যা শুনলাম, যা বুঝলাম

গতকাল সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠলাম। ব্রাজিল আর পর্তুগালের খেলা মিস করা যাবে না। তড়িঘড়ি করে কিচেনে টোষ্ট আর চা রেডি করছি। রুমমেট চার্লি হটাৎ জিজ্ঞাসা করলো, টরন্টো যাচ্ছো নাকি? মনে মনে বললাম, সকাল সকাল মাথা নষ্ট নাকি? তারপর খেয়াল হলো, জি-৮ / জি-২০ সামিট। এইটা নিয়ে স্টুডেন্ট ইউনিয়নে বেশ শোরগোল কদিন থেকে। অনেকেই অটোয়া থেকে সামিট প্রটেস্ট করতে টরন্টোমুখী।

বিস্তারিত»

কোয়ার্টার ফাইনালের পথে (প্রথম পর্ব)

আরেকটা পর্ব লেখা শুরু করলাম। আমার আগের লেখাগুলা দেখলেই বুঝবেন আমি প্রতিবারই চেস্টা করি একটা সিরিয়াল ধরে লেখার, কিন্তু প্রতিবারই প্রথম পর্ব লেখার পর লেখার কোয়ালিটি দেখে আর লেখার ইচ্ছা করে না (অভ্র চালালেই ঘুম আসে এটা একটা কারন)। তাই দ্বিতীয় পর্ব না পেলে ধরে নিতে হবে এটাই নিয়ম।

এবারের টাইটেল কোয়ার্টার ফাইনালের পথে দেয়ার কারন হল দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচগুলার একটা প্রিভিউ দেয়া।

বিস্তারিত»

ছানাকাব্য

আজ মেঘ সেজেছে তোর রঙে
তোর দুষ্টু হাসি ; ফিরে একটু দেখা
তোর কাজল চোখে অভিমানের ছায়া
ভীড় করছে স্মৃতি এই মনে;
আজ মেঘ সেজেছে তোর রঙে…

বিস্তারিত»

ব্যস্ততা

টিলাটার ওপরে দাঁড়ালে এক পাশে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বাড়িগুলো চোখে পড়ে। আমার খুব প্রিয় জায়গা এটা। প্রকৃতির একেবারে কোলের কাছে নিজেদের আস্তানা গড়ে নেয়া এইসব মানুষগুলোকে মাঝে মাঝে আমার ভীষণ হিংসা হয়। নাগরিক জীবনের ব্যস্ততায় যখন নিঃশ্বাসটা আটকে আসতে চায় তখন নিজেকে আবার ফিরে পাবার আশায় টিলাটার ওপরে এসে বসে থাকি, আর ঐ বাড়িগুলোকে দেখি। সত্যিই ভীষণ হিংসা করি ঐ বাড়িগুলোর বাসিন্দাদের। সারাদিন জীবিকার তাগিদে ঘুরে বেড়ানো মানুষগুলো যখন দিনশেষে বাড়িতে ফেরে,

বিস্তারিত»

লন টেনিসের দুই যোদ্ধার মহাকাব্য রচনা!

বিশ্বকাপ ফুটবলের কারনে যেখানে দেশ-বিদেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ খবরই আমাদের কাছে পাত্তা পাচ্ছে না, সেখানে লন টেনিসের খবর কে-ই বা রাখে! কিন্তু এবারের উইম্বলডন এ আমেরিকান জন আইজনার এবং ফ্রান্সের নিকোলাস মাহুত যে মহাকাব্যের রচনা করেছেন, তা কিছুটা হলেও মিডিয়ার আগ্রহকে টেনিসের দিকে আনতে পেরেছে।

উইম্বলডনের প্রথম রাউন্ডের খেলায় গত মঙ্গলবার এই দুই তরুণ ১৮ নম্বর কোর্টে পরস্পরের মোকাবেলা শুরু করেন। ম্যাচ শেষ হয় বৃহঃস্পতিবার,

বিস্তারিত»

ফুটবল এবং সমান্তরাল

ফুটবল আর হিন্দী সিরিয়ালের মধ্যে আসলে কোন পার্থ্ক্য নাই। আসলেই নাই।

হিন্দী সিরিয়ালে সর্ব শক্তি প্রয়োগ করে কূটনামী শিখানো হয়, আর ফূটবলে লাত্থালাত্থি। দুই মিনিট বসে থাকলে আপনি ছয়টা লাত্থির ঘটনা দেখবেন, তার মধ্যে দুইটা রেড কার্ড পাইসে, তিনটা হলুদ কার্ড, একটাতে তিনজন একসাথে উলটায় পড়ে পাছুতে ব্যথা পাইসে। আর হিন্দী সিরিয়ালে দেখবেন মাল্টি ডাইমেনশনাল কূটনামী, কোন দিক দিয়ে কি হয়ে গেল আপনি নিজেই ধরতে পারবেন না।

বিস্তারিত»

অনেকদিন পর কবিতা:হাত বাড়িয়ে কার হাতে ছুঁই……?

