সরকার ফেসবুক বন্ধ করসে খুব ভাল করসে!পোলাপাইনের কাম নাই-কাজ নাই…সারাদিন এই ফাউল সাইটে বইসা গ্যাজায়!শুধুশুধু সময়ের অপচয়…এই কথা আমিও বিশ্বাস করি।কিন্তু ফেসবুক ছাড়া আর কোথাও শান্তি পাই না!কলেজ থেকে বের হইসি গত ২৪ তারিখ,পোলাপাইনরে খুব মিস করি!তবু খুব মজা লাগে সবাই ফেসবুকে দেখা সাক্ষাত করতে!কিন্তু কী থেকে কী হলো সন্ধ্যা থেকে ঢুক্তে পারতেসি না…প্রথমে বুঝি নাই কাহিনী কি!বুঝলাম সামুতে ঢুকে।তখন থেকেই হাজার হাজার পোস্ট কেমনে এফবি তে ঢোকা যায়!এর মধ্যে সবচেয়ে ইজি প্রসেস আসতে রাত ২ টা বাজছে।খালি এক সেকেন্ডের মামলা…http এর পর খালি একটা s বসায়া দেন!মানে এড্রেসটা হবে https://www.facebook.com …এই তো!আমি ফেসবুকে ঢুকসিলাম বাট মজা নাইক্কা!কজ পোলাপাইনই নাই।ওরা তো আর জানে না…মোবাইল দিয়া ঢোকে কিছু পাবলিক আছে…যাই হোক যারা ফেসবুক মিস করতেসেন ……আসেন…সরকার তো ফেসবুক আটকাইতে চায়…কিন্তু এইটা তো আর ক্যাডেট কলেজ না।আর ক্যাডেটদের আটকানো যায় নাকি?…চামে আমার প্রোফাইলটাও দিয়ে দেই…পারলে একটা রিকোয়েস্ট মাইরেন!
বিস্তারিত»সাময়িক পোস্টঃ ফেসবুক বন্ধ
এক কিপটে বালকের গল্প
এক ছিল বালক। আপন খেয়ালে সে ঘুরে বেড়াত মাঠ-ঘাট, বন প্রান্তরে। একটু কিপটে ছিল, তবে তাতে তেমন কোন দোষ দেখি না। তার চোখ জুড়ে ছিল অসম্ভব কল্পনার রঙ। কিপটুস হলেও মনটা ছিলো ভালোবাসায় ভরপুর। মাঝে মাঝেই সে বলতো, এ ভালোবাসা আমি কাউকে দেবো না, কেবল নিজের বুকপকেটেই হুড়কো তুলে আটকে রাখবো। যদিও বালক নিজেও বুঝতে পারেনি, কোন এক চন্দ্রাহত রাতে মায়ার বাতাসে উড়ে বুকপকেটের ভালোবাসাটুকু ভাগাভাগি হয়ে জমা পড়েছে অন্য কিছু মানুষের মনে।
বিস্তারিত»কালপুরুষ
ক্লাস এইটে থাকার সময় হঠাৎ করে আমাদের ব্যাচের আকাশে ধূমকেতুর মত কতিপয় মহান কবির আবির্ভাব হল। তারা একেক জন একেক ডাইমেনশনের কবিতা লিখে বাংলার কাব্যকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। এদের মধ্যে রাসেল ছিল চারন কবি। যেকোনো বিষয় নিয়ে যেকোনো সময়ে খাতা কলমের ধার না ধেরে চোখের নিমিষে কাব্য রচনা করতে পারত আমাদের এই চারন কবি। জামান এবং হাসান ছিল সত্যেন্দ্রনাথ ঘরানার কবি, ছন্দ না মিলিয়ে তারা কোনো লাইন লেখাকে কবিতার অবমাননা মনে করত।
বিস্তারিত»গন্তব্য বেইজিং
“জ্ঞান অর্জনের জন্য সূদুর চীন দেশেও যাও।” এই কথা মেনে চীন এ সরকারী একটা কোর্সে এসেছি ৫ মাসের জন্য। এই কোর্সের সময়ের ঘটনা নিয়ে লেখার ইচ্ছা অনেকদিন ধরে থাকলেও লিখব লিখব করে লেখা হয় নাই। যদিও আমার লেখা সুখপাঠ্য তো নয়ই এমনকি পাঠযোগ্য ও নয়। তারপরও আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
কবীরকে যখন ফোন এবং মেইল এ চায়না আসার পর আমার অনুভূতি জানালাম; তখন ও বলল,
বিস্তারিত»১০ নম্বর মহাব্লগ সংকেত!
