চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ০৯/১০ গ্রুপ পর্ব- ড্র

ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ০৯/১০ মৌসুমের গ্রুপ পর্বের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোট ৩২টি দলকে ৮ গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতি গ্রুপ থেকে প্রথম দুটি দল পরের পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। এবারে গ্রুপ পর্বের ড্রতে তেমন কোন চমক নেই বললেই চলে, ফেবারিট দলগুলো ঝামেলা ছাড়াই পরবর্তী পর্বে উঠে যাবে বলে মনে হয়।
a

গ্রুপ এঃ বায়ার্ন মিউনিখ, জুভেন্টাস,

বিস্তারিত»

বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাঞ্জলিঃ যদি আর না ফিরি

(আজ ১২ ভাদ্র। আমাদের জাতীয় কবি, বিদ্রোহী কবি, রেঁনেসা এবং সাম্যবাদী চেতনার কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৩৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী। ক্ষনজন্মা এই প্রতিভাকে শ্রদ্ধা নিবেদনের ভাষা এবং যোগ্যতা কোনটিই নেই আমার। “যদি আর না ফিরি” শিরোনামে কবির ভাষণটি একযুগ ধরে আমার ডায়েরীতে সংরক্ষিত আছে। কবি নির্বাক হওয়ার আগে এটিই সম্ভবত শেষ বক্তব্য। আজ খুব ইচ্ছে হলো সিসিবির বন্ধুদের সাথে শেয়ার করি।)
800px-nazrul_tomb_2amr
“মসজিদের পাশে আমায় কবর দিও ভাই/গোর থেকে যেন আযান শুনতে পাই।”

বিস্তারিত»

চেপে যাওয়া কান্নাগুলো……..

টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ডে নামলাম বহুদিন পর
“এই রিকশা, মেইন রোডে যাবে?”
হ্যাঁ জানাতেই বললাম, তা ভাড়া কত নেবে?

আগে কিন্তু করতাম না রিকশার কোন দামদর
এখন তবু করতেই হয়
সময়ের ব্যাবধানে ভাড়া কিছু বেড়েছে নিশ্চয়!

বিস্তারিত»

অন্তরে আয় অন্তরা

অন্তরে আয় অন্তরা
বুকের মৃদ্যু রক্ত স্রোতে আন ত্বরা
দুলিয়ে বাতাস সুবাস মাখা মন্থরা!

আমারে বল ঊষা রাঙা রোদ কোথা!
কোথায় নদী শুকিয়ে ধূলোর রূক্ষতা?
আমায় শোনা তোর ও বুকের দুঃখতা!

বিস্তারিত»

ফ্ল্যাশব্যাক ০৬

১। আমাদের পৌরনীতির ইসহাক আলী স্যার খুব জনপ্রিয় ছিলেন। স্যার অনেক ফ্রি ছিলেন এবং অনেক সময় সিরিয়াস রোমান্টিক কথা বলতেন। স্যারকে আমরা গুরু মানতাম আর বলতাম *ক্স আলী। মাঝে মাঝে বাংলাদেশের পলিটিক্স নিয়ে বলতে গিয়ে উত্তেজিত হয়ে যেতেন।তার একটা নমুনা-
“এই সেই আব্দুল বিশ্বাস(আব্দুর রহমান বিশ্বাস) যে খালেদা জিয়ার পে*কোট ধোয়”
পৌরনীতি পরীক্ষায় কোন প্রশ্নের উত্তর মানেই বেশি নম্বরের আশায় একগাদা পয়েন্ট আর কোটেশন,

বিস্তারিত»

স্মৃতির ঝাঁপি : জিয়ার নৃশংস শাসনকাল

প্রথম পর্ব ।। দ্বিতীয় পর্ব ।। তৃতীয় পর্ব ।। চতৃর্থ পর্ব ।। পঞ্চম পর্ব

‘৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে একই খুনি চক্র। এরই ধারাবাহিকতায় গায়ে ভারতপন্থী লেবাস পড়িয়ে হত্যা করা হয় খালেদ মোশাররফ, হায়দারসহ সেনা কর্মকর্তাদের। ৭ নভেম্বর মূলতঃ সেনা সদস্যদের এক বিশৃঙ্খল অভ্যূত্থানে জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান।

বিস্তারিত»

ভাতিজার স্কুলে প্রথম দিন…সাথে একটি স্মৃতিচারণ ফ্রি…!!

