অভিবাদন বাংলাদেশ…

‘মিডিয়া এক্সপ্লোরেশন’ নামে আমাদের একটা বিষয় পড়ানো হয়। পড়তে খুবই বিরক্তিকর। এবং ঘুমবান্ধব। বড় একটা গ্যালারীতে তিন সেকশনের একসাথে ক্লাস হয়। শীতের দিন সকাল বেলা এই ক্লাসে গিয়ে ঘুমানোর আনন্দ সীমাহীন। গত ব্লক ঘুম দিয়ে বেশ ভালভাবেই পার করেছি। সমস্যা হয়েছে এই ব্লকে এসে।

‘ডরিক গ্রিট’ নামের এক ভদ্রলোক এই বিষয় পড়ান। চমৎকার একজন মানুষ। একদিন কী মনে করে এই লোক আমাকে ক্লাসে দাঁড় করিয়ে বলেন,’তোমার দেশের খবরের ধরনের সাথে এই দেশের(হল্যান্ড) খবরের ধরনের পার্থক্য বল’।

বিস্তারিত»

যাচ্ছে জীবন – ৪

গত দশ পনের বছরে ঢাকা অনেক বদলিয়ে গিয়েছে। চারদিকে এত্তো এত্তো সব হাইরাইজ বিল্ডিং। কোন এক কালে সিদ্ধেশ্বরীতে আমাদের বাসার ছাদে উঠলে জাতীয় স্টেডিয়ামের ফ্লাড লাইটের আলো দেখা যেতো। সম্ভবতঃ ৯৪ এর সাফ গেমসের সময় ঢাকা স্টেডিয়ামে যে অসাধারণ আতশবাজীর প্রদশর্ণী হয়েছিল তা আমাদের বাসার ছাদ থেকেই দেখেছিলাম।

আমাদের বাসার সামনে বেশ বড় জায়গা আছে। আশেপাশের সব বাসা থেকে আমাদের ওই জায়গাতেই খেলতে আসত।

বিস্তারিত»

একটু কম ভালবাসলে কি হয়?

আমি এখন নতুন করে দেখার চেষ্টা করছি। বিষয়টা হচ্ছে ‘ভালবাসা’। জানি, বহু কিছু লেখা হয়েছে এই বিষয় নিয়ে। এক গুগল সার্চেই দেখা যায় প্রায় হাজার কোটি লেখা তার রেকর্ডে আছে। নতুন করে কিছু বলার কি আছে?

প্রায় সব ধর্মেই শেখানো হয়ে থাকে – ভালবাসতে। ইশ্বরকে ভালবাস, বাবা-মা, ভাই-বোন, প্রতিবেশী – এদের সবাইকে ভালবাস। দেশকে ভালবাস, অন্য দেশের মানুষকেও ভালবাস। কিন্তু আমরা কি কখনো মুক্ত ভাবে চিন্তা করে দেখেছি –

বিস্তারিত»

ইজ্জত আর মেশিন দুইটাই হুমকি তে।

কয়দিন হইল ফেসবুকে একটা তামশা শুরু হইছে। আপনার অমুক অমুক বন্ধু এই লিঙ্ক শেয়ার করছে, ওই লিস্টে কিছু বিশ্বস্ত  বন্ধুর নাম দেখলাম। দেখায় অমুকের স্ক্যান্ডাল ভিডিও, তমুকের এইডা- ঐডা দেখা যাচ্ছে এই টিভি শো তে। এগুলার ওপরে থাকে প্রায় কাপড় না না পড়া কোন একটা মেয়ের ছবি।ডানে বামে তাকাইয়া রুমে কেও নাই শিওর হইয়া দিলাম লিঙ্কটায় ক্লিক কইরা।জিগাইলো আপনি ১৮+ কিনা।লাফ দিয়া উঠলাম , কইলাম ১০০বার।

বিস্তারিত»

