শিরোনামহীন ব্লগর ব্লগর

১। গত এক বছরে এই নিয়ে দুইবার বাসা বদল করছি। গত বছরের অক্টবরে একবার করলাম। মেয়ে যেহেতু নভেম্বরে হবে তাই এক বেডরুমের বাসা ছেড়ে দুই রুমের বাসায় উঠলাম। কিন্তু নতুন বাসা নেবার সময় চিন্তাভাবনা না করেই ডুপ্লেক্স স্টাইলের দোতলা বাসা নিয়ে খেলাম ধরা। গত এক বছর ধরে সিড়ি বেয়ে উঠতে নামতে বিরক্তি ধরে গেছে। কানে ধরছি, আর দোতলা বাসা না। পিচ্চিও ইদানিং চান্স পেলেই সিড়ি বেয়ে দোতলা উঠে যায়।

বিস্তারিত»

শিশু বিকাশের স্বাভাবিক পর্যায়সমূহঃ

” The infant is a growing action system.” -(Gesell)

মাতৃগর্ভে ভ্রূনের আগমনের সাথে সাথেই যে প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে মানবসন্তানের বৃদ্ধি ঘটে সে ব্যাপারে আমরা সবাই কমবেশী জানি। তাই এতো বিজ্ঞ আলোচনায় আমরা না যাই। প্রাকজন্ম বৃদ্ধির ব্যাপারে আমাদের ডাক্তার আপা এবং ভাইয়েরা ভালো লেকচার দিতে পারবেন, আমি জন্মপরবর্তী বৃদ্ধি বা বিকাশ নিয়ে কিছু তথ্য দিচ্ছি। যারা বর্তমানে ১-৫ বছরের সন্তানের মাতা-পিতা বা ভবিষ্যতে হতে ইচ্ছাপোষন করছেন তাদের জন্য এই পোষ্টটি বিশেষভাবে প্রয়জন হবে বলে আমার ধারনা।

বিস্তারিত»

ব্রেকফাস্ট

“খোকন, নাস্তা খেয়ে যাও, পরাটা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে” – মা ডাকলেন নীচের রান্নাঘর থেকে।

আমি তখনো দো’তালায় আমার ঘরে শুয়ে। ঘড়িতে দেখলাম সকাল প্রায় ৯ টা বাজে। কলেজের বন্ধে বাড়ীতে এসেছি। সকালে উঠে পিটি করার ঝামেলা নেই। তবু অভ্যাস মতো সকালেই ঘুম ভেঙ্গেছে। ভাল লাগছিল – কিছু না করে বিছানায় শুয়ে শুয়ে গতকাল বিকেলে সিনেমা হলে দেখা নাম না জানা সেই মেয়েটার কথা ভাবতে।

বিস্তারিত»

স্মৃতির ডাটাবেইজ

আমার শৈশবের সবচেয়ে পুরনো স্মৃতি কোনটা ? স্মৃতির ডাটাবেইজ-এর প্রথম এন্ট্রি …

বাসা বদল হচ্ছে, শিলা আপাদের বাসার সামনে একটা রিক্সা থামল, রিক্সা থেকে নামার সময় দুধ ভর্তি জগ উপুড় হয়ে পড়ে গেল, ছলকে পড়া দুধ গড়াচ্ছে …

হ্যালো বাজান
মাও মাও, ক্যামন আছ
ভাল আছি বাবা
আচ্ছা মা, আমরা শিলাপা’দের বাসায় আসলাম কত সালে ??
তাতো মনে নাই বাবা …

বিস্তারিত»

বেকার

হাঁটছি আমি একলা পথে
এবড়োথেবড়ো রাস্তা জুড়ে
মানুষভর্তি এই শহরে
রোদমাখা এই ভরদুপুরে
সূর্যটার আজ কি যে হল
মানছে না তো কোন বারণ
ইচ্ছেমত জ্বলছে শুধু
জ্বালাচ্ছে-ও ইচ্ছে মতন

বিস্তারিত»