মানুষের জীবনে কিছু কিছু দিন আছে খুবই গুরুত্বপুর্ণ। নানাভাবে এসব দিন আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করে। এই দিন গুলোর মধ্যে নিঃসন্দেহে অন্যতম একটি হচ্ছে স্কুলে যাবার প্রথম দিনটি। এই দিনটি এতই গুরুত্বপূর্ণ যে বিভিন্ন পরীক্ষায় (বাংলা বা ইংরেজী) এই দিনটির উপর রচনা লিখতে বলা হয়ে থাকে… :khekz: !!! বেশিরভাগ ছেলেমেয়েই এদিন ভীষণ আগ্রহভরে বাবা অথবা মা, কিংবা দুজনের সাথে…নতুবা বড় ভাই-বোনের সাথে স্কুলে গিয়ে থাকে। এ দিনের পর সেই যে যাওয়া শুরু হয়…তা চলতেই থাকে…চলতেই থাকে…অনেকের তো বুড়ো বয়সেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া বন্ধ হয় না…!!!

বিস্তারিত»

কৃষকের কৃতি কথা !


কৃষকের অপার প্রচেষ্ঠায়
ছোট ছোট বীজ থেকে
সবুজের বুকে রচিত হয়
একেকটি জীবন্ত সভ্যতা!


এভাবেই দিন যায়
ক্ষণ যায়, কাটে রাত !
এক প্রান্তে অভিজাত ঝলমলে শপিং মল
অন্য প্রান্তে অন্ধকারে জোনাকীর চলাচল।

বিস্তারিত»

দ্রব্যমূল্য: এ ব্যর্থতা সম্পূর্ণই বাণিজ্যমন্ত্রীর

১.
‘দ্রব্যমূল্যের দুঃসহ চাপ প্রশমনের লক্ষ্যে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমিয়ে জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে স্থিতিশীল রাখার ব্যবস্থা করা হবে। দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সময় মতো আমদানির সুবন্দোবস্ত, বাজার পর্যবেক্ষণসহ বহুমুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মজুতদারি ও মুনাফাখোরি সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে, চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে। ‘ভোক্তাদের স্বার্থে ভোগ্যপণ্য মূল্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ’ গড়ে তোলা হবে। সর্বোপরি সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য সৃষ্টি করে দ্রব্যমূল্য কমানো হবে ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা হবে।’
এই কথাগুলো আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার থেকে নেয়া।

বিস্তারিত»

প্রসঙ্গঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট এবং কিছু অগোছালো চিন্তাভাবনা

ক্রিকেট খেলায় আমি কতটুকু পারদর্শী, তা নিয়ে আমার ২য় ব্লগে অনেকটা লিখেছিলাম। যারা এই ব্লগের পুরাতন সদস্য তারা হয়তো মনে রেখেছেন। কিন্তু তারপরও আমি কিন্তু ক্রিকেট খেলা দেখতে খুব এনজয় করি। আমি যেখানে থাকি সেখানে মোবাইল এবং ইন্টারনেট না থাকলেও আমাদের নিজস্ব ডিস টিভি থাকার কল্যানে এবারকার বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলাগুলো দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল। তাই ছোট্ট এই ছুটিতে এসে ভাবলাম, এই ক্রিকেট নিয়েই কিছু একটা লিখে ফেলি।

বিস্তারিত»

ফ্যান্টাসী লীগ- সিসিবি ম্যানেজারদের আমলনামা ০৩

চলে গেল ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের আরেকটি সপ্তাহ, সাথে আমাদের ফ্যান্টাসী লীগেরও। এইটা নিয়ে কেন, কোন কিছু নিয়েই লেখা দেয়ার কোন ইচ্ছা আপাততঃ আমার ছিল না [আমি কাইয়ূম ভাইয়ের সেমিস্টার সিস্টেমে লেখা দেয়ার স্টাইল ফলো করছি কিনা ;;; ]। কিন্তু, আমার দুস্ত কামরুলের অনুরোধ ফেলতে পারলাম না, বসে পড়লাম লিখতে। যদিও দূর্জনেরা বলতে পারেন যে পরপর দুই সপ্তাহে প্রথমে থেকে ব্যাপক উৎসাহে লিখতে বসেছি, কিন্তু মনীষীরা বলে গেছেন দূর্জনের কথায় কান না দিতে।

