বিদায় ভোকাবুলারি মাস্টার

কেবল ক্লাশ সেভেনে কলেজে ঢুকলাম।।  ছোট ছোট চুলে প্রায় টাক মাথায় ক্লাশে বসে আছি।। দিনটা মনে নাই। তবে সেটা ছিল ফিফথ পিরিয়ড।  খাটো মতন সাদা চুলের এক স্যারের প্রবেশ ক্লাশে।  সবাই চুপ।।  ফর্ম শান করান হল।  সব স্যার বলত ” seat easy” কিন্তু ইনি বললেন কিছুটা অন্যরকম ” seat to facile ”  আমরা কোন কিছু না বুঝে আগের মতই থাকলাম। স্যার ব্যাপার টা বুঝে বোর্ডে বড় বড় করে লিখলেন FACILE.

বিস্তারিত»

চির অধরা

ঘড়িতে রাত ১টা বাজে। আর আমার চোখে তখন কেবল সূর্য ডুবুডুবু করছে। রাত জাগাটা আমার বরাবরেরই অভ্যাস। ফজরের আযান না শুনলে ঘুম আসেনা। আজ কি জানি হল মাথায় একটা ভূত চাপল। খুব ইচ্ছা করছিল ওকে একটা মেসেজ পাঠাই। প্রায় ২ বছর হল কোন কথা বলি না। সেই ক্লাশ এইট এ ওকে প্রপোজ করেছিলাম। তারপর SSC ভ্যাকেশনে কিছুটা কথা হয়। কথা খুব বেশি না হলেও ওকে আমি কখনও ভুলতে পারিনি।

বিস্তারিত»

৭১-এ না লেখা চিঠি

কইছিলা, বেলা ডুবনের সময় আমারে দেখা দিবা,

রাঙ্গা নদীর পাড়ে, কলসী নিয়া ছিলাম আমি সেদিন।

তোমার নায়ের আশায়;

তারপরের দিন, তারও পরের দিন।

তুমি আসো নাই।

বিস্তারিত»

তিন চাকায় দুই গল্প

-এই রিকশা যাবেন?
-কই যাইবেন?
-খিলগাঁও
-চলেন, ৬০ ট্যাকা।
-কী?? ৪০ টাকায় যাবেন?
– না।

রিকশাটা রেখে এগিয়ে যায় রাশেদ। আরেকটা রিকশা সামনে। রিকশাওয়ালা একটু পরপর আশেপাশে তাকাচ্ছে। খুব তাড়া আছে দেখে মনে হচ্ছে।

– খিলগাঁও যাবেন?
– যামু, খিলগাঁও কই?
– গোড়ান, কত?
– যা ভাড়া হয়, দিয়েন মামা।
– ৪০ টাকা।

বিস্তারিত»

আত্মহননঃ আমার অভিমত – প্রেক্ষাপটঃ ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটি

আত্মহননঃ আমার অভিমত – প্রেক্ষাপটঃ ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটি

[আমার এই লেখাটা কোন ভাবেই কোন সিস্টেম বা ব্যাক্তিকে দায়ী বা কটাক্ষ করে লেখা নয়। বরং গত কয়েক বছর ধরে বেশ কিছু ঘটনার কারনে মনের মাঝে জমে থাকা অনেকগুলো বিষয়কে রিলেট করে একটা সমাধানের আশায় লেখার একটা প্রয়াস মাত্র। আমি নিজে একজন ক্যাডেট বলেই হয়তো বিষয়টা নিয়ে আমি ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটির প্রেক্ষাপটে লিখছি। কিন্তু আসলে এটা সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

বিস্তারিত»

মকবুল স্যার বাঁচবেন, আবার ফিরবেন আমাদের মাঝে

ফেসবুকে Reza Shawon ভাইয়ের লেখা পড়ে আমারো একটা ঘটনা মনে পরে গেল।

ক্লাস ৯ অথবা ১০ এর কথা। আমাদের B ফর্মে সেদিন ছিল ভূগোল ক্লাস। আমরা মোটামুটি সবাই বিরক্ত এই ক্লাস নিয়ে। কারণ, ভূগোল অনেক মুখস্ত টাইপের পড়া। কোন দেশ কোথায়, কোন অঞ্চলে আম গাছ, আর কোথায় বাঁশ গাছ বেশি পাওয়া যায়, এসবের বিস্তারিত বর্ণনা। আফ্রিকাতে “রকি” মাউন্টেন, নাকি “কিলিমাঞ্জারো” এই নিয়ে আমাদের কেন এত মাথাব্যথা করতে হবে তা বুঝতাম না।

বিস্তারিত»

প্রণয়োন্মাদের প্রলাপ-৩

দু’হাতের মুঠোয় হৃদয়খানি ধরে যদি সামনে আসি,
এবারের মত গোলাপ না দিলেও চলবে??

