দি নিউ মমিন্সিঙ্গা সার্কাসঃ ওয়ার্ল্ড কাপ এপিসোড (কিঞ্চিৎ ভাল্গার)

সরগরমে কাবাব বানায় যে ছেলেটা সে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে দিয়ে ব্যস্ত হয়ে কাবাব বানাচ্ছে। সন্ধ্যায় ভালই ট্য্রাফিক থাকে। তার ঠিক সামনেই পার্কিং লটে একটা সাদা রঙের মিনি পিক আপ ভ্যান। আশেপাশে প্রচুর নাগরিক ব্যস্ততা। হঠাৎ কথা নাই বার্তা নাই একটা লোক, বয়স ত্রিশের কাছাকাছি, একটা স্যান্ডো গেঞ্জি আর পুরনো জিন্স পরনে, পিক আপে উঠে গেল। মোচ-দাড়িওয়ালা লোকটাকে চে’র অনুচর বলে ভুল হয়। সে মুষ্টিবদ্ধ দুই হাত উপরে তুলে হুট করে তারস্বর শ্লোগান শুরু করল
“ব্রা আ আ আ আ আ জিল,

বিস্তারিত»

১৭ই জুন ২০১৪তে অকৃতজ্ঞ আমি।

ভাল, আমরা(ইনক্লুডিং মি) এখন বড় হয়ে গেছি। আমরা এখন জীবনের অনেক বড় বড় বিষয় নিয়ে ব্যাস্ত। এসব ছোটবেলার ফালতু বিষয়ে নষ্ট করার মত সময় আমাদের হাতে নাই। আমরা এখন প্রাগমেটিক। আমরা এখন জীবনের বড় বড় কঠিন সব ভারী বোঝা টানার জন্য নিজেদের জীবনের ছোট ছোট ভাল লাগাগুলোকে ত্যাগ করতে শিখেছি।

১৬বছর আগে এই দিনের এমন সময় মন খারাপ করে বাপের চৌদ্দ গুষ্টী মনে মনে উদ্ধার করতে করতে পাবনা ক্যাডেট কলেজের দিকে যাচ্ছিলাম।

বিস্তারিত»

ধূসর নস্টালজিয়া

২০০৬ এর কোন একটা সময়। কাঁধের ওপর ততদিনে উঠে গেছে তিন স্ট্রাইপ। গেমস টাইমে খেলা,ব্লক ক্রিকেট, আম-কাঁঠাল চুরি, স্যারদের টিজ করা আর ক্লাস বাঙ্ক মারা। জীবন যাপন মোটামুটি এ কয়টা জিনিসের মাঝেই আটকে আছে। পিঠের কাছে সদ্য গজানো পাঙ্খা নিয়ে ইকারাসের দূর সম্পর্কের চাচাত ভাই ভাবা শুরু করেছি নিজেদের।

সামনে একমাত্র বড় ইভেন্ট বলতে ফুটবল বিশ্বকাপ। হিসেব কষে দেখলাম ক্যাডেট লাইফে আর কোন বিশ্বকাপ পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। 

বিস্তারিত»

ফেরা

স্টেশনে আমি পৌছালাম শেষরাতের দিকে,
বহু পুরনো ঠিকানা আমার,
জানতাম না আবার ফিরে আসতে পারবো কিনা;
হোক না অন্যভাবে, তবু এসেছি আমি আবার।

রফিক চাচা, হোসেন আর কামাল এসেছে-
আমাকে নিয়ে যেতে,
অনেক চেনা জায়গা এটা; তবু এসেছে ওরা।
কারণ, আসতে হয়।

আমাকে নিয়ে এগুতে থাকে ওরা-
সামনেই নতুনবাজারের মোড়।
হাহ, নতুনবাজার!
৬০-৭০ বছরের পুরনো বাজার।

বিস্তারিত»

খোয়াই পাড়ের গল্প।

হাতেম আলী নামে আব্বার একজন বন্ধু ছিলেন- তাঁর দেশের বাড়ি কোথায় এ মুহূর্তে আমার স্মরণে নাই। এটা মনে আছে যে, প্রায়ই তিনি রাজশাহীতে আমাদের শালবাগানের বাসায় আসতেন। তিনি এসব গল্প করতেন যে, বাড়িতে তাঁর আমার বয়সী দুই ছেলে আছে- যারা চূড়ান্ত ত্যাঁদড়। তাঁরা দিনভর গ্রামের রাস্তায় হাতেপায়ে ধুলো মেখে মার্বেল খেলে বেড়ায়। ছেলেদুটির বিদ্যার রেখা খুব বেশীদূর এগুবেনা- সেটা নিয়ে হাতেম আলীর চিন্তার শেষ ছিল না।

