যারা দেশের বাইরে আছেন কিংবা ব্যস্ততার কারণে মিস করেছেন তাদের জন্য … … দু:খ করবেন না, একদিন আপনিও দেশে আসবেন, আপনিও আমাদের খাওয়াবেন এবং তখনো আমরা আবার এভাবে সিসিবিতে তা তুলে ধরব … … তো কে কবে দেশে আসছেন – ছবি দেখতে দেখতে সেটা ঠিক করে ফেলুন … …
বিস্তারিত»আমার ক্যাডেট লাইফ এবং প্রবাস লাইফ (২য় পর্ব)
কলেজে আমি ছাত্র হিসাবে ছিলাম মিডিয়াম ক্যাটাগরির আর ক্যাডেট হিসাবে ছিলাম টপ বদমাইশ। প্রথম টার্মে ছিলাম ১৮ দিন এবং এরমধ্যে ২/৩ টা ঘটনা ঘটালাম।আমার প্রথম ক্যাড্ট ক্রাইম হিসেবে সুরু হল , জুম্মার নামাজের সময় , আমার দুই ফ্রেণ্ডের পাঞ্জাবির কোনা গীড়া দিয়ে দেয়া।দুঃখজনকভাবে আমাদের শ্রদ্ধেয় স্যার পাঁঠা তা দেখে ফেলল এবং তাঁর আভ্যাসমত কান ধরে মলা এবং ৮২ শিক্কার একটা থাপ্পর ! ক্লাস সেভেনে এইরকম কাজ করার জন্য তিনি আতিশয় আশ্চয’
বিস্তারিত»আমরা আমরাই তো !
১.
তাইফুর ভাইয়ের আসার কথা ছিল বিকাল ৫টার মধ্যে। কাইয়ুম ভাই আর আমারে তুলে নিবেন পান্থপথ থেকে, সেখান থেকে যাবো মিঃ বেকারের কেক নিতে, তারপর বেঙ্গল ক্যাফেটেরিয়া।
ঘড়ির কাটা পাঁচটা পার হয়ে যাবার পর আর থাকতে না পেরে কাইয়ুম ভাইরে ফোন দিলাম,
বস, তাইফুর ভাই কই?
মৌচাক পর্যন্ত আসছিলো, এখন আবার বাসায় ফেরত যাইতেছে
ক্যান কি হইছে?
মনটা নাকি ভুলে বৌয়ের কাছে রাইখা আসছে ,
বিষন্নতা নিয়ে একটু রসকথা
(লেখাটি আগে অন্য একটি ব্লগে দিয়েছিলাম।)
বিষন্নতাকে বিষন্নভাবে না দেখে একে নিয়ে একটু রসকথা বললে কেমন হয়? এই যেমন অন্ধকার না থাকলে আলোর কোন মূল্য নেই ঠিক তেমনি সুখ কিম্বা আনন্দকে আরাধ্য করে তুলবার জন্য বিষন্নতার ভূমিকা অপরিহার্য নয় কি? ছোট্টবেলায় বাবা মায়ের বকুনী, ক্লাসে ভালো করতে না পারা, সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাওয়া, প্রেমে ব্যর্থতা, চাকুরীর অনিশ্চয়তা, জীবনযুদ্ধে অন্যের চোখে পিছিয়ে পরা এরকম আরো নানা অব্যক্ত মূহুর্তে কে কখনই একদম বিষন্নতায় ভোগেননি বলেন?
বিস্তারিত»মা
“সাহিদ রাহিদ এসেছিস?” মিসেস রহমান রান্নাঘর থেকে চুলার ওপর থেকে চোখ না সরিয়েই জিগ্যেস করলেন। “হ্যা মামনি” রাহিদের জবাব আসল। “সাহিদ তোর সাথে এসেছে?”মিসেস রহমানের প্রশ্ন। “না”; ছেলে জবাব দিলো। “কোথায় সে?” জিগ্যেস করাতে ছেলের জবাব “কোথায় আবার..সব সময় যেখানে থাকে স্কুলের পর।” মামনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তার বড়ো ছেলেটার ইদানিং ভিডিও গেম খেলার কি একটা নেশা হয়েছে। রাস্তার পাশে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা খোপের মত দোকানগুলোতে বসে থাকে।
বিস্তারিত»খালাম্মা কাহিনী
কলেজে সবসময়ই একটা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের গ্রুপ থাকে। আমারো ছিল। তো এইরকম আমার এক দোস্তর লগে আমগো ব্যাচেরই মগকক এর এক ক্যাডেটের :just: ভালো রিলেশন ছিল। তো ওরে এর :just: বান্ধবী একটা গিফট দিছিলো, একটা ফটো ফ্রেম। বলারর দরকার নাই আমার দোস্তে ওই ফেরেমে কার ছবি বান্ধায়ে রাখছিলো 😀
তো আমার দোস্তের বান্ধবী কিঞ্চিত স্থূল হইবার কারণে আমরা ওরে খালাম্মা কইয়া ডাকতাম। 😀 😀 দোস্ত আমার হেব্বি মাইন্ড খাইতো :grr:
কাহিনী শুরু হইলো ইন্সপেকশনের দিন।
আমার কষ্টগুলো ……
পথের পাঁচালীর পঞ্চাশ বছর-২
প্রথম পর্ব
[আগের পর্ব শেষ করেছিলাম ইন্টেলেকচুয়াল মন্তাজ দিয়ে।এটা নিয়ে কিছু কথা বলার প্রয়োজন বোধ করছি।মন্তাজ ব্যাপারটি রাশিয়ান চলচ্চিত্রকার আইজেনস্টাইনের আবিষ্কার। মন্তাজ শব্দটার সাথে যেহেতু ইন্টেলেকচুয়াল শব্দটি যোগ হয়েছে কাজেই এটা অন্তত বোঝা যায়, বুদ্ধিবৃত্তিক দৃশ্য তৈরি জাতীয় কিছু একটা। হ্যা, আসলেই তাই। ইন্টেলেকচুয়াল মন্তাজ সম্পূর্ণ ভিন্নরকম দুটি দৃশ্য পরপর একটি তৃতীয় অর্থকরী দৃশ্য তৈরি করে, যার মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক একটি সিকোয়েন্স দাঁড়িয়ে যায ।
নাটাই
১।
-এই টিপু, তোর তো দেখি নতুন নাটাই। কবে কিনলিরে?
