পান্থশালার সেই মেয়েটি (একটি ট্র্যাজেডি কবিতা)

রাতটা ছিলো ভীষণ রকম শীতের
পান্থশালায় কেউ ছিলো না আর
টিমটিমে এক বাল্ব ছিলো ওই কোণে
সে আলোতেও বাড়ছে অন্ধকার!

হাতে আমার একটা মদের গ্লাস
চারটে বোতল-সবগুলোই খালি
শেষ ফোঁটাটাও চেটেপুটে খেয়ে
আমি তখন বেহুশ হয়ে ঘুমে!

ঠিক তখনই সে মেয়েটি এলো
বাইরে তখন কুঁয়াশায় ভেজা চাঁদ,
আমায় ডেকে তুললো সে ঘুম থেকে
মাতাল আমিও অবাক তাকে দেখে!

বিস্তারিত»

একটি আজাইরা পোষ্ট : ফিরে দেখা

অনেকদিন থেকেই ঠিক করে রেখেছিলাম যেই দিন আমার ৫০তম পোষ্ট আসবে, সেইদিন এই উপলক্ষে একটা পোষ্ট দিবো। তাহলে এক কাজ এ দুই কাজ হবে। নিজেরও একটা পোষ্ট বাড়বে সেই সাথে কলেজেরও। হঠাত খেয়াল করে দেখি গত পোষ্ট টাই ছিলো আমার ৫০তম পোষ্ট। খেয়াল করা হয় নাই।ধুর খেয়াল না করার জন্য আমার ব্যান চাই। :bash:
৫০তম পোষ্টে এসে লিখতে বসে হঠাত পিছনে ফিরে তাকালাম। কি পেলাম ,

বিস্তারিত»

চাক্কা ঘুরায়া দেওয়াল বাওয়া

ঘটনার সূত্রপাত জাহিদ ভাইয়ের পোস্ট থেকে। উনি এনালজি হিসাবে একটা গাড়ির উদাহরণ দিয়েছিলেন। গাড়িটা যদি উপরে উঠতে চায় তাহলে অসীম বল লাগবে এটা ছিল জাহিদ ভাইয়ের দাবী। আমি দ্বিমত করেছিলাম এবং বলেছিলাম এ ব্যাপারে সময় করতে পারলে পোস্ট দেব। আমি আবার খুব কথা রাখা পোলা :p । কথা দিলে কথা রাখি। সুতরাং এই পোস্টটা জাহিদ ভাইয়ের জন্য।

আমি যে প্রশ্নটার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করবো,

বিস্তারিত»

খসড়াঃ নতুন এক্স-ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে উপদেশ পোস্ট

১৭ তারিখের সিসিবির গেট টুগেদারে মজা করার পাশাপাশি প্রথমবারে মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্লগাররা সিসিবিকে কয়েক বছর পর কোথায় দেখতে চান, সিসিবির কি কি করা উচিত, কি করলে ভালো হয় এই ধরণের বিভিন্ন প্রস্তাব পেশ করেছেন। সেগুলো নিয়ে অন্যরা তাদের মতামত দিয়েছেন। প্রস্তাবনার মধ্যে বেশ কয়েকটি সত্যিকার অর্থেই বাস্তবায়নের দাবী রাখে। তারমধ্যে একটি, সদস্যদের পূর্ণাংগ ডেটাবেজ তৈরী। আরেকটি প্রস্তাব ছিল কামরুল ভাইয়ের।

বিস্তারিত»

ভার্টিগো

ডাক্তার যখন বললো আমার রোগের নাম ভার্টিগো, আমি একটু চমকাইয়া গেছিলাম। আমি তো জানতাম ভার্টিগো একটা সিনেমার নাম। হিচককের সেরা ছবির একটা ভার্টিগো। ভাবলাম এতো বেশি মুভি দেখি বলে রোগটাও বাধাইলাম শেষ পর্যন্ত একটা মুভির নামে।
বিছানায় শুয়ে শুয়ে মোবাইলে ইন্টারনেট ঘাটা শুরু করলাম। প্রথম লাইনটা পড়ে আবার চমকাইলাম। লেখা আছে এটা একধরণের ‘স্পিনিং মুভমেন্ট’। আসলেই চার দিন আমার মাথাটাকে শেন ওয়ার্নের হাতের বলের মতো মনে হইছে।

বিস্তারিত»

