মাহিনের বয়স তখন কত হবে ছয় কিংবা সাত, ১৯৯১ সাল। সবে মাত্র কিছুদিন হয়েছে কুমিল্লা এলাকাটা ঘূর্নিঝড় পরবর্তী অবস্থা কাটিয়ে উঠেছে। চারদিকে চেয়ে দেখলে এখনও মনে হয় এই বুঝি গত রাতেই বড় আকারের ঝড় উঠেছিল। বছরের মাঝামাঝি সময়। আকাশের যেদিকটা চেয়ে দেখা যায় ক্ষানিক পরপরই কালো-ধূসর মেঘে ঢাকা,আকাশ থমথমে। মাহিনের স্কুল ছুটি হয়েছে আরও আধঘণ্টা আগে। ইস্পাহানি স্কুলের গেট ঘেষে বাচ্চাদের খেলা করার জন্য ছোট্ট একটা যায়গা সেখানে দোলনার উপর বসে মাহিন অপেক্ষা করছে আম্মুর জন্য।
বিস্তারিত»কবিতাটা খুঁজছি
মুক্তিফৌজ আরও অনেক গুণী
যাদের কাছে আমরা ঋণী
নিরব এখন না ফেরাদের দেশে।
পতাকায় ঢেকে গান স্যালুট
বন্দনায় মুখর লাশের পাশে
ধূলো বা ছাই হবার আগে
তার কী বা দাম আছে !
আক্ষেপে তাই কবিতা হল
তোমাদের ইতিহাসে
বীর নেই শহীদ আছে।
সম্মান না দিলে পরে
গুণী জন্মাবে না দেশে।
বেঁচে থাকতেই দাও সম্মান
মানুষ হও অবশেষে !
মাননীয় স্পীকার~
মাননীয় স্পীকার# ০১
কে বলেছে ”মোনালিসা” লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির জীবনের শ্রেষ্ঠ কাজ?? আমার কাছে তার ”টাইটানিক” বরং বেশি ভালো লেগেছে :chup:
মাননীয় স্পীকার # ০২
কে বলেছে আমার সিডিতে ভাইরাস আছে?? আমি তো প্রতিদিন স্যাভলন দিয়ে সিডি মুছে রাখি O:-)
মাননীয় স্পীকার # ০৩
রেস্ট ইন পীস, নেলসন ম্যান্ডেলা (নিচে হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা মরগ্যান ফ্রিম্যানের ছবি) ~x(
মাননীয় স্পীকার# ০৪
আবুল হোসেন একজন দেশপ্রেমিক :khekz:
মাননীয় স্পীকার # ০৫
শহীদ কাদের মোল্লার শাহাদাত বরণে যারা শোকাহত,
Muscle Cramp
Muscle Cramp (বাংলায় অনেকে ইহাকে ‘রগে টান’ বলিয়া থাকে !) :
আমরা আমাদের ইচ্ছানুসারে হাত-পায়ের মাংসপেশী সংকুচিত প্রসারিত করে নড়াচড়া করি, ওঠাবসা করি। কিন্তু আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হঠাত কোন পেশী সংকুচিত হয়ে গেলে পেশীতে spasm তৈরী হয়, আর তা চলতে থাকলে আমরা তাকে পেশীতে খিল ধরা বা ক্র্যাম্প বলি।
কি কারণে এমনটা হয়? –
কারণের আগা-মাথা খোঁজাখুঁজি……প্রধান কারণকয়টি এইরূপঃ
১) পানিশূণ্যতা (Dehydration
২) কোন স্নায়ু এবং / অথবা মাংসপেশীতে আঘাত –
ক্যাডেট কলেজের চিঠি
প্রিয় দেবী,
প্রথমেই বলি তুই তুই করে লিখতে পারবো না। মনে হয় পাশের বেডের মুকতাসিদের সাথে ঝগড়া করে চিঠি পাস করছি। কেমন আছো তুমি? যেমনই থাক, এই চিঠি পড়ার পর খুব ভাল থাকবা। ধরে নিচ্ছি স্যার পড়ার আগেই হাউজ বেয়ারাকে ম্যানেজ করে চিঠি নিয়ে এসেছো।
তোমার চিঠি পেলাম দুইদিন হলো। আচ্ছা তোমরা কি কলেজে মোবাইল নিবা না? আর কতদিন বাংলা রচনায় পড়বে প্রযুক্তির ব্যাবহার।
বিস্তারিত»মনস্তত্ব এবং মনোঃছবি – কিছু এলোমেলো স্মৃতি ও বিক্ষিপ্ত চিন্তা
মনস্তত্ব এবং মনোঃছবি – কিছু এলোমেলো স্মৃতি ও বিক্ষিপ্ত চিন্তা
[এটা সম্পূর্ণভাবে উদ্দেশ্যবিহীন বিক্ষিপ্ত একটা লেখা – অনেকটা বকবকানির লিখিত ভার্শন]
মনের চাপ খুব বাজে একটা ব্যাপার। কোন কাজে মন বসে না, আর চাপটা বাড়তেই থাকে। এরকম চাপ মন থেকে বের করে দেয়াই ভাল। কিন্তু আসলে কিভাবে তা বের করা যায়, তা আমরা আর কতটুকুই বা জানি। হয় কাউকে ধরে মনের কথাটা বলা শুরু করি – তাও তো আবার অনেক সংশয় – বলা ঠিক হচ্ছে কিনা – কিরকমের প্রতিক্রিয়া হতে পারে – আমার কথাটা ঠিকমত বুঝবে তো – আমার কথাটার গোপনীয়তা থাকবে কিনা – কথাটা কোথাও মিসকোটেড হবে কিনা – আরো কত যে চিন্তা!
