পেরিয়ে আসা সেই দিনগুলো,
ফেলে আসা আমার কৈশোর
বড্ড প্রহসন করে আমায়।
টিপ্পনি কেটে বলে আজ
তোমার শুধু কাজ আর কাজ।
ফাইল গুলো খোলা রেখেই; তাই
কফির মগে এক চুমুক দিয়ে
টেবিল ছেড়ে উঠে যাই।
মুঠোফোনটি বোবা করে
আমি বারান্দায় এসে দাঁড়াই।
পেরিয়ে আসা সেই দিনগুলো,
ফেলে আসা আমার কৈশোর
বড্ড প্রহসন করে আমায়।
টিপ্পনি কেটে বলে আজ
তোমার শুধু কাজ আর কাজ।
ফাইল গুলো খোলা রেখেই; তাই
কফির মগে এক চুমুক দিয়ে
টেবিল ছেড়ে উঠে যাই।
মুঠোফোনটি বোবা করে
আমি বারান্দায় এসে দাঁড়াই।
আজ থেকে ৩৫ বছর আগে ৫৬টি বালক এক অজানা ভয় আর আনন্দের অদ্ভূত অনুভূতি নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে ঢুকেছিল। তারপর তারা ৬টি বছর একসঙ্গে সুখে-দুঃখে, ভালোবাসা-যন্ত্রণায় কাটিয়েছে। তারা অতিক্রম করেছে সাগর আর পাহাড়ের কোলে এক অনিন্দ্য সুন্দর সবুজ প্রান্তরে অসাধারণ সব সময়। সময়ের টানে আজ তারা ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। কিন্তু ওই সময়ে তাদের মধ্যে যে অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল, তা আজো উষ্ণতার চাদর একইরকমভাবে ওদের মুড়ে রেখেছে।
বিস্তারিত»কিছুক্ষন আগে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের প্রথম সপ্তাহ শেষ হইলো। সেই সঙ্গে শেষ হইলো আমাদের সিসিবি ফ্যান্টাসী লীগের প্রথম সপ্তাহের যাবতীয় হিসাব নিকাশ।
প্রথমদিন থেইকাই মেজাজ ব্যাপক খারাপ। অনেক হিসাব-নিকাশ কইরা খেলা শুরু হবার আগের দিন দ্রগবারে বাদ দিয়া এনেল্কা আর ল্যাম্পার্ড দুইটারে টিমে নিছিলাম। কিন্তু হারামি দুইটা প্রথমদিনই আমারে ডুবাইয়া দিছে, গোলের নাম গন্ধ নাই, কোনমতে ৯০মিনিট খেইলাই খালাস। ওইদিকে যারে বাদ দিছিলাম সেই দ্রগবা প্রথমদিন দুই গোল কইরা ব্যাপক পয়েন্ট দিলো লুকজনরে,
বিস্তারিত»ক্রিস কভেন্ট্রি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপরাজিত ১৯৪ রান করে একদিনের ম্যাচের সর্বোচ্চ ব্যাক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডবুকে সহবস্থান করছেন পাকিস্তানের সাঈদ আনোয়ারের সাথে। কিন্তু্ তামিমের সেঞ্চুরিতে শেষ হাসি বাংলাদেশের ।দীর্ঘ এক যুগ পর আবারো আলোচনায় সাঈদ আনোয়ারের ১৯৪,সেই ধারাবাহিকতাতেই থাকছে একদিনের ম্যাচের সর্বোচ্চ পাঁচটি ব্যাক্তিগত ইনিংসের কথা।
১. চার্লস কভেন্ট্রি- ১৯৪* (১৫৬বল, ১৬x৪,৭x৬)- ২৬ বছর বয়সী চার্লস কেভিন কভেন্ট্রি’র ১৪ ম্যাচের ওডিআই ক্যারিয়ারের সেঞ্চুরি ছিলো না একটিও!
খটখট-খটাখট, কী-বোর্ডে আঙ্গুল চলছে বারবার। চারিদিকে আর কোন শব্দ নেই, আর কেউ নেই। সব ঘুম,
জেগে আছি শুধু আমি। লেখাটা আজকেই শেষ করতে হবে। কিন্তু সামনে এগোচ্ছে না কিছুই। যতই কী-বোর্ডে ঝড় তুলছি ততই বেকস্পেসে চাপ পরছে। কালকেই ম্যাগজিনের জন্য গল্প জমা দেবার শেষ তারিখ। বুঝে উঠতে পারছি না কিছুই কারণ রাত শেষ হতে বেশী বাকী নেই কিন্তু গল্পের এখনো অনেক বাকী।
সন্ধ্যায় মাথায় আসা গল্পের প্লটটা দারুন।
বিস্তারিত»মানুষটাকে কাছ থেকে দেখেছিলাম দু’তিনবার। আকাশের মতো এমন বিশাল এক মানুষ। এমন সিংহহৃদয় মানুষ, আমাদের জাতির জীবনে একজনই এসেছিলেন। কিছুটা নিজের ক্যারিশমা, কিছুটা সাহস আর বাকিটা সময়- তাকে করে তুলেছিল এই জনপদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতায়। মানুষকে ভীষণ বিশ্বাস করতেন তিনি। হয়তো রবীন্দ্রনাথের মতোই মনে করতেন, ‘মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ।’
এই বাঁশিওয়ালা আমাদের নিয়ে গিয়েছিলেন মুক্তি সংগ্রামে, বাঙালি জাতির মুক্তির যুদ্ধে।
বিস্তারিত»৭.