অনেকদিন পর কবিতা!কোচিং এর জন্য ঢাকায় থাকি।ঢাকায় আসার পর আজকাল কবিতা লেখা হয় না।কলেজে থাকতে সবকিছু খুব সহজ মনে হত,বিছানায় শুয়ে অলস কল্পনায় যা হয় আর কি!ভাবতাম পাবলিক লাইব্রেরিতে চলে যাব,আজিজ মার্কেটে ঘুরাঘুরি করবো,লিটল ম্যাগে লিখবো!পড়াশোনার ব্যস্ততায় কিছুই করা হয় না।লেখক শিবিরের একটা পাঠচক্র ছিল গত সপ্তাহে,পোলাপাইন যেতে বলছিল…ক্লাসের জন্য যাওয়া হলো না!টি এস সি তে ভাইয়ারা আড্ডায় যেতে বলে…যেতে পারি না!সারাজীবন যে স্বপ্নগুলো দেখে আসছি,এখন হাতের কাছে রেখেও তার কাছে পৌছা হয় না!ভার্সিটির হলে থাকি,কোচিং করতে যাই ফার্মগেট…সারাদিনে কাজ এ দুটো ঘিরেই।অপরাজিতের অপুর সাথে জীবনকে মেলাবার চেষ্টা করি অবচেতনে।মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছা করে লিখতে।দু’একটা লাইন হয়ত লেখা হয়…পরে আর আগানো হয় না!তবুও শেষ পর্যন্ত একটা লেখা হয়েই গেল!

বিস্তারিত»

আমার এবং আমাদের সন্তানের জন্য আমার শিক্ষানীতি -২

: মামনি, বল, এ ফর এ্যাপেল, বি ফর বল, সি ফর ক্যাট, ডি ফর ডগ। কি হল, বলছনা কেন, বল…এখন খেলা রাখোতো, বল…
হাতের পুতুলটি কে নিয়ে খেলতে খেলতেই শিশুটি বলল,
: মা এ ফর এ্যাপেল মানে কি?
: এত মানে বঝার দরকার নাই, আমার সাথে বল, এ ফর এ্যাপেল…
: মা, “এ” মানে কি?
: আহহা, বড় বেশি জ্বালাতন করছ…

বিস্তারিত»

ভালোবাসার ঋণগ্রস্থ এক আমি…

সিসিবি পরিবারের সবাইকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গতকাল মাস্ফু আমাকে ফোন করেছিল। ওর সাথে আমার পরিচয় হবার পর থেকে বিভিন্ন উপলক্ষে বা যে কোন পার্বনে আমাকে ফোন করতে ওর ভূল হয়না। আমি নিজেও জানতাম যে মাস্ফু আমাকে এই দিনটিতে ফোন করবেই। ফোনে কথা শেষ করার ঠিক আগে অন্য সব সময়ের মতই ও বলেছিল, “সিসিবি’তে ঘুড়ে যেয়েন।”

বিস্তারিত»

বিশ্বকাপ : প্রিভিউ: গ্রুপ এ আর গ্রুপ বি এর শেষ দিন আজ

গ্রুপ এঃ

এখানে মজার কোন ফল গ্রুপের চেহারা হঠাৎ বদলে দিতে পারে। উরুগুয়ে আর মেক্সিকো দু’দলই দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠবে এটা নিশ্চিত, কিন্তু সেটা এই জন্য না যে তারা ড্র করার জন্যই খেলবে, বরং এখনো পর্যন্ত যা দেখলাম, দুদলের শক্তির সমতাই একটা ড্র নিয়ে আসবে। তবে গ্রুপ রানারআপের সামনে যেহেতু আর্জেন্টিনা পড়বে দ্বিতীয় রাউন্ডে, দু’দলই চেষ্টা করবে এই গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য। উরুগুয়ের জন্য ড্র যথেষ্ট হলেও,

