আই,ইউ,টিতে শেষ কিছু দিন কাটাচ্ছি।এইতো আর মাত্র কিছু দিন,তার পরেই আবার দিকভ্রান্তের মতো ছোটাছুটি করতে হবে।কি করব কিছুই জানি,কি হবে সেটাও জানি না।কলেজ থেকে যখন বের হলাম যেমন অনুভূতি হয়েছিল এবার ও একই অনুভুতি।সামনের দিনগুলির কথা ভাবলেই মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে।কতই না মজায় ছিলাম!
আমি এমনি খুব বাসা পাগল।কলেজেও ছিলাম, এখন ও আছি।এখনো আই,ইউ,টি গেলে কবে বাসায় আসবো সেই চিন্তায় বিভোর থাকি।কলেজর শেষের সময়টায় আমার খুব মন খারাপ থাকতো।মায়াটা খুব বেশি বেড়ে গিয়েছিল বোধ হয়।টি ব্রেকের বাশি যখন পড়ত তখন ১ নাম্বার রূমের পাশে দাড়াতাম আর জুনিওরদের ফলিন যাওয়া দেখে মন খারাপ হয়ে যেতো।এত দ্রুত কিভাবে যে সময় টা গেল বুঝতেই পারলাম না!
ডায়েরীর পাতা থেকে উদ্ধার করা কিছু জঞ্জাল – ৫
৭ অক্টোবর ২০০৩, বৃহস্পতিবার
আজ বৃহস্পতিবার। আমরা বলি সাপ্তাহিক ঈদ। এখন যদিও আগের মত মজা হয়না। আগে প্রায় প্রতি সপ্তাহে ভিসিডি শো হত (যদিও আমি খুব কম দেখি বা দেখি না), ডিশ চ্যানেল থাকত। MTV, CMM, B4U কোনটা ছেড়ে কোনটা দেখব এই নিয়ে মারামারি লাগবার জোগাড়। এখন এসবের কিছু নেই। থাকে শুধু BBC, DD Metro, Channel-i, ATN Bangla। আমি মাঝে মাঝে BBC দেখে পন্ডিত সাজার চেষ্টা করি কিন্তু কতক্ষণ?
রাতে
স্বপ্নে বেড়াতে এসে
মশারীতে আটকে
গেছি শেষে,
বুঝি নিস্তার নেই।
সবুজ আলোয় মাপি
জালের বিস্তার,
নিদ্রিতকে
পৌনপুনিক তরংগ
পাঠাতে থাকি:
জোনাকি মরে গেলে
তাকে দেখতে পাবার কোন
জো আছে নাকি?
আমাদের যোগ্যতা কি আসলে এতটুকুই?
ধরুন, ক্রিকেটে মাঠে মুখোমুখি দুই পক্ষ। এক পক্ষে আছেন অভিষেকেই সবচেয়ে কম বয়সী শতরান করে ক্রিকেট বিশ্বকে আগমনীবার্তা ঘোষণা করা এক ব্যাটসম্যান, আছেন কিছুদিন আগেও আইসিসি টেস্ট ক্রিকেটারের রেটিং এ শীর্ষ স্থান অধিকার করে থাকা এক অল-রাউন্ডার। অধিনায়কের দ্বায়িত্ব পালন করছেন এমন এক লড়াকু ক্রিকেটার, খেলোয়াড়দের চিরশত্রু ইনজুরিকে যিনি জীবনযুদ্ধে একাধিক বার হারিয়েছেন। টেস্ট ম্যাচে ৭৮ উইকেট নেবার পাশাপাশি তিন হাজারের উপর রান করেছেন তিনি।
বিস্তারিত»ডঃ গওহর রিজভী
রুলস অফ বিজনেস ‘৯৬ আইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার আন্তজাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ডঃ গওহর রিজভীকে। সাধারনত রাজনীতিবিদ অথবা প্রাক্তন সচিবদেরই এইসব উপদেষ্টা নিয়োগ দেয়া হয়, যার সংখ্যা এখন পর্যন্ত সাত , তবে ডঃ গওহর রিজভী এক্ষেত্রে অনেক দিক দিয়ে ব্যতিক্রম। একজন অভিবাসী, এবং খুবই হাই প্রোফাইল ক্যারিয়ার, যার রয়েছে অক্সফোড, ওয়ারউইক, হার্ভাডে পড়ানোর কিংবা ফোর্ড ফাউন্ডেশনে উচ্চ পদে চাকরির অভিজ্ঞতা।