আজ হাত ধরে হাঁটি যদি, মেঘ মিলায় যতদূরে;
কালকে আমার একটু দেরি সইবে তো?

কথা ভুলে গিয়ে যদি বোকার মত হেসে ফেলি,
বুঝে নিও, সে তোমার হাসি দেখে।

সন্ধ্যাবেলায় আমার পাশে থেকো না আর।
নাহয় বিলুপ্ত করে দাও, সকল সোডিয়াম বাতি।
হলদে আলোর মায়া তোমায় ছাড়তে দেয় না।

বিস্তারিত»

ইস্তানবুলের ডায়েরী………কিছু স্মৃতিচারণ

স্বপ্ন নাকি বাস্তবতা… নাকি দুটোই…অনেকের মত আমিও হাতড়ে বেড়াই এই প্রশ্নের না জানা উত্তরটি। হয়ত সেই অজানা উত্তরের আশায় হাতড়িয়ে বেড়াতেই কেটে গেছে সময়ের গর্ভ থেকে নামবিহীন ২ টি বছর। খুলে দেখা হয়নি সেই পুরনো ডায়েরীর মলাটখানা। হয়তবা তারই আবর্তে ঢাকা পড়ে গেছে সেই অভিজ্ঞতার পাতা গুলো, জীর্ণতা ছেয়ে বসেছে প্রতিটি কোণে। আজ হটাৎ করেই অজানা এক বাস্তবতার বুক চিরে আবারো সেই ডায়েরীর মলাটখানায় হাত রাখলাম।

বিস্তারিত»

ইতিহাসের ভিন্নপাঠ।। চেঙ্গিস খান

“চেঙ্গিস খান ছিলেন শক্তিমান, প্রজ্ঞাবান, কুশলী, সম্ভ্রম-জাগানিয়া, কসাই, ন্যায়বান, দৃঢ়চেতা, শত্রুর বিনাশকারী, অকুতোভয়, আশাবাদী ও নির্মম এক মানুষ। ’’

– পারসিক এক ইতিহাসবিদ

১.
গত ২০ বছরে তথ্যের জগতে অবিশ্বাস্য একটা পালাবদল হয়েছে। যেকোনো ব্যাপারে জানতে চাইলে গুগল সার্চবারে লিখলেই চিচিং ফাঁক। চোখের নিমেষে হাজারটা তথ্য (কিংবা অপতথ্য) আপনার সামনে হাজির হয়ে যাবে। কিন্তু, অজ্ঞানতা খানিকটা কমল কি ?

বিস্তারিত»

এশিয়া প্যাসিফিকঃ শান্তি- সমৃদ্ধি অথবা যুদ্ধের ডামাডোল ?

বিশ্বায়ন,শিল্পায়ন, মুক্তবাজার অর্থনীতি- এই শব্দগুচ্ছ প্রচলিত হওয়ার কয়েক শত বছর আগে জন্ম চাঁদ সওদাগরের। তারও অনেক আগে থেকে বাঙালি জানে- ‘বাণিজ্যেই লক্ষ্মীর বসতি’।

এই একবিংশ শতাব্দীতে বাণিজ্যের শক্তিতে বিশ্বাস করে না এমন দেশ খুঁজে পাওয়ার চেয়ে দু -একটা জ্যান্ত ডাইনোসর পাওয়া বরং বেশি সহজ। এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বর্তমান বিশ্ববাণিজ্যের ইঞ্জিনঘর। রাজনীতি ও অর্থনীতির মনোযোগী পাঠকের জন্য এই অঞ্চলের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

বিস্তারিত»