বিস্তারিত»

ফেইল সমাচার

সবকিছু নিয়ে ফাজলামো করাটা আমার মজ্জাগত। অধিকাংশ মানুষই এটা নিতে পারে না। ইদানীং আরো পারছে না!সবাই রেগে যাচ্ছে। অনেকটা “সে ফেল করছে, সে ফাজলামো কেন করবে? সে থাকবে মন খারাপ করে! নির্লজ্জ ছেলে! ” এইরকম চিন্তাভাবনা।

আমার আশেপাশের মানুষগুলোর হাবভাব দেখে মনে হয় আমি না, তারাই ফেল করেছে! তারা খুব বিব্রত! কি বলবে খুঁজে পায় না! তাদের বিব্রতভাব দেখে মনে হয় বিরাট পাপ করে ফেলছি।

বিস্তারিত»

প্রণয়োন্মাদের প্রলাপ-২

একটা কবিতা শুনিয়ে সে
গাঢ় চোখে চেয়ে জানতে চেয়েছিল-
“কেমন লাগলো?”
জানিনা কেমন লেগেছিল আমার।
তবু কেন অঙ্কের খাতায় বার বার ভুলে-
লিখে আসি সেই কবিতা?

কিছু একটা ভুল করে-
লাজুক হেসে বলেছিল-
“আর হবে না”।
কী হবে না, কেন হবেনা, প্রশ্ন করিনি আমি।
খালি চেয়েছিলাম-
ভুল হোক;
এক, দুই, তিন, সহস্রবার।

বিস্তারিত»

ফেইসবুক স্ট্যাটাসঃ প্রসংগ ৬০৩ (১৯৮৮-’৯৪), সিসিআর

ফেইসবুক স্ট্যাটাসঃ প্রসংগ ৬০৩ (১৯৮৮-’৯৪), সিসিআর

কেন যেন হঠাৎ করেই নীচের লাইনগুলো লিখতে ইচ্ছা হল। ইদানিং ইমোশোন চেপে রাখা খুব কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। ৬৪২-এর ফেইসবুক স্ট্যাটাস অনুযায়ী আসলেই বোধহয় আমাদের ঘণ্টা বাজার সময় শুরু হয়ে গেছে।

গত কয়েকদিন খুব কষ্ট করে নেট ব্যবহার করতে হয়েছে। ছিলাম দিনাজপুরে, থ্রী-জি কাজ করেনা সেখানে। গরুর গাড়ির গতিতে ৬০৩-এর ব্যপারে প্রতিটা খবর নিচ্ছিলাম। মনের অবস্থা কেমন ছিল,

বিস্তারিত»

প্রণয়োন্মাদের প্রলাপ

শুনলাম কাল নাকি বৃষ্টি হবে-
ছাতা নিয়ে এসোনা খবরদার!
আবার বলছি- ছাতা কেড়ে নেবো ঠিকই,
বৃষ্টিতে ভিজি না অনেকদিন তোমার সাথে;
বৃষ্টিভেজা তোমায় যে দেখিনা কতকাল।

রিকশাওয়ালাদের সাথে একটা চুক্তি করেছি আমি,
কেউ যাবে না আজকে -যেখানে তুমি যেতে চাও।
রোদে হেঁটে, ঘেমে ঘেমে মুখ লালচে করে ফেলো তুমি।
তোমার জন্য রুমাল কিনেছি একটা।

এরপর যখন দেখা হবে-
ইচ্ছে করে চশমাটা ভেঙ্গে ফেলবো আমার।

বিস্তারিত»

চলে গেলেন আবদুর রহমান ভূঁইয়া…

আমার মেঝমামা জনাব আবদুর রহমান ভূঁইয়া আজ ল্যাব এইড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। তিনি দীর্ঘ সময় ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে শিক্ষকতা করেছেন ও কিছু সময় পাবনা ক্যাডেট কলেজেও ছিলেন। এর আগে তিনি আমার মামীকে হারান (ক্যান্সার), দু-মাস পরে তাঁর ছোট ছেলে মুইনকে হারান, কয়েক বছর পরে বড় ছেলে ইনামকে (লেঃ কমান্ডার ইনাম-উস-সালাম, বাংলাদেশ নেভি) হারান (ক্যান্সার)। কমপ্লিট ফ্যামিলিকে হারান তিনি। আজ তিনি চলে গেলেন।

