আগুন যখন অশ্রু

‘টিয়ারস অব ফায়ার’ (tears of fire) প্রামান্যচিত্রটার কথা আমি প্রথম জানি হারুন হাবীবের ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও প্রাসঙ্গিক প্রবন্ধ’ বই থেকে।

গত বইমেলায় খুঁজে খুঁজে ৭১’র যুদ্ধাপরাধ নিয়ে অনেকগুলি বই কিনেছিলাম। সব পড়া হয়নি। কিছু আধপড়া ফেলে রেখেছি, কিছু একদমই ধরিনি। কাল হঠাৎ শেষরাতে বিছানায় শোবার পরও যখন ঘুম আসছিলো না তখন উঠে বাতি জ্বালালাম। সেলফ থেকে একটা বই বের করে ভাবলাম দেখি পড়তে পড়তে ঘুম আসে কিনা।

বিস্তারিত»

স্মৃতির ঝাঁপি : চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ

প্রথম পর্ব ।। দ্বিতীয় পর্ব ।। তৃতীয় পর্ব

‘৭৩ সালের শেষ দিক থেকে পরিস্থিতির আরো অবনতি শুরু হলো। যুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশ। পূনর্গঠন, পূনর্বাসন দরকার। কিন্তু সরকারের কাছে টাকা নেই। মার্কিন বিরোধীতার কারণে বৈদেশিক সাহায্য আসছে সামান্যই। কিউবায় পাট রপ্তানি করায় মার্কিন সরকার বাংলাদেশে খাদ্য সাহায্যের জাহাজ আটকে দিলো। কৃষি দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। কিন্তু যুদ্ধে কৃষকের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে।

বিস্তারিত»

বিশেষজ্ঞ জ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান, প্রচার ও ক্ষমতা বিষয়ক আমার ভাবনাঃ একটি আধা-কাল্পনিক কথোপকথন

দ্রষ্টব্যঃ এই পোষ্টটি আমার আগের একটি পোষ্টের ফলো-আপ। এখানে আমি ঐ পোষ্টের মূল বক্তব্যের সাথে পাঠকের কমেণ্ট থেকে কিছু সংযোজন করে আমার বক্তব্যকে আরো স্পষ্ট করার প্রয়াস পেয়েছি। আশা করি সবার ভালো লাগবে।

বিশেষজ্ঞ জ্ঞান সম্পর্কে মিশেল ফুকো’র (Foucault) ‘Disciplne and Punish’ চিন্তার জগতে একটা আলোড়ন সৃষ্টিকারী বই। ফুকো’র মূল কথাটা কি ছিলো?- ফুকো আধূনিক ইউরোপে বিচারব্যবস্থার মানবিকীকরণের (যেমন, মৃত্যুদন্ডের তুলনায় যাবজ্জীবন কারাদন্ড)প্রক্রিয়ায় জেলখানার ভিতরে এবং সেখান থেকে সমাজজীবনে ক্ষমতার রুপান্তরের বিশ্লেষণ মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের স্বরূপ উৎঘাটন করেছেন।

বিস্তারিত»

রাজনীতির কড়চা

hasina-640x480

ফেরত আনার কী দরকার?
আজ বিএসএফ-বিডিআর (এই নাম বলা যাবে তো?) যৌথ বৈঠক হইছে। বৈঠকে বিশাল এক অগ্রগতির খবর পাইলাম আমরা। আর সেইটা হইলো সন্ত্রাসীদের তালিকা বিনিময়। বাংলাদেশ দিছে ১ হাজার ২২৭ জনের নাম। আর ভারত দিছে ৭৭ জনের নাম। ভারত যে নাম দিছে তার বেশির ভাগই কোনো না কোনো বিচ্ছিন্নবাদী নেতা। আর বাংলাদেশ দিছে সব খুনী, মাস্তানদের নাম।

বিস্তারিত»

ছবিব্লগ – বাংলাদেশে বাংলা

ছবিগুলো ই-মেইলে পেলাম। ভাবলাম শেয়ার করি। অনেকের কাছেই পুরনো হতে পারে।
(কোন ছবি বড় সাইজে দেখতে হলে ক্লিক করুন)

বিস্তারিত»

আচার ০২২: বনভোজন

আয়াজ যখন এসে বলল আমি বাংলাদেশ স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশানের (বি এস এ) এক্সিকিউটিভ কমিটির মেম্বার নির্বাচিত হইছি, তখন আকাশ থেকে পড়তেই হইল। এমনিতে আমার আকাশ থেকে পড়তে ভালো লাগে না, অনেক উঁচা তো। কিন্তু নমিনেশন জমা না দিয়া জনসংযোগ না কইরা কিভাবে নির্বাচনে জিতা যায় সেইটা বুঝতে না পাইরা আয়াজরে জিগাইলাম ক্যামনে কি? আয়াজ বললো আমি বেশ জনপ্রিয় তো, তাই লোকজন আমারে নমিনেশন-ফমিনেশন ছাড়াই ভোট দিছে।