ঢাবিকে নিয়ে এক কিস্তি…

ভাবছিলাম এটা নিয়ে কিছু বলবো না, কিন্তু আর থাকতে পারলাম না। লিখেই ফেললাম আমার প্রিয় ঢাবিকে নিয়ে।

একবার ক্লাস শেষে ডাকসুর সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। কোন এক বাম দলের ‘বিরাট’ মিটিং হচ্ছে। কংক্রিটের রাস্তায় বসা দুইজন শ্রোতার চেয়ে মঞ্চে উপবিষ্টের সংখ্যা বেশি। মাইক বাজছে তারস্বরে। রাস্তা খোড়া শুরু হলেও বাঙ্গালী দাঁড়িয়ে যায় মনোযোগ দিয়ে দেখার জন্য। আর সেখানে এত জ্বালাময়ী বক্তৃতা! আমি তো বাঙ্গালীই!

বিস্তারিত»

টিউটোরিয়ালঃ কীভাবে ফোন হারিয়ে গেলে পুরাতন নাম্বার ফিরে পাবেন।

বেশ কয়েকদিন পরে ব্লগে লিখতে আসলাম। এর মধ্যে মোবাইল চুরি যাওয়াতে সবার নাম্বার হারিয়ে ফেলেছিলাম। একটু চেষ্টা করে GOOGLE থেকে সেগুলো আবার উদ্ধার করেছি।

অনেকেই হয়তো গুগল এর “Account sync” সম্পর্কে জানেন এবং নাম্বার হারিয়ে গেলে কিভাবে ফিরে পেতে হয়, তাও জানেন। যারা জানেন তাদের এই ব্লগ পড়ে সময় নষ্ট করার দরকার নাই।

যারা জানেন না তারা দেখতে পারেন।

বিস্তারিত»

মর্মান্তিক প্যাথেটিক

সামনেই রিইউনিওন। পুরোনো অনেক কথা মনে পড়তেছে বিভিন্ন সিচ্যুয়েসনে,গল্পে গল্পে। কিছু গল্প শোনা, বেশীর ভাগই প্রত্যক্ষ করা।

১) ক্লাস সেভেনের ১ম প্যারেন্টস ডে। সবার প্যারেন্টস আসল। শুধু আমি আর মুসফিক রুমে চুপচাপ বসে আছি। আমার খুবই মন খারাপ। প্যারেন্টস আসে নাই তাতে নাকি সবার প্যারেন্টস আসল শুধু আমার আসে নাই তাতে, কোনটা তে যে বেশী খারাপ লাগতেছে ঠিক বুঝতেছি না। আর মুসফিকের প্যারেন্টস আসবে না সেটা আগেই জানানো ছিল।

বিস্তারিত»

পলাশীর পত্র..

অণুব্লগ লেখালেখি শুরু হয়ে গেছে কয়েকদিন ধরে। আমিও ভাবছিলাম লিখবো কিছু নিয়ে। অনেক কিছুই দেখি আশেপাশে যা নিয়ে বিরক্ত বা চিন্তিত হই। কিন্তু আলসেমি করে লেখা হচ্ছে না। সেদিন মোকাব্বির ভাই বললেন- “মাঝে মাঝে কথা জমলে এইভাবে বাইর কইরা দিবা! তাইলেই হবে! বালটির মাঝে জমায় রাখার কোন মানে নাই! :P”
তাই ভাবলাম আর জমিয়ে রেখে লাভ নাই। কিছু প্যাঁচাল বের করে দেই।

বিস্তারিত»

তোমার জন্য

তোমার জন্য, নতুন কোন মহাকাব্য লিখতে পারবো না,
ভালবেসে কোন প্রেমের কবিতা পড়ে শোনাতে পারি…

শীতের রাতে কাঁপতে কাঁপতে বারান্দায় দাড়িয়ে কথা বলতে পারবোনা মুঠোফোনে।
খুব বেশি হলে, কথা হবে ঘুম জড়ানো গলায়-
কম্বলের উষ্ণতায়।

বিউটি পার্লারের সামনে দাঁড়তে পারবো না এক কিংবা আধা ঘন্টা,
লাল টিপ আর খোলা চুলেই আমি খুশি; অনেক বেশি।

তোমার মন খারাপের রাতে জেগে থাকবো তোমার সাথে-
হিন্দি সিনেমা দেখতে বোলো না প্লিজ।

বিস্তারিত»