প্রেম যুদ্ধ সুখ-৪

কিশোরী জানে না আমি এক অন্ধ অবোধ বালক
আমার হাতে পতাকা ধরিয়ে একটি লোক
মিছিলে টানে যুদ্ধে টানে!
আমার প্রেমিকা যুদ্ধ বোঝে না,প্রেম চায় শুধু
বিপ্লবে নয়,কাব্যে জানে সে
শিল্পীর মন দ্রবীভূত হয়!
আমি তবু থাকি বড়ো নিশ্চুপ বুকে বিপ্লব
পতাকা নিয়ে,উজ্জ্বল রঙ প্লাকার্ড নিয়ে
মিছিলে দাঁড়াই!
আগুনের লাল মশাল জ্বেলে আধাঁরে দাঁড়াই
তখন বারুদে ঘন অবরোধে নিঃশ্বাস দায়
আমার প্রেমিকা যন্ত্রনা দেয় আরো!

বিস্তারিত»

প্রসঙ্গ টিপাইমুখ বাঁধ: আমাদের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারতের অবস্থাণ এবং সাধারণ মানুষের কর্তব্য……

বিপদটা হলো আমরা সোচ্চার হলাম অনেক দেরীতে……..

ঘটনা ঘটার পরে কথা-বার্তা শুরু করে তো সত্যিকারের কোন লাভ নাই…….ইতিমধ্যে এই বাঁধ নির্মাণ শুরু হয়ে গেছে (ভিত্তিপ্রস্তর করে ফেলেছে মনমোহন সিং)…….আমাদের কর্মকর্তাদের সেখানে গিয়ে চা খেয়ে আসার দাওয়াত-ও দিয়েছে ভারত!!!!

আমাদের কি মনে আছে International Tipaimukh Dam Conference 2005 Dhaka Bangladesh নামে একটা সম্মেলন হয়েছিল ২০০৫-এর ৩০-৩১ ডিসেম্বরে??? এবং যাতে দাওয়াত পেয়েও মেজর হাফিজ যোগ দেননি……..আবার মাল মুহিত,

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১ম পর্ব

আমি (ক্যাডেট জুলফিকার, ক্যাডেট নং ১২৩৪, ওমর ফারুক হাউস রংপুর ক্যাডেট কলেজ) কলেজে আবেদনপত্র বা স্টেটমেন্ট লিখতে গেলে এইভাবেই শুরু করতাম। তাই ভাবলাম এখানে ওভাবেই শুরু করি। যাইহোক হেডিং দেখে বোঝা যায় আমি আমার ক্যাডেট জীবন সম্পর্কে লিখতে চাইছি। কিন্তু ৬ বছরের প্রতিটা দিনের স্মৃতি মনে রাখা আমার পক্ষে সম্ভব না তাই যেগুলো মনে আছে সেগুলো লেখার চেষ্টা করা যেতে পারে।

কলেজে ঢোকার প্রথম দিনের কথা আর সবার মত আমারও মনে আছে।

বিস্তারিত»

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকঃ পর্ব ৪

[দু’টি কথাঃ এই লেখাটি আমি খুব একটা গুছিয়ে বা ভেবেচিন্তে লিখতে শুরু করিনি। দীর্ঘ লেখা এবং সময় নিয়ে লেখার অনভ্যাসে কোনোকিছুতে অনেকদিন একনাগাড়ে মনোযোগ রাখা আমার জন্যে দুরূহ। এখন পর্যন্ত এই লেখার পর্বগুলো লেখার পেছনে আপনাদের সকলের উৎসাহই সব! আমি কেবল লিখছি, আসল গল্প আপনারাই, আসল উৎস! আপনাদের অশেষ ধন্যবাদ!]

পূর্ব প্রকাশের পর…

নিয়ন্তি,

আপনার “ইন্নালিল্লাহ” পড়ে তো আমারো হাসি পাইলো!

বিস্তারিত»

বাবাকে..

