করে আনা রোদ,

বিস্তারিত»

ঘাপলা যখন নাম নিয়ে…

বুয়েটে ভর্তি হওয়ার পর অনেক বালক-বালিকারই নাম নিয়ে ঘাপলা হয় হলের লিস্টে। বেশ কয়েকজন বালকের ক্ষেত্রে দেখেছি এই সমস্যা। কোন বালিকার ক্ষেত্রে হয়েছে কিনা জানা নাই। তবে যেহেতু ছাত্রী হলও বুয়েটেরই হল, ঘাপলা হওয়ারই কথা।

আমার জন্মের পর বাপ-মা অনেক চিন্তা-ভাবনা করে নাম রাখলো “মোঃ সামিউল ইসলাম”। স্কুল, কলেজ কোন জায়গায় নাম নিয়ে কোন ঝামেলা হয় নাই। যদিও ক্যাডেট কলেজে আমার লকারে আমার নাম “SAMI”র বদলে “SHAMI” লেখা ছিল।

বিস্তারিত»

লিডার

মসৃণ শব্দের চাদরে লুকায়ে রেখেছ তোমার লালায়িত
বাসনাগুলো,
উপপত্নীর গর্ভে নিজের ঔরসজাত জারজ সন্তানটির
মত!
স্বীকারও কর না,অস্বীকারও করতে চাও না!
ভয় পাও,পাছে লোকে পচা বলে!
দুয়ে দুয়ে চার বল না তুমি কখনও,
বল “তিনের চেয়ে এক বেশি অথবা পাঁচের চেয়ে এক কম,
তাকে তোমরা চার বল অথবা ষাঁড় ;
অবস্থানে কোন ছাড় নেই আমার!”
আমরা বলি নাই বা হল চার,

বিস্তারিত»

অন্তর্নিহিতা

টিএসসির গোল চত্বরে দাঁড়িয়ে আছি অনেকক্ষণ। কলাভবনের কাজটা শেষ করে সারিনি মাহিরের সামনে পড়লাম। আর তার কোথা রাখতে আজ এখানে এসে দাঁড়িয়ে থাকা। শালা মানুষ হলো না। সেই কলেজ লাইফ থেকে শুরু করেছে। তার যেন কোন অন্ত নাই, নাই বিরক্তি। ছোটবেলা থেকে খাতার পাতায় অযথাই আঁকিবুঁকি করার একটা বদ অভ্যাস ছিল। আর আলপনাও মোটামুটি আঁকতে পারতাম। তাই যখন আমার টেনেটুনে করে পরীক্ষার পাশে কোথাও চান্স পেলাম না,

বিস্তারিত»

অব্যক্ত ভালোবাসা

রাত্রি ১১.৩০ মিনিট। ঘুমোতে যাওয়ার ঠিক আগ মূহুর্তে মোবাইলের ডিসপ্লেতে আলো জ্বলে উঠলো। অচেনা নাম্বার। কিছুটা ইতস্তত ভাব, ধরবে কি ধরবে না? অবশেষে পরিচিত কেউই হয়তো নাম্বার পরিবর্তন করেছে ভেবে ধরলো। তারপর যা হলো তার জন্যে হয়তো রুদ্র প্রস্তুত ছিলো না।

ফোনটার কলার ছিলো একটি মেয়ে। রুদ্র তার নাম জানেনা। তাকে চিনেও না। তবে মেয়েটির কন্ঠে এমন কিছু একটা আছে যা রুদ্রকে আকৃষ্ট করে ফেলেছে।

বিস্তারিত»

মেঘের ‘পরে বসত তোমার

একলক্ষ  বছর অপেক্ষার পর সাব্যস্ত হবে, তুমি আমার কিনা?

ওসব কথা এখন থাক।

এখন চলো মিকির পাহাড়ে বুনো কুল পেকেছে

চলো খেয়ে আসি।

লাল রুখু চুল

সূর্যাস্তের মধ্যে

অর্কিডের উজ্জ্বল শিকড়ের মত উড়ছে

-দেখি দেখি, তোমার তামাটে মুখখানি দেখি!

সূর্য এখনি অস্ত যাবে। পশুর মতো ক্ষীণ শরীরে

আমারা হাঁটু পর্যন্ত জলস্রোত পেরিয়ে চলেছি

জলস্রোত ক্রমশ তীব্র…………………কনকনে।

বিস্তারিত»

সোমেশ্বরী

নিশুতি নির্জন জোছনার রাতে আবছা আলোছায়ায়
শুয়ে রুপালি বালির বুকে যে সোমেশ্বরী বয়ে যায়
তুমিতো এখনো দেখনি কখনো সে মৃতের বিবর্ণতা
মিষ্টি ঘ্রাণে স্রোতের উজানে শালুকের নির্জনতা।

ভাদ্র মাসের আর্দ্র রোদে তাই একলা বিকেলে হেঁটে
লতাগুল্মের ঝোপে তোমার স্বপন বোনা ক্ষেতে
থেমে যাওয়া সোমেশ্বরী আর মৃত ভালবাসাটি খুঁজো
কোনদিন যদি না পাও তারে নিভৃতে দুচোখ মুছো।।

[সোমেশ্বরী নদীটি বিরিশিরি বিজিবি ক্যাম্পের পেছন দিয়ে নির্বিবাদে কাউকে কিছু না বলে চুপিচুপি বয়ে গেছে।

বিস্তারিত»

কেন আমি আত্মহত্যা করবো??

