ভাল্লাগে না

“ভাল্লাগে না”

একদা একটা পোলা ছিল ভাল্লাগত না তার কিছু
জাইগা জাইগা স্বপ্ন দেখা ছাড়ত না তার পিছু
ক্লাসের এক কোণায় বসে সে আর তাহার কল্পনা
সারাদিন খালি-ই ঝাড়ি-ই খাইত, পাত্তা-ও খুব একটা পাইত না।
পড়াশুনা তো একদম-ই নাই; রেজাল্ট হইত সেইরকম
ক্লাসটেস্ট,কুইজ তো বাদ-ই দিলাম attendance-ও কম কম।
রেজাল্ট যদি হয় সেইরকম, বাসায় কি আর শান্তি মেলে
ঘরেও তাহার একই অবস্থা বাইরে যেমন চলে।

বিস্তারিত»

শিরোনামহীন

ব্লগ লেখার অভ্যাস আমার একেবারেই নেই। লিখতে আমি পারিও না। সব ব্লগারদের লেখা মুগ্ধ হয়ে পড়ি আর মন খারাপ করি যে আমি ওদের মত যদি লিখতে পারতাম।

মাঝে মাঝে লিখতে ইচ্ছা করলেও সাহস পাইনি। আমার লেখার যে অবস্থা। কাচ্চি বিরিয়ানিতে সালাদের পানির মত, সিসিবির বাঘা বাঘা ব্লগারদের মধ্যে একেবারেই বেমানান।

কাল রাত থেকে অনেকবার ব্লগে ঢুকে দেখেছি যে কেউ খবরটা দিল কি না।

বিস্তারিত»

আরেকটি শোক সংবাদ

সিসিবি’তে ঢুকে ফারজানার খবর টা পেয়ে প্রচন্ড মন খারাপ হলো। জানিনা একই দিনে কেন এত খারাপ খবর দিতে হচ্ছে।
এই মাত্র আমি সিলেট ক্যাডেট কলেজ থেকে ফিরলাম। ওখানে যাবার উদ্দেশ্য ছিল কলেজের এ্যাডজুটেন্ট (মেজর রুসলান, ককক ৯০-৯৬) এর সাথে কিছু সময় পার করা। ওখানে যাবার পরে গিয়ে দেখলাম এ্যাডজুটেন্ট খুব ব্যস্ত। জানলাম কিছুক্ষণ আগে কলেজ মসজিদের ইমাম সাহেব ইন্তেকাল করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৫ বৎসর।

বিস্তারিত»

শোক সংবাদ : ফারজানা আর নেই

একটি শোক সংবাদ।
আমাদের একজন ক্যাডেট, ক্যাডেট ফারজানার আজ জীবনাবসান হয়েছে (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। ক্যাডেট কলেজ ব্লগের অনেকেই ওর অবস্থা সম্পর্কে অবহিত ছিলেন। ওর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সিসিবিতে একটি পোস্ট দেয়া হয়েছিলো, তাতেই সবাই নিশ্চয়ই জানতেন যে ফারজানা বেশকিছুদিন ধরেই বেশ অসুস্থ ছিলো।

সবার প্রতি অনুরোধ, আপনারা ফারজানার বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া করবেন।

বিস্তারিত»

প্যারিসের আগে: সুইজারল্যান্ড পর্ব

সুইজারল্যান্ড দেশটা একটু অদ্ভুত। জুরিখে নামলে সব জায়গায় দেখা যায় জার্মান ভাষা। মানুষ বলেও এই ভাষায়, দোকানে সাইনবোর্ডেও এই ভাষা। দক্ষিনে দাভোসের দিকে গেলে মানুষ বলে ইতালীর ভাষায়। আর যদি উল্টো দিকে জেনেভায় আসি সবাই বলে ফরাসী ভাষায়, দোকানের সাইনবোর্ড বা রাস্তার সাইনও তাই। কেউ যদি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে চান তাহলে চলে যান জুরিখ কিংবা আরও দক্ষিণে। সে তুলনায় জেনেভা অনেক নিরস। অনেকটা ওয়াশিংটনের মতো।

বিস্তারিত»

হিমালয়ের দেশে : নেপাল ফটোব্লগ ০১

এক আতকা নেপাল ভ্রমন করে কালকে ফিরে আসলাম দেশে। ভ্রমন ব্লগ লেখার আগে কিছু ছবি শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারতেছি না। সবার আগে তো সিসিবি তেই শেয়ার করতে হবে নাহলে কেমনে কি?

