ম্যাজিক বয় – ০১ – ০২ – ০৩ – ০৪ – ০৫ – ০৬ – ০৭ – ০৮
রতন একদিনেই রীতিমতো হাপিয়ে উঠল। এ কী কাণ্ড!
প্র্যাকটিস তো নয় যেন, একটা যুদ্ধের প্রস্তুতি। এবং সে যুদ্ধে না জিতলে মাথা যাবে। কোটি-কোটি টাকার কারবার দেখে সে ভেবেছিল এই দেশে বোধহয় টাকা উড়ে বেড়ায়,
শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলাম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টাংগাইল থেকে। টেক্সচুয়ালি ভাল থাকলেও, বাহ্যিক সাধারন জ্ঞান কম থাকার কারনে সবাই একটু বাঁকা চোখেই দেখত। আমার জেঠাত ভাই মলয় বেশ চালাকচতুর ছোটবেলা থেকেই। তাই যৌথ পরিবারে ওর দাপট ছিল খুব বেশি। মাছের মাথাটা দুপুরে স্কুল থেকে আসার পর মলয়ের পাতেই যেত। আজ সেই মলয়কে খুব মনে পড়ছে। তাই হঠাৎ ভাবলাম ওর কথাই লিখবো । ওর কিছু কিছু ঘটনা আজো আমার মনে পড়ে।
বিস্তারিত»ভুলব আমি কেমন করে (ইউ টিউব লিন্ক)
ভুলব আমি কেমন করে
এই বেদনার শোক
আজ কেবলি এই হৃদয়ে
দুঃখ নদীর স্রোত
ভুলব আমি কেমন করে
এই বেদনার শোক
আজ কেবলি এই হৃদয়ে
দুঃখ নদীর স্রোত
সিটিসেল সুপার কাপের ১ম সেমিফাইনালের ১ম লেগে মুখোমুখি হয়েছিল ঢাকা আবাহনী ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন। খেলা শুরুর আগে গ্যালারীর দৃশ্য দেখেই যে কোন ফুটবলপ্রেমীর মন ভরে ওঠার কথা, আর খেলা শুরুর পর দুদলই সেই দর্শকদের মন ভরানোর চেষ্টায় মেতে ওঠে। দুদলই পরিকল্পিত ও গোছানো ফুটবল খেলে। ১৬ মিনিটে ইব্রাহিম অসাধারন এক দূরপাল্লার শটে গোল করে আবাহনীকে এগিয়ে দেন। গোলের পরে আবাহনীর খেলার গতি কিছুটা পড়ে যায়,
বিস্তারিত»গতো কয়েকদিনে ব্লগের অনেকগুলো পোষ্ট পড়ে শেষ করলাম। কি যে নষ্টালজিক হয়ে পড়লাম কিছু লেখা পড়ে! ভাবতে অবাক লাগে যখন ক্লাস টুয়েলভে ছিলাম তখন কলেজের অথোরিটি এর ঠ্যালায় মনে হইতো কবে এই জেলখানা থেকে মুক্তি পাবো। আর এখন সেই জেলখানার জন্যই মনটা আনচান করে।
সবাই দেখি অনেক মজার কাহিনী শেয়ার করে। আমিও ভাবলাম একটা শেয়ার করি সব ভাইদের সাথে। তখন আমরা ক্লাশ টেন এ।
বিস্তারিত»আমার কাছে অনেক আগে পাওয়া কিছু ছবি আছে। পিসি ঘাটতে গিয়ে চোখে পড়ল। এই ছবিগুলার সাথে কিছু ডায়লগ ও ছিল।
বিস্তারিত»ক্যাডেট হিসেবে আমি ইভল্ভ্ করেছি একটি তুলনামুলকভাবে অসংবেদনশীল রসবোধ। অন্যান্য লোকজন যেই জোকে হেসে কুঁটিকুঁটি আমি তাতে হাসার কিছু পাইনা, আবার আমি যেই জোকে হাসি অন্যান্য লোকজন তা বোঝেই না। আমার অবজার্ভেইশন হচ্ছে জাতি হিসেবে ইংরেজরা তুলনামুলকভাবে আমাদের চেয়ে বেশী রসবোধসম্পন্ন। আমার এই হাইপথেসিস টেস্ট করার লক্ষ্যে আমি আমাকে হাসিয়েছে এরকম পাঁচটি জোক দিলাম। যদি আপনাদের না হাসায় তবে দাবী করা যেতে পারে বিগত পাঁচ বছরে আমার হাইলি সফেস্টিকেইটেড অ্যাকোয়ার্ড ক্যাডেট হিউমার সেন্সের শোচনীয় অবনতি ঘটেছে।
বিস্তারিত»অনেক দিন ধরে সিসিবিতে কোন কিছু লেখা হয়না। কোন এক অদ্ভূৎ কারণে আপনা আপনিই নিজে থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি বা গুটিয়ে গেছি। সিলেট থেকে যশোরে গিয়েছি প্রায় দেড় মাস। অনেক কিছু স্মৃতি হয়ে আছে সেখানকার। প্রায় প্রতি দিনই এমন কিছু ঘটতো যা নিয়ে মজার মজার ব্লগ লেখা যায়। আমার সহকর্মীরাও (ওনারাও এক্স-ক্যাডেট) আমাকে বলতেন ওই ঘটনাগুলো নিয়ে যেন আমি সিসিবিতে লিখি। আমিও প্রচন্ড উৎসাহী হই।
বিস্তারিত»১.