বিবেকের কাছে আজ এই প্রশ্ন

১। পিকনিক কই? কবে হইবো?
২। কোন জায়গায়? কোন সময়, শীত তো জায়গা
৩। চান্দা কত? বউ-বাচ্চা সুদ্দা কত? ডিসকাউন্ট কত?
৪। মেনু কি? তেলাপিয়া মাছ থাকলে আমি খামু না কইলাম।
৫। প্রিসু স্যারের কি হইলো? ডায়বেটিস কট্রোলে নাই নাকি?
৬। রিইউনিয়ন মিস হইবো, পিকনিকও যদি না হয়, তাইলে ক্যাম্নে কি :bash:

বিস্তারিত»

“পরকীয়া”-জিভের লালা ধরে রাখা দায়

মচমচে নতুন একটা বিষয় উঠে এসেছে,তা বেশ অনেক দিন পর। শেষ টা ছিল সেই কানিজ আলমাস। আসলে এখনকার বিষয় টা আর বেশি মচমচে। কারন পুরানো একটি বিষয় আবার উঠে এসেছে নতুন রঙ লাগিয়ে।আর কিছুই না রুমানা মঞ্জুরের কথাই বলছি।

হাসান সাইদ মারা যাবার পর পরেই জল ঘোলা হয়ে গেল।আর ঠিক তখনই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল “ইরানি বন্ধুর” সঙ্গে রুমানা মঞ্জুরের ছবি আর ছাপানো মেইল।লোকে বলে”

বিস্তারিত»

প্রিয়তমা,তোমার জন্যে

প্রিয়তমা,
তোমার কান্নার শব্দ আজ কামানের আওয়াজকে হার
মানায় কেন?
তোমার মন খারাপ কেন এই অবেলায়?

বিস্তারিত»

শিক্ষক VS ক্যাডেট এর ৬বছরের ম্যাচের কিছু ধারাবিবরনি। সিজন ২-এপিসোড-১

সবাই কয় ভদ্রলোকের এক কথা। তাই মেলা দিন হইল এই সিরিজের আর এক পর্ব লিখতে গিয়েও মনের ভিতর খচখচ করছিল। লাস্ট পর্বে কইছিলাম এইডা আর লিখুম না। কিন্তু একটু ঠাণ্ডা মাথায় ভাইবা দেখলাম হুদাই খচখচ করতেছে। ওই কথা তো আমার জন্য প্রজয্যই না । :goragori: :goragori: :goragori: তাই লিখতে বইসা গেলাম।

 

১) সৈয়দ নুরুল ইসলাম স্যার। বাংলা ডিপার্টমেন্ট। স্যার নতুন আসছেন কলেজে।

বিস্তারিত»

এমনি করে সবাই যাবে…

গানটি ছিল এরকম

এমনি করে সবাই যাবে, যেতে হবে,
দেহের মাপের মাটির ঘরে শুতে হবে,
কেউ রবে না তখন সাথে যারাই ছিলো দিনে-রাতে;
চোখের আলোর ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দেবে, নিভিয়ে দেবে। ……

ফিডব্যাকের ১৪০০ বঙ্গাব্দ এ্যালবামের গান।

বিস্তারিত»

গরিব ব্লগারের কথা

প্রথম কিভাবে ব্লগের ঠিকানা পেলাম মনে নেই, বোধহয় গুগলে সার্চ দিয়ে কিংবা ফেসবুকে কোন লিংক পেয়ে। তখন মাত্র কলেজ থেকে বের হইসি। সবকিছুতেই চরম মজা পাই।
কম্পিউটার ঝকঝকে বাংলা দেখা শুরু করলাম সব যায়গায়। অভ্র নিয়ে গুতাগুতি শুরু করলাম। অনেক কিছু পারতাম না। তারপরো ব্লগ লেখার চেষ্টা করতাম। আমি এখন পর্যন্ত আমি অন্য কোনো ব্লগে লিখার সুযোগ পাইনাই 🙁
আমাদের ব্যাচের অনেকেই ভাবতো তখন আমি বোধহয় ব্লগের এডমিন বা কিছু একটা কোনো সমস্যা হইলেই আমারে ফোন কিংবা মেসেজ।

বিস্তারিত»

“শুভেচ্ছা”