জমজমাট সিসিবি আড্ডা

রিকশায় করে কাইয়ূম ভাই আর আমি যখন এবিসি অফিসের নিচে গেলাম ঘড়ির কাটা তখন সাড়ে চারটা ছুই ছুই। আমাদের আগেই দেখি একটা নতুন জামাইয়ের মতো পাঞ্জাবি পরে জিহাদ আর খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি নিয়ে মুহাম্মদ দাঁড়িয়ে গল্প করছে এডজ্যুট্যান্ট ইউসুফ ভাইয়ের সাথে। পিছনের রিকশায় ছিলো ব্লগের আসল জামাই মাস্ফু আর রেজোয়ান। ওরা এসে পৌছানোর পর ওখানে দাঁড়িয়েই গল্প শুরু হয়ে গেলো। ইউসুফ ভাইকে লাইটার দিয়ে একটা বেনসন ধরিয়ে দিলাম,

বিস্তারিত»

ড্রাফট সংরক্ষণ

(লেখাটার এই নামকরণ কেন করলাম কে জানে… নামের মতই পুরো লিখাটাই আবোল তাবোল লিখা, কীবোর্ডে অযথা খুটখাট শব্দ তোলা)

গতকাল রাত্রিতে বারবার ঘুম ভেঙ্গে গেলো, যতোবার ঘুমাই ততোবার একই স্বপ্ন হানা দেয়, আর ঘুমটা যায় ভেঙ্গে। স্বপ্নটা আজব কিসিমের, না ভয়ের, না সুখের, না হাসির। যদিও স্বপ্নে আমি বহুত কাদছিলাম কিন্তু… হু বরং ভরং বাদ দিয়ে বলি কি দেখলাম। দেখি যে আমার মা আমার ছোট বেলার সব খেলনা গাড়ীগুলো ফেলে দিয়েছে,

বিস্তারিত»

যখন কয়েকজন বালক তাদের হৃদয় হারিয়েছিল

০১।
সব জিনিস বুঝতে যেহেতু আমার একটু টাইম লাগে। তাই কলেজে যাবার আগে যাবতীয় দুষ্ট কাজ সম্পরকে আমার ধারণা ছিল শূণ্যের কোঠায়। কিন্তু এরকম হলে কিন্তু অসুবিধারও শেষ থাকে না। যেমন কলেজে যাবার দিন দুই বা তিনেক পর রাতে লাইটস অফের আগে দিয়ে রুমের বাইরে বের হয়েছি, ঠিক এই সময় দেখি জুনিয়র হাউস প্রিফেক্ট ফেরদৌস ভাই ডাক দিল- এই ক্লাস সেভেন ডাবল আপ। দৌড়ে কাছে যাবার পর দেখি আর কিছু ক্লাস ইলাভেন দাড়িয়ে আছে (তবে এদের মাঝে তানভীর ভাই বা তারেক ভাই এর মত ভাললোক ছিলেন কিনা খেয়াল নেই) 😉

নিন্তাতই নাবালক আমার জন্য প্রথম প্রশ্ন- ফর্ম কোনটা?

বিস্তারিত»

আউলা চিন্তা – নোবেল, অস্কার নাকি জাস্ট সুগার, কি চাই?

(ভাইরে, এই সিরিজে অনেক সমস্যা আছে, এক নম্বর সমস্যা হইলো গিয়া, গুরু-চন্ডালী দোষে দুষ্ট, প্রমিত, নন-প্রমিত, কথ্য, বাংলিশ সব মিল্লা-ঝিল্লা গেছে, দুই নম্বর সমস্যা হইলো গিয়া অনেকে মাইন্ড খাইতে পারেন বক্তব্যের শানে-নুযুলে, খাইলে খান, নিজ দায়িত্বে, যে গরম পড়ছে, তিন নম্বর সমস্যাটাই আসল, কোন বক্তব্য নাই, আজাইরা পোষ্ট)।

১।
“সমস্ত দিনের শেষে, শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে,
ডানায় রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;

বিস্তারিত»

শুভ নববর্ষ

সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা।
অতীতের গ্লানি, ব্যথা, ব্যর্থতা জরা সব মুছে গিয়ে সবার জন্য শুভ হোক ১৪১৬ সাল।

বিস্তারিত»