বিস্তারিত»

“সুন্দরবনে ব্যাঘ্র-বন্ধন”

সুন্দরবন থেকে জানা গেছে আজ সকাল বেলা সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সামনে টাব (TAB—Tiger’s Association of Bangladesh) এর উদ্যোগে এক ব্যাঘ্র-বন্ধনের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলোয়ারদের টাইগার নামে ডাকার এই প্রতিবাদ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান টাবের সভাপতি।

টাবের সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, ” বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের এই উপর্যূপরি হারের পরেও তাদের টাইগার ডাকায় বাঘ সমাজের ভাবমূর্তি খুবই বাজে ভাবে নষ্ট হচ্ছে। আগে যেখানে বাঘ দেখলেই সবাই সম্মান করত,

বিস্তারিত»

শুভ জন্মদিন ক্যাডেট কলেজ ইনটেক ২০০৭

আজ তেইশে মার্চ ,
ক্যাডেট কলেজ ইনটেক ২০০৭ থেকে ১৩ এর ক্যাডেটদের সবার দ্বিতীয় জন্মদিন আজ ।
দেখতে দেখতে সাত সাতটা বসন্ত পেরিয়ে গেলো ।
কিন্তু আজো স্মৃতির পাতায় স্পষ্ট ভাসে দিনটি ,
দিনের প্রতিটি মুহূর্ত আজো হুবহু বলে দিতে পারবো ।

আজ কয়েকটি ঘটনা খুব মনে পড়ছে ।
সত্যি ঘটনা , প্রাইভেছি রক্ষার্থে ছদ্মনাম ব্যবহার করে ঘটনাগুলো শেয়ার করছি…।।

বিস্তারিত»

কেমন আছি?

মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ থাকে।
আজ ঘুম ভেঙেছে ভেন্টিলেটরের বাসিন্দা চড়ুইপাখির কল্যাণে। ভোর ৫ টায়। সিলিং ঘেঁষে ওড়ার সময় প্রকৃতির ডাক সে এড়াতে পারেনি। ঠিক মুখের উপর পায়খানা করে দিয়েছে। ( পায়খানা বিষয়ক সিরিজ স্ট্যাটাসের বিরুদ্ধে মৌন প্রতিবাদ সম্ভবত)।
শীত- গ্রীষ্ম সবসময়ই মুড়ি দিয়ে ঘুমানোর কল্যাণে পয়ঃনিষ্কাশিত বর্জ্যের আলিঙ্গন লেপের উপর দিয়ে গেলেও পূতিগন্ধময় নারকীয় দুর্গন্ধটা কিছুতেই এড়ানো গেল না। শুয়ে শুয়েই দিব্যদৃষ্টে দেখলাম পরীক্ষা শেষে রুমে এসে জ্বালিয়ে দিয়েছি চারটা ভেন্টিলেটর,

বিস্তারিত»

আচ্ছা, একটু বকর বকর করি?

##
কয়েকদিন ধরে অনেক চাপের মধ্যে আছি। পড়াশোনার বিশাল চাপ, সাথে একটু একটু মানসিক চাপ। এক মাসের মত ভার্সিটি বন্ধ থাকার পর ক্লাস খুলেছে এবং আরও এক মাস ক্লাস হয়েছে। সেশন জটের প্যাঁচে পড়ে আমরা মাত্র থার্ড ইয়ারে উঠেছি, অন্য ভার্সিটিতে আমার বন্ধুরা সবাই ফাইনাল ইয়ারে। এইসব জিনিস চিন্তা করলে মাঝে মাঝে একটু খারাপ লাগে, মনের মধ্যে অস্বস্তি লাগে। তবু খুব বেশি পাত্তা দেই না আমি।

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট লাইফ- পর্ব ১

ঠিক তারিখ টা মনে নাই। ১৯৯৮ সালের জুন মাসে শুরুর দিকের ঘটনা মনে হয়। আমার প্রয়াত মেজ মামা আমাদের উল্লাপাড়ার বাসায় আসল। জিজ্ঞেস করল কি খবর ক্যাডেটে চান্স পাইসি কিনা? আমি বললাম রেজাল্ট দেয় নাই।মামা বলল দিসে তো, আমি পেপারে দেখলাম, তাও অনেক দিন আগে। মামা বাইরে গেল, সেই পেপার সংগ্রহ করে আনল। আমার তো #### শুকাইয়া কাঠবাদাম। কি হয়। কোথাও ভর্তিও হই নাই তখন পর্যন্ত।

বিস্তারিত»