কি ভাবছেন? আমি ভুল করে একুশে না লিখে পঁচিশে ফেব্রুয়ারী লিখেছি? উত্তরটা অতি শীঘ্রই জেনে যাবেন। আজ আমি সিসিবি তে প্রথম লিখছি….. তাও আবার বাংলায় ! আজ থেকে প্রায় তিন বছর আগে আমাদের এখানে একটি লোকাল অনুষ্ঠান পরিচালনা করার দায়িত্বটি আমার উপর ন্যস্ত হলো। কোরাসের জন্য বাছাইকৃত গানগুলো স্বহস্তে লিখার পর ফটোকপি করার দায়িত্বটিও আমারই উপর অর্পিত হলো। যখন “মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম, মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল”
বিস্তারিত»“পাঙ্কু মিঁয়ার চেঙ্কু গল্প”
সব দিনই যাবে ভালো
এও কখনো হয়?
পাঙ্কু মিঁয়ার চেঙ্কু গল্প
এই কথাটাই কয়!
আগে ছিলো ছাত্রদলে
এখন করে লীগ
উপরি আয় ছিল যে ঢের
লিঙ্কটা অনেক বিগ।
বায়োমেডিকেল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের গবেষণা প্রদর্শনীতে আমন্ত্রণ
পহেলা জুলাই, বৃহস্পতিবার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বায়োমেডিক্যাল ফিজিক্স এণ্ড টেকনোলজি বিভাগ মেডিক্যাল ফিজিক্স নিয়ে বিভাগের গবেষণা, গবেষণার অগ্রগতি ও প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি সবার সামনে তুলে ধরার জন্য একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। মেডিকেল ফিজিক্সে অধ্যাপক সিদ্দিক- ই- রব্বানীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে গর্ব করার মতো প্রচুর কাজ হয়েছে, সেগুলো দেখে তরুন গবেষক সহ অনেকেই প্রেরণা পাবেন বলে আমি মনে করি। প্রদর্শনী চলবে সকাল দশটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত,
বিস্তারিত»সিলভার জুবিলি…
নাহ,প্রিয় ভাইবোনেরা-এইটা সিসিবির সিলভার জুবিলি না।কিন্তু এই সিলভার জুবিলির মাজেজাও কম না।আজ থেকে ২৫ বছর আগে এই দিনে ঘটেছিল এক মর্মান্তিক ঘটনা।সিসিবির স্বনামধন্য প্রিন্সিপাল,আমাদের ব্লগের এমপি,বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং আমরা যারা চারাগাছ তাদের মাথার উপর মহীরুহরূপে যিনি ছায়াদান করেন, সেই জনাব সানাউল্লাহ লাবলু ওরফে আমাদের সানা ভাই এই দিনে কোরবানী হইয়াছিলেন।
চলুন দেখা যাক এই বিধ্বংসী ঘটনায় খোমাখাতায় কিরকম পাবলিক রিএ্যাকশান হচ্ছেঃ
সানা ভাইঃএকটা অন্যরকম দিন।
বিস্তারিত»যা শুনলাম, যা বুঝলাম
গতকাল সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠলাম। ব্রাজিল আর পর্তুগালের খেলা মিস করা যাবে না। তড়িঘড়ি করে কিচেনে টোষ্ট আর চা রেডি করছি। রুমমেট চার্লি হটাৎ জিজ্ঞাসা করলো, টরন্টো যাচ্ছো নাকি? মনে মনে বললাম, সকাল সকাল মাথা নষ্ট নাকি? তারপর খেয়াল হলো, জি-৮ / জি-২০ সামিট। এইটা নিয়ে স্টুডেন্ট ইউনিয়নে বেশ শোরগোল কদিন থেকে। অনেকেই অটোয়া থেকে সামিট প্রটেস্ট করতে টরন্টোমুখী।
বিস্তারিত»ছানাকাব্য
আজ মেঘ সেজেছে তোর রঙে
তোর দুষ্টু হাসি ; ফিরে একটু দেখা
তোর কাজল চোখে অভিমানের ছায়া
ভীড় করছে স্মৃতি এই মনে;
আজ মেঘ সেজেছে তোর রঙে…
ব্যস্ততা
টিলাটার ওপরে দাঁড়ালে এক পাশে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বাড়িগুলো চোখে পড়ে। আমার খুব প্রিয় জায়গা এটা। প্রকৃতির একেবারে কোলের কাছে নিজেদের আস্তানা গড়ে নেয়া এইসব মানুষগুলোকে মাঝে মাঝে আমার ভীষণ হিংসা হয়। নাগরিক জীবনের ব্যস্ততায় যখন নিঃশ্বাসটা আটকে আসতে চায় তখন নিজেকে আবার ফিরে পাবার আশায় টিলাটার ওপরে এসে বসে থাকি, আর ঐ বাড়িগুলোকে দেখি। সত্যিই ভীষণ হিংসা করি ঐ বাড়িগুলোর বাসিন্দাদের। সারাদিন জীবিকার তাগিদে ঘুরে বেড়ানো মানুষগুলো যখন দিনশেষে বাড়িতে ফেরে,
বিস্তারিত»অনেকদিন পর কবিতা:হাত বাড়িয়ে কার হাতে ছুঁই……?