ক্রিকেট

১৯৮৯ সালে আমার বয়স ১০ ছুই ছুই করছে।পাড়ার আর সব ছোটোদের মত হাফ প্যান্ট পরে আমিও আউটার স্টেডিয়ামে বল টুকিয়ে দিতে যেতাম।দুর্দান্ত গতিতে ছুটে আসা বল টি পা দিয়ে ঠেকাতে যেতেই কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঠক করে একটা সব্দ শূনতাম।আর একটু পরেই বুঝতে পারতাম বলটি আমার পায়ের গোড়ালিটিকে থেতলে দিয়ে গেছে।বড় রা ছুটে এসে আমায় প্রথমে বকা দিত,তারপর বল ধরার টেকনিক(লং বেরিয়ার) টা শিখিয়ে দিত।ব্যাথা পেলেও ক্রিকেট বলটির প্রতি একটা দুর্দান্ত আকর্ষন কাজ করত।মনে মনে ভাবতাম জীবনদার মত আমিও কি কোনদিন পারব এই বলটিকে মেরে স্টেডিয়ামের বাইরে নিয়ে ফেলতে।

বিস্তারিত»

কিলাত ক্লাব মাঠ থেকে চৌ… জা … শরাফাত

হুম, ১৯৯৭ সালে চৌ… জা … শ … এই ভাবে শুরু করতেন। খেলার সম্পর্কে আহসান লিখেছে , আসলেই সেই দিনটা অনেক মজার অনেক
আনন্দের ছিল। এমনকি সে দিন চৌ… জা … শ চেচামেচি ও অনেক ভাল লেগেছিল। শেষ ওভারে, ব্অল খানি ব্যাটে লাগলেই চৌ… জা … শ এর
চিৎকার “বল চলে যাচ্ছে সিমানার দিকে ……… (জোরে), কিন্তু না ওখানে আছেন মরিস উদুম্বে …

বিস্তারিত»

যেদিন আমার মৃত্যু হলো ……………

সংবিধিবদ্ধ সতর্কিকরন – জাতি, ধর্ম, বর্ণ, মত – কাউকে আঘাত দিতে লিখিনি। আঘাত পেলে ক্ষমা করে দেবেন। এটা আমি আমার কল্পনা থেকে লিখেছি, এই চরিত্রগুলো বাস্তব নয়। কেউ যদি চরিত্র বা ঘটনার মধ্যে বাস্তব কিছু খুজে পান, সেটাকে পাঠকের কল্পনাশক্তির বিশালত্ব হিসেবে গন্য করা হবে।
—————
আগের গল্প ——-
একজন অসুস্থ মানুষ
ও, আমি এবং আমরা ……

প্রতিদিন ঘুম থকে উঠে সবাই একটা ছক করে নেয়,

বিস্তারিত»

হৃদয়ের অকস্মাৎ আবেগমিশ্রিত আনন্দতাড়িত উপলব্ধিময় অনুভূতি

দেবালয় থেকে স্বর্গশিশু যদিওবা ভবভূমে পদার্পণ করে তা সত্ত্বেও তার অপূর্ব শ্রী দর্শন চর্মচক্ষে সবার পক্ষে সম্ভবপর হয়না।তবে কিছু কিছু অনন্যসাধারণ প্রতিভাধর সূত্রধর তরুণ তাদের মনীষামণ্ডিত লেখনির মাধ্যমে সে বিস্ময়কর দৃশ্যবলি আমাদের সাধারণ চোখে মর্তে বিরাজমান সুনিপুন ভাষ্কর্যের আকারে উদ্ভাসিত করে তোলেন।তাঁদের স্বর্গীয় ভাষা যদিওবা আমার মত অকালকুষ্মাণ্ডের মস্তিষ্কের উচ্চতর কক্ষের কেদারায় বিশ্রামটুকুও না নিয়ে পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে যায়,তদাপি এঁদের প্রতিভার জাজ্বল্যমান বিচ্ছুরণ প্রত্যক্ষ করে বিস্ময়াভিভূত না হয়ে পারিনা।মহাকাব্যিক ভাষাশৈলী,অনির্বচনীয় ভাবাবেগ এবং নীরব ঘাতকের দক্ষতায় এঁরা বুদ্ধিমত্তায় উচ্চ শিখরে অবস্থানরত মানবকুলের অন্তরকে বিকশিত করে অন্তরতর পর্যায়ে নিয়ে যান-আমরা মর্কটজাত শিশুকুল কেবলমাত্র বিমহিতই হয়ে রই।

বিস্তারিত»