উদ্ভট

সারাদিন ছোটাছুটি
হাত ধরে হাঁটাহাঁটি
বসে থাকা পাশাপাশি
কখনো ঝগড়াঝাটি
অকারণে হাসাহাসি
স্বপ্নে মাতামাতি
কখনো বা হাতাহাতি

বিস্তারিত»

রোকেয়া কিবোর্ড লেআউট ও প্রোগ্রাম রিলেটেড আরো কিছু পরিকল্পনা

বিশ্বকাপের ভীড়ে এখন অন্যান্য পোস্ট কারো নজরে আসার কথা না…. যাই হোক, সেটা সমস্যা না। রোকেয়া কিবোর্ড লেআউটপ্রোগ্রাম নিয়ে বর্তমানে কি কাজ করছি সেটারই একটা ধারাবাহিক আপডেটমূলক পোস্ট এটা। প্রতি সপ্তাহে গুগল সার্চিংয়ে কোন না কোন ইমপ্রুভমেন্ট করে, কোন ফিচার যোগ করবেই এবং সেটা নিয়ে লিখেও…..গুগলব্লগ যেহেতু আমার প্রিয় ব্লগগুলির একটা তাই ওদের স্টাইলে আমিও ভাবছি একটা রেগুলার আপডেট মূলক পোস্ট লিখে ফেলি 🙂

কিবোর্ডের কাজটা খুব সহজ,

বিস্তারিত»

নস্টালজিক বিশ্বকাপ ২০০৬ আর অপ্টিমিস্টিক বিশ্বকাপ ২০১০!

২। অপ্টিমিস্টিক বিশ্বকাপ ২০১০:

……বিশ্বকাপ-জ্বরে ভুগছে গোটা বিশ্ব। এই জ্বর থার্মোমিটারে মাপা যায় না, অনুভব করতে হয়। বাঙ্গালীরাও পিছিয়ে নেই। ক্রিকেট বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা স্বপ্লের জাল বুনি, কিন্তু ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলা আর লোডশেডিং-জর্জরিত বাংলাদেশ ডিজিটালাইজড হওয়া একই কথা। তারপরও ফুটবলই এদেশে জনপ্রিয়। বাপ-চাচারা সবাই ’৮৬-তে ম্যারাডোনার খেলা দেখে আর্জেন্টিনার ভক্ত, ভাই-বেরাদাররা অবশ্য রোমারিও-বাজ্জিও-বালাকদের খেলা দেখে দ্বিধাবিভক্ত। আমি প্রথম থেকেই ব্রাজিল-ভক্ত, কেননা যখন থেকে ফুটবল বুঝি,

বিস্তারিত»

বিশ্বকাপ ডায়রি- ০২

জাবুলানি বলের কীর্তি নাকি ওদের ‘কুকীর্তি’ ঠিক বোঝা গেল না। সবাই আনাড়ি পায়ে শট নিলেন, সেগুলো নানাভাবে এঁকেবেঁকে কোথা থেকে যে কোন দিকে গেল! এক বিশাল বপুর কৃষাঙ্গ মহিলা একটা বল তাঁর দিকে আসছে দেখে নর্তনকুর্দন করে লুফতে গিয়েছিলেন। পরের দৃশ্যটা মিস্টার বিনের কমেডি শো’কেও হার মানায়। বল ধরতে ছোট্ট একটা লাফ দিতে গিয়ে ফ্লাইট মিস করে সোজা বাংলায় একটা আছাড় খেলেন। হাসির সঙ্গে সঙ্গে দুঃখের ঘটনাও বটে,

বিস্তারিত»

ছোটগল্প: সৈকত-দীপা অথবা ছেলেধরাদের গল্প

গল্পের শুরু পেতে সমস্যা হয় তবে গল্প শুরু হয়ে গেলে তার চলতে কোন বাঁধা নেই। প্রতিদিনকার কাজ শেষে নীড়ে ফেরা মনুষগুলোর মতোই ইতঃস্তত চলাফেরা করতে থাকে গল্পটি। তাই গল্পটির পরিসর এলোমেলোভাবে বড় হয়ে উঠে। অথবা বলা যায় গল্পটিই নিজ গুণে আপন পরিসরকে বড় করে তোলে। গল্পটার সীমা তখন আমাদের মাঝে থেমে থাকে না বরং তা সার্বজনীন রূপ নিতে থাকে। আমাদের ছেলেধরা বিষয়ক আলোচনা সন্ধ্যার বাতাসে জমে উঠে নেশার সংশ্রবে।

