বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাঃস্বপ্নপূরণ না স্বপ্নহরণ???

আমার এক বন্ধুর মামাতো ভাই।গত মাসে ঢাকায় চলে আসলো,ঢাকায় ‘উচ্চতর’ ভর্তি কোচিং এর বাড়তি সুবিধা নিতে।আমার এক ছাত্র আগামী বছর সহিসালামতে এইচএসসি পাস করবে বলে আশা করছি।কিন্তু এখন থেকেই তার সমস্ত দুশ্চিন্তা ভর্তি পরীক্ষা নামক এক কঠিন যুদ্ধ নিয়ে।সারাক্ষণ সে আমাকে ভর্তি পরীক্ষার এটা সেটা নিয়ে জিজ্ঞেস করে-ভাবটা এমন যেন সুযোগ থাকলে বোর্ড পরীক্ষা না দিয়েই ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে দিবে।তাছাড়া বুয়েটে পড়ার সুবাদে মাঝে মাঝে আমার কাছের আত্মীয় স্বজন এবং বন্ধুবান্ধবদের ছোট ভাই-বোনদের কেউ কেউ বুয়েটে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বিষয়ে জানতে চায়, এমনকি মাঝে মাঝে এই অধমের উপদেশও চায়।তখন তাদের বলতে হয় কোন কোচিং ভালো, কোনটায় ফালতু জিনিস বেশী পড়ায়, কিভাবে পড়লে আইবিএ আর বুয়েটে একসাথে পরীক্ষা দেয়া যাবে কিংবা সবশেষে বুয়েটে সিএসই নাকি ইইই নিবে ইত্যাদি ইত্যাদি।তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই আমার এই পোষ্ট।

কেউ কেউ হয়ত ভাবছেন আমি ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করার উপায় নিয়ে কথা বলব।আসলে ভর্তি পরীক্ষার এই বিষয়টাকে আমি সম্পূর্ণরূপে রাষ্ট্রীয় বাণিজ্য বলে মনে করি।সেটার ব্যাপারে বিস্তারিত বলার আগে আলোচনার প্রেক্ষিতটা কিছুটা বলে নেয়া দরকার।প্রতিবছর সাড়ে চার লাখ ছাত্রছাত্রী এইচএসসিতে কৃতকার্য হয়। বিপুল পরিমাণ এই শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নেয়ার ক্ষমতা সরকারের নেই, তাই দিনে দিনে বাড়ছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা।প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিকাশকে অনেকে অনেকভাবে ব্যাখ্যা করলেও আমি এটাকে ভীষণরকম পজিটিভ বিকাশ বলে মনে করি।চিন্তা করে দেখুন যদি এই ৫৩ টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় না থাকতো তাহলে কোথায় যেত এই লাখখানেক কিংবা তারও বেশী সংখ্যক শিক্ষার্থী?যারা এগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেন তাদের অবস্থানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মান নিয়ন্ত্রন সরকারেরই কর্তব্য;তাই শুধু বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমতি দিয়ে দিলেই হবে না, সেখানকার ছাত্রছাত্রীদের ন্যায়সংগত প্রাপ্তিও সরকারকেই নিশ্চিত করতে হবে।প্রতিবছর এইসব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য লাখ লাখ সিক্ষার্থী এক কঠিন যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়।একজন শিক্ষার্থীর ১২ বছরের শিক্ষাজীবনের খুব সামান্য মূল্যই আছে তাদের ভবিষ্যত নির্ধারণে।কারণ ভর্তি পরীক্ষা নামক বিশাল এক অগ্নিগোলক তাদের দিকে নিক্ষিপ্ত হয়, যারা একে উতরে সামনে যেতে পারে তাদের জন্য থাকে সোনালি সময়, কিন্তু যারা একটুর জন্য হোঁচট খায় কিংবা একই দিনে বা সামান্য ব্যবধানে একাধিক প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা থাকায় ভালো করতে পারে না কিংবা পরীক্ষা দিতেই পারে না, তাদের জন্য কি সময় অপেক্ষা করে সেটা সহজেই অনুমেয়। আমার আজকের আলোচনার প্রেক্ষিত এটাই।

