ভালবাসা মানে

ভালবাসা মানে
উঠতি কবির ভুলে ভরা কবিতা
ভালবাসা মানে
শীতের সকালে এক পশলা বৃষ্টি
ভালবাসা মানে
লাশের গায়ে ডুমো মাছির দল
ভালবাসা মানে
গ্রীষ্মের তাপদাহে চৌচির ধানের ক্ষেত

বিস্তারিত»

আবার এসেছি ফিরে

ঠিক ছয় মাস পর সিসিবিতে লিখছি । হয়তো এতদিনে ভুলেই গেছি কিভাবে লিখতে হয় । অন্য সবার মতো আমারো নতুন একটি পৃথিবী তৈরী হয়েছে । একটা সময় ছিল যখন অনেক বেশি ভাবতাম কিন্তু এখন সবসময় শুধু আদেশ পালন করে যাচ্ছি । নিজের খেয়াল খুশিকে বিসর্জন দিয়ে ১৫ জুলাই ২০০৯ যখন বিএমএ গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকলাম তখনও জানতাম না কি হতে যাচ্ছে । বিকাল সাড়ে চারটা থেকে ঝুম বৃষ্টি আর কাঁদার মাঝে যে পাঙ্গা শুরু হয়েছিল সেটা শেষ হয়েছিল ভোর হওয়ার খানিকটা আগে ।

বিস্তারিত»

শরৎবাবু, এ চিঠি পাবে কিনা জানি না … … [উত্তর মিলিয়ে নিন: Bold করে দেয়া আছে]

প্রিন্সিপার ইন্সপেকশনে স্টোর রুমের কদর খুব বেড়ে যেত … … কারণ … (… … থাক, নাইবা বললাম … …) তো একবার রুমের সকল “নিষিদ্ধ দ্রব্যাদি” একটা ভাঙা বালতিতে ভরে স্টোর রুমে রেখে আসলাম । যথারীতি ইন্সপেকশন শেষ … … আর ইন্সপেকশন যেখানে শেষ, আমার আজকের গল্প সেখানেই শুরু … … …

ইন্সপেকশন শেষ হবার পর ঐ বালতিটি রুমে নিয়ে আসলাম, কিন্তু বালতির ভিতরে পেলাম আরও দুটো জিনিস …

বিস্তারিত»

এ ট্রিপ টু রিমেমবার – ৩

গতকাল বিকেলে টুম্পা ফোন দিয়ে বলল সিরিজের বাকিটা লিখতে হবে, বুঝলাম এইবার আর পা ডুবানো না, পুরা চুবানি খাওয়ার পাল্লায় পরতেছি :-/ …তানভীর আর টুম্পার জোস দুইটা পর্বের পর আমারটা পানশে লাগবেই কারন আমারটা পুরাপুরি ডায়রী থেকে কপি-পেষ্ট…তাও দিলাম…………
” মজা পাইলে মজা, নাইলে সো যা”…………
টুম্পা শেষ করছে ১৬ তারিখ ফিউয়া লেকে নৌকা ভ্রমন দিয়ে…।আমি পরের দিন দিয়ে শুরু করলাম…

১৭/১২/০৯;

বিস্তারিত»

বাড়াবাড়ি…!!!

(সিসিবির সবার প্রতি এই কঠিন লেখা দেবার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখলাম… এই ব্লগের সবাই একজনের জন্মদিন নিয়ে বিশেষ বাড়াবাড়ি শুরু করেছে…। ব্যাপারটা মোটেও পছন্দ হয়নি বলেই আমার এই স্পেশাল লেখা।)

বাড়াবাড়ি আমি কখনও পছন্দ করি না…। :no:
সে কারণেই আমি কাউকে বেশী ভাল বাসি নি পর্যন্ত…!! :thumbdown:
অন্যের জোরাজুরিতে এই ব্লগে এসেছিলাম…।
তারপর দেখলাম… সবাই কোন কারণ ছাড়াই একজনকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়…যার অত গুরুত্ব পাওয়ার কোন কারণই নেই…!!!!