বিস্তারিত»

বিশ্বকাপ ডায়রি-০১

ম্যান্ডেলার শেষ ম্যাজিকটা এবার দুনিয়া দেখবে।
যিনি বলছেন, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার কাস্টমস পুলিশের চাকুরে। নিজের পুলিশ পরিচয়টা অহঙ্কারের সঙ্গে একমাত্র বাংলাদেশি পুলিশই দিয়ে থাকে বলে ধারণা ছিল। পরশু জোহানেসবার্গের ওলিভার টাম্বো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধারণাটা বদলে বাংলাদেশি পুলিশের চেহারায় দাঁড়াল ওই তরুণ। ব্যাগপত্র সব নাকি চেক করবে। যতই বুঝিয়ে বলা হলো, ইতিমধ্যে একাধিকবার চেক করা হয়েছে এবং তাতে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না,

বিস্তারিত»

ICCLCM এবং আমাদের “মুন্না ভাই”

ক্লাস সেভেনের ট্যালেন্ট শো তে যখন সুমী আপা খুব ক্ল্যাসিকাল ঢঙ্গে “শ্যামা তন্বী আমি মেঘ বরনা” গান টি শিখালেন, তাও আবার হারমনিয়াম বাজানো সহ, তখনো বুঝিনি গান জিনিসটি কে এত ভালবেসে ফেলব সারা জীবনের জন্য। কিন্তু ভালবাসলেও এর যথার্থ মর্যাদা আমি দিতে পারিনি। বাবার ভীষন শখ ছিল গানটা কে সব সময় চর্চায় রাখব, গলায় স্বরস্বতী না থাকলেও সুর মনে হয় ছিল, তা না হলে ICCLCM গুলোতে যতবার গিয়েছি,

বিস্তারিত»

ফুটবল লিজেন্ড: এক স্বল্পভাষী ফুটবল জাদুকরের কথা

১৯৫৩ সালের কথা। একটু ভালোভাবে বাঁচার আশায় উত্তর আলজেরিয়ার এক প্রত্যন্ত প্রদেশ থেকে ইসমাইল ও তার স্ত্রী মালিকা পাড়ি জমালেন ফ্রান্সের মার্সেইয়ে। ঠাঁই নিলেন দক্ষিণ ফ্রান্সের এক ছোট বন্দর নগরীতে। যার নাম লা ক্যাসেলেইন। একে একে চারটি সন্তান জন্ম নেয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৩ জুন তাদের পঞ্চম সন্তান জন্ম নেবার সময় ঘনিয়ে এলো। অভাবের সংসারে আরো একটি নতুন মুখের আবির্ভাব। কেউ তখনো টেরও পেলোনা সামান্য মুদি দোকানের রক্ষক ইসমাইল এর বাড়িতে এইমাত্র নতুন এক ফুটবল নক্ষত্রের জন্ম হলো।

বিস্তারিত»

স্মৃতির বিশ্বকাপ-৪

স্মৃতির বিশ্বকাপ ১, ,


২০০২ (দঃকোরিয়া-জাপান)

২০০২ এর বিশ্বকাপের সাথে ফুটবল ছাড়াও আরোও অনেক ধরনের স্মৃতি জড়িয়ে আছে, কারন টুর্নামেন্ট হয়েছিল কলেজের লাইফের একদম শেষ সময়ে। এইচএসসি পরীক্ষার মাঝে এর শুরু আর বিশ্বকাপ শেষ হবার আগেই আমরা কলেজের বাইরে। এ কারনে এই বিশ্বকাপের স্মৃতিটা একটু অন্যরকম ভাবে উজ্জ্বল। তবে এ লেখায় আপাতত বিশ্বকাপের স্মৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকব।

বিস্তারিত»

নিতান্তই ব্যক্তিগত ১টা পোষ্ট ; তারপরেও শেয়ার না করে পারলাম না

প্রিয় সি সি বি বাসী,
এটা নিতান্তই ব্যক্তিগত ১টা পোষ্ট । কিন্তু তারপরেও সি সি বি বাসীর সঙ্গে শেয়ার না করে পারলাম না । আমার আগের লিখাতে আঁকা ছবিগুলি দেখে লোকজনের প্রশংসা পেয়ে এই ঘটনাটা ঘটবার পরে মনে হল এটা এখানকার সবাইকে জানানো আমার কর্তব্য ।
টুকটাক ছবি তো আঁকি সেই কলেজ থেকেই । মাঝে বি এম এ তে গিয়ে কিছুটা শিখলাম অয়েল পেইন্টিং ।