আমরা গর্বিত হতে পারি কারন তিনি একজন প্রাক্তন ফৌজিয়ান।
টেকি নিউজ ০৫: ফেসবুকের এলব্যাম ডাউনলোড
ডিস্ক্লেইমারঃ যারা জানেন না, তাদের জন্য।
আজকের দুনিয়ায় ফেসবুক ব্যবহার করেন না, এমন মানুষ খুব কম। আমি আগেও একটা লেখায় লিখেছিলাম যে, ফেসবুক একাউন্ট এখন স্ট্যাটাস সিম্বল হয়ে দাড়িয়েছে।সেইদিন এক ফ্রেন্ড এর সাথে কথা বলতে বলতে বল্লো যে, এই সপ্তাহে কক্সবাজার থেকে ঘুরে আসলাম। আমি খুব রাগ করে বললাম,
তুমি ভাসবে হৃদয় মাঝে – ৭
[অনেকদিন পর বিরতি দেওয়া সিরিজে একটু তেল ভরলাম। বিশেষ চাপে আছি। তাই লেখা নিয়মিত না। প্রেশার রিলিজ হলে আবার নিয়মিত হব ইনশাল্লাহ]
তুমি ভাসবে হৃদয় মাঝে – ৫ | | | | তুমি ভাসবে হৃদয় মাঝে – ৬
তুমি ভাসবে হৃদয় মাঝে – ৪
তুমি ভাসবে হৃদয় মাঝে – ৩
তুমি ভাসবে হৃদয় মাঝে –
বড় হবো…
ডিসক্লেইমারঃ যদিও ডিসক্লেইমার সম্মন্ধে অনেকেরই আপত্তি আছে, কিন্তু তার পরেও পোস্টের শুরুতেই এই অপ্রিয় কাজটি না করে পারছিনা। কারণ, আমি একটা ভয়ঙ্কর কাজ করতে যাচ্ছি যেটা আমার জীবনে এর আগে কখনো করিনি।
……অবশেষে আমি একখানা ছড়া (নাকি কবিতা ঠিক জানিনা) লিখিয়া ফেলেয়াছি। লেখা পড়া করিতে করিতে যখন আমার আর কিছু ভালো লাগেনা, যখন মনের মধ্যে আত্মোপলব্ধি হইল যে, “জীবন তো একটাই, কি হবে এই একমাত্র জীবনটাকে এত কষ্ট দিয়ে”
সাপ্তাহিক…৪
রঙহীন বিরক্তিকর একটা সপ্তাহ শেষ করলাম। ক্লাস-খাওয়া-ঘুম এর চক্করের মাঝে পুরো সপ্তাহের সবচেয়ে রঙ্গীন ঘটনা বলতে সিসিবির নতুন সাজ। বেশ ভাল লেগেছে, বিশেষ করে উপরের পরিবর্তনশীল ব্যানারগুলো। এর পিছনে যাদের অবদান আছে তাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ফেদেরার শেষ পর্যন্ত সাম্প্রাসের রেকর্ড ভেঙ্গেই দিল… খেলাটা দেখার সুযোগ হয়নি, নেটের টেক্সট কমেন্ট্রি ছিল ভরসা। রডিকের শুরুটা দেখে মনে হয়েছিল আশা আছে, কিন্তু ২য় সেট টাইব্রেকে যখন ৪ টা সেট পয়েন্ট মিস করলো তখনই বোঝা হয়ে গিয়েছিল ঘটনা কি ঘটতে যাচ্ছে।
বিস্তারিত»ফ্রী-নাইটঃ নাটক বিষয়ে অহেতুক সংলাপ
০।
কলেজের স্বাদ এখনও মুখ থেকে যায় নায় তাই বৃহস্পতিবার মানেই আমার কাছে এখনো ফ্রী নাইট, যেই দিন পড়াশুনা ছাড়া আর যে কোন কিছু করা জায়েয। তাই প্রতি বহস্পতিবার আসলেই সন্ধ্যার পর ঘরে থাকা দায় কারণ আড্ডা ছাড়া মানুষ বাঁচে নাকি? এই আড্ডায় ক্লাস, হাসাহাসি, খোঁচাখুঁচি, প্রেম সব চলে সমান তালে সাথে মাঝে মাঝে চলে অহেতুক দেশ উদ্ধার। আজকে এমন এক দেশ উদ্ধার করতে গিয়েই একটা কথা মাথায় ঘুরছে,
