সন্ধ্যা যায় তারপর যায় রাত
তবু আজকাল আর অকারণে দেখা হয় না
রাতের আকাশ।
কখনও পূর্ণিমাতে চাঁদের ফোকলা হাসি দেখা,
আবার ক্ষয় হওয়া পূর্ণিমা যেন মনে হত
তার মাথায় হাত,
আর অমাবস্যাটা ছিল নিকষ আধাঁরে
সন্ধ্যা যায় তারপর যায় রাত
তবু আজকাল আর অকারণে দেখা হয় না
রাতের আকাশ।
কখনও পূর্ণিমাতে চাঁদের ফোকলা হাসি দেখা,
আবার ক্ষয় হওয়া পূর্ণিমা যেন মনে হত
তার মাথায় হাত,
আর অমাবস্যাটা ছিল নিকষ আধাঁরে
(৭)
কলেজে মাঝে মাঝেই স্যানিটারি ইন্সপেকশন হোত । এর উদ্দেশ্য ছিল ক্যাডেটদের হাইজেনিক কন্ডিশন ঠিক আছে কিনা তা চেক করা । এই ইন্সপেকশনে মূলত মেডিক্যাল অফিসার স্যারকে মূল দায়িত্ন দিয়ে পাঠানো হত । তিনি ক্যাডেটদের রুমগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন আছে কিনা তা দেখতেন । পাশাপাশি হাউস এবং একাডেমির টয়লেট বাথরুমগুলো হাইজেনিক কিনা তাও চেক করতেন । আর এই চেকিংগুলো ছিল ঝটিকা চেক । কাউকে না জানিয়েই হঠাৎ করেই চেক করা হত ।
বিস্তারিত»মনোবিজ্ঞানী নই, নই কোন প্রেম-ভালোবাসা-হৃদয় ঘটিত লেখক ও। শিরোনাম দেখে যদি প্রশ্ন আসে, তাই উত্তর ও দিয়ে দিলাম আগে ভাগেই। প্রাসঙ্গিক একটা প্রশ্ন আমার ও আছে, প্রেম ভালোবাসা ছাড়া কি মন এর অস্তিত্ব নেই? কঠিন পাষান সীমার এর ও মন ছিলো, এ কথায় সাহিত্যিক রা রাগ করলেও জীববিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানীরা আমার কথাকে সমর্থন করবেন আশা করি। আর মন যদি থেকে ই থাকে তাহলে চাওয়া (পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা) ও থাকতেই হবে।
বিস্তারিত»ছুটি! প্রায় চার মাসের অপেক্ষা শেষে আজ শেষ পর্যন্ত ছুটি পেলাম। আজ রাতে ইনশাল্লাহ ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করবো। আহ… কতদিন পর ঢাকার দেখা পাব, ঢাকার মানুষদের দেখা পাব।
আগামীকাল থেকে ঈদের ছুটি শুরু হচ্ছে, এক সপ্তাহের জন্য। গত দুবছর ঢাকায় থাকায় আর কাছের মানুষেরা সবাই ঢাকার বাসিন্দা হওয়ায় ছুটিতে যাবার দিনের বিশেষ আনন্দটা সেভাবে উপলব্ধি করিনি। আজকে অনেকদিন পর বুঝতে পারছি ছুটিতে বাড়ী যাবার কি আনন্দ।
বিস্তারিত»নিজেদের পরিণতি তখন জেনে গেছে ওরা
তবুও সে কী এক আশ্চর্য তাড়নায়
সব্বাই হয়তো সে মূহুর্তে বের করে এনেছিল
মুঠোফোন … হায়! কতগুলো প্রাণকে ছোঁয়া যাবে
এই অভিশপ্ত সময়ে, কতটা মায়া জড়িয়ে
ইথারে ছড়িয়ে কন্ঠস্বর বা যাণ্ত্রিক বার্তায়
বলেছিল ওরা “ভালবাসি, প্রিয়।”
এবার নিশ্চয়ই আপনারা হাফ ছেড়ে বাচলেন, বিরক্তি নামের অভিব্যক্তি আর অবলোকন করতে হবে না। আমি যদি ও সবসময় ই আশাবাদী, কিন্তু বাস্তবতা প্রায়শই আমাদের, বিশেষ করে আমাকে ঐ রাস্তায়ই নিয়ে আসে। এখনকার দিনে যান্ত্রিক পদ্ধতি চালু হওয়ার পরে খুব কমই ” কাধে জোয়াল, মুখে জাল বাধা, গরু জোড়া ” কে দেখা যায়। বাস্তবে দেখা না গেলে ও, আয়না তে দাড়ালে কেন জানি ঐ দৃশ্যটাই ভেসে ওঠে।