বিস্তারিত»

টেবিলিক

ভাঁজ করা কাগজের ভেতরে একটা বিয়ের নেমন্তন্ন লুকিয়ে আছে, চারভাঁজি কাগজে ভাঁজে ভাঁজে বর, কনে, ও তাদের পিতামাতাগণ গা মিশিয়ে শুয়ে আছেন চিড়েচ্যাপ্টা। তাদের পাশেই, কাগজের গায়ে জমছে ধুলো, গত বছরের নেমন্তন্নের চিঠিটা ফেলা হয়নি! একটু দূরে রঙহীন তরল বিষ নিয়ে অ্যারোসলের ধাতবে ঢুকে যাচ্ছি আমি। বিন্দু বিন্দু বিষ, বাতাসে! ঝুম ঝুম ঝুমকার মত ঝুলছে, বাজছে। মুখোমুখি পড়ে আছে রুপালি ঘড়ির শরীর, জড়াজড়ি করছে তার সাথে আমার চাবির গোছা।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধ ভাবনা

(আমি প্রথমেই বলে নিতে চাই,যারা ভাবেন দেশটা যেমন চলছে চলুক আমি ভালো থাকলেই ভাল লেখাটা তাদের জন্য না।)

আমাদের একসময় নাম ছিল ভেতো বাঙালি।অনেক রক্ত আর অনেক প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই কটাক্ষের উপযুক্ত জবাব আমরা দিয়েছিলাম পাকিস্তানী জেনারেলদের।তারা বুঝেছিল এই ভেতো বাঙালির তেজ।আমাদের দেশের অনেকে এই কথা শুনে বলবেন আরে ওতো তিরিশ বছর আগের কথা আল্লাহর কসম তাদের মুখে আমি স্যান্ডেলের বাড়ি মারি।আমার জন্ম ১৯৮৮,আমি যুদ্ধ দেখিনি গল্প শুনেছি।আমার বাবার কাছ থেকে।আর অনেক বই পড়ে।

বিস্তারিত»

আমরা জেগে উঠি

আমি সকালে কি খেয়েছি আমার মনে নেই।কারন আমি জানি দুপুর এমনকি রাতেও আমার জন্য বাসায় খাবার তৈরী থাকবে।আমার নিজের এমন অনেকদিন হয়েছে বার্গার অর্ধেক খেয়ে উঠে পড়েছি।আমরা হর হামেশাই এরকম করে থাকি।আমার বন্ধু.সিনিয়র,জুনিয়র যারা আছনে,তাদের বলছি আমরা কি কখনো এমন ভয়ে থেকেছি এখন তো খেলাম আবার কখন খাবো?
অনেকের কাছে অত্যন্ত হাস্যকর প্রশ্ন।আমি বিধাতাকে সবসময় ধন্যবাদ দিই এই কারেন যে আমার ক্ষুধায় তিনি খাবার দিচ্ছেন।কিন্তু আমাদের এই চেনা পৃথিবীর বুকে অনেক মানুষ আছে যাদের অনেকেই ভুলে গেছে খাবারের স্বাদ কেমন হয়

আমরা কত ভাগ্যবান আমরা পৃথিবীর এমন একটা অংশে জন্মগ্রহণ করেছি,যারা জানিনা ক্ষুধার কষ্ট কেমন হয়।আমরা জানিনা নিজের চোখের সামনে ক্ষুধা,তৃষায় নিজের সন্তান তিলে তিলে শেষ হয়ে গেলে এক পিতার এক মায়ের বুকে কি রকম হাহাকার ওঠে।কিন্তু আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীর বুকেই অনেক মায়ের কোলে ক্ষুধায প্রাণ হারাচ্ছে তারই নাড়ী ছেড়া ধন।

বিস্তারিত»

যে সীমান্তে শুধুই বসন্ত ! (৩)

গেল বছরে আজকের দিনে একটি খোলা চিঠি
…………………………………………………………

আমার নীলিমা,

অনেক দিন তোমায় চিঠি লিখিনা।
মোবাইল – এস এম এস -ইয়াহু ম্যাসেঞ্জারের দাপটে আজকাল আমাদের কথাবার্তা গুলোও বড্ড ডিজিটাল হয়ে উঠেছে।

গুছিয়ে ফরম্যাল চিঠি লেখা আমার কম্ম নয়। তোমায় কিছু লিখতে গেলে সব কিছু কেমন এলোমেলো হয়ে যায়।
খেই হারিয়ে ফেলি আমি। অনুভূতির লজিকেরা খুব বিব্রত দৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে থাকে।

বিস্তারিত»