তাহলে কি ভর্তি পরীক্ষা থাকবে না?
আমি কখনোই ভর্তি পরীক্ষার বিরোধী নই।একটা প্রতিষ্ঠান কেন কাউকে যাচাই না করে ভর্তি করবে?কিন্তু সেই যাচাই প্রক্রিয়াটি হতে হবে নমনীয় এবং সবাইকে সমান সুযোগ দিয়ে।ব্যাপারটা আরেকটু খোলাশা করি।এখন প্রায়শ দেখা যায় আইবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা খুব নিকটবর্তী সময়ে অনুষ্ঠিত হয়। একইভাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ভর্তি পরীক্ষার সময় একই থাকে। শুধু এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ই নয়, বাংলাদেশের সাত বিভাগের প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদে ভর্তির জন্য আলাদা আলাদা দিন নির্ধারিত থাকে যার জন্য শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার আগেই কিংবা যোগ্যতা প্রমাণের আগেই সেইখানে ভর্তির ব্যাপারে না-বোধক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।এমনকি এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এই বিষয়টি লক্ষনীয়।যেমন গেল বছর ব্র্যাক ও নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ভর্তি পরীক্ষা একইদিনে একইসময়ে অনুষ্ঠিত হয়।কিন্তু এই বিষয়টি কোনভাবেই কোন শিক্ষার্থীর নাগরিক অধিকারকে সমর্থন করে না।রাষ্ট্রকেই যোগ্যতাভিত্তিতে সবাইকে সব জায়গায় অংশগ্রহণের সুযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।কারণ উচ্চতর শিক্ষাব্যবস্থায় এরূপ বৈষম্য অনেককেই তার প্রকৃত অবস্থান থেকে বঞ্চিত করে,যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আরো একটি বিষয় এখানে না তুললেই নয়।প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাদা আলাদা পরীক্ষার সময় নির্ধারিত থাকে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রশ্নের ধরণ এবং নিরীক্ষণ পদ্ধতি আলাদা থাকে।আমার প্রশ্নটা আমি একটা উদাহরণ দিয়ে তুলে ধরছি।ধরলাম কোন ছাত্রের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার শখ।তাহলে তাকে কেন বুয়েট, রুয়েট, চুয়েট এবং কুয়েট-প্রতিটা জায়গায় আলাদা করে পরিক্ষা দিতে হবে?ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য একটা সাধারণ পরীক্ষা থাকলে এবং সেখান থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিষয় নির্ধারণ করলে সমস্যা কোথায়?দ্বিতীয়ত, কেউ এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি হতে হলে আলাদা ফর্ম কিনতে হবে এবং আলাদা আলাদ জায়গায় সেগুলো আবার জমা দিতে যেতে হবে।এই একের পর এক ফর্ম কেনা এবং অন্য জায়গায় গিয়ে থাকা ও পরীক্ষা দেয়ার খরচটা আমাদের মধ্যবিত্ত,নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত পরিবারের জন্য অতিরিক্ত বোঝা নয় কি?এইজন্যই আমি ভর্তি পরীক্ষার সামগ্রিক বিষয়টিকে আমার লেখার প্রথম দিকে রাষ্ট্রীয় বাণিজ্য বলেছি।