অনেকদিন পর কবিতা!কোচিং এর জন্য ঢাকায় থাকি।ঢাকায় আসার পর আজকাল কবিতা লেখা হয় না।কলেজে থাকতে সবকিছু খুব সহজ মনে হত,বিছানায় শুয়ে অলস কল্পনায় যা হয় আর কি!ভাবতাম পাবলিক লাইব্রেরিতে চলে যাব,আজিজ মার্কেটে ঘুরাঘুরি করবো,লিটল ম্যাগে লিখবো!পড়াশোনার ব্যস্ততায় কিছুই করা হয় না।লেখক শিবিরের একটা পাঠচক্র ছিল গত সপ্তাহে,পোলাপাইন যেতে বলছিল…ক্লাসের জন্য যাওয়া হলো না!টি এস সি তে ভাইয়ারা আড্ডায় যেতে বলে…যেতে পারি না!সারাজীবন যে স্বপ্নগুলো দেখে আসছি,এখন হাতের কাছে রেখেও তার কাছে পৌছা হয় না!ভার্সিটির হলে থাকি,কোচিং করতে যাই ফার্মগেট…সারাদিনে কাজ এ দুটো ঘিরেই।অপরাজিতের অপুর সাথে জীবনকে মেলাবার চেষ্টা করি অবচেতনে।মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছা করে লিখতে।দু’একটা লাইন হয়ত লেখা হয়…পরে আর আগানো হয় না!তবুও শেষ পর্যন্ত একটা লেখা হয়েই গেল!
বিস্তারিত»আমার এবং আমাদের সন্তানের জন্য আমার শিক্ষানীতি -২
: মামনি, বল, এ ফর এ্যাপেল, বি ফর বল, সি ফর ক্যাট, ডি ফর ডগ। কি হল, বলছনা কেন, বল…এখন খেলা রাখোতো, বল…
হাতের পুতুলটি কে নিয়ে খেলতে খেলতেই শিশুটি বলল,
: মা এ ফর এ্যাপেল মানে কি?
: এত মানে বঝার দরকার নাই, আমার সাথে বল, এ ফর এ্যাপেল…
: মা, “এ” মানে কি?