বিস্তারিত»

আমার দেখা স্বর্গপুরি – ২

আমার দেখা স্বর্গপুরি – ১

খুব ভোরে প্যারিসে পৌঁছালাম। সকাল ৮ টা। ইন্টারন্যাশনাল বাস টার্মিনালের অপেক্ষাগারে ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত হয়ে বসে বসে ঠিক করে নিচ্ছি আজকের দিনের পরিকল্পনা। কোথায় আস্তানা গাড়বো সেটা নিয়ে আলোচনা চলছে আর এর মাঝেই এক আগন্তুকের আবির্ভাব। আগন্তুক আমাদেরকে তার বাসায় পেইং গেষ্ট হিসাবে থাকার প্রস্তাব করলো। প্রতিদিন ২০ ইউরো দিতে হবে বিনিময়ে থাকা এবং খাওয়া। ফ্রড হতে পারে এইকথা মাথায় থাকার পরও কেমন করে যেন আমরা রাজি হয়ে গেলাম।

বিস্তারিত»

যে সীমান্তে শুধুই বসন্ত ! (২)

যে সীমান্তে শুধুই বসন্ত ! (১)
………………………………………………………………………………………………
১ বছর পর আকাশ আর নীলিমা কক্সবাজারের বালুকা বেলায় ~
সময় ডিসেম্বরের মাঝামাঝি …

……………………………………………………………………………………………।

    সিকোয়েন্স- ১। কথার পিঠে কথা ।

দৃশ্যপটঃ ১
ওপেনিং শট – সাগর আর আকাশ ঘুরে দুটো গাঙচিলের উড়ে চলা দেখিয়ে ফেড আউট।
জুম ইন-সাগর পাড়ের একটি কটেজ।
সেটঃ ইন্টেরিয়র-আকাশ-নীলিমা’র কটেজ।

বিস্তারিত»

আমার আপুসোনা – ৬

এটা আমার কাল্পনিক সিরিজ।
আমার আপুসোনা – ৫
মোবাইলের এসএমএসটা পড়ার সাথে সাথে আমার মধ্যে প্রথমেই যে অনুভূতি আসল সেটা হল অভিমান। তীব্র অভিমানে গাল ফুলিয়ে বসে থাকতে ইচ্ছা হল। তীব্র ভাইব্রেশনে মোবাইল যখন একটি এসএমএস এর আগমনবার্তা জানাল প্রবল ভাল লাগায় সাথে সাথে মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি আমার আপুসোনার এসএমএস। একরাশ আনন্দ চোখেমুখে নিয়ে যখন এসএমএস পড়ছি তখন আস্তে আস্তে সেই জায়গায় অভিমান চলে আসল।

বিস্তারিত»

মনমরণের ইতিবৃত্ত

মন মরে যাবার প্রক্রিয়ার সাথে আমি তেমন পরিচিত ছিলাম না।
বিজ্ঞপ্তি ও বিবৃতিতে মানুষের বিদেহী আত্মার কথা শুনেছি কেবল
জেনেছি, কেউ কেউ মরে গেলে দেহ বিয়োজন ঘটে,
আর কোনো কোনো লাশের খবর থাকে না।
ঈর্ষা করেছি যারা আত্মা হয়ে গেছেন, চল্লিশ দিন
ঘুরে বেড়িয়েছেন ভরহীন অশরীরে।

দুঃখ-শোক-সন্তাপ-বিদুরিত-প্রাণে-অপ্রাণে
আর অনেক অনেক বছর পরে, বিদেহীদের পরিচয়
আমার কাছে আটপৌরে হয়ে গেলে,

বিস্তারিত»