১.
………..ইহা মূলত একটা কৃতজ্ঞতামূলক পোস্ট। যে ছেলে জীবনে কোন ধরনের ম্যাগাজিনে কোন মৌলিক লেখা দেয়নি, পরীক্ষার খাতায় একগাদা চাপাবাজি ছাড়া ভালো কিছু লিখেনি, সে যে কীভাবে একে একে ১০টা ব্লগ লিখে ফেলল, সেটা খুবই আশ্চর্যজনক। অবশ্য এতে আমি নিজে ছাড়া আর কেউ আশ্চর্য হবে, এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই। সারাজীবন খালি কোন একটা কাজ পেলেই সেটা কিভাবে এড়ানো যায় সেই রাস্তা খুঁজেছি আর এখন ব্লগিং এর নেশায় রাতের ঘুম হারাম করে সবার লেখা পড়ি ও মাঝে মাঝে স্মৃতির ঝাঁপি খুলে নিজেও কিছু কথা শেয়ার করার চেষ্টা করি।
শুভ জন্মদিন…
শুভ জন্মদিন “মিলেনিয়াম” ইনটেক (২০০০-২০০৬ ইনটেক)।আজকে ২০০০-২০০৬ ইনটেক এর ক্যাডেট কলেজে ১ম যাবার দিন। তার মানে আমাদের জন্মদিন।আজ থেকে ঠিক এক দশক আগে আজকের এই ২৫শে মে তে নতুন করে জন্ম হয়েছিল একদল কিশোর-কিশোরীর।হ্যা ঠিকই পড়েছেন,আমার কাছে এইদিনটি নতুন করে জন্ম নেয়ার মতই।
শুভ জন্মদিন… বন্ধুরা আমার। :party: :hug: :thumbup: 😡
আজ স্বীকার করতে লজ্জা নেই যে প্রথমদিনে দুই চোখ ভরা জল নিয়ে ভয়ে ভয়ে কলেজে গিয়েছিলাম এবং এতোগুলো অপরিচিত মুখ দেখে আবার মায়ের সাথেই ফিরে যেতে চেয়েছিলাম।
অপরিচিতা (শেষ পর্ব)
লঞ্চ থেকে নামার সময় দেখি পুনম ঘুমাচ্ছে।ডেকে তুলে দিলাম।
ট্র্যাভেল এজেন্সির মাইক্রোতে করে আমাদেরকে আবার নিয়ে যাবার কথা। তাই করল তারা।আবার কলাতলি ফিরে এলাম। বাসের টিকেট করলাম। এবার দশটা টিকেট। বাস রাত সোয়া দশটায়।
আমরা খেয়ে নিলাম বৈশাখী রেস্টুরেন্টে। লিয়া আর পুনম ওয়েটিং রুমে বসল। আমরা বাইরে ঘুরতে বের হলাম।
সাড়ে সাতটার মত বাজে। এখনো অনেক সময় বাকি আছে। সবাই ভাবছি কি করা যায়।
ফ্ল্যাশব্যাক ০৮
১। গত ডিসেম্বরে এফসিসি রিইউনিয়নে আমরা ব্যাচেলর পার্টি গিয়েছিলাম মাইক্রো নিয়ে।আসার সময় টাকা পয়সার হিসাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে মতবিরোধ।দুইজনই জাহির করছে সেই ভাল বুঝে হিসাব কিতাব(অবশ্য দুইটাই আর্টস পার্টি হওয়ায় আমরাও খুঁচাচ্ছি)। একজন বললো,জ়ানিস?আমি একাউন্টিং এ মেজর ছিলাম।আরেকজন কে ত তার উপরে পার্ট নিতেই হইব।সে বললো তুই যদি মেজর হস তাইলে আমি কর্ণেল।অবশ্য একাউন্টিং এ কর্ণেলই শেষপর্যন্ত জয়ী।হবেইনা বা কেন, কর্ণেল এর সাথে কি মেঈঈঈঈজাআআর পারে?
