যাইহোক কোন কারণে মনটা ডাইভার্ট করতে চাচ্ছিলাম। ভাবলাম আমিও অণুব্লগে সামিল হই। বুঝতে পারছি না লেখার বিষয়বস্তু কি হবে। আচ্ছা, সবাইকে স্বার্থপর হবার উপদেশ দিলে কেমন হয়? আগে নিজের ভাল তো জগৎ ভাল। আসলে স্বার্থপর না, একটি অভিযোগহীন জীবন কাটানোর চেষ্ঠা করলে কেমন হয়? অভিযোগ আছে তো সমস্যা লেগেই আছে। মাঝে মধ্যে মনে হয় যে যেরকম তার ঈশ্বরও সেরকম। যার অন্তহীন অভিযোগ, তার ঈশ্বরও তাকে শুধু সমস্যার বাণ নিক্ষেপ করতে থাকে।
বিস্তারিত»Mocha উইথ আ ‘k’ ফ্রম মিশিগানঃ একটি অণু+ প্রকাশনা ১ম সংস্করণ
ব্লগের নামকরণ কৃতজ্ঞতায়ঃ নূপুরদা এবং জুনাদা
বাঙালীর হুজুগ শিল্প।
গতবছর দশ ডলার দিয়ে একটি স্যান্ডউইচ টোস্টার কিনেছিলাম। এরপর এইবেলা, ওইবেলা, সারাবেলা, অবেলা স্যান্ডউইচ চলেছে মাসখানেক। মন খারাপ? স্যান্ডউইচ। উদাস লাগে? স্যান্ডউইচ। দেশে ভালোবাসা নাই? স্যান্ডউইচ।
এবছর গ্রীষ্মে আবিষ্কার করলাম প্যানকেক নামক খাদ্যটি বানানো বেশ সহজ। আবারো সারাবেলা, অবেলা প্যানকেক চললো মাসদুয়েক। শালার করলাম না আজকে রাতের ডিনার বলেই ডিম,
বিস্তারিত»অণুব্লগ: বন্ধু
শ্রীকান্তের নিরুদিদিকে মনে পড়ে? যিনি “বালবিধবা হইয়াও….সূতিকা রোগে আক্রান্ত হইয়া ছয় মাস ভুগিয়া ভুগিয়া মরেন” – সেই নিরুদিদি।
অনেকেরই ধারনা, আমরা সেই সময়ের সমাজিক অবস্থা থেকে খুব একটা এগুতে পারি নাই। এখনো নিরুদিদির মত একাকি নারীদের প্রেগন্যান্সির বিরাট ট্যাবু। অনেক ক্ষেত্রেই যার অবশ্যম্ভাবি পরিনতি মৃত্যু।
কিন্তু সম্প্রতি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস ও তার রেসপন্স দেখে এ বিষয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করলাম। চমকিতও হলাম।
অণুব্লগ আন্দোলনে আমিও সামিল
আমাদের এইটুকু দিন সূর্যোদয়ের রঙিন ছটা আর দুর্বোধ্য সব ছন্দাবলির অমলিন কারুকাজে আবদ্ধ থেকে যেতো যদি!
হতাশার ঘেঁষাঘেঁষি স্বপ্নগুলো অথচ কাঁচের জারে বন্দী মাছের মতো পাখনা মেলে আশপাশের ভ্রান্তিময় জগতটাকে না-ভালোবেসে-না-পারার অনুভূতি নিয়ে একটু একটু করে মজে না উঠতে’ কলতলায় কলসি-বালতির ধুন্ধুমার লেগে গেছে — মিহিসকালকে থাপ্পড় মেরেছে খাটা পায়খানার হাওয়া; খবর-কাগজে মৃত্যুর চকচকে উদযাপন, বিজ্ঞাপনী অট্টালিকায় ঢেকেযাওয়াজনপদ আড়মোড়া ভেঙে চায়ের টেবিলে চলে এলে আরেকটি মামুলি দিন তার পরিক্রমা শুরুর আগেই মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে
গণবিদ্রোহঃ এখন থেকে অণুব্লগ হবে (তারপরেও বেশখানিকটা লিখে ফেললাম)
প্রারম্ভিকাঃ এই সরকার ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিল, “আমরা ক্ষমতায় গেলে সিসিবিতে অণুব্লগের জন্য নতুন শাখা খোলা হবে। অণুব্লগকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে, সহজ শর্তে ঋণ দেয়া হবে।” কিন্তু তার কোনটাই এরা পূরণ করে নাই। দিনের পর দিন মন্ত্রনালয়ের দারে দারে ঘুরেছি। আভাসে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছে টেকাটুকা ছাড়া গতি নাই। আমি আবহমান গ্রাম-বাঙলার দুস্থ ছাত্র। অর্ধাহারে থাকি। মিশুক ট্যাক্সি চালিয়ে চিকিৎসার টাকা জোগার করতে হয় নাই তবে ভোজনালয় ও প্রাক্ষলন রক্ষনাবেক্ষণ করে দুই-চারটি ডলার কামাই করি।