লাল সবুজের দেশে

মফস্বলের একটি প্রাইমারি স্কুল। সামনের বিশাল সবুজ মাঠটায় শিশুদের একত্রিত করা হয়েছে একটা দায়িত্ব দেয়ার জন্য। দায়িত্বটা খুব সাধারণ। জাতীয় পতাকাটা ধুয়ে ইস্ত্রি করে আনতে হবে। কারণ পরশু বিজয় দিবস। উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সামনে সেটার উত্তোলন হবে। সে উপলক্ষ্যে স্কুল ধোয়া-মোছার জন্য আগামীকাল ছুটি। বাচ্চাদের জোরালো করতালী তাই হেডমাস্টারের পুরো বক্তব্যকে আরো অর্থবহ করে তোলে।

এদের মধ্যে পদ্ম ও শাপলা যমজ ভাইবোন। দু’জন একই ক্লাসে পড়ে।

বিস্তারিত»

একজন অখ্যাত মুক্তিযোদ্ধার গল্প

চারু মিয়া সর্দারের তিন মেয়ে, দুই ছেলে। বড় ছেলে মোঃ সুলতান মিয়া সর্দার আর ছোট ছেলে মোঃ সিদ্দিকুর রহমান। ছোট ছেলের নামের শেষে ‘সর্দার’ না রাখার কারন পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সর্দারীটা যেন বড় ছেলে পায়। শুধু তাই নয়, বড় ছেলের জন্য সব ভাল ভাল খাবার, জামা কাপড়, আর অন্যান্য যত্নের যেন কোন ত্রুটি না হয় সে বিষয়ে স্ত্রীকে সবসময় মনে করিয়ে দেন। বড় ছেলেকে তো সর্দার বানাতে হবে।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা এবং কিছু ভাবনা

মাঝে মাঝেই ভাবি, সেইসব মানুষগুলির কথা যারা নিজের স্বার্থ উপেক্ষা করে কোন কিছু না ভেবেই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কোন কিছু চিন্তা না করেই…জীবনের নিশ্চয়তা নেই জেনেও। কত্ত সাহসী ওরা…কত্ত নিঃস্বার্থ ওরা…কত্ত নির্লোভ ওরা। ওরা তো আমাদেরকে শিখিয়ে গেছে দেশকে কিভাবে ভালোবাসতে হয়…। ঠিক যেমন আল্লাহ-তা’লা মানুষের হেদায়েতের জন্য যেভাবে নবী রাসুলদের পাঠিয়েছিলেন, ঠিক সেভাবেই যেন দেশকে কিভাবে ভালোবাসতে হয় তা শেখানোর জন্যই হয়তো আল্লাহ এই মানুষগুলোকে পাঠিয়েছিলেন আমাদের মাঝে।

বিস্তারিত»

বিজয়ের দিনে আমাদের প্রজন্মকে

আজ বাংলাদেশের ৩৯ তম বিজয় দিবস। বিজয়ের দিনে নানা মানুষের নানা রকমের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন দেখলাম, যার সর্বাগ্রে আছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি। যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি অনেক জটিল একটি বিষয়, যা হুট করে করা সম্ভব নয়, এর জন্যে আন্তর্জাতিক আদালতের কাছ থেকেও অনেক আইনি সাহায্য ও বিপুল তথ্যপ্রমাণের প্রয়োজন, যা সঠিকভাবে প্রয়োগ করার মতো যথেষ্ট প্রজ্ঞা বাংলাদেশের আছে। আমাদের প্রবল ইচ্ছা এবং সামর্থ্যের সহযোগে এ দেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার হবে,

বিস্তারিত»

বিজয় দিবস উদযাপন

বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি। ব্লগের সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আমাদের সাথে যোগ দেয়ার জন্য।

১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় – গানের মিছিল (স্বাধীন বাংলা বেতারের গান )
ডাকসু ক্যাফেটেরিয়ার সামনে থেকে শুরু হয়ে টি এস সি – শহীদ মিনার হয়ে ভিসির বাসার সামনে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি স্তম্ভে গিয়ে শেষ হবে।
এসময় কারো হাতে থাকবে প্রজ্জলিত মোমবাতি, কারো হাতে বাশি,

বিস্তারিত»