বিস্তারিত»

ফুটবল লিজেন্ড —— দ্য ডিভাইন পনিটেইল

…dedicated to him that, despite the enemies and the bad luck, was, is and will be always the talent person that the italian football has ever expressed.
-Antonio Cavallaro

ক্যালিফোর্নিয়ার প্যাসাডিনায় রোজ বো’ওল স্টেডিয়ামের কথা। সময়টা চুরানব্বুইয়ের সতেরই জুলাই, দুপুর গড়িয়ে বিকেলের রোদ তেরছা হয়ে পড়ছে মাঠের ভেতর। সাড়ে বারোটায় খেলা শুরু হয়েছে, নব্বুই মিনিটের পরে অতিরিক্ত তিরিশ মিনিটের খেলাও শেষ।

বিস্তারিত»

শহীদলিপির ইতিহাস-৫

শহীদলিপির ইতিহাস-১
শহীদলিপির ইতিহাস-২
শহীদলিপির ইতিহাস-৩
শহীদলিপির ইতিহাস-৪

আগে ঠিক করা হয়েছিল এক বছর বিলাতে থেকে আমরা দেখবো আমাদের ছেলে সাঈদের কিছু উন্নতি হচ্ছে কিনা। ঠিক বুঝতে পারছিলাম না উন্নতি তেমন কিছু হচ্ছে কিনা। এক বছরের বেশী থাকতে চাইলে বেক্সিমকো রাজী হবে কিনা বুঝতে পারছিলাম না, যদিও আমি বেক্সিমকোর জন্মলগ্ন থেকে ১৪ বছরের বেশী সেখানে কাজ করে যাচ্ছি।

বিস্তারিত»

সিসিবি গেট টুগেদার: জুন ১১, রোজ শুক্রবার

রায়হান আবীরের পোস্ট থেকে ইতোমধ্যেই সবাই জেনে গেছেন ১১ তারিখে ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা ফুটবল ম্যাচের কথা। কিন্তু যে ব্যাপারটি এখনো অনেকে ঠিক বুঝে উঠতে পারেননি সেটা হচ্ছে ফুটবল না খেললেও এদিন অংশ নেয়া যাবে কী না। শুনসিলাম রায়হান আবীর বাংলায় নাকি এ+ পাওয়া পালোয়ান। কিন্তু শেষ পোস্টে মনের ভাব প্রকাশে সে প্রায় পুরোপুরি ব্যর্থ সেটা বুঝার জন্য পাঞ্জেরী গাইড লাগেনা।

সোজা বাংলায়- এইটা একটা গেট টুগেদার ।

বিস্তারিত»

সময়ের নির্বিকার সাক্ষী

তীব্র আঘাতে নীল আমি চিৎ হয়ে শুয়ে আছি ভরদুপুরের এই ব্যস্ত
রাস্তায়। যেন এক অন্যলোকের বাসিন্দা আমি; চারপাশে হেঁটে
যাচ্ছে অজস্র লোক, খুব কমই চলছে তাদের দুপায়ের উপর
দৃপ্ত আত্মবিশ্বাসে, অন্য প্রায় সবাইকে কেমন উদভ্রান্ত বলে
মনে হয় শুধু। আর আছে সাধ্যমত নানা রকমের যানে চড়ে বসা মানুষ আর মানুষ, বড্ড তাড়ায় আছে হয়তো তারা।

আমি দেখেই যাচ্ছি শুধু…….

বিস্তারিত»

Assuming, I was with you guys on the 4th of June, 2010

সর্বপ্রথম ৪ঠা জুন পালন করেছিলাম সেই ১৯৯৭ এ। তখন আমরা কলেজের সবচেয়ে জুনিয়র। ক্লাস এইটে পড়ি যদিও, ক্লাস সেভেন আসেনি তখনও। দেখতে দেখতে এক বছর পার হয়ে গিয়েছিল কলেজ লাইফের। সবথেকে জুনিয়র থাকা অবস্থাতেও বেশ প্রতাপে সেই ৪ঠা জুন পালন করেছিলাম। সেটার পরিসমাপ্তির কথা অন্যবারের জন্য তুলে রাখলাম। তবে সেই ট্র্যাজিক পরিনতিতে আমরা যতটাই দুঃখ (?) পাইনা কেন, ৪ঠা জুন উদযাপন করাটা আমাদের জন্য ফরজের পর্যায়ে চলে গিয়েছিল।

বিস্তারিত»