বিস্তারিত»সক্রেটিসের এ্যাপোলজি পর্ব ৪, ৫
সক্রেটিসের এ্যাপোলজি পর্ব ৪
মূল বক্তৃতাঃ মহাজ্ঞানী সক্রেটিস
লিখেছেনঃ প্লেটো
অনুবাদঃ ডঃ রমিত আজাদ
(পূর্ব প্রকাশিতের পর থেকে)
এথেন্সবাসীগণ (বিচারকগণ)! আমি আপনাদের স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, এই বিষয়ের ক্ষুদ্রতা অথবা বিশালত্ব নিয়ে মিলেটাসের আদৌ কোন মাথা ব্যাথা নেই। তারপরেও আমি জানতে চাই যে, মিলেটাস একটু বলুন তো, আমি কিভাবে তরুণদের বিপথে নিলাম? আমার মনে হয়, আপনার অভিযোগ থেকে আমি এই আবিষ্কার করতে পারি যে,
পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ৯
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪, মঙ্গলবার রাত বারোটা ৪ মিনিট
সবাই কিছু না কিছু বলছে। কবিতা, গুছিয়ে কিছু মনের কথা। আমি পারছি না। এর আগেও পারি নাই। স্বীকার করতে হবে ২৫শে ফেব্রুয়ারী হত্যাকান্ডের ব্যাপারে আমার মাঝে জোরালো নিস্পৃহা কাজ করে। আজকে বিকালে ক্লাশ শেষে চিন্তা করছিলাম কেন এমনটা হচ্ছে। বিশেষ কোন ঘটনা কি ঘটেছিল? মনে করতে পারলাম না। তবে কি আমার চেনা পরিচিত কেউ প্রাণ হারাননি দেখে এরকম হচ্ছে?
বিস্তারিত»পিলখানা তখন মৃত্যুপূরী (গল্প)-১
পিলখানা তখন মৃত্যুপূরী (গল্প)-১
————————– ডঃ রমিত আজাদ
পথটা একটা তীক্ষ্ণ একটা বাঁক নিতেই হুমড়ি খেয়ে গায়ের উপর এসে পড়লো কোন সহযাত্রী। “ইয়া খোদা! ইয়া খোদা!” বলে চিৎকার করে উঠলেন তিনি। শত চেষ্টা করেও তার চেহারাটা দেখা গেলোনা। সহযাত্রীটি কোন একটা দিকে আঙুল দেখিয়ে বললো ঐযে ঐদিকে ঐদিকে। কথাটার মানে বোঝা গেল না। আঁকাবাঁকা সর্পিল পাহাড়ী পথে এগিয়ে চলছে বহুদিনের পুরাতন একটি ঘোড়ার গাড়ী।
বিস্তারিত»পিলখানা
পিলখানা
বিদ্রোহ কি এতই সস্তা ?
মুর্খ আর জালিম !
বর্বরতায় প্রাণ হারালো
মাকসুম উল হাকিম।
কেমন ধারা দাবী দাওয়া
আদায় করতে দরবারে ?
ভাই বন্ধু নেতার প্রাণ
কলংকিত বলাৎকারে !
পিলখানাতে একাত্তর