খুব ছোটোবেলায় আবছা আবছা ধোঁয়ায়
মনে পড়ে বলেছিলে-”শুনিস নি তুই
বলো বীর, চির উন্নত মম শির?
তবে খাঁড়া হয়ে দাঁড়া, বীরের মত।”
হইতোবা বুঝি নি তখন, হইতোবা বুঝেছি,
জানি না কোন মন্ত্রে অন্তর হয়েছিল দগ্ধ,
মনে পরে সেই তন্ত্রে হৃদয় হয়েছিল মুগ্ধ,
তারপর মনে মনে গড়েছিলাম এক সঙ্কল্প,
নোয়াব না মাথা, সইবো সব ব্যথা,
শত দুঃখেও জাগ্রত রবে এই কথা।

বিস্তারিত»

বুকের মধ্যে অনেক ফাটল

রাত বাড়তেই ক্রমশ আমি মানুষ হয়ে উঠি
লোভ-কাম-ক্রোধ-পাপচিন্তা বাড়িয়ে হাতের মুঠি
সব টেনে নেই বুকে
বুকের ভেতর লক্ষ ফাটল,তার কোনটায় ঢুকে
নষ্ট মাথার চিন্তাগুলি,খায় খুটে খায় মড়ার খুলি
সেই মৃত কি আমি?
আয়নাতে মুখ দেখতে গিয়েও থামি
ভরসন্ধ্যায় শ্মশানঘাটে বসে
এসব যত চিন্তা ভেবে ঘামি!

সুজাতাকে প্রেমের কথা বলে
নিয়ে গেছি বৈতরণী নদীর কাছে-হাত দিয়ে সেই জলে
পালিয়ে গেলাম মানুষ ছেড়ে অচেনা জঙ্গলে
সুজাতা কি একা সেদিন ফিরতে পেরেছিল?

বিস্তারিত»

একটি বৈজ্ঞানিক কবিতা

এখন চুলের সামনের দিকে অনেক খানি পেকে গেছে। তিন বছর আগে চুল পাকেনি। মাঝে মাঝে অনেক ভালবাসায় পুরনো লেখায় চোখ বুলাই। তিন বছর আগে মনেও জোয়ার ছিল। এক সময় মনে হত জীবন শুধুমাত্র খন্ডকালীন সময় ছাড়া কিছু নয়, যার দুটো মাত্রা আছে। দৈর্ঘ্য আর গভীরতা। –

দুই মাত্রায় ‘সময়’ শুয়ে আছে
‘দৈর্ঘ্য’ টুকু জীবন নিল
‘গভীরতা’ রইল পরে
তোমার চোখের কাছে।

বিস্তারিত»

সপ্তম শ্রেণীর সাতকাহন

…প্রথমেই কিছু কথা বলে রাখি।এটা অনেকটা DISCLAIMER টাইপ ভেবে নিতে পারেন।
আমি কোন কালেই ভাল লেখক ছিলাম না।বক্তা হিসেবে আমার স্বমুল্যায়ন– কোন জায়গা থেকে লোক সরানোর জন্য,বা আনন্দময় পরিবেশে বেদনা আনয়নের জন্য বন্ধুমহলে আমি বিশেষ পারদর্শিতা দেখাতে সক্ষম।আর নিজেকে আমি ধৈর্যশীল শ্রোতাই মনে করি। কেননা, কারো মারণাস্ত্র জাতীয় সুবচন(পচানি) শুনেও আমি ‘৩৪ দন্ত !’ বিকশিত করতে পারি।তো,আমার বিশিষ্ট সুলেখক বন্ধুদের লেখা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে ভাবলাম……জীবনের একটা গুরুত্তপুর্ণ অংশ লেখায় পরিণত করাটা মন্দ হবে না।এতে sharing ও হবে,time pass ও হবে,আবার বাংলা টাইপিং প্র্যাক্টিসও হবে(এক ঢিলে ‘দুই বা ততোধিক’

বিস্তারিত»

খেরোখাতা – আমি আর আমার একলা আমি

ব্যস্ততার হাড়িটা দূরে সরিয়ে আজ বরং কিছু লিখি।

এরকম আগেও হত, বিশেষ করে যখন একা থাকতাম, সি এম এইচে বা কলেজের হাসপাতালে। আমার যখন চিকেন পক্সের গুটি বের হচ্ছে হচ্ছে অবস্থা, মাহমুদের তখন গুটি প্রায় শুকিয়ে গেছে, ছাড়া পাবে দুদিন পরেই। সি এম এইচের আইসোলেটেড ওয়ার্ডের ভয়ংকর সময়ের কথা ভেবেই কিনা, ও ওর কবিতা লেখার খাতাটা আমাকে দিয়ে দিল, অথবা আমিই জোর করে নিয়ে নিলাম,

বিস্তারিত»

ষোলো

অবসাদে নুয়ে পড়া বিষন্ন জীবন ,
একঘেয়ে ক্লান্তিতে অবিশ্রান্ত ছুটে চলা ,
পিঠে চাপিয়ে শত কোটি বোঝা ,
কোনো চতুস্পদ জন্তু যেন !
ষোলো কোটি মানুষের ষোলো কোটি রূপ ,
ষোলো আনা ভর্তি আত্মকেন্দ্রিকতা ,
কেউ কি আমি নেই, অন্তত এক জন ?