বিস্তারিত»

জরুরী রক্তের প্রয়োজন :: “রক্ত” নয়; দরকার “নিরাপদ বিশুদ্ধ রক্ত”

ঘটনা: ১: আমার রুমমেট মবিন ভাই, তার মায়ের অপারেশন। খুব জরুরী রক্তের প্রয়োজন পড়ল হাসপাতালে বসে। এদিক ওদিক ছুটোছুটি। প্রায় ঘণ্টাখানেক খুঁজে রক্ত পাওয়া গেল। কিন্তু মানে একটা অজানা ভয় রয়ে গেল: আচ্ছা , রক্তটা সত্যিই বিশুদ্ধতো ???
পরদিন সকালে মবিন ভাই রুমে আসলেন।
=কি খবর মবিন ভাই, আন্টির অবস্থা কি?
: আরে আর বোল না, কাল রাতে A+ রক্ত খুঁজতে খুঁজতে অবস্থা খারাপ …

বিস্তারিত»

আমার কাল অক্ষরের নায়িকারা

০।
আপনি প্রথম কখন প্রেমে পড়েছিলেন? আমি কিন্তু পড়েছিলাম অনেক ছোট থাকতেই, এই ধরুন গিয়ে ক্লাস ফোর। বয়সটা অবশ্য তখন বেজায় ছোট কিন্তু তাতে কী। মন তো আর তাতে বসে থাকে না। শান্ত শিষ্ট আমাকে বালিকারা বরাবরই ভাল পায় না কিন্তু তাতে কী মন তো তাও পাত্তা দেয় না। তাই অনেক আগে ক্লাস ফোরে, ১৯৯৬ সালের কোন এক সকাল অথবা বিকাল বা দুপুর কিংবা রাতের বেলায় আমি প্রেমে পড়ে গেলাম।

বিস্তারিত»

আমাদের সময়ের সেইসব গান

আমরা হলাম ববিতা-শাবানা যুগের মানুষ। আমাদের সময়ে জনপ্রিয় গানগুলোর সাথে কণ্ঠ মিলাতো ববিতা না হয় শাবানা। পাশাপাশি ছিল সুচরিতা অলিভিয়া এরা। পরে আসলো রোজিনা ও অঞ্জু। গানগুলাও ছিল জোস। অশ্লিল গান ছিল না তেমন। বড় জোর শাবানা সমুদ্রের পানিতে ঝাপাঝাপি করে গাইতো ‘ও দরিয়ার পানি তোর মতলব জানি। তোর ছোঁয়ায় যৌবনে মোর লাগলো শিহরণ, লাগলোরে কাঁপন……….’। আফসুস, এই গানটা বহু খুঁজলাম, পাইলাম না। 😛
তবে খুঁজতে যেয়ে পেলাম সেই সময়ের বিখ্যাত কিছু গান।

বিস্তারিত»

আচার ০২৪: পরবাসীর রোজনামচা

১.
গত মাসের শেষে মাস্টার্স থিসিস জমা দিয়ে দিয়েছি। থিসিসের ডিফেন্সও শেষ। হাতে কাজ নাই বললে ভুল বলা হবে। থিসিসের কাজ-কর্ম রিপোর্ট করে একটা জার্নাল পেপার লেখার তাগাদা সুপার দিয়ে যাচ্ছেন থিসিস শেষ করার আগে থেকেই। সেই কাজে হাত দিয়ে বুঝলাম ব্যাটারির চার্জ ফুরায়ে গেছে, মায়ের হাতের রান্না আর বউয়ের বানানো পুডিং না খেলে ব্যাটারি রিচার্জ হবে না। অগাস্ট মাসটা চুপচাপ থাকি বরং, ছুটিতে গিয়ে পেপার লেখার ব্যাপারে চিন্তা করা যাবে।

বিস্তারিত»