বিস্তারিত»একজন পর্বতারোহী ও কিছু কথা ৬
02-12-09
আজ দুই দিন পর ডাইরি লেখার জন্য একটু টাইম পেলাম। বেইস ক্যাম্পের জীবনটা সব মৌলিক চাহিদায় এসে আটকে গেছে, তেমন কোন চাওয়া পাওয়া নেই যেন আপাতত শুধু আদেশ পালন করা ছাড়া। কিছুটা যম্বি টাইপের ভাব চলে এসেছে আমার মধ্যে হটাত হটাত মনে হয়। তবে, বিকালের লেকচার ক্লাস শেষ হওয়ার পরে ফ্রি টাইম ঘোষণা করা হলে মনের মধ্যে এক অন্য ধরণের আনন্দ অনুভব করি ,
মডারেট মুসলিম
[সন্মানিত পাঠকদের প্রতি বিনীত অনুরোধঃ এ বেলা ব্যস্ততা থাকলে নিবন্ধটা পড়া শুরু না করার জন্যে বিশেষ অনুরোধ রইলো। নিবন্ধটা অনেক বড়। বিশ্লেষনগুলোও কিছুটা সুক্ষ্ণ। কাজেই হাতে খানিকটা সময় নিয়েই নিবন্ধটা পড়া শুরু করার জন্যে সবিশেষ অনুরোধ রইলো।]
প্রথমেই পাঠকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আমার ইচ্ছাকৃত কিঞ্চিত অসততার জন্যে। কেননা, এই নিবন্ধটার আরও যথার্থ শিরোনাম হওয়া উচিত ছিল, ‘মডারেট ধার্মিক’। তবে আজ-কালকের বাজারে প্রচার মাধ্যমগুলোর বানিজ্যিক সফলতায় ‘মুসলিম’ শব্দটার গন্ধ থাকাটা এতটাই জরুরী ও অপরিহার্য হয়ে পড়েছে যে,
বিস্তারিত»একাত্তরের একলব্য
মহাভারতের একলব্যের গল্প আমরা অনেকেই জানি।তৎকালীন সময়ের শ্রেষ্ঠ অস্ত্রগুরু ছিলেন দ্রোণাচার্য যিনি কেবল উচ্চবংশীয় রাজপুত্রদের যুদ্ধবিদ্যা শিক্ষা দিতেন।দুর্যোধন থেকে অর্জুন-মহাভারতের শ্রেষ্ঠ বীরগণ অধিকাংশই এঁর শিষ্য।শূদ্র বংশীয় রাজপুত্র একলব্য দ্রোণাচার্যের কাছে অস্ত্রশিক্ষা করতে চাইলে নিম্নবর্ণের অজুহাতে তিনি তাকে প্রত্যাখ্যান করেন।
ভগ্নহৃদয় একলব্য পরবর্তীতে গভীর জঙ্গলে দ্রোণাচার্যের মূর্তি গড়ে সেটিকে গুরুর সম্মানে পূজা করে নিজে নিজেই কঠোর প্রশিক্ষণে আত্মনিয়োগ করেন।এভাবে বহুদিন কেটে যায়-ঘটনাক্রমে একদিন দ্রোণাচার্য তাঁর শ্রেষ্ঠ ছাত্র অর্জুনসহ বাকিদের নিয়ে সেই বনে হরিণ শিকার করতে আসেন।তাঁর পোষা কুকুরটি হরিণের পিছু পিছু বনের ভিতরে ছুটে যেতে যেতে একসময় হারিয়ে যায়।কুকুরের কান্নার শব্দ শুনে দ্রোণাচার্য এবং তাঁর শিষ্যরা বনের ভেতরে একটি কুটীরের কাছে উপস্থিত হয়ে দেখেন-সাতটি তীরের মাধ্যমে কুকুরটিকে পাশের অশ্বথ গাছের সাথে এমনভাবে গেঁথে ফেলা হয়েছে যে তার গায়ে বিন্দুমাত্র আঁচড় লাগেনি কিন্তু সেটি কোনভাবেই নড়াচড়া করতে পারছেনা।
বিস্তারিত»ঊনত্রিশ-‘দ্যা টুয়েন্টি নাইন’: কার্ডের একটি খেলা!!