আজ সকালে ঘুম ভাঙ্গল ঠাডা পইরা। ঠাডা বুঝেন? বজ্রপাত রে আমাগো এলাকায় ঠাডা কয়।

 

সকালে সারে সাতটা নাগাদ বাপে ফোন দিয়া ঘুম ভাঙ্গাইল।ঘুম জড়ানো গলায় বললাম

-স্লামুয়ালাইকুম আব্বু

-নিচে আয়। আমি তোর বাসার নিচে।

ঘুম ছুইটা গেল। রুমের চারি দিকে তাকাইয়া।রুমের অবস্থা দেখে ইচ্ছা করল সিড়ি দিয়ে না নেমে সরাসরি ছয় তলা থেকে লাফ দিয়া নাইমা যাই।

বিস্তারিত»

একটি অনুরোধ…………………

প্রথমেই সিসিবিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আজকে বহুদিন পরে সিসিবিতে লগিন করলাম। যদিও প্রায়ঃশই সিসিবিতে আসি, কিন্তু কি কারনে যেন লগিন করা হয় না। হঠাৎ করে আজ সিসিবির পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে গেল। :dreamy: :dreamy: ২০০৮ সালের কথা। তখন সবে মাত্র কলেজ থেকে বের হয়েছি। সেনাবাহিনীতে যোগদানের উদ্দেশ্যের চেয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়ার জন্যই ভর্তি হলাম ডিফেন্স গাইড নামক কোচিং সেন্টারে। সেখানেই একদিন পরিচয় মাসরুফ ভাইয়ের সাথে।

বিস্তারিত»

শুভ জন্মদিন প্রিয়

চারটি বছর গেল পরপর
আজকে পড়েছে পাঁচে,
তব জন্মদিন নয়ত মলিন
ভয়াল বিশ্ব আঁচে।

আজকের শুভ দিনে কেউ নিশ্চয়ই আমার ছড়ার অন্ত্যমিল নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না। তবে কপিরাইট নিয়ে যাদের তীব্র খুঁতখুঁতানি তাদের জন্য এই ছড়া আমার লেখা নয়। হুমায়ুন আহমেদের কোন এক গল্পের বইয়ে ছিল। শুধু সিসিবির চার বছর এর সাথে মিলাতে গিয়ে দু-একটা শব্দ এদিক ওদিক করতে হয়েছে।

বিস্তারিত»

পিঙ্গলকেশী

অনেক দিন থেকেই দেখা হবে হবে করে হয়নি,আজ হয়ে গেল। দেশ থেকে ফেরার পর এই প্রথম। ওর নাম নিনা।ওর বাবা জর্জিয়ান,মা রাশিয়ান। আমার সাথে দেখা হয়েছিল প্রথম ভার্সিটিতে। ও ডেন্টিস্ট এর ছাত্রী।আমাদের ক্লাস আলাদা আলাদা হয়,তার মধ্যে ও আমার থেকেও ২ কোর্স সিনিয়র।

যাই হোক দেখা হওয়া টা কাকতালীয়। আসলে খুবই কাকতালীয়।আমাদের ফিলসপি(দর্শন) ক্লাস ছিল। এই সব ক্লাস সাধারনত ঘুমাবার জন্য,কিম্বা গল্প করার জন্য।

বিস্তারিত»

জগতের সকল নারী সুখী হোক !!!

এটা আমার নিজের গল্প।[ অন্য কারো সাথে মিলে গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয় !!]

আমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে। বিশ্বাস করেন একটাই। আমাদের অনেক দিনের রিলেশন। প্রায় ৭বছর হল আমরা প্রতিাদিন ঝগড়া করি। প্রতিদিনই প্রায়। এই ৭বছরে খুব বেশী হলে ৭দিন আমাদের মধ্যে কোন ঝগড়া হয় নাই। তাও সেটা এক টানা ৭ দিন হবে না। এক ঘন্টার মধ্যে কখনো কখনো ৩-৪বার ঝগড়া হয় ৩-৪টা ভিন্ন ইস্যু তে।

বিস্তারিত»