বিস্তারিত»

‘ফজা ফ্যাক্টরি’র সেই সোনালী দিনগুলি

সাইফুদ্দাহার শহীদ – ব্যাচ ৬

চার দিন পার হবার আগেই আমি মনস্থির করে ফেললাম যে এখানে আর আমি থাকতে পারবোনা। প্রতি রবিবার সন্ধ্যায় আমাদেরকে এক ঘন্টা সময় দেওয়া হতো চিঠি লেখার জন্যে। আমি আমার আব্বার কাছে সংক্ষিপ্ত একটা চিঠি লিখলাম – “আমাকে এসে নিয়ে যান, আমি আর এই জেলখানায় থাকতে পারবো না।”

আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিলো যে আমার চিঠি পেয়ে তখনি আমার আব্বা এসে আমাকে নিয়ে যাবেন।

বিস্তারিত»

বন্ধু তোমায় সালাম

৪ জানুয়ারী, ২০০৪ তারিখে রয়েল মিলিটারী একাডেমি, স্যান্ডহার্টস এ যোগদানের পর দুইটা সমস্যা আমাকে খুব বেশি কষ্ট দিয়েছে। একটি হল ঠান্ডা আর অপরটি ভাষা। যোগদানের প্রথম ২-৩ দিন সত্যিকার অর্থেই আমি কারো কোন কথাই বুঝতে পারিনি। আমার প্লাটুনের অন্যদের দেখাদেখি সব কাজ করে গিয়েছি না বুঝেই। প্রথম কয়েকদিনের কার্যক্রমের একটা বিরাট অংশ ছিল ইউনিফর্ম, বুট, অন্যান্য পোষাক, বার্গেইন, অন্যান্য সামগ্রী ও সরঞ্জামাদি ইস্যু করা। বিদেশি ক্যাডেট হিসাবে আমার জন্য ছিল অতিরিক্ত কিছু আইটেম যা অন্যদের ছিল না।

বিস্তারিত»

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকঃ পর্ব ৩

পূর্ব প্রকাশের পর…

ওয়াও রাইন! আপনার বর্ণনা এত্তো ভিভিড। আমি মনে হলো দেখলাম আমার সামনে, আপনাকে, মেয়েটাকে… বৃষ্টি!
কী সুন্দর সব।

অনেক আগে আমি একটা গল্প লেখা শুরু করেছিলাম। ঐখানে বৃষ্টিতে একজনের সাথে প্রথম দেখা হওয়ার বর্ণনা ছিলো। আপনার কথা শুনে মনে পড়ে গেলো। ঐটাও ছাতা বিষয়ক… দেখি মনে হয় পুরানো ডায়েরিতে আছে এখনও, আজকে বাসায় যাওয়ার পরে পাঠাবো আপনাকে।

বিস্তারিত»

শেষ ভোরে ভালোবাসা

কতশত বার ভালোবেসে তোমায় কিছু দেব বলে ভেবেছি,
নির্জন অরণ্য অথবা কোলাহলময় ব্যস্ততা,
নিদেনপক্ষে সমুদ্রের ঢেউ বা বিস্তৃত কালবেলা,
সেসব তোমার ভালো লাগে নি ।
আমার দেয়া সোনা রোদ আর লু হাওয়া,
পুড়িয়ে দিয়েছে তোমার সুখভেলা ।
আর তাই আজ শেষ ভোরে, দিচ্ছি তোমাই একটি ছোট্র তারা,
আমার মৃত্যুর পর ‌জ্বলে ওঠা ছোট্ট তারা।।

বিস্তারিত»

খুশকি – ৭

প্রিন্সিপাল এসেম্বলী!! (সিসিবি ভার্সন) পর্ব ৩ এর উদ্ধৃতাংশঃ

ব্লগে ‘৯২ এর ভাইদের আনাগোনা অন্যন্য অনেক ব্যাচের চেয়ে তুলনামূলক বেশি। বেশ কয়েকজন আছেন মোটামুটি চেষ্টা করেন রেগুলার থাকার জন্য। প্রথমেই আসলেন রহমান ভাই। পিকনিকে অল্পের জন্য আসতে না পারার যন্ত্রণা কিছুটা হলেও ভোলার জন্য এবার আগে থেকেই সব ম্যানেজ করে রেখেছিলেন। ব্যাপক মাঞ্জা মেরে, চুল ব্যাক ব্রাশ করে এসেছেন!
-রহমান ভাই,

বিস্তারিত»