: আহহা, বড় বেশি জ্বালাতন করছ…
ভালোবাসার ঋণগ্রস্থ এক আমি…
সিসিবি পরিবারের সবাইকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গতকাল মাস্ফু আমাকে ফোন করেছিল। ওর সাথে আমার পরিচয় হবার পর থেকে বিভিন্ন উপলক্ষে বা যে কোন পার্বনে আমাকে ফোন করতে ওর ভূল হয়না। আমি নিজেও জানতাম যে মাস্ফু আমাকে এই দিনটিতে ফোন করবেই। ফোনে কথা শেষ করার ঠিক আগে অন্য সব সময়ের মতই ও বলেছিল, “সিসিবি’তে ঘুড়ে যেয়েন।”
বিস্তারিত»কমান্ডো-কথন
মানব চরিত্র অসংখ্য বৈপরীত্যের সমন্বয়,একে বোঝা আসলেই অনেকটা অসম্ভবের পর্যায়ে পড়ে।আমার এই সাড়ে পঁচিশ বছর বয়েসের ক্ষুদ্র মানব জীবনে অনেক রকমের মানুষের মুখোমুখি হয়েছি।এঁদের কেউ কেউ এমন দাগ কেটেছেন যে কোনভাবেই ভোলা সম্ভব নয়।
২১ ডিসেম্বর, ২০০৮ সাল-আমার ২৩ তম জন্মদিন। নর্থ সাউথের বান্ধবী শাপলাকে নিয়ে বুমার্সে মধ্যাহ্নভোজ করছি।হঠাৎ অদ্ভুত একটা এসএমএস এল-“পাগলা, শুভ জন্মদিন-আমি এখন আকাশে ঝুলছি- আর আকাশ থেকেই তোকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।”
বিস্তারিত»সম-অধিকার চাই (বাবা দিবসের দাবী)
আইজকা নাকি হ্যাপি বাবা দিবস। অথচ কোন ব্লগানি নাই।
এর আগে নারী দিবস, মা দিবসে কত কত কথা, কত কত পোস্ট। অথচ বাপদের নিয়া কোন কথা নাই, কোন পোস্ট নাই। মনে হয় দুনিয়ার সব বাপ বানের জলের মত ভাইসা আইছে।
আসলেই ইন্সাফ বইলা কিচ্ছু নাই।
আমার বাপজান বাইচা নাই, যতদিন বাইচা ছিল, কুনু দিন মহব্বতের কথা হয় নাই। কথা বার্তা সব ছিল যুদ্ধ কেন্দ্রিক,
বিস্তারিত»মুসলিম ইন আমেরিকা-৪ঃ স্ট্যান্ড-আপ্ কমেডি
মুসলিম ইন আমেরিকা-১
মুসলিম ইন আমেরিকা-২
মুসলিম ইন আমেরিকা-৩
“America was built by the Immigrants”-আমেরিকাতে এই উক্তিটি বহুল আলোচিত এবং সর্বজনবিদিত। আমেরিকাকে গড়ার ক্ষেত্রে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব অভিবাসীদেরই কম-বেশি অবদান রয়েছে। নতুন অভিবাসী হিসেবে এখানে যারাই এসেছে, তাদের সবাইকেই এখানে প্রথম প্রথম একটি সংকটময় সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। ১৬০০ এবং ১৭০০ শতকের দিকে যারা এখানে আসে,
বিস্তারিত»ব্রেকিং নিউজঃ
প্রিয় সিসিবির ভাইবোনেরা-এইমাত্র আমাদের সবার প্রিয় এবং ব্লগের “জাতীয় মামা” তাইফুর ভাইয়ের কাছ থেকে একটা এস এম এস পাইলামঃ “You can now edit my name in your cell phone as Major taif”। ফোন দিয়ে জানলাম উনি এখন ঢাকায়,এইমাত্র র্যাঙ্ক পরে বের হলেন।
ভাই-বোনেরা আমার, এর পরেও আমাদের কালাকুর্তা তাইফুর মামাকে ছিল না দেয়াটা কি আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ হয়ে যায়না??? এর আগেও মেজর টুশকি সায়েদ ভাই আমাদের ফাঁকি দিয়েছেন- চলেন সবাই সিসিবির এই দুই মেএএএএএএএএএএইইইইইইইইইইইইইইইজাআআআআআআর ,বিশেষ করে কালাকুর্তা মামাকে ধরে বি-শা-ল একটা ছিল দেই।
বিস্তারিত»আমার এবং আমাদের সন্তানের জন্য আমার শিক্ষানীতি
পড়াশুনা এবং পাঠ্যপুস্তকের প্রতি অনীহা আমার বরাবরই। অন্যান্য বাবা মায়ের মত আমার মা বাবা ও দাবী করেন যে ছেলেবেলায় আমার ব্রেইন নাকি দারুণ সার্প ছিলো। ক্লাস ফোরের পর্বশেষ পরীক্ষার আগের সন্ধ্যার ঘটনা, মা সিলেবাস হাতে নিয়ে দেখেন আমি কিছুই পারি না। খুব স্বাভাবিক ভাবেই প্রচন্ড রাগারাগি করলেন এবং এক পর্যায়ে যথারীতি আমার উদ্ধারকারী জাহাজ “হামজা” অর্থাৎ আমার বাবা এসে আমাকে মায়ের বকুনীর হাত থেকে রক্ষা করে নিয়ে গেলেন।
বিস্তারিত»