টেবিলটা খালি পরে আছে, সাথে চেয়ারটাও। মানুষটা নেই। সকাল থেকে ফোনগুলো সৌরভ-ই
ধরছে। বিরক্তিকর কাজ। বারকয়েক তার ইচ্ছে হয়েছে ফোনটা ছুড়ে ফেলে দিতে কিংবা তার ছিঁড়ে
ফেলতে। দীঘি এত ধৈর্য্য কোথায় পায় বুঝে না সৌরভ। দীঘি আজ আসেনি, ফোন করেছিল অসুস্থ । সেদিনও কত চটপটে ছিল, এক রাতের মধ্যেই কি এমন হয়ে গেল!
গ্রীলে এসে থমকে যাওয়া
উত্তল এই বৃষ্টি-বিন্দুর পেটে
সমস্ত শহর
উল্টো লটকে গিয়ে
দু’জনে আজ মুখোমুখি
বর্ষার বিকেলে।
এই কবিতাটা পড়ার আগে আমি এটার আবৃত্তি শুনেছিলাম, শিমুল মুস্তাফার কন্ঠে। এখনো মনে আছে, একবার শুনেই স্তব্ধ হয়ে বসেছিলাম কিছুক্ষণ। প্রচন্ড অপরাধবোধ আর লজ্জায় আমার নিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছিলো। খুঁজে বের করে কবিতাটা পড়ার সাহস হচ্ছিলো না। কিন্তু তারপরও পড়েছি, নিজেকে ধিক্কার দেবার জন্যে বইটা কিনে এনে কবিতাটা খুঁজে বের করে পড়েছি। একবার, বারবার।
বিস্তারিত»একটি কৌতুকের মতো।
ক্লাস নাইনের গরমের ছুটিতে আক্লিমা গেল তার ছোট খালার বাড়িতে বেড়াতে। ছোট খালা-খালু দুজনই তাকে নিজের মেয়ের মত আদর করে। বিশেষ করে খালুজান তো তার সাথে ‘মা’ ছাড়া কোন কথাই বলে না। খালার বিশাল বাড়িতে আক্লিমা একা এক ঘরেই ঘুমাতো। একদিন ঘুমের ঘোরে আক্লিমা স্বপ্ন দেখলো যে একটা গোখ্রা সাপ কিলবিল করে তার শরীর বেয়ে উঠে গলায় পেঁচাতে চাইছে। এরকম বিশ্রী একটা দুঃস্বপ্ন দেখে ভয়ে ঘুম ভেঙ্গে ধড়ফড় করে উঠতে যেতেই সে টের পেল যে স্বপ্নে নয়,
…অয়োময় ও যাভিয়েরকে….
১.
শ্যাওড়া গাছের পেত্নী কয়
আয় কাছে আয় অয়োময়
করমু তোরে বিয়া,
অবাক পোলা চাইয়্যা রয়
পেত্নী হলেও মন্দ নয়
দেখতে বড়ই “ইয়া”.. :shy: :shy:
অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (১ম পর্ব)
-ওয়াহিদা নূর আফজা
ক্যাডেট কলেজে আমার তিন বছরের জুনিয়র সেলিনা একদিন এই ব্লগটার সন্ধান দিল। সেই সাথে লিঙ্ক পেলাম ক্যাডেটদের লেখা প্রথম ই-বুকের। প্রথমে ই-বুকটা খুলে পড়তে বসলাম। লেখক যদি ধরে না রাখতে পারেন তবে কোনকিছু এখন আর শেষ পর্যন্ত পড়া হয়ে উঠেনা। অথচ এই ই-বুকটাতে চোখ এমনই আটকে গেল যে রাত প্রায় ভোর হবার উপক্রম।
বিস্তারিত»ফ্ল্যাশব্যাক !
এক হ্যাচকা টানে
তড়িঘড়ি করে সব কিছুই
উল্টো দিকে দৌড়াতে লাগলো।
শিল্পীর সদ্য আঁকা ক্যানভাস
প্রিয় কবির লেখা ভর্তি খাতা
শিক্ষকের তুখোড় লেকচার

কুইনাইন।
আপনাদেরকে আমি আজ আমার জীবনে দেখা এমন কয়েকটি কাহিনী শোনাবো যা আমি এপর্যন্ত গল্প বা আড্ডার ছলেও খুব একটা কাউকে বলিনি। আমার এ বক্তব্যটা আবার একটু স্ববিরোধী হয়ে গেল না তো? বলতে পারেন, ‘খুব একটা কাউকে বলিনি’ এমন গোপন কাহিনী আবার এমন জনসমক্ষে বলার দরকারটা কি? না, বিষয়টা তেমন গোপন কিছু নয়, আমার বা আমাদের পরিচিত কারো একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপারও না। ঘটনাগুলো এমন যে আমাদের চোখের সামনেই অনেক সময় ঘটে যাবার পরেও বা নিজের কানে শোনার পরেও ঠিক বিশ্বাস করতে মন চায় না।
মোবাইল এ হঠাৎ SMS আসার শব্দ। SMS টা পরতে লাগলাম
” দোস্ত, কেমন আছিস ? অনেকদিন তোদেরকে দেখিনা। খুব দেখতে ইচ্ছা করে। আমার একটু খারাপ সময় যাচ্ছে, তাই তোদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারিনা… ঠিক হয়ে গেলেই আমাকে পাবি… দোয়া করিস আর অনেক ভাল থাকিস…”
চোখে পানি এসে গেল। খারাপ লাগতে লাগল খুব। কেমনে ভুলি তোদের ?
বিমএ থেকে যখন ফোন দিস।
বিস্তারিত»