দেখতে দেখতে আমার সিরিজটার ২৩ নম্বর কিস্তি চলে আসল। ২৩ নাম্বারটা একটা স্পেশাল নাম্বার, মাইকেল জর্ডান এইটা পরতেন জার্সি নাম্বার হিসাবে। শিকাগোর ইউনাইটেড গার্ডেন এরিনাতে এই জার্সিটা রিটায়ার করে রাখা হয়েছে তাঁর সম্মানার্থে। জর্ডানের সাথে ব্র্যাডম্যানের একটা এনালজি দেয়া যায়। ব্র্যাডম্যানের সাথে তুলনা অনেকেরই হবে, কিন্তু তর্কের শেষে ব্র্যাডম্যানকে হিমালয়সমান উচ্চতায় রাখতেই হবে। জর্ডানও এমন একজন খেলোয়াড় ছিলেন, বলা হয় বাস্কেটবলের ইতিহাসে সেরা খেলোয়াড়। কোর্টে তার ইম্প্রোভাইজেশান খেলাটাকেই পরিবর্তন করে দিয়েছে।
বিস্তারিত»আমার ব্যাচ
৩৬ তম ব্যাচ। একটা সংখ্যা আমাদের ৫০টি ছেলেকে একই সূতায় বেঁধে রাখে। আজ কেউ জাপানে, কেউ পাকিস্তানে, কেউ বা ইংল্যান্ডে, আর অনেকেই বাংলাদেশে, কিন্তু এই একটি সংখ্যা আমাদের সবাইকে আজ পর্যন্ত এবং আমাদের জীবনভর এক পদতলে দাঁড় করিয়ে রেখেছে। কেউ যদি আমার সৎ মতামত চায় যে আমাদের ব্যাচ কেমন ছিল, আমি বলব আমরা একটি অতি সাধারণ ব্যাচ ছিলাম। যদিও ক্লাস সেভেন থেকেই আমরা স্টাফ লাউঞ্জে বেশ একটা আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়ে গিয়েছিলাম।
বিস্তারিত»জীবনের গল্প – ৫
এইসব মানুষদের কথা এত অল্প করে লেখা যায় না। আর আমার কেন জানি মনে হয় এভাবে তাদের গল্প বলাও যায় না, তাদেরকে ছোট করা হয়। এরা হচ্ছে আমাদের চোখের সামনে থাকা জ্বলন্ত উদাহরন। ভেঙ্গে পড়া মানুষ যে কিভাবে উঠে দাঁড়াতে পারে তা আমি এদের কাছ থেকেই শিখেছি। বন্ধু তোদের লাল সালাম…… :salute:
ফাহিম
আমি যখন ক্লাস ৫ এ পড়ি তখন ফাহিমের মা মারা যান।
বিস্তারিত»শিরোনামহীন দিনলিপি
অনেকদিন ধরেই কিছুই লেখা হচ্ছে না। আমার সামনে দিয়ে কত ঘটনা ঘটে যায় কত গল্প উড়ে বেড়ায়- কিন্তু তা ধরার ফুরসত মেলে না। অলসতা আর সাথে কিঞ্চিত প্রতিকূলতায় ব্লগে আসা কমে যাচ্ছে। এই পোস্ট টি নিজের অস্তিত্বের জানা দিতে লেখা। আমার কেটে যাওয়া সময়ের গল্প। লিখতে গেলে অবশ্য আমার বরাবরই খাপছাড়া লাগে । গত কয়েকদিনে অনেক ঘটনাই ঘটে গেল। এত দ্রুত পরপর যে আমি নিজেই একটার ধাক্কা সামলাতে না সামলাতে আরেকটা ঘটে যায়।
বিস্তারিত»নরকবাস-৩
ইব্লিশের সাগ্রেদ।
রমজান মাস আসতে না আসতেই চারিদিকে কেমন একটা পুতপবিত্র ভাব চলে আসল। মসজিদে মুসল্লীদের ভীড় বেড়ে গেল রাতারাতি। দিনে-রাতে পাড়ার ঘরবাড়ি-মসজিদ-মাদ্রাসা থেকে সুর করে কোরান তেলাওয়াত শোনা যেতে লাগল। বিশেষ করে যখন রমজানের আগের শেষ জুম্মার বয়ানে সুর করে ইমাম সাহেব বললেন, “পিরিয় মুছল্লী ভায়েরা, এই রুমজান মাস, অইথ্যান্ত ফজিলতের মাস। আমরা কেউই কতি পারি নে, কোনো নিচ্চয়তা নেই, আইজগে এই মজলিশি হাজির সবাই এর পরের রুমজানে বাইচে থাক্বানে কিনা।