ডায়েরীর পাতা থেকে উদ্ধার করা জঞ্জাল – ৪
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০০৩
বৃহস্পতিবার
মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের শেষ শিক্ষাবর্ষের কয়েকটি মাস বাকি আছে। তারপর মুক্তি, স্বাধীনতা যে যেটাই বলুক না কেন। বিরক্তির চূড়ান্ত সীমায় অবস্থান করছি। কিভাবে যে বেচে আছি তা উপরওয়ালা জানেন। কলেজটা এখন একনায়কতন্ত্রের একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। প্রতিটা পদে আটকানো হচ্ছে আমাদের। নিয়মের মাঝে শক্ত করে বেধে ফেলেছে আমাদের। এতটা কখনই দরকার ছিল না। Red Book এর Reference দিয়ে সব নিয়ম আরোপ করা হচ্ছে।
ওয়ান্স ইন আ লাইফটাইম
[ পৌরাণিক সপ্তাহ চলছে সিসিবির। এর শুরু আমারই হাত ধরে । আমি এর ফাঁকে একটা অল্প পুরান কাহিনী দিয়ে দেই, জীবন থেকে নেওয়া কেন যেন হঠাৎ লেখতে ইচ্ছা হল। একেবারে নতুন এর আগে এটা নিয়ে কোথাও কখনো লেখিনি আমার নিজের ডায়েরিতেও না একেবারে টাটকা লেখা অনলি ফর সিসিবি]
পূর্বকথাঃ
বিছানায় শুয়ে শুয়ে স্যালাইনের ফোঁটা গুনি। সকাল থেকে চলছে । গতকাল রাতে হঠাৎ করে প্রচন্ড পেটে ব্যাথায় অজ্ঞান টাইপ হয়ে যাওয়ার সময় পাশের বাসা থেকে দুলাভাই এসে ঘুমের ওষুধ সিরিঞ্জ পুশ করে ঘুম পাড়িয়ে দিয়ে এই স্যালাইন চালু করে দিয়ে গেছেন।
কাব্যকথা
সস্তা টিশার্ট দুপুরের রোদে পুড়ে আরও সস্তা হতে থাকে।
আর আমি বিত্তবানদের প্রতিনিধি হয়ে বসে থাকি শীতল কফিনে।
কর্ণের কথা (মিথলজি)
চারিদিক আলো করে ধীরে ধীরে সূর্য উঠছে, ভোর হওয়ার সময়টা রাধেয়র ভীষণ পছন্দের । আজও প্রাচীন বটগাছটার নীচে বসে সূর্যোদয় দেখছিল সে । কি বিপুল বিক্রমে রাতের অন্ধকারকে দূরে হঠিয়ে সূর্যের আগমন ! প্রতিদিন দেখে তবু মুগ্ধতা কাটেনা । খুব আপন মনে হয়, মনে হয় সূর্যের মতো সেও যদি সব অন্ধকারকে জয় করতে পারত । এসব আবোল-তাবোল ভাবছে আর তার প্রিয় ধনুকটাতে হাত বুলাচ্ছে রাধেয় ।
বিস্তারিত»মীথবাজিঃ সিসিফাস ১
[কামরুল তপু (‘০২) ও রায়হান আবীর (‘০৫) এর দেখাদেখি আমিও! 😀 ]
=====================================
থানাটোসের ঘুম ভেঙেছে সেই ভোরে। সকালে দাঁত মাজতে মাজতে সে দেয়ালে সেঁটে রাখা লিস্টি দেখছিল। মুখ ভর্তি ফেনা থু করে ফেলে দিয়ে কুলি করতে করতে সে শিডিউল মিলিয়ে নেয়। সকালে কয়েকজনের আত্মা তুলে রাখতে হবে। এটা তেমন কোন ব্যাপার না, সকালে সবাই গভীর ঘুমে ডুবে থাকে। খুব সহজেই কাজ সারা যায়।