বিস্তারিত»

ফ্ল্যাশব্যাক ০৪

১।দেবর ভাবীর সম্পর্ক ছিল চমৎকার।আসলে তারা ভার্সিটি ফ্রেন্ড কিন্তু ঢং করে ভাবী ডাকা । এতে রিলেশনটাও একটু ইয়ে হলো আর কি । আর ভাবী ডাকার অযুহাত হলো ভাবী ক্যাপ্টেনের উয়াইফ আর দেবর এক্স ক্যাডেট। সব আর্মি অফিসারের ঊয়াইফদের মনে হয় ক্যাডেটরা ভাবী ডাকতে চায়। ভাবী প্রায়ই ফান করে বলে চল দোস্ত চিপায় যাই…
দেবর কি আর না করতে পারে ! 😡

২।

বিস্তারিত»

ডায়েরীর পাতা থেকে উদ্ধার করা জঞ্জাল – ৬

১২ অক্টোবর ২০০৩ রবিবার
আজকে শবে বরাত তাই ছুটি। সারাদিন ফাউল কাজ করে কাটিয়েছি। রুমে পোলাপান কার্ড খেলছে 29. ফয়সাল, মঞ্জুর, আনোয়ার, ওয়ালিউল্লাহ। হাসান বই পড়ছে জানি না কি। লাঞ্চ হচ্ছে আমি যাই নাই। বিরক্তিকর ডিম ভাজা। অলস দুপুর, গরম, বিদ্যুত নেই সকাল থেকে। ৬ ঘন্টা হতে চলেছে। এমনিতেই কলেজের জেনারেটার নষ্ট। শুরুতে ছিল দানব আকৃতির Rolls Royce এর। ওটা ফুরাতে নতুন একটা নিয়ে এসেছে যেটার ব্র্যান্ড কি জানি না।

বিস্তারিত»

আচার ০২১: পরবাসীর রোজনামচা

ফ্যাকাল্টিতে মেশিন শপ দুইটা। একটা স্টুডেন্টদের জন্য। দুইটা মিল, কিছু লেদ, একটা গ্রাইন্ডিং হুইল, একটা শিট মেটাল বেন্ডিং মেশিন, গোটা দুয়েক পাওয়ার ড্রিল- স্টুডেন্টদের জন্য বরাদ্দ এইগুলাই। ইদানীং অবশ্য একটা সি এন সি লেদ ইনভেনটরিতে যুক্ত হইছে। আরেকটা মেশিন শপ হইলো টেকনিক্যাল সার্ভিসেস। মোটামুটি বেশ ভালো এদের যন্ত্রপাতি, অনেক কিছু আছে। এরা ইউনিভার্সিটির বাইরের ফরামায়েশি কাজ কর্ম বেশি করে। এবং এই কাজ করার জন্য অনেক টাকা চার্জ করে।

বিস্তারিত»

প্রফেশনাল

লাস ভেগাস মাহমুদ ভাইয়ের লেখার একজন ভক্ত আমি। প্রথমে একটা হাইপোথিসিস দাঁড় করাবেন, তারপর হাইপোথিসিসটাকে ঘিরে আর্গুমেন্ট ডেভলপ করবেন। পুরা গাণিতিক সমীকরণ মার্কা অবস্থা। এই পোস্টটা সেভাবে যদি লিখতে পারতাম, ভালো হইত। মিস্তিরি মানুষ, যুক্তিবিদ্যা পড়া নাই। হাইপোথিসিস টেস্টিং-এ আমার দৌড় পরিসংখ্যান পর্যন্ত, সুতরাং আমার স্টাইলেই লিখতেছি।

প্রফেশনাল মানেটা কি? বাংলা করলে দাঁড়ায় পেশাজীবি। যতোটুকু ইংরেজি জানি, তাতে মনে হয় শব্দটা পেশার প্রতি নিবেদিত হওয়াটাকে বুঝায়।

বিস্তারিত»

প্রথম পোস্টঃ রক্ত গোলাপ

আমার প্রথম পোস্ট।
কোয়ালিটি আর কোয়ান্টিটি’র ধাক্কাধাক্কিতে ভয়, আবার ব্লগে অতি সুন্দর লেখাগুলি দেখে নিজের মাঝে কিছূ লেখার জন্য এক ধরনের
চুল্কানির চাপ, এই দুই এর মাঝে পরে বেশ কিছুটা চিড়ে-চেপ্টা অবস্থায় ছিলাম। পরে ভাবলাম “যা থাকে কপালে, আমরা আমরাই তো!”
খাওয়া এবং হজমের দায়িত্ব আপনাদের।
(আমি জানি ৯৪-০০ ইনটেক আমার সাথে আছে!)

