ক্রিকেট সম্পর্কিত আমার একটি ব্যক্তিগত ঘোষণা

(সতর্কীকরণঃ এ লেখাটি তীব্র ক্ষোভের মাথায় লেখা এবং এ কারণে এতে অসংলগ্নতা রয়েছে এবং বাক্যবিন্যাসে ধারাবাহিকতার অভাব রয়েছে।সহৃদয় পাঠক নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন)

স্বল্প পুঁজি নিয়ে,প্রতিপক্ষের উইকেট ফেলতে ব্যর্থ হয়ে এবং প্রতিপক্ষের সেরা ব্যাটসম্যানেরা ক্রীজে থাকার পরেও কিভাবে নিখুঁত লাইনে বোলিং এবং প্রাণান্তকর ফিল্ডিং দিয়ে ম্যাচ জিততে হয় তা আজ দেখালো সাউথ আফ্রিকা।২০ ওভারে সাউথ আফ্রিকার সংগ্রহ ছিল ১২৮,বাংলাদেশের চাইতেও ৯ কম এবং আগে ব্যাট করে এ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপের সর্বনিম্ন।এই পুঁজি নিয়েই সাউথ আফ্রিকা এমন লড়াই করল যার কোন তুলনা নেই।শেষ ওভারে ক্রীজে ছিলেন জেকব ওরাম আর স্কট স্টাইরিসের মত মারকুটে ব্যাটসম্যান যারা টি২০ তে যে কোন প্রতিপক্ষের জন্য আতঙ্ক-এর পরেও সাউথ আফ্রিকার বোলার আর ফিল্ডাররা যেন পণ করেছিলেন যে একটি রানও হাত গলে বের হতে দেবেননা।১৯ বছর বয়েসি নতুন এক সাউথ আফ্রিকান বোলার পারনেল ১৮ ও ২০ তম ওভারে যে বল করল তা আমাদের মাশরাফির(অভিজ্ঞ??!!) সকাল বিকাল দুই বেলা আসন গেড়ে বসে দেখা উচিৎ।

বিস্তারিত»

ফিটাসের কান্না

ফিটাসের কান্না – অর্থহীনের অসমাপ্ত এলবামের একটা গান। ভাগ্যক্রমে এই গানের গীতিকারের সাথে আমার বেশ ভালো পরিচয় আছে। আমার চেয়ে বছর চার/পাঁচের বড় হবেন। প্রথম বাবা হতে যাচ্ছিলেন, সেই আবেগ থেকেই গানটা লিখেছিলেন। অর্থহীনের সুমনের সাথে পরিচয় থাকার সুবাদে সেই গানটার সুর করে সুমন, গায়ও সে। গানটার মূল উপজীব্য হলো ভ্রূণ হত্যা। আমাদের দেশে এটা খুব বেশি নেই, সুযোগ নেই বলেই হয়তো। কিন্তু নর্থ আমেরিকায় এটা একটা বড় ইস্যু।

বিস্তারিত»

ভালোবাসার বন্ধুত্ব- ১২

ভালোবাসার বন্ধুত্ব- [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮] [৯] [১০] [১১]

(সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি এই পর্বটা দিতে এতো দেরি হবার জন্য। এই ক্ষেত্রে আমি একজন বিখ্যাত মনীষীর একটি উক্তি বলতে চাই, লেখা নাকি সেক্সের মতো, জোর করে হয় না।

বিস্তারিত»

৯৯৯ নম্বরটা ইজারা নিছি………..সাবধান

:chup: :chup: :chup:

সাবধান, সাবধান, সাবধান!!! আগে থেকে ইট ফেলে রাখলাম। ৯৯৯ নম্বর সদস্যের পোস্টটা আমার জন্য ইজারা নিয়ে রাখলাম আরকি। ওইডা আর বেশি দূরে নাই। আমি না লেখা পর্যন্ত সবাই কিবোর্ড বন্ধ কইরা রাখবা। আগে থেকে তাই সাবধান করে দিচ্ছি!! 😡 অন্য কেউ ভুলেও ওই চেষ্টা কইরো না!! তাইলে পুরা ব্লগ ঝাঁঝরা কইরা দিমু কইলাম। :gulli2: :gulli2: :gulli2: । মনে থাকবো তো??

বিস্তারিত»

প্রলাপ

এস. এস. সি. পরীক্ষার পর ছুটিতে বাসায় অনেক বই পড়েছিলাম। সেই সময় পড়া একটি বই, “আমি সুভাষ বলছি”। এই বইটার তিনটি খন্ডই পড়েছিলাম। মাথায় তখন শুধু বিপ্লবী চিন্তা গিজ্‌গিজ্‌ করে। কারো সাথে এই নিয়ে কথা বলতে লজ্জা লাগত। আর লেখালিখির অভ্যাস আমার কখনও ছিল না, তাই সেই চিন্তা তখনও করি নি। ধীরে ধীরে আমি অস্থির হয়ে উঠেছিলাম এই ধরনের ভাবনায়। তখন আমার দুলাভাই আমাকে বলেছিলেন বেশি চিন্তা করে মস্তিস্কের উপর অতিরিক্ত চাপ দেয়া ঠিক না।

বিস্তারিত»

সমালোচনার ভাষা কী রকম হবে?