তাহলে সমাধান কি?
আমি মনে করি নীতিনির্ধারকদের সদিচ্ছাই পারে এই ভোগান্তি থেকে ছাত্রছাত্রীদের রেহাই দিতে।আমি একটা সমধানের ব্যাপারে চিন্তা করেছি।সেটা সবার সাথে শেয়ার করতে চাই।
একতি সাধারণ বা কমন পরীক্ষা প্রতিটি ইউনিট বা ফ্যাকাল্টির জন্য নির্ধারিত থাকে পারে।যেমনঃ যারা ‘ক’ ইউনিটে পরীক্ষা দেন তাদের লক্ষ্য তাকে বিজ্ঞানের কোন বিষয়ে ভর্তি হওয়া।বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের বিষয়গুলোতে ভর্তির জন্য যদি একটি কমন পরীক্ষা থাকে, তাহলে এই একটি পরীক্ষা দিয়েই সব জায়গায় ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা যাবে।বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সেই বিভাগে বা অনুষদে ভর্তির জন্য সেই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরকে যোগ্যতা হিসেবে নির্ধারণ করে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে।
সমস্ত সিস্টেমটিকে ছয়ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।ইঞ্জিনিয়ারিং,মেডিকেল,বিজ্ঞান অনুষদ,কলা অনুষদ, বাণিজ্য অনুষদ এবং বিভাগ বা অনুষদ পরিবর্তন।এই ছয়টি বিভাগের আলাদা আলাদা ছয়টি পরীক্ষা প্রয়োজনুযায়ী সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে।এখন প্রশ্ন হলো এই পরীক্ষাগুলো কি শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট দিনে কেন্দ্রীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে?
না, তার কোন প্রয়োজন নেই।এই পরীক্ষাগুলো নিয়ন্ত্রনের জন্য সরকারের একটি কেন্দ্রীয় সংস্থা থাকবে।তাদের অধীনে বছরে তিনবার বা চারবার এই পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে এবং এইচএসসি পাস করা যে কোন শিক্ষার্থী তার পছন্দসই সময়ে সেখানে পরীক্ষা দিতে পারবে।
আমি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টা পরিষ্কার করি।একজন ছাত্র মনে করল যে সে মেডিকেল ও বিজ্ঞান অনুষদে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চায়।সাধারণত জুন-জুলাইতে রেজাল্ট দেয়।তারপর সে তার সুবিধা অনুযায়ী সময়ে দুটি পরীক্ষাই দিয়ে দিতে পারে।
প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল কলেজ ভর্তির যোগ্যতায় একটি নির্দিষ্ট নম্বর ঠিক করতে পারে, এমনকি তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কোন বিশেষ বিষয়েও নির্দিষ্ট নম্বর রাখতে পারে।যেমনঃফিজিক্স বা অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্সে ভর্তির যোগ্যতায় ফিজিক্সকে জোর দিতে পারে অথবা জিনেটিক্সে ভর্তির জন্য বায়োলোজীতে বেশি নম্বর চাইতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে অনার্স লেভেলে ভর্তির জন্য স্যাট নামক একটি স্ট্যান্ডার্ড পরীক্ষায় সবাকে বসতে হয়। একইভাবে মাস্টার্সে ভর্তির জন্য পৃথিবীর অনেক দেশেই জিআরই বা জিম্যাট পরীক্ষার নম্বর অত্যাবশ্যকীয়।একটা কেন্দ্রীয় পরীক্ষা নিয়ন্রণ ব্যবস্থা থাকলে সেটা সবার জন্য সমান সুযোগ ও নিয়ন্রণ নিশ্চিত করতে পারে।
😐
সবশেষে আমি আশা করছি এইরূপ ভোগান্তি হতে শিক্ষার্থীরা খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবেন। আশা করি আমাদের নীতিনির্ধাকেরা এই সমস্যার দিকে দৃষ্টি দিবেন এবং সমাধানের দিকে মনোনিবেশ করবেন।আপনি বা আপনারা যদি আমার সাথে সহমত পোষণ করেন কিংবা মনে করেন এই সমস্যাটির সমাধান জরুরী,তাহলে বিনা দ্বিধায় এটা যেকোন ব্লগ,নেটওয়ার্ক(ফেসবুক,টুইটার,বাজ)কিংবা কমিউনিটিতে শেয়ার করতে পারেন।আমরা আওয়াজ না তুললে ওনারা তো আবার শোনেন না,শোনাতে হবে না?
মেহেদী
২২.০৭.১০

২,৪৬৪ বার দেখা হয়েছে

৬ টি মন্তব্য : “বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাঃস্বপ্নপূরণ না স্বপ্নহরণ???”

  1. ভালো লাগলো।আমি ইউএসএ র স্কুল সম্পর্কে একটু লিখছি--
    এমএস প্রোগ্রামের জন্য জি আর ই , জিম্যাট সব বিশ্ববিদ্যালয় এ অত্যাবশ্যক না usa তে।অনুরূপভাবে sat ও সব স্কুল এ অত্যাবশ্যকীয় নয়। sat / act মাঝে মাঝে নিছক প্লেসমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়।একেকটা স্কুলের এডমিশন পলিসি একেকরকম।তবে দেশ থেকে ভিসা পেতে জি আর ই , জিম্যাট এর স্কোর টা ভিসা অফিসাররা খুব দেখে।

    জবাব দিন
  2. ইফতেখার (৯৫-০১)

