কত পূজি নিয়ে শুরু করেছিলাম এই ব্যবসা-
জীবন ব্যবসা।জানি না সঠিক।কেউ জানে না।
আদি-অকৃত্রিম-মুনাফাহীন এই ব্যবসা।
ম্যাচের কাঠি কিংবা সিগারেটের মতো জ্বলে গেছে
একদিকে।তারপর ধীরে ধীরে শেষ হয়ে আসা।
তীব্র বেগে শেষের দিকে যাচ্ছি আমরা।
কত পূজি নিয়ে শুরু করেছিলাম এই ব্যবসা-
জীবন ব্যবসা।জানি না সঠিক।কেউ জানে না।
আদি-অকৃত্রিম-মুনাফাহীন এই ব্যবসা।
ম্যাচের কাঠি কিংবা সিগারেটের মতো জ্বলে গেছে
একদিকে।তারপর ধীরে ধীরে শেষ হয়ে আসা।
তীব্র বেগে শেষের দিকে যাচ্ছি আমরা।
Interview with Towfique & Faisal Roddy by Amadergaan.com
তমসাছন্ন রাত্রি আর কুহক কুয়াশার পথ ঠেলে ঠেলে যেমনটি হাটতে হয় জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে , ঠিক তেমনই অজস্র ক্লান্তি নিয়ে সময়ের ক্ষুধায় গাইতে হয় শহুরে বাউলকেও । বাংলা গান আর বাঙ্গালী চেতনার মূল রশদ ‘বাংলা ভাষা’ সে ক্ষুধাকে মিটিয়েছে বহমান কালের সাথে তাল মিলিয়ে।চলমান সময় পরিবর্তিত পরিস্হীতি, ঘূনে ধরা মূল্যবোধ, রাজ্যস্বার্থ বিবর্জিত রাজনীতি,উপগ্রহীয় অশুভ কায়া থেকে উপশম- সবটাই রাজত্ব রাগে প্রতিফলিত বারবার।রাজত্বের এই অভিযানে তার নিজের যতটুকু দূরে যাওযার স্বপ্ন,
বিস্তারিত»(ভাই ও বোনেরা, আমার এখন এমবিবিএস ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। পরের পরীক্ষা ১৭.০৮.২০১০ তারিখে। মাথা পুরাই আউলা হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে পরীক্ষায় কিছুই উত্তর দিতে পারবো না! এর মধ্যে একটু আগে ঝাক্কাস একটা বৃষ্টি হয়ে মাথাটা আরো আউলাইয়া দিছে। তারই ফলাফল এই কবিতা…)
বৃষ্টি নিয়ে কাব্য করার সময় এটা নয়
কিন্তু আমার কী আর করা বলো?
বৃষ্টি যখন এসেই গেছে, চলো
একটুখানি ভিজি,

কিছুই মুছে যায় না,মুছে দেওয়া যায় না
আপাত চোখে যতই অদৃশ্য মনে হোক
সবকিছু রয়ে যায় অঘোষিত প্রেক্ষাপটে
একান্ত অন্ধকারের মাঝে কালো অক্ষরে!
আপোষ্ব চোখ বুঝে থাকা তবুও ভালো
নিজেকে সজোরে চেপে ধরা অমসৃন পাথরে
ঘষে ঘষে যতই চেষ্টা হোক-মুছবে না,
খসখসে শুধু-আর আগুনের ফুলকি জ্বলতে পারে!
এখন যতই হাওয়ায় বাঁধা থাকুক বর্তমান
শ্যাওলা জমে ঢেকে যাক বুক-সবুজ আস্তরণে
ভেতরে কঠিন অস্থিমজ্জা তবু নীরবেই
আঁচড়ে বয়ে বেড়াবে গোপ্ন গভীর দাঘ!