শুভ জন্মদিন প্রিয় মাজহার ভাই

আমার খোমাখাতা আজকাল বড্ড অসহ্য হয়ে উঠেছে। আমি না থাকলে এই পান্ডুলিপি কে লিখে যাবে? তা নিয়ে ভাবছিনা, বরং আমাকে জ্বালায় বন্ধুতালিকার একজন একজন করে চলে যাওয়া। এ এমনই এক যাত্রা, না ফেরার দেশে যাত্রা। কি এমন বয়স, এভাবে না বলে চলে যাওয়া প্রিয় মানুষগুলো তাই বড্ড জ্বালাতন করছে। কদিন পর পরই খোমাখাতা জানান দিচ্ছে এরা নিষ্ক্রিয়, এদের আবার জাগাও। কে বলে মাজহার ভাই জেগে নেই,

বিস্তারিত»

আলো অন্ধকারে যাই…

Between light and darkness

…We all carry these things inside that no one else can see.
They hold us down like anchors, they drown us out at sea…

না হয় আমি তুচ্ছ আর তুমি গুরুত্বপূর্ণ, তা বলে কি আমার হৃদয় নেই? হৃদয় কোথায় থাকে তা তো তুমিও জানো না। যদি বলো আমার হৃদয় নেই, তাহলে তোমারও হৃদয় নেই। তোমার কেবল একটা হৃৎপিণ্ড আছে যা খালি ধুকপুক ধুকপুক করে রক্ত পাম্প করছে;

বিস্তারিত»

খুকি ও পরী

চুপ ক’রে চাঁদ দূর গগনে
মহাসাগরের ক্রন্দন শোনে,
আর আমি শুনি নূপুরের নিক্কন ধ্বনি
যারিই ছন্দে দুলছে এ অবনী।

মা-গো তুমি কি সেই পরীটি-
রোজ রাতে যে নেচে নেচে যায়?
তুমি কি মা সেই পরীটি-
আদর করে যে আমায় ঘুম পাড়ায়?
মা-গো তুমি কি সেই মানসী-
যার হাসি আমার ভুবনে আলো ছড়ায়?
তুমি কি মা সেই মানবী-
আমার কষ্টে যে নীল হয় বেদনায়?

বিস্তারিত»

ঢাকা শহরে সিএনজিতে সুলভে চলাচলের কিছু পদ্ধতি

বাংলা ব্যাকরণে আমি যে মহা ওস্তাদ ছিলাম তেমন দাবি করবো না কিংবা সেই জিনিসটার প্রতি আমি যে খুব দুর্বল তেমন দাবি করাটাও অমূলক হবে। তারপরেও ব্যাকরণে পড়া একটা টার্ম আমার কানে বেশ বাজে। সেটা হলো রূঢ়ি কিংবা রূঢ় শব্দ। সেটা যতটা না ব্যাকরণ কিংবা ভাষার প্রতি দরদ বোধে তারচেয়ে ঢের বেশি এক বড় ভাইয়ের দেয়া উদাহরণে। কারণ তিনি হঠাৎ করেই আমাকে এই জাতীয় লেটেস্ট শব্দটি জানতে চান।

বিস্তারিত»

দহন নিরবধি

অমাবশ্যা রাত। ঘুটঘুটে অন্ধকার। কখনো একটানা, কখনো থেমে থেমে শুধু ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক। এদিকটায় লোকালয় কম, কিছুটা পথ দূরে স্টাফ কোয়ার্টার। একেবারে তিস্তার তীরে। রেস্ট হাউস আর তিস্তার মাঝে ঝাউবনে লিলুয়া বাতাস লুকোচুরি খেলে। সামনে কিছু ফলজ গাছ বেশ ডাগর হয়ে উঠেছে। একেকটা গাছের সামনে নামফলকে রোপনকারীর নাম এবং রোপনের তারিখ অবহেলায় সময়ের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে।

হুইস্কিটা একটু ধরলে দোতলার লাউঞ্জের ইজি চেয়ায়ে হেলান দেয়া অবস্থায় একটা ঢেকুর ওঠে খান সাহেবের।

বিস্তারিত»

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাঃস্বপ্নপূরণ না স্বপ্নহরণ???