রওশন বেগম শুয়ে পড়েছিলেন, হঠাৎ ঘুম ভাঙলো ঠান্ডা বাতাসের ঝাপটায়। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে, বেশি জোরে নয়, তবে খোলা জানালা গলে সবেগে ঢুকে পড়ছে দক্ষিনা বাতাস। পায়ের কাছ থেকে কাঁথাটা টেনে নিলেন গায়ে, হাল্কা শীত শীত লাগছে তাঁর, জানালাটা বন্ধ করা দরকার।
রওশন বেগম মশারী থেকে বেরিয়ে এলেন, লাইট জ্বালিয়ে জানালা আটকালেন। দেয়াল ঘড়িতে সবে ১টা বাজে, ছোট ছেলেটা হয়তো এখনো ঘুমোয়নি, বউদের রুমেও দেখে আসা দরকার।
চোখে আমার এখন নগরের ঘুম।
কী গভীর সেই ঘুম! স্নায়ুগুলো যত
শ্রান্তক্লান্ত পথহারা পথিকের মত
পেয়েছে গহীনে তার হারানোর ধুম।
এখানেই শেষ হয় ভালোবাসাবাসি
লাল নীল স্বপ্নগুলো থমকে দাঁড়ায়
হতাশাকে না পাওয়া বিদায় জানায়
আনন্দ বেদনা শুয়ে থাকে পাশাপাশি।
আমি ঠিক জানি না জানি নাকি নিয়ে লিখব, এম্নিতেই চিন্তাগুলো কে ঢেলে দেবার চেষ্টা করছি এলোমেলো র্যা ন্ডম বিন্যাসে, পারিসাংখ্যিক কেন্দ্রীয় প্রবনতার কারনে হয়ত সেগুলো একটা আকৃতি পাবে তবে নিশ্চিত ভাবে সেই আকৃতি অবয়ব কোনো পূর্বপরিকল্পনার অংশ নয়।
একসময় যখন জীবনটা ব্যাপকভাবে বিক্ষিপ্ত এবং মোটামুটই ভাবে উদ্দেশ্যহীন ছিল(তবে আল্টিমেট পাগলা ছাড়া ছাতার জীবনে হলুদ পাঞ্জাবীর “হিমু” মার্কা নির্লিপ্ততা পাওয়া মোটামুটি ভাবে অসম্ভব ব্যাপার। জীবনকে ঊদ্দেশ্যহীন বলা একরকম আধুনিকতা আক্রান্ত হতাশা বিলাস বলা যেতে পারে)তখন এই একটা ব্যাপার নিয়ে হেভী গবেষনা করতাম।
বিবর্তনবাদ – a Review (১) – (২)
নাস্তিক বিবর্তনবাদীদের জোড়ালো যুক্তিগুলো “বিবর্তনবাদ – a Review (১)” তে দেয়া আছে। আস্তিক বিবর্তনবাদীদের এবং আস্তিক অবিবর্তনবাদীদের অনেক যুক্তি আছে “বিবর্তনবাদ – a Review (২)”-এ। আগের দুটি অংশ পড়ে এই অংশ শুরুর অনুরোধ রইলো।
৪.৪ ফসিল রেকর্ড
বিবর্তনের ফলে তৈরী হওয়া প্রজাতিগুলির বিভিন্ন ধাপে কি ধরনের ফসিল পাওয়া উচিত তা বুঝতে ব্যাঙের রুপান্তর একটি আদর্শ উদাহরণ।