বিস্তারিত»অপেক্ষার প্রহর
অপেক্ষার প্রহর
সময় থেমে থাকে না,
তাই কমছে চোখের জ্যোতি
কমছে শোনার ক্ষমতা,
স্মরণশক্তি।
কিন্তু তিনি ভোলেন না
মুঠোফোনে চার্জ দিতে
কিংবা কল ধরতে।
তবুও কাটেনা অপেক্ষার প্রহর।
এই তো সে দিন,
আশ্বিণ মাসের মঙ্গলবার।
কয়েক গণ্ডা কাক
আর নেড়ি কুত্তার চিৎকার
ধাপা ধরে এল কানে।
এরই মাঝে চমকে ওঠেন তিনি
মোবাইলের রিংটোনে।
পরিসংখ্যান বা গণিতের ছাত্রদের জন্য একটা দারুণ সুযোগ!
প্রিয় সিসিবিয়ান,
কারো যদি পরিসংখ্যান বা গণিতে আন্ডারগ্র্যাজুয়েশন করা থাকে এবং সে যদি আমেরিকাতে মাস্টারস করতে চায়, তাহলে তার জন্য একটা দারুণ সুযোগ আছে- জিআরই ছাড়া এবং টোফেলে মাত্র ৮০ থাকলেই ভর্তি হওয়ার সুযোগ, তাও আবার ফান্ডসহ!!! ৭/৮ বছরের স্টাডি-ব্রেক থাকলেও মনে হয় অসুবিধা নাই।
এইরকম কেউ থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলে গেলাম। কমেন্টে নিজের ই-মেইল আড্রেসসহ জানান দিয়ে গেলেই চলবে।
বিস্তারিত»বাস্কেটবল বিশ্বকাপ?! এইটা আবার কি?! খায় না গায়ে মাখে!? আচ্ছা না ভাই ফাইজলামি না এইবার সিরিয়াস।


সাতটি গুলির ঘা এখনো শুকোয়নি। এখনো সেদিনের কথা মনে করলে বুক ফেটে কান্না আসে। গলায় এসে আটকে যায় কান্না। রাতে ঘুমের মাঝে দুঃস্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে যায়। ওরা ছিনিয়েই নিল। কত উল্লাস, কত সেলফি। আচ্ছা রসিকতা করা বাদ দেই। বিশ্বকাপের কথা বলি ভাই। বলছিলাম ব্রাজিলের সাত গোলের কথা। ডয়েচল্যান্ডের কষা ফুটবল সৈনিকেরা এরপর ঠান্ডা পানি ঢাললো আর্জেন্টিনার গরম স্বপ্নে। কথাগুলো বলছি ভিন্ন একটি কারণে।
একটি নিয়ন সাইন ও কিছু কথা
একটি নিয়ন সাইন ও কিছু কথা
দোস্ত “ উত্তরা এয়ারপোর্ট গোল চক্করের সাথে পুলিশ বক্সের পাশে গাড়ীটা পার্ক করিস। আমি ঐখানে চলে আসবো।“
গাড়ীটা পার্ক করতেই জেনারেটর এর বিকট শব্দের উৎস খোঁজার জন্য এদিক ওদিক তাকালাম। ফুটপাথের মধ্যে দেখতে পেলাম জেনারেটরটি। একটু হলেও আমাকে নাড়া দিল। জেনারেটরটি বিশাল এক নিয়ন সাইনের পাশে এবং খোলা আকাশের নীচে রাখা।
তোমার শেষ চিঠি
তোমার শেষ চিঠি
————– ড. রমিত আজাদ
প্রিয়তমা আমার,
তোমার শেষ চিঠিটি তুমি আমাকে ঠিক কবে লিখেছিলে,
এখন আমার আর ঠিক মনে পড়ছে না।
তবে হ্যাঁ, ঐ চিঠিটি এখনও স্পষ্ট আমার চোখে ভাসে,
যেখানে তুমি লিখেছিলে, “এটিই আমার শেষ চিঠি। আমি তোমাকে আর কোন চিঠি লিখবো না, কারণ আমি আর তোমার নই।”
চিঠি নয়, মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিলো,
ময়লা বাকেট চ্যালেঞ্জ
সেদিন একটা মজার জিনিস দেখলাম। একদল তরুণ তরুণী দাঁড়িয়ে আছে রাস্তার পাশে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে বারিধারা যাবার পথে যেখানে বিশাল বড় বড় ডাস্টবিন রাখা সেখানে। মনে মনে কই, ইয়াক থুঃ!!!! কি করে এরা এইখানে ? মাথাডা আউলাইয়া গেল যখন দেখলাম এরা সাথে করে বড় বড় ময়লার ঝুড়ি নিয়ে আসছে। শুধু এনেই ক্ষান্ত হয়নি। ঝুড়িগুলা ডাস্টবিন থেকে নেয়া ময়লা দিয়ে ভর্তি করছে আর নিজেদের গায়েই ঢেলে দিচ্ছে।
বিস্তারিত»জেগে ওঠো বীর
জেগে ওঠো বীর
এসো এসো রণবীর!