প্রায় ২ মাস হয়ে গেল আমি এই ব্লগের সদস্য, কিন্তু আজোও পর্যন্ত কিছূ লেখা হইয়া ওঠেনি।এর বেশ কিছু কারণ রহিয়াছে। তার মধ্যে অন্যতম কারণ হল এই ব্লগের লেখকরা সবাই অনেক উন্নত প্রজাতির হইয়া থাকেন। মাঝে মাঝে মনে হয় উনারা এত গুণগত মানসম্পন্ন ISO 9001 certified লেখাগুলো লেখেন কিভাব? আসলে cadet rokzz. ব্লগ না লেখিবার আর একটি কারণ হইলো আমি বাঙলা টাইপ করিতে পারি না। আজ এক বন্ধুকে অনেক তৈল মর্দনের পর সে রাজি হইল।
বিস্তারিত» 
[আগেই বইলা নেই, এই গল্পের সকল চরিত্র কাল্পনিকও হইবার পারে, অকাল্পনিকও হইবার পারে, কেউ মাইন্ড কইরা বয়া থাকলে থাকেন, আমার কী, আমি তো লেখক রে ভাই… B-) B-) ]
খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। একদা এই দেশে ‘মঈন’ নামের এক লুইচ্চা বাস করিত। তাহার আসল নাম জনসম্মুক্ষে আনিতে চাহিতেছি না বিধায় “X-factor”-এর ‘লুইচ্চা মঈন’ বলিয়া অভিষিক্ত করিলাম। লুইচ্চা বলিবার পেছনে যে কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ নাই তাহা নহে।
বিস্তারিত»রাজা চৌকীতে হেলান দিয়া বিশ্রাম করিতেছিলেন। তাহার সম্মুখেই রাজপরিচারিকা উবু হইয়া ঘর ঝাড়ু দিতেছিল। বেটি বড়ই বেশরম,অর্ন্তবাস বলিয়া যে একটা জিনিষ আছে বোধহয় জানেই না। রাজা নিবিষ্ট মনে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষন করিতেছিলেন। এমন সময় দুম করে দরজা খুলিয়া প্রধানমন্ত্রীর অনুপ্রবেশ।
রাজা যারপরনাই বিরক্ত হইয়া কহিলেন, মন্ত্রী,বলি বোধবুদ্ধি সব সরবতের সহিত গুলিয়া খাইয়া ফেলিয়াছ নাকি? তোমাকে না বলিয়াছি, দেখা করিবার পূর্বে একটা মিস কল দিবে,নিদেন পক্ষে একটা টেক্সট।
পৃথিবী কোথা থেকে এলো?
আমি জানিনা। ভাবলো সোফি। নিশ্চয়ই কেউ-ই আসলে জানে না সেটা। জীবনে এই প্রথমবারের মতো সে উপলব্ধি করলো যে, পৃথিবীটা কোথা থেকে এলো এ- ব্যাপারে অন্তত প্রশ্ন না করে পৃথিবীতে বেঁচে থাকাটাই ঠিক নয় …
Sophie’s World, Jostein Gaarder
এই সুন্দর ফল, সুন্দর ফল, মিঠানদীর পানি ছেড়ে এবার তাকানো যাক বিশ্বব্রক্ষ্মান্ডের দিকে। এই সুন্দর চাঁদ, সুন্দর তারা, অসীম শূন্যতার দিকে।
বিস্তারিত»যদি কখনো অঝর ধারায় খুব কাঁদতে ইচ্ছে করে,
আমায় ডেকো…,
আমি অশ্রু হয়ে তোমার চোখ থেকে ঝরবো।
যদি এক বর্ষায় সাদা মেঘের ছায়ায় খুব ভিজতে ইচ্ছা করে,
আমায় ডেকো…,
আমি বৃষ্টি হয়ে তোমায় ছুঁয়ে দিয়ে যাবো।
যদি শরতের ভরা পূর্ণিমায়
আকাশটার দিকে অর্থহীন তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে,
আমায় ডেকো…,
আমি চাঁদ হয়ে জোছনার জলে তোমায় ভরিয়ে দেবো।
১.