বিস্তারিত»

কমান্ডো-কথন

মানব চরিত্র অসংখ্য বৈপরীত্যের সমন্বয়,একে বোঝা আসলেই অনেকটা অসম্ভবের পর্যায়ে পড়ে।আমার এই সাড়ে পঁচিশ বছর বয়েসের ক্ষুদ্র মানব জীবনে অনেক রকমের মানুষের মুখোমুখি হয়েছি।এঁদের কেউ কেউ এমন দাগ কেটেছেন যে কোনভাবেই ভোলা সম্ভব নয়।

২১ ডিসেম্বর, ২০০৮ সাল-আমার ২৩ তম জন্মদিন। নর্থ সাউথের বান্ধবী শাপলাকে নিয়ে বুমার্সে মধ্যাহ্নভোজ করছি।হঠাৎ অদ্ভুত একটা এসএমএস এল-“পাগলা, শুভ জন্মদিন-আমি এখন আকাশে ঝুলছি- আর আকাশ থেকেই তোকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।”

বিস্তারিত»

সম-অধিকার চাই (বাবা দিবসের দাবী)

আইজকা নাকি হ্যাপি বাবা দিবস। অথচ কোন ব্লগানি নাই।

এর আগে নারী দিবস, মা দিবসে কত কত কথা, কত কত পোস্ট। অথচ বাপদের নিয়া কোন কথা নাই, কোন পোস্ট নাই। মনে হয় দুনিয়ার সব বাপ বানের জলের মত ভাইসা আইছে।

আসলেই ইন্সাফ বইলা কিচ্ছু নাই।

আমার বাপজান বাইচা নাই, যতদিন বাইচা ছিল, কুনু দিন মহব্বতের কথা হয় নাই। কথা বার্তা সব ছিল যুদ্ধ কেন্দ্রিক,

বিস্তারিত»

মুসলিম ইন আমেরিকা-৪ঃ স্ট্যান্ড-আপ্ কমেডি

মুসলিম ইন আমেরিকা-১
মুসলিম ইন আমেরিকা-২
মুসলিম ইন আমেরিকা-৩

“America was built by the Immigrants”-আমেরিকাতে এই উক্তিটি বহুল আলোচিত এবং সর্বজনবিদিত। আমেরিকাকে গড়ার ক্ষেত্রে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব অভিবাসীদেরই কম-বেশি অবদান রয়েছে। নতুন অভিবাসী হিসেবে এখানে যারাই এসেছে, তাদের সবাইকেই এখানে প্রথম প্রথম একটি সংকটময় সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। ১৬০০ এবং ১৭০০ শতকের দিকে যারা এখানে আসে,

বিস্তারিত»

অব্যক্ত (শেষ খণ্ড)

ইচ্ছে হচ্ছে জিজ্ঞেস করি, “কেমন আছ অনন্যা?” কিন্তু করলাম না। সেই দেখি উলটো জিজ্ঞেস করে বসলো। আমি খুব অবাক হলাম। কারণ এই অতি সাধারণ কৌতূহলী প্রশ্নটাকে সে কখনোই পছন্দ করত না। এখন সে নিজেই সে প্রশ্ন করে। কত বদলে গেছে সে! কোথায় যেন পড়েছিলাম, “মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেচে থাকলে বদলায়। কারণে অকারণে বদলায়”।

কেবল আমি বদলাতে পারিনি। একাই পড়ে আছি ছাদের ঘরে,

বিস্তারিত»

স্মৃতি তুমি বেদনা

ক্লাস এইট থেকে নাইনে উঠবো…তখন ভূগোল বলে মহা বিরক্তিকর একটা সাবজেক্ট ছিলো এবং সবচেয়ে মেজাজী এবং মুডি এবং ভয়ংকর ম্যাডাম-রাও ছিলেন ভূগোলের টিচার। যাই হোক , তখন নিয়ম ছিল টার্ম এন্ড এর ছুটিতে যাবার আগে ফর্মলিডাররা সব টিচারদের কাছে যেয়ে যেয়ে ছুটির বাড়ির কাজ যোগাড় করবে এবং ছুটির মধ্যে সেইগুলা শেষ করে আনতে হবে। এমনেই ছুটি মাত্র কয়েকদিনের তারপরে আবার কবে বাসায় রেজাল্ট যায় তার চিন্তা,

বিস্তারিত»