কয়েক মাস আগে বাড়িতে গিয়েছিলাম ছুটিতে। আব্বুর সাথে কী একটা কথা বলতে বলতে হঠাৎ বললেন, “ইমন মারা গেছে জানো?”

আমি- “কোন ইমন?”

আব্বু- “তোমার আফতাব চাচার ছেলে”।

আমি- “কিভাবে মারা গেছে?”

আব্বু- “সুইসাইড করেছে”।

আমি- “কেন?”

আব্বু- “খারাপ ছেলেদের সাথে মিশতো নাকি, ড্রাগ নেয়া শুরু করেছিল। একটা মেয়ের সাথে নাকি সম্পর্ক ছিল। শেষের দিকে কেমন যেন হয়ে গিয়েছিল।

বিস্তারিত»

অসম্পৃক্ত ব্যবধান

অথচ আমি মৃত নই;
শুধু তোমার পাঠ্যবইয়য়ের শেষের পাতায়।
সেখানে চাওনি যেতে তাই
দুপুরবেলা ধূলো জমে আমার কালো কায়।
তোমার অপেক্ষাই ভাললাগায়!

রাতের উপকূলে
হুট করে বেজে ওঠা পতঙ্গের পাখায়
জমে থাকা কষ্টের যে গান শুনেছিলে,
পতনশীল দুঃস্বপ্ন থেকে সে কি ঘুম ভাঙায়?
কার অপেক্ষায় চোখ ফিরে যায়,
নির্লিপ্ত জানালায়?

পৃথিবীর কম্পনে আড়ি পেতেছিলে,

বিস্তারিত»

আহূতি

ছায়াদের পিছুপিছু অনেকদূর হেঁটে এসেছি আমি।
এবার আমি ফিরে যাব আয়নার ওপাশে।
গলিত সূর্যের ফোঁটায় ফলনশীল উদগ্র ফোস্কার ক্ষেত আমার পিঠে।
আমি ফিরে যাব সেই ছেলেটির কাছে।
যার মুখ আমি আজও দেখি বিস্তীর্ণ ধানক্ষেতে।
সূর্যের বিপরীতে দাঁড়ানো সেই ছেলেটি!
উদ্ধত সূর্যালোকের তীর্যক আক্রমণে উদ্ভাসিত!
অথচ আলোহীন ভীতিকর কী গহীন দুইচোখ !
প্রথম চাঁদের পর পৃথিবীর সব অমাবস্যা জমাট বেঁধেছে সে আঁধারে।

বিস্তারিত»

একটি ‘ক্রাশ’ কিংবা অনেকগুলো বিরহের গান..

আমার ক্রাশ খাওয়ার হিস্টোরি বহুত বড়। জীবনে অনেক বার অনেক মেয়ের উপরে ক্রাশ খেয়েছি। সোজা বাংলায় “একতরফা প্রেমে পতিত” হয়েছি। আমি বন্ধুবান্ধবদের সাথে বেশ কথা-বার্তা বলতে পারি, আড্ডা মারায় ওস্তাদ; তা সে ছুটির দিন হোক, আর পরীক্ষার আগের দিনই হোক। কিন্তু মেয়েদের সাথে আমি পুরো উল্টো স্বভাবের। অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিত যে কোন মেয়ের সাথে কথা বলতে গেলেই আমার কেন জানি পেটের মধ্যে মোচড়ানো শুরু করে।

বিস্তারিত»

ভ্রমণ বিড়ম্বনা……

(প্রত্যেকবার যখন ট্রেনে বা বাসে বড় কোন জার্নিতে যাই তখন ভাবি অনেক কিছু। কিন্তু বাস্তবে হয় তার পুরো উল্টো। অনেকবার নানা রকমের অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেই গুলোই এখানে বলার চেষ্টা করলাম। )

কল্পনায়-
যাবো ট্রেনে বসবে পাশে, অচেনা এক মেয়ে;
সুন্দরী হবে খুব-দেখবো চেয়ে চেয়ে।
কথা হবে, হাসি হবে,হবে পরিচয়।
বিদায়ের আগে হবে নাম্বার বিনিময়।
অতঃপর দেখা হবে, প্রেম হবে এবার।

বিস্তারিত»

না পড়লে পুরাই মিস, মুরাদ টাকলা এখনো খোজ পায় নাই

গতকাল রাতে নেটে বসে ফেসবুক আর বিক্রয় ডট কমে ঘুরছিলাম। হঠাৎ করে চোখ আটকে গেলো। মুরাদ টাকলা থাকলে লুফে নিত। বাংলায় অনুবাদ করছি না। নিজেই পড়ে নিন।

Capture

 

তারপর ঘুরে ঘুরে ফেসবুকে। নিউজ ফিডে এক ছাগুর কমেন্ট দেখে ঢুকলাম তার প্রোফাইলে। দেখি সে একটা নোট লিখেছে বাংলায়। ওমা দেখি তার নিচে আবার ক্রিকেটার গেইলও কমেন্ট করছে।

বিস্তারিত»