বিস্তারিত»সাপ্তাহিক… ৯
খুব একটা ভাল নেই, শারীরিক মানসিক দু দিক থেকেই। প্রথমে পা মচকালো, এক সপ্তাহ বিছানায় শুয়ে থেকে পা একটু ভাল হতেই এক সন্ধ্যায় বের হলাম, মূল উদ্দেশ্য ছিল ভাল-মন্দ কিছু খেয়ে মুখে স্বাদ বদলানো। গুরু ভোজের ইচ্ছা ছিল না বলে ঠিক করলাম বাংলা খাবার খাব, মানে বিভিন্ন ধরনের ভর্তা-ভাজি। সবচেয়ে কাছাকাছি পাওয়া গেল হোটেল জামান। চট্টগ্রামকে মনে হয় খুব সহজেই হোটেল জামানের শহর বলা যায়।
বিস্তারিত»দিনলিপি ০৫: হাবিজাবি
১।
সিসিবি ইদানিং খুব জমে উঠেছে। নতুন নতুন লেখক, বিভিন্ন ধরনের লেখা, জমজমাট কবিতার পোষ্ট, সানা ভাই এর অসাধারন ক্যাপশন সহ ছবিব্লগ ইত্যাদি পাচ্ছি প্রতিদিন। কোন পোষ্টের কমেন্টে যেনো দেখলাম রকিবের চায়ের দোকানেও নাকি ভালো আড্ডা হয়। কোনো কারন ছাড়া আমাদের অফিস থেকে আমি, তানভীর, টুম্পা কেউই চায়ের দোকানে আসতে পারি না। আরো জমে উঠেছে ফ্যান্টাসী লীগ। প্রথম সপ্তাহে দেখলাম নয়া জামাই খুব চমকের সাথে ১ম পজিশনে,
ফ্যান্টাসী লীগ- সিসিবি ম্যানেজারদের আমলনামা ০২
ব্যাপক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়া শেষ হইলো ফ্যান্টাসী লীগের দ্বিতীয় সপ্তাহ।
আসলে উত্থানের চেয়ে পতনই বেশি হইছে, আর তারাশঙ্কর অনেক আগেই বলেছেন ‘পতনতো চিরকাল অধঃলোকেই হয় দাদা, কে আর কবে উর্ধে পতিত হয়েছে?’। সুতরাং সিসিবি ফ্যান্টাসী লীগেও অনেকেরই আসলে অধঃপতন হইছে তা বলাই বাহুল্য।
তবে তার আগে উত্থানের কথা বলি।
গ্রামীন ফোনের রুমকির বাবা, আমার দুস্ত, তানভীর। গত সপ্তাহের তৃতীয় অবস্থান থেইকা এই সপ্তাহে এক্কেরে ১ম।
অর্ধচন্দ্র (গলাধাক্কা নহে)
বাংলাদেশে নূতন একখানা কথা দারুণ চলিতেছে আজকাল – ডিজিটাল বাংলাদেশ। প্রায় সর্বক্ষেত্রেই ইহার প্রচলন লক্ষ্যনীয়। উদাহরণস্বরূপঃ আমরা যাহাকে ডেলাইট সেভিং টাইম বলিয়া আখ্যা দেই, তাহা কিন্তু অল্পশিক্ষিত জনগণের নিকট ‘ডিজিটাল টাইম’ নামেই অধিক পরিচিত।
যাহাই হৌক, ভাবিতে ভালই লাগে, গর্ববোধ হয়, আমরা এখন যুগের সাথে মার্চ করিতে পারিতেছি। কারো কারো হয়তো ইহাও মনে হইতে পারেঃ “ধুর, আমেরিকা-টামেরিকা’র বেল আছে? বাংলাদেশ ও এখন ডিজিটাল যুগে আয়া পরসে।
বিস্তারিত»আজো স্বপ্ন দেখি !
ব্যাপারটা নিয়ে তদন্ত হতে পারে !
আমার চশমার গ্লাস গলে –
এখনো আলগোছে ঢুকে পড়ে
বেপরোয়া দুরন্ত স্বপ্নরা!