বিস্তারিত»

বউকে আমি একটুও ভয় পাই না : ছবিব্লগ

দরবার বসেছে রাজার। সেখানে উজির-নাজির, পাইক-পেয়াদা থেকে শুরু করে রাজ্যের মানুষ হাজির। খুবই দুশ্চিন্তায় আছেন রাজা। রাজ্যে বউকে ভয় পায় না এমন মানুষ পাওয়া যাচ্ছে না! এইটা একটা কথা হইলো? রাজা বলে, আমি ভয় পাই, উজির ভয় পায়, এমনকি তাবৎ দুনিয়ার মানুষ যারে ডরায় আমার যুদ্ধবাজ সেনাপতি- সেও নাকি বউরে ভয় পায়!! কথা হইলো এইডা? রাজার পন বউকে ভয় পায় না এমন একজন প্রজা খুঁজে পেতেই হবে।

বিস্তারিত»

২০ বছর আগের দুটি ডায়েরি, কয়েকটা কবিতা, কিছু স্মৃতি

পুরানো বুকসেল্ফটা পাল্টাতেই হলো। পোকা এখন সেল্ফ শেষ করে বই-এ আক্রমন করতে শুরু করেছে। মুজতবা আলীর দেশে-বিদেশে বইটাই সবচেয়ে উপাদেয় বলে মনে হলো পোকাদের কাছে। বইটা ধরতেই পৃষ্ঠাগুলো ঝুর ঝুর করে পরলো আমার হাতের মুঠোয়। তাই নতুন একটা বইয়ের সেল্ফ কিনতেই হলো।
আমার বই রাখার সেল্ফ চারটা। পাল্টালাম সবচেয়ে পুরোনোটা। এটার বয়স কম করে হলেও ২৫ বছর। বা তারও বেশি। প্রথম যখন সেল্ফটা কিনি তখন তিন তাকের এক তাক মাত্র ভরতে পেরেছিলাম জমানো বই দিয়ে।

বিস্তারিত»

মীথবাজিঃ সিসিফাস ২

আজকাল ডে-লাইট সেভিঙয়ের কারণে বেলা বোঝা যায় না। আমরা, যারা এই বিষুবের কাছাকাছি বাস করে অভ্যস্ত, আমাদের কাছে ছয়টা মানে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা এসে যাওয়া। ধীরে ধীরে আলো কমে আসা। জুলাই মানে বর্ষাকাল, আকাশে গুমগুমে মেঘ বা ঝিরঝির বৃষ্টিতে আরো আগে থেকেই আঁধার ঘনিয়ে আসে। কিন্তু আজকে কাচের দেয়ালে তৈরি অফিস থেকে বের হয়ে সুমনের মনেই হয় না যে ছয়টা বাজে! বাইরে ঝকঝকে রোদ। বাতাস হুটোপুটি খেলছে।

বিস্তারিত»

সহজিয়া-২

আই,ইউ,টিতে শেষ কিছু দিন কাটাচ্ছি।এইতো আর মাত্র কিছু দিন,তার পরেই আবার দিকভ্রান্তের মতো ছোটাছুটি করতে হবে।কি করব কিছুই জানি,কি হবে সেটাও জানি না।কলেজ থেকে যখন বের হলাম যেমন অনুভূতি হয়েছিল এবার ও একই অনুভুতি।সামনের দিনগুলির কথা ভাবলেই মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে।কতই না মজায় ছিলাম!
আমি এমনি খুব বাসা পাগল।কলেজেও ছিলাম, এখন ও আছি।এখনো আই,ইউ,টি গেলে কবে বাসায় আসবো সেই চিন্তায় বিভোর থাকি।কলেজর শেষের সময়টায় আমার খুব মন খারাপ থাকতো।মায়াটা খুব বেশি বেড়ে গিয়েছিল বোধ হয়।টি ব্রেকের বাশি যখন পড়ত তখন ১ নাম্বার রূমের পাশে দাড়াতাম আর জুনিওরদের ফলিন যাওয়া দেখে মন খারাপ হয়ে যেতো।এত দ্রুত কিভাবে যে সময় টা গেল বুঝতেই পারলাম না!

বিস্তারিত»