ক্ষ্যাপা প্রলয়ে ভেঙ্গে ফেল আজ
জীর্ণ পাতার নীড়।
শত জননীর মহা ফরিয়াদ
গুমরে ফিরে বিদীর্ণ নাদ
ক্রন্দন ঢেউ উছলিছে বাধ-কল্লোল বারিধির,
কতকাল ঘুমাবে দামাল নিশ্চুপ গম্ভীর!
জেগে ওঠো দিকপাল
জিঞ্জির পায়ে নকশি কাঁথায়
কাটিয়েছ মহাকাল।
মহা ঝঞ্ঝায় ভেঙ্গে গেছে দ্বার
অমানিশায় খেয়া পারাপার
পিশাচের ফাঁদে কাঁদে হাহাকার তরঙ্গ উত্তাল,
ক্যাডেটতত্ত্ব (পার্সোনাল ভার্সন)
কোন ক্যাডেট কলেজের ক্যাডেটরা কেমন তা ভালোভাবে বুঝার জন্য আইসিসি কম্পিটিশন কিংবা বিএমএর কোনো বিকল্প নাই ।
দশটি কলেজ নিয়ে দশ রকম গল্প প্রচলিত ছিলো ।(তখনো এফজিসিসি আর জেজিসিসির জন্ম হয় নি )
আজকে অন্য কোন কলেজ নিয়ে বলবো না, নিজের টা নিয়েই বলি । অন্য কলেজের তুলনায় আমাদের কলেজের ক্যাডেটরা কম মাস্তি করে । কেমন জানি, সবাই একটু ভাব নিয়ে থাকে ।
বিস্তারিত»কাঁধে আলতো করে এলিয়ে দেবে মাথাটি
কাঁধে আলতো করে এলিয়ে দেবে মাথাটি
————————————- ড. রমিত আজাদ
তখন আকাশে জোয়ার, ভরা জোৎস্নার,
বাগানের থোকা থোকা হাসনা হেনা ফুলগুলো
অদ্ভুত সুবাশ ছড়িয়ে দক্ষিনা হাওয়ায়
আন্দোলিত হবে পাঁপড়িতে পাঁপড়িতে ।
আমি একা ছাদে পায়চারি করে অপেক্ষা করবো,
তুমি সন্তপর্নে সিঁড়ি বেয়ে উঠে যাবে খালি পায়ে,
যেন কেউ তোমার পায়ের শব্দ শুনতে না পায়।
কেবল আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বুঝতে পারবে,
অতৃপ্তি
একলোক নাকি ভুট্টা তোলায় এক্সপার্ট !!!
তার মনিব তাকে ডেকে বলল, আমার জন্য এই ক্ষেতের সবচেয়ে ভালো ভুট্টা তুলে নিয়ে আসো । কিন্তু তুমি ভুট্টা তোলার সময় কখনো পিছনে তাকাতে পারবে না ।
লোকটি মুচকি হেসে ভুট্টা ক্ষেতে প্রবেশ করলো । প্রথমেই সে চমৎকার একটি ভুট্টা পেলো, কিন্তু তুললো না । কারন সামনে আরো ভালো কিছু দেখতে পেলো । এভাবে এগোতে গিয়ে একসময় ক্ষেতের আইল এসে পড়ল ।
বিস্তারিত»