বিস্তারিত»কেন জানি না, কিন্তু মনস্থির করেছিলাম যে লিখবোই ।
কিছুদিন যাবত যারা আমার অনেক সময়কে প্রশ্রয় দেন, যাদের অনেক সময় আমি আবোল তাবোল বলে নষ্ট করি, তারাই যখন পড়েন লেখাগুলো, তখন ভাবি জীবনের কোনো একটা অংশের সাথে তাদের কোনো অংশের মিল নিশ্চয়ই আছে । নইলে ঘরে বা রেষ্টুরেন্টে, যেখানেই তারা খান না কেন, বনের মোষ কেন তাড়াবেন? কিছুটা হলেও “হুশ হাশ” যখন করেছেন তখন নিজে থেকে ই ধরে নিয়েছি,
বিস্তারিত»ভেবেছিলাম এই সিরিজের সমাপ্তি হয়ে গেছে। নানা কারনে। নিজেও অনেক “কুল ডাউন” হইছি। মাল মাল আইডিয়া গুলা সব মাথা থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করে দিয়েছি। যা শালা, খাইট্টা খা।
কিন্তুক জিনিসটা আমার প্ল্যান মত হয় নাই। কোন বউয়ের ভাই কবে কি কথা কইছে, আজকে কি কথা কইছে এইটা নিয়া মাথায় আবার হিপোক্রেসীর খাইস্টা পোকাটা কিড়-কিড় কইরা মগজে কামড় দেয়া শুরু করছে।
আরে দূর,
বিস্তারিত»জোটে যদি মোটে একটি পয়সা
খাদ্য কিনো না কিংবা কিনো না ফুল
ভালবাসা কিনে করিও একটি ভুল।
——————————-
যতদূর যাও ততদূর পাশে চলা
রেলের লাইন মেশে না তবু কি থামে
হৃদয়ের কথা একদিন হবে বলা।
——————————-
নীরবে সয়েছি নীরবে সহিয়া যাই
তুমি যা পেরেছ আমি তাহা পারি নাই
রুদ্ধ ঝিনুক দুঃখের মুক্তা বুকে।
ওমেকাতে কোচিং করবার সময় এক বড়ভাই বলেছিলেন বুয়েটে ঢোকো তারপর প্রতিদিনই নাকি ঈদের দিন। বড়ভাই যদি সত্যি কথা বলে থাকেন তাহলে আমার আজকে ১০১৮ তম ঈদের দিন। মাত্র ২ টা লেভেল গেছে। আল্লাহর রহমতে ঈদের দিন যে আরো হাজারটা আছে তা আর বলতে হবে না। কন্টিনিউয়াস ঈদের দিন পালন করতে করতে আমি ক্লান্ত। আমার যত নন-বুয়েটিয়ান বন্ধু আছে সবার মুখে এক কথা “বেটা বুয়েটে পড়িস ভাব এ বাচিস না..আর প্যাচাল পাড়িস না..তোরা বস ব্লা ব্লা ব্লা”।
বিস্তারিত»কাশবনের মধ্যে দৌড়াতে গিয়ে প্রথমে ই কনুই থেকে কব্জী পর্যন্ত সরলরেখার মতো দাগ পড়লো, এর পরেই ঘামের বেয়ে আসা ধারায় হালকা জ্বলুনী। হাসিব কে কিন্তু তারপরেও ধরতে পারলাম না। এখন না পারলে আর পারা সম্ভব ও না। কারন সামনে চরের বালির বিস্তৃতি। ওখানে দৌড়ানো আমার কাজ না। মশা – হাসিব কে আমরা ছোটবেলা থেকে এ নামেই ডাকি, আমাদের নিয়ে এসেছে ওর নানাবাড়ীতে। এসেই প্রথম কাজ,
বিস্তারিত»বিকেলের আড্ডায় আব্দুন নাফি-
বলে মামা তাড়াতাড়ি দেও চার চা-ফি
সাথে থাকে রুম্মান, আমি আর মরা,
ওই তোরা ৩ টা বেনসন ধরা।
জ্বলন্ত বেনসন-এ দিয়ে সুখ টান-
গুন গুন করে মরা ধরে এক গান।
কথা চলে নোয়া আর ভপ্পিকে নিয়ে
তুমি যাও ফিরে যাও দেবী,যাও ফিরে যাও,মন
আমার থেকে;দুঃখ রেখে
নিয়ে যাও সব স্মৃতির ডালা
অশ্রুমালা!
তুমি যাও ফিরে যাও,দেবী-
ফাগুন দিনের ফুলের কাছে,
অতুচ্চ্য সব ভুলের কাছে
দু’হাত পেতে কী লাভ এখন?
যাও,ফিরে যাও মন!