    স্যাট জিআরই জিম্যাট এমক্যাট এলস্যাট টাইপের টেস্টের আইডিয়াটা ভালই মনে হয় আমার কাছে। কিন্তু সেইসাথে বাইরের ইউনিভার্সিটিগুলোতে কিন্তু এ্যাডমিশন এস্যে (essay) আর রিকমেন্ডেশন এরও অনেক মূল্য দেয়া হয়। কারন ঐ টেস্টগুলো হলো একটা বিশেষ পরীক্ষার সময়ে কম্পোজার ধরে রাখার টেস্ট। যেমন অনেকেই হয়ত ২ ঘন্টার একটা জিআরই টাইপ টাইম কম্প্যাক্টেড পরীক্ষায় ভালো নাও করতে পারে, কিন্তু ক্রিয়েটিভ রাইটিংএ বা আনটাইমড ক্ষেত্রে বা রেফারেন্সের সাহায্য নিয়ে হয়ত অনেক ভালো। কাজেই শুধু একটা পরীক্ষার নম্বর দিয়ে সবকিছু বিচার করা সঠিক না (যেটা এখন এমনিতেও করা হচ্ছে)। এইচএসসি এসএসসি এর স্কোর ও টেস্টের স্কোর মিলিয়ে একটা ইনডেক্স জাতীয় কম্পোজিট স্কোর বানানো যেতে পারে। এ্যাডমিশন এস্যে এর ব্যাবস্থা রাখা দরকার, সেটা টেস্ট ইনডেক্সে একটা নির্দিষ্ট থ্রেশহোল্ড পার হলে তারপর চেক করা হবে নাহলে লক্ষ লক্ষ আবেদনকারীর এস্যে গ্রহনযোগ্য ভাবে মুল্যায়ন করা সম্ভব হবে না। সাবজেক্ট ভিত্তিক টেস্ট ও রাখতে হবে। সেটা অনেকটা SAT II সাবজেক্ট টেস্টের মতন ... সবসময় রিকোয়্যার্ড না, কিন্তু ভালো ইউনিভার্সিটি গুলোতে এ্যাডমিশনে সাহায্য করে।

    এরকম একটা কেন্দ্রীয় পরীক্ষার খরচ ভালৈ ... কিন্তু পাবলিক ইউনিভার্সিটি গুলোতে (যদি প্রাইভেটরাও চায় তাহলে তারাও অংশগ্রহন করতে পারে) যদি একটা পরীক্ষাই নেয়া হয়, তাহলে খরচ উঠে যাওয়ার কথা। ৫ টা ইউনিভার্সিটির ২০০ টাকার ফর্ম নিয়ে ১০০০ টাকা খরচ না করে একটা ফর্মই ৫০০ করে দিলে (শুধু ফর্মের খরচই ... যাতায়াতসহ অন্যান্য খরচের কথা তো বলাই বাহুল্য) সেই ছাত্র একবারই পরীক্ষা দিতে পারলো, সেটায় খারাপ করলেও আরো একবার দিতে পারবে মোট খরচ সমান রেখেই। অনেক টাকার অপচয় রোধ করা সম্ভব এভাবে। যেমন বছরে ২বার এ্যাডমিশন টেস্ট নেয়া হলো, এইচএসসি রেজাল্টের পরপর (উদহারনস্বরূপ: এইচএসসির রেজাল্ট যদি জুলাই তে দেয় তবে অগাস্ট আর অক্টোবরে)।

    জবাব দিন
    • আয়েশা ( মগকক) আয়েশা

      আমিনুলের লিখাটা খুব সময়োপযোগী। আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থার কিছু পরিবর্তন হওয়া দরকার।জানিনা তথাকথিত বুদ্ধিজীবী সমাজ ভর্তি পরীক্ষার জ্বরে আক্রান্ত ছেলেমেয়েগুলোর কথা কতটুকু ভাবছেন।যুক্তরাষ্ট্রে সবাই ১১ ক্লাসের মধ্যেই sat দিয়ে ফেলে।ভালো জিপিএ র পাশাপাশি ভালো এস্সে খুব জরুরি। সেই এস্সে তে ব্যেতিক্রমধর্মী এচিভমেন্ট এর কথা লিখলে এস্সে টির গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে এডমিশন বা স্কলারশিপ এর ক্ষেত্রে।এজন্য এস্সায়টিকে সমৃদ্ধ করতে অনেকে (অনিচ্ছাক্রিতভাবে) সেচ্ছাসেবী (volunteer ) :)) হয়ে কম্যুনিটি সার্ভিসও করেন।

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।