-আমার মামা এসেছিল ঐ যে বিদেশ থাকে উনি কিনে দিয়েছে।
-কত দাম রে?
-১২ টাকা, রাজার দোকানেই পাওয়া যায়।
-একটু দেখতে দিবি?
-তুই ফেলে দিবি দেখিস। তারচেয়ে বরং তুই সুতাটা ধর আমি মাঞ্জা দেই । এবার মাঞ্জায় কাচের গুড়া দিয়েছি আমার ঘুড়ি কাটা এইবার কারো সাধ্য নাই।
কে কারে কি কয়?
[ এই ছড়ার কোন মানে নাই। নেই কাজ তো খই ভাজার বাইপ্রোডাক্ট ]
ফকা বলে সাকারে
ভাল করে তাকারে!
আমি তোর বাবা হই
নই বড় কাকা রে!
সাকা বলে ফকারে
দিয়ে গালে টোকারে!
তোমারইতো এই আমি
বুড়ো ধেড়ে খোকা রে!
আমিই তো তোর সব চিনি!
আমি তোর সব চিনি,তোর মেখলা হাসা
ঠোঁট ফুলিয়ে মান করা,ফের ভালোবাসা!
তোর গালে কি ছোট্ট কালো তিল আছে?
অন্ধকারের মতন কালো চুলের খোঁপায়
আলতো করে গুঁজে দেওয়া রক্তজবা
আজো আমার চোখে যেন বিঁধে আছে!
আবার যুদ্ধ হলে আমি রাজাকার হব…
তিন যুগ পেরিয়ে গেল, কেউ কথা রাখেনি।
আমার বাবার কথা কেউ মনে রাখেনি।
কেউ খুঁজে দেখেনি আমার হারানো ভাইয়ের লাশ।
কেউ মনে রাখেনি আমার বোনের সর্বনাশ।
তাই আজ আমি বিদ্রোহী…
আবার যুদ্ধ হলে আমি রাজাকার হব,
আবার যুদ্ধ হলে আমি বন্দুক হাতে নেব,
তারপর… …
আমাদের রসায়ন শিক্ষা
স্যার এর নামটা বললাম না।তবে যারা বেশি কৌতুহলি তাদের জন্য একটু সহজ করে দিলাম। ইংরেজিতে স্যার এর নাম দাঁড়ায় cowboy catch the moon. কেউ যদি চিনে ফেলেন তার জন্য আমি দায়ী নই।যাই হোক কাজের কথায় আসি।স্যার পড়ান খুবই চমৎকার।ওনার পড়ানোর ধরনটা তবে একটু ভিন্নধর্মী।অনেকের হয়ত মনে আছে এসএসসির বইতে অধাতুর একটা অধ্যায় ছিল।তার একটা বিশাল অংশ জুড়ে ছিল সালফার।সেই সালফার স্যার আমাদের এমন ভাবে পড়িয়েছেন যে আজো ভুলিনি।তাই স্যার এর মত করেই আজকে শিখব-
‘‘আজকে আমরা পড়বো সালফার।তোরা জানিস ইহা অধাতু ।তবে ইহার চরিত্র মোটে ও ভালনা।
রোজার দিনে বেজার দিনলিপি
দিনগুলা যায় ভালোই চলে
বেশতো সাধা সিধা
দু:খ খালি যায়না খাওন
লাগলে পেটে খিদা! :bash:
এই রোজাতে যায়না বোঝা
ক্লাস টাইমের পড়া
বোর্ড জুড়ে :just: ভাসতে দেখি
বুট, বেগুনী, বড়া! :dreamy:
ডাক দিয়ে যাই
আচ্ছা, আমি মরে যাব আর তিনঘন্টা পড়ে, ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু হবে আমার। আমি জানি আমি নির্দোষ, এবং আমি এও জানি আমার কোন ভুলটার জন্য আমাকে ফাঁসিতে যেতে হচ্ছে। আমার প্রিয়তমা স্ত্রী এবং সন্তান আছে, অথবা আমি মাত্রই বিয়ে করেছি, অথবা আমার বউ অনাগত সন্তানের আশায় দিন গুনছে, অথবা, —–অথবা, এগুলো কিছুই নয়, বেঁচে আছেন শুধু আমার বৃদ্ধ মা-বাবা, তসবী জপে জপে আশায় বুক বাধছেন, হয়তো এই মাঝ রাতেও।
বিস্তারিত»