(ডিসক্লেইমারঃ যারা টুয়েন্টি নাইন খেলার নিয়ম জানেন না, তাদের কাছে এই পোষ্ট বিরক্তিকর লাগতে পারে। আগাম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।)
-‘ট্যাঁ ট্যাঁ ট্যাঁ…’
-‘কিরে হালা, অমন করস ক্যান?’
-‘সানাই বাজাই…খিকজ…’
-‘শিট্, তোর কাছে ম্যারেজ আছে?’
-‘আবার জিগায়…খেলা তাইলে তেইশে এ গেল গা…’
-‘কোন ব্যাপার না, এমন টেকনিক্যাল খেলা দিমু…’
-‘মামা, এই খেলা তুলতে টেকনিক্যাল না এক্কেবারে গাবতলী টাইপ খেলা দিতে হইব…মু হা হা…’
আমি শুভর দিকে বোঝার চেষ্টা করলাম ওর হাতের কি অবস্থা,
বিস্তারিত»রাজনৈতিক ছড়া- ‘ছাত্রনেতা’
এক চুমুকে চা শেষ করে, কষে দেবো বক্তৃতা
হাত-পা খিঁচে, ঝাড়বো কেশে- রাজনীতির ঐ ছককথা।
ডিম-পরোটা, ডাল-ভাজি, সাথে কলিজা আর লটপটি
সকাল বেলার নাস্তা আমার, মিষ্টি-ঝালে চটপটি।
পেটটি আমার খালি গেলে- হারিয়ে ফেলি কথার খেঁই
কথার ঝাঁঝে আগুন জ্বালাই- পড়লো পেটে খাবার যেই।
‘আগুন জ্বালো’, ‘আগুন জ্বালো’- জ্বালাই আগুন চারিধার
দিচ্ছে আলো প্রদীপখানা, গোড়ায় কিন্তু অন্ধকার।
মাস পেরিয়ে বছর গেলো,
দুই দাড়িওলা-ফ্রয়েড ও মার্ক্সের গোপন প্রেম ও আমাদের চিঠিঃ পুরোনো প্রেমিকার নতুন প্রেমিকটিকে
জেগে আছে ঝাউপাতা আর সব বাদামী প্রেমিকেরা
এখন তীব্র নীল হয়ে কবির লেখার খোরাক জোগায়
মৃদু আলো জ্বেলে মৌমাছিরা জোনাক সেজেছে
কবিদের কাছে তার প্রিয় আবদার
“মেঘ থেকে জল এনে দাও,ভাত ফোটাই”
অতঃপর দরোজার কাছে অবহেলে পড়ে থাকা পুরোনো জুতো,ময়লা মোজা,ভাঙা ডাস্টবিন ভরা ছুড়ে ফেলা কাগজের দলা,দেয়ালে এটে থাকা ডিম ভরা পেটের কুৎসিত টিকটিকি,পুরোনো বছরের ক্যালেন্ডার আর মাকড়সার জালে অন্ধকার ছাদ,নিচে ঘুণে ধরা কাঠের টেবিলের উপর নিউজপ্রিন্ট কাগজ নিয়ে কবি লিখছেন তার পুরোনো প্রেমিকার নতুন প্রেমিকটিকে-
“এসো,আমরা পিঠে পিঠ ঠেকিয়ে বসি
অথবা একটা ট্রেঞ্চ খুড়ে-যে রকমভাবে
যুদ্ধরত সৈনিকেরা শত্রুর মুখোমুখি কাঁধ ঠেকিয়ে দাঁড়ায় সাহসী
অথবা পলিড্যামাস ভাইদের মত-দু’জনে পাশাপাশি সিংহাসনে
মুখ্যত আমরা তো আসলে একজন নারীকে শাসনের ব্যাপারে কথা বলবো
আমার পুরোনো প্রেমিকার নতুন প্রেমিক-অথবা ভৃত্য
আমি কঠিন কবিতা লিখবো না,কবিতার নামে আসলে তোমাকে
একটি ম্যাসেজ পৌছে দিচ্ছি,সহস্র বছরের পূর্বপুরুষেরা যেরকম
আমাদের দিয়ে গেছেন পথনির্দেশিকা,সহজ চলার পথ অথবা
একটি সার্বজনীন মেড ইজি সলিউশান।
বিস্তারিত»