আমার বুকে পাজরের দূর্গ ভেঙ্গে-
সংশপ্তক হৃদয়ে অনাহূতের মত
অনুপ্রবেশ করে লক্ষীছাড়া স্বপ্নরা।
ব্যাপারটা নিয়ে তদন্ত হতে পারে !
জন্মাবার পর থেকে প্রতি ক্ষনেই
জ্ঞানে-ধ্যানে-টানে-অভিমানে;
অজস্র স্বপ্নেরা ধরা দেয়
অদেখা কারেন্ট জালে।
পদে পদে সেই স্বপ্নের সমাধি
খুঁজে খুঁজে আমি গড়িয়ে যাই-
পথ থেকে পথে।
ছোট কবিতা-৩
১।
অনুতপ্ত নই
অণুতে অণুতে তপ্ত
তাপ লুকোবার কায়দাসমূহ
করে নিচ্ছি রপ্ত।
২।
বিষণ্ণ,
বিষ অন্ন?
বিষময়
বিস্ময়!
বিস্মৃত।
বিষ-মৃত?
পুরানো সেই দিনের কথা…….
আজ প্রায় ৩ বছর হতে চলল।
ছেড়ে এসেছি আমার প্রিয় প্রাঙ্গন। ভুল বললাম, আমাদের প্রিয় প্রাঙ্গন।
কেমন আছে আমার প্রিয় কলেজ? জাহাঙ্গীর শিক্ষা ভবনের সামনের গোল চত্বরটা কি এখনো খালি পরে আছে? কলেজ কর্তৃপক্ষ কি ওখানে লাগানোর মতো কিছু এখনো জোগাড় করতে পারেনি? এখনো কি দ্বাদশ শ্রেণীর ক্যাডেটরা মাগরিবের নামাজের পরে একজনকে ফোয়ারাটার ভিতরে চুবুনি খাওয়ায়?
কত স্মৃতিবিজরিত আমাদের এই প্রাঙ্গন। অনেক কথা বলার ছিলো কিন্তু আবারো সেই পুরনো পরিবেশে ফিরে আমার কথাগুলো প্রকাশের পথ খুঁজে পাচ্ছে না।
এক আড্ডা, এক গান
১.
ক্যাডেট কলেজ জীবন শেষ করে যখন ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হলাম, তখন যেন অথৈ সাগরে পড়ার মতো অবস্থা হলো। এক পাড়ায় ছিলাম বলে চিনতাম কেবল রতনকে। রতন সিলেট ক্যাডেট কলেজের, কলেজ নাম কাফি (আবদুল্লাহ আল কাফি)। রতন তখন ছাত্র ইউনিয়নের প্রথম সারির নেতা হতে যাচ্ছে, তাকে পাওয়াই যায় না। পরিচয় হলো মোমিনের সাথে। মোমিন ফৌজদারহাটের। আর ছিল তানিম (ওমর), ফৌজদারহাটের। আমরা এই চার জন ছিলাম অর্থনীতি বিভাগের ক্যাডেট।
সমঝোতা !
পেরিয়ে আসা সেই দিনগুলো,
ফেলে আসা আমার কৈশোর
বড্ড প্রহসন করে আমায়।
টিপ্পনি কেটে বলে আজ
তোমার শুধু কাজ আর কাজ।
ফাইল গুলো খোলা রেখেই; তাই
কফির মগে এক চুমুক দিয়ে
টেবিল ছেড়ে উঠে যাই।
মুঠোফোনটি বোবা করে
আমি বারান্দায় এসে দাঁড়াই।
১৭ আগস্টের ৩৫ বছর : বন্ধু তোদের ভালবাসি ভীষণ
আজ থেকে ৩৫ বছর আগে ৫৬টি বালক এক অজানা ভয় আর আনন্দের অদ্ভূত অনুভূতি নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে ঢুকেছিল। তারপর তারা ৬টি বছর একসঙ্গে সুখে-দুঃখে, ভালোবাসা-যন্ত্রণায় কাটিয়েছে। তারা অতিক্রম করেছে সাগর আর পাহাড়ের কোলে এক অনিন্দ্য সুন্দর সবুজ প্রান্তরে অসাধারণ সব সময়। সময়ের টানে আজ তারা ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। কিন্তু ওই সময়ে তাদের মধ্যে যে অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল, তা আজো উষ্ণতার চাদর একইরকমভাবে ওদের মুড়ে রেখেছে।
বিস্তারিত»