সমালোচনা-টা বাংলা সাহিত্যের একটা হৃষ্টপুষ্ট শাখা হয়ে উঠতে পারলো না, এই নিয়ে আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ বেজায় দু:খ করেছেন নানা জায়গায়। আমিও ভেবে চিন্তে দেখলাম, কান কথায় শুনেছি- শনিবারের চিঠি বলে একটা ব্যাপার ছিলো বহু আগে, যেটায় নাকি গায়ে বিছুটি লাগানো সমালোচনা হোত। কিন্তু ইদানীংকালে আমরা সেরকম আর দেখি কই!

এখনকার সমালোচনাগুলান তেমন আকর্ষক হয় না। ব্লগের কথা অবশ্য আলাদা। এইখানে সমালোচনার পারদ মরুভুমির টেম্পারেচারের মতন ওঠানামা করে।

বিস্তারিত»

৩ টি গর্বিত শেল এবং আমার সত্যিকার ক্যাডেট হয়ে উঠা

মূল ঘটনা শুরুর আগে খলর মামা সম্পর্কে কিছু না বললেই নয়। মামাকে আমরা মেছো মামা বলেই ডাকতাম। মাছ সম্পর্কিত কোন ব্যাপার ছিল যা ইন-ডিটেইল না বলাটাই ভদ্রোচিত বোধ করছি। মামা ততদিনে কংশ-মামা :gulli2: হিসেবে আত্নপ্রকাশ করেছেন। আমারাও মামাকে ক্লাসে,মাঠে- ঘাটে আমাদের স্টাইলে অভিবাদন জানাতাম। :duel: আমরা বাংলা বর্ণমালা প্র্যাক্টিস করতাম এভাবে —
ক-লর
খ-লর
গ-লর
ঘ-লর
ঐদিন মিল্ক ব্রেক এর পর মামার ক্লাস ছিল।

বিস্তারিত»

পাঁচটি অনু-পরমাণু !


ফেলে আসা শত স্মৃতি
যেন হলো আজ মিতা,
প্রিয়তম কবি আমার –
লিখে যাও কবিতা।


কান পেতে থাকি-
নিভৃত কানাকানি
শোনা যায় যদি ?
চোখ তুলে থাকি-
অজানা হাতছানি

বিস্তারিত»

কিছু দৃশ্য, যা গল্প হতে পারত

(একটা প্রেমের গল্পের প্লট ঘুরছিল মাথায়, আজকে সাইজে আনলাম, পড়ুন, মন্তব্য করুন এবং অন্যকে পড়তে ও মন্তব্যে উৎসাহীত করুন 😀 )

১।

সাব্বির স্যারের মাথার চুল গুলো একদম নরম পালকের মত, সিল্কি, অনেকটা বাচ্চাদের চুলের মত। স্যারের অভ্যাস ছিল বীজগনিতের অংক করার ফাঁকে ফাঁকে নিজের চুলে হাত বুলিয়ে দেয়া। এলোমেলো আগোছালো চুল গুলো এত সুন্দর লাগতো তখন, মনে হত চুলে আগুল চালিয়ে এলোমেলো করে দেই কাশফুলের মত করে।

বিস্তারিত»

রাজাকারনামা- ৩ (যুদ্ধাপরাধের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা)

এই লেখাটি একটি অনুবাদ মাত্র। এটি একটি পাকিস্তানি নাগরিকের ব্লগ হতে প্রাপ্ত।

১৩ই মে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারকে ১৯৭১ সালের গনহত্যার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা দাবি করে,পাকিস্তান সরকার এই দাবীকে নাকচ করে দেয়। এর জবাবে পাকিস্তান জানায় বাংলাদেশের উচিত অতীতকে ভুলে যাওয়া এবং পাকিস্তান কে ভুলে যেতে দেওয়া। এমন নয় যে এবারই প্রথম বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তানকে সাধারণ ক্ষমা পার্থনার দাবি করল প্রত্যুত্তর ধৃষ্ট পাকিস্তান যৌক্তিক দাবীকে নাকচ করে দিল।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট আইডি কার্ডের ফায়দা

আমার অনেকদিনের ইচ্ছা ছিল স্টেডিয়ামে গিয়ে লাইভ ক্রিকেট খেলা দেখব :dreamy:
কলেজ থেকে ভ্যাকেশনে বাসায় এলে সাধারণত খেলা থাকত না, আর থাকলেও সময় সুযোগ বের করা কিছুটা কষ্টকর ছিল :bash:

ছয় বছরে ক্যাডেটের আইডি কার্ড দিয়ে কোন ফায়দা লুটতে পারি নাই, না সিএমএইচ, না ছাত্র ভাড়া, না অন্য কোন ডিসকাউন্ট :frontroll:
অথচ ক্লাস সেভেনে যখন আমাদের প্রথম আইডি কার্ড দেয়া হল তখন কার না মনে হয়েছিল এই কার্ড দিয়ে বিশ্ব জয় করা যাবে :just:

১১ অক্টোবর ২০০৮
বিভিন্ন ক্যাডেট কলেজের ১০-১২ জন বন্ধু মিলে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হলাম বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ২য় ওয়ানডে ম্যাচ দেখার জন্য :-B
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছিল আর সেজন্যই সিরিজ জয়ের স্বপ্ন ছিল সবার চোখে :gulti:
স্টেডিয়ামে দর্শকদের একটা বাড়তি চাপও ছিল চোখে পড়ার মতো কারণ এই ম্যাচ জিতলেই সিরিজ আমাদের :clap:

যেহেতু ঢাকায় ছিলাম সেহেতু ম্যাচটি দেখার লোভ সামলাতে পারি নাই :no:
অগ্রিম টিকিটের জন্য অনেক চেষ্টা করলাম কিন্তু কাজ হল না ।

বিস্তারিত»

ইচ্ছে ঘুড়ি ১০ …

এ জার্নি বাই হোন্ডাঃ-

কুইড়ার একশেষ হচ্ছি দিনে দিনে। ফার্স্ট ইয়ার, সেকেন্ড ইয়ারে দিনে দুইবার আইইউটি যাওয়া আসা করতাম দুলদুল পরিবহনে করে। দুই, দুই চার ঘন্টা। এখন ভাবলেই ভয় লাগে। বাসায় আসার টাইম হলেই পার্কিং লটে অবস্থান নেওয়া গাড়িগুলোর দিকে তাকাই। পরিচিত কারও গাড়ি দেখা যায় কিনা, এই আশায়। তাহলে আরাম করে আধাঘণ্টায় বাসায় পৌঁছানো যাবে।

গত বুধবারও বেলা এগারোটায় ঘুম থেকে উঠে গাড়ির খোঁজ শুরু করলাম।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট Vs নন ক্যাডেট ঝগড়া…একটা চিরন্তন বিষয়

সারা জীবন এই একটা জিনিস নিয়া ঝগড়া করতে হইলো। ক্যাডেট লাইফ সেরে আসছি বহুত বছর আগে , কিন্তু সেই খেতাব (in negative sense)ঘুচাতে পারি নাই কোনোদিন। এইচ এস সি-র পরে গেলাম কোচিং এ ভর্তি হতে, সেখানে গিয়ে আমি বল্লাম যে ‘অমুক’ ব্যাচে আমার ব্যাচমেটরা আছে আমি ঐ ব্যাচ ছাড়া কোথাও পড়বোনা। কারণ আমি আর কাউকেই চিনি না। ঐ লোক বলে কি, ‘বেশী ক্যাডেট এক সাথে হইলে বহু ঝামেলা,

বিস্তারিত»

মেঘ পাহাড়ের দেশে

আকাশে হলুদ একটা বিশাল চাদ, আমি হাটছিলাম নরম ঘাসের মাঠের ঠিক মাঝখানে। পায়ের নিচে শিশিরে ভেজা, নরম দুব্বা ঘাস। মাঠের একপাশে আকাশ আড়াল করে দাঁড়িয়ে আছে একটা বিশাল পাহাড়। দূর থেকে যে পাহাড়ি হিমেল বাতাস ভেসে আসছে, তাতে হি হি করে কাপছি আমি। মাঠে আরেক পাশে একটা ছোট নদী, সেখানে ঝর ঝর শব্দে বয়ে যাচ্ছে স্ফটিক সচ্ছ পানি। নদীর পাশে কিছু বসার বেঞ্চ আর পাইন গাছের সারি।

বিস্তারিত»

বাসে একদিন

ছাত্র ভাড়া দেয়ার অভ্যাস আমার কোন কালেই ছিল না :clap:
২০০১ সালের ঘটনা :-B
আমি ক্যাডেট কোচিং করছিলাম টাংগাইলে । আকস্মিক ছুটি পেয়ে ৩ দিনের জন্য বাসায় যেতে হল । ছুটি শেষে টাংগাইল ফেরার পথে এলেঙ্গা থেকে বাসে উঠলাম । মাঝামাঝি একটা সিট পেয়ে বেশ ভাল লাগল :guitar:

মাঝে মাঝে কিছু স্মার্ট কন্ট্রাক্টর আছেন যারা ছাত্র ভাড়া দিতে গেলে আইডি কার্ড চেয়ে বসেন ।

বিস্তারিত»