আমার এক বন্ধুর মামাতো ভাই।গত মাসে ঢাকায় চলে আসলো,ঢাকায় ‘উচ্চতর’ ভর্তি কোচিং এর বাড়তি সুবিধা নিতে।আমার এক ছাত্র আগামী বছর সহিসালামতে এইচএসসি পাস করবে বলে আশা করছি।কিন্তু এখন থেকেই তার সমস্ত দুশ্চিন্তা ভর্তি পরীক্ষা নামক এক কঠিন যুদ্ধ নিয়ে।সারাক্ষণ সে আমাকে ভর্তি পরীক্ষার এটা সেটা নিয়ে জিজ্ঞেস করে-ভাবটা এমন যেন সুযোগ থাকলে বোর্ড পরীক্ষা না দিয়েই ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে দিবে।তাছাড়া বুয়েটে পড়ার সুবাদে মাঝে মাঝে আমার কাছের আত্মীয় স্বজন এবং বন্ধুবান্ধবদের ছোট ভাই-বোনদের কেউ কেউ বুয়েটে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বিষয়ে জানতে চায়,

বিস্তারিত»

অধরের কানে অধরের ভাষা

উত্তমকুমারকে নাকি একবার এক মহিলা রিপোর্টার জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আচ্ছা আপনি কী খেতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন?’
মহানায়ক হেসে জবাব দিয়েছিলেন, ‘গলদা চিংড়ি আর চুমু।’

আমার চিংড়িতে এলার্জি। খেলেই শরীরের চামড়া লাল হয়ে যায় (কালা মাইনষের আবার চামড়া লাল হয় ক্যাম্নে!)। কিন্তু মহানায়কের মত আমিও চুমু খেতে ভীষন পছন্দ করি। আই জাস্ট লাভ টু কিস। তবে অবশ্যই বালিকাদের।
ম্যারাডোনার মত টাকলু ভেরনকে না !

বিস্তারিত»

ফৌজি ভালোবাসা

আমার হাটুর নিউরনের কম্পনে
কেঁপে যাও তুমি সারাদিন,
দুটি মাথার মিলিত আবেগে
ভেসে থাক তুমি নিশিদিন।

বাদরের ডালে, মাথা দিয়ে ঝুলে
মনে পড়ে তোমায় কত,
নফুট ওয়ালে, মনের খেয়ালে
ভাবি তোমায় অবিরত।

বিউগলের ঘুঙুর পায়ে,
নেচে যাও রোজ প্রভাতে,
ধীরে আর জোরে, ডাইনে আর বায়ে,
সালাম করি তোমাতে।

দুটি মোটে মাথা দিয়ে
ভালোবাসি অসিমেরো দ্বিগুন,

বিস্তারিত»

মফস্বল সংবাদ

আমাদের এই ছোট্ট শহরে আমার মত যুবক বয়সী ছেলেপেলেদের আড্ডা দেওয়ার জায়গা আসলে তেমন একটা নেই। এই পাড়ার মুখে, ঐ পাড়ার চায়ের দোকানে কিংবা বালিকা স্কুলের রাস্তার উপর কালী মন্দিরের সামনে। এইসব জায়গায় অবশ্য বহু পোলাপাইন আড্ডা দেয় কিন্তু আমারা তেমন একটা জুত পাই না। আরে আড্ডা দিলে দিতে হয় দিল খুলে কিন্তু এইসব জায়গায় কি আর তার জো আছে? পাড়ার মুখে আড্ডা দিলে হাজারটা মুরব্বির সামনে পড়তে হয়।

বিস্তারিত»

গার্লস জোকস!

(এডু স্যার আবার না মাইর লাগায় তাই আগে থেকেই প্রাপ্তবয়স্ক ট্যাগ দিয়ে দিছি :-B )

১. সিনেমা দেখতে গেছে তিন বান্ধবীতে মিলে, টিকেট না পেয়ে অগ্যতা ব্ল্যাকে টিকেট কিনে গিয়ে পুলিশের কাছে ধরা!
যে মেয়েটি স্যালওয়ার কামিজ পড়ে আছে তাকে পুলিশটি ডেকে নিয়ে গেল এবং তার ফাইন হল ১০০৳
যে মেয়েটি জিন্স-টি শার্ট পড়ে আছে তাকে পুলিশটি ডেকে নিয়ে গেল এবং তার ফাইন হল ৫০৳
যে মেয়েটি মিনি স্কার্ট-টপস পড়ে আছে তাকে পুলিশটি ডেকে নিয়ে গেল এবং তার কোনো ফাইনই হল না!

বিস্তারিত»