আবারও পেরেক

পেরেক এর আরেক ঘটনা বলি . এটাও আমি ক্লাস টুএলভ এ থাকার সময়কার ঘটনা . তখন কলেজ এ নতুন ক্লাস সেভেন এসেছে , মনে হয় ১০ – ১৫ দিন হবে. প্রতিদিন সেকেন্ড প্রেপ এর পর হাউস রাউন্ড দেয়া ছিল আমার একটা রেগুলার রুটিন. ( কারণ জুনিয়র পান্গাতে আমার সেই রকম ভালো লাগত ) .
যাই হোক ঘটনায় আসি, এই যে নতুন ক্লাস সেভেন তা এসেছে,

বিস্তারিত»

এ ট্রিপ টু রিমেমবার-২

[নবাবের মত অফিসে এসে আরাম করে মাত্র ল্যাপটপ খুলছি, দেখি মেসেঞ্জারে তানভীরের নক, ব্লগ লিখে ফেলছে,একটু পরেই পাবলিশ করবে। ড্রাফট কপি পড়তে বসলাম…ওমা,একি!এত ছোট কেন??শুরু না হতেই শেষ! তানভীর আস্বস্ত করল,এটার সিরিজ হবে। আমার মাথায় তৎক্ষণাৎ হাজার ওয়াটের বাত্তি জ্বলে উঠল আর বুদ্ধি দিয়ে বসলাম,তাইলে রিলে সিরিজ কর! বলেই বুঝলাম, মামা!গলদ জওয়াব!! আমি তো খাল কাইটা কুমির আনিনাই, পুরা কুমিরের খালে পা ডুবায়ে দিছি!

বিস্তারিত»

ওয়াচ ম্যান

আমি যখন ক্লাস টুয়েলভ এ তখনকার কথা . আমার হাউস মাস্টার ছিলেন “পেরেক” . এটা যে তাঁর নিক নেম তা নিশ্চই বুঝতে পারছেন . আমি হাউস প্রিফেক্ট ছিলাম বলে আমার সাথে স্যার এর রিলেশনটা একটু ভালো থাকা টাই স্বাভাবিক ছিল . কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তিনি আমাকে অত্যধিক পছন্দ ও বিশ্বাস করতেন . সেটার মাত্রা যে কেমন ছিল এই ঘটনা টা পরলেই পরিষ্কার হযে যাবে.

হাউস মাস্টার স্যার আবার ভিপি স্যার এর খুব ই ক্লোজ লোক ছিলেন .

বিস্তারিত»

এ ট্রিপ টু রিমেমবার-১

[উৎসর্গ দিহানকে, অনেক দূরে থেকেও যে আমাদের সবার খুব কাছের মানুষ।]

প্রথমে ভেবেছিলাম ভারতের শিলং-দার্জিলিং যাব, কিন্তু ভিসা নিতে গেলে অনেক জটিলতা, অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তারপরও ভিসার কাগজ জমা দিতে পারার নিশ্চয়তা পাওনা যায় না। তাই সবাই মিলে সিদ্বান্ত নিয়ে ফেললাম- উড়াল পথে নেপাল গিয়েই ঘুরে আসি, কি আছে জীবনে! আমি, আরমান (এমসিসি), জহুরুল (এমসিসি)-টুম্পা, রবিন (সিসিসি) আর ইমরান (সিসিআর)- এই ৬ জন রাজী ঘুরে আসতে।

বিস্তারিত»

আমার প্রেমিকারা-৪

কেউ-ই আজকাল আর আমাকে দেখেশুনে রাখছেনা,তাই খুব দুষ্টু হয়ে যাচ্ছি।আচার-আচরণে,স্বভাবে কিংবা প্রেমিকার অভাবে চরিত্রের ধরন হয়ে যাচ্ছে সরকারি দলের ছাত্র-সংগঠনের মত।মানে মুরগির বাচ্চার চোখ না ফুটতেই ডিম পাড়ার ভাব। আমার এই অস্থিরতা দেখে কাছের এক বড় ভাই যিনি আবার এক বহুজাতিক কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা,ডেকে বললেন-

‘শোন গাধা, ভাত ছিটানো যার স্বভাব, হয়না তার কাকের অভাব’।

আমি বললাম-গুরু, কিছুই তো বুঝলামনা। আবার আমায় সহজ করে বুঝিয়ে দিয়ে বললেন-‘টাকা খরচ কর,

বিস্তারিত»