গরমটা যা জাকিয়ে পড়েছে এবার। বিশ্রি এক অনুভূতি সারাদিন। উফঃ দিনে কোথাও এক দন্ড বসে থাকার উপায় নেই, ঘামে গায়ের কাপড় ভিজে জব জব করে সারাক্ষন। রাত ৯টা। রোকেয়া হল, মেইন বিল্ডিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। রাতের এই সময়টুকুতে বারান্দার রেলিং এ বসে রুমের ক্যাসেটে জোয়ান বায়েজ ছেড়ে অন্যরুমের সুখদুঃখে আড়ি পাতার মতো এক চিলতে আনন্দ ঢাকার আর কোথাও নেই।
বিস্তারিত»তীব্র ঘুম থেকে ওঠার পর যখন ঝলমলে রোদ আমার দৃষ্টিসীমাকে চকিত সম্মোহিত করে যায়, পুকুরের শান্ত জলের ঢেউ ছুঁয়ে উঠে আসা ফাগুনী হাওয়া বাগানের সৌরভে দোলা খেয়ে এসে আছড়ে পড়ে আমার খোলা দরজায় । বসন্ত হাওয়ার ঝাপটায় আমি বিমোহিত হয়ে থাকি ক্ষণিক সময়। তারপর খালি পায়ে রুম থেকে কয়েক পা এগিয়েই বারান্দার গ্রীল ধরে শীত শেষের মিষ্টি রোদ।আমার ক্ষণিক অংশে রৌদ্র খেলে যায়। আমার মুখে ,
বিস্তারিত»এই কবিতাটা ক্লাস নাইন এ(2005) লেখা। তাই ভালো না হলেও অনেক অর্থ আছে। আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি তা বোঝানোর জন্য।।।।।
কখনো কি হেঁটেছ নি:সঙ্গ একাকী
নিস্তব্ধ কোন এক নদীতীরে
যেখানে সে বয়ে যায় অজানা সুরে
শুনতে কি পেয়েছ সে কী বলে?
তুমি কখনোই বুঝতে পারবে না,
কারণ তুমি নিজেকেই চেন না;
রমজানুল মোবারক। নিত্যনতুন ইফতার আইটেম আর বাজারে আগুন মাস শেষে ঈদের আনন্দের প্রতিশ্রুতি নিয়ে বছর ঘুরে আবার আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে রমজান। তাও আবার বোনাস প্যাকসহ, অর্ধদিবস নয় পুরো সাড়ে ১৪ ঘন্টা। এর সাথে যারা ট্রাফিক জ্যাম আর লোডশেডিং এর সমন্বয় ঘটানোর মত সৌভাগ্যবান তাদের জন্য তো সোনায় সোহাগা। আমি নিজে যদিও এ দুটি থেকে বঞ্চিত তবে বাড়তি হিসেবে আমার জন্য বরাদ্দ আছে দিনব্যাপী পরীক্ষা আর রাতব্যাপী এসাইনমেন্ট।
বিস্তারিত»[১২ এপ্রিল ২০১০ তারিখে ইউনিফিল-এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করে লেবাননে এসেছি…অনেক সাগর/উপসাগর পাড়ি দিয়ে । এখানে অবস্থানের কিছু কিছু কথা/স্মৃতিকেই অনিয়মিত/এলোমেলোভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছি আর কি!]
০২ জুন, ২০১০।
প্রথমবারের মতন তুরস্কের মার্সিন শহরে এসেছি আমরা…মনে অ-নে-ক চিন্তা, শহরটা ভাল লাগবে তো? লেবাননের মতন দেশটা সুন্দর…দেশের মানুষেরা বন্ধুবৎসল হবে তো? এখানে কোন বাংলাদেশী আছে না কি? থাকলেও সে/তিনি/তারা আমাদেরকে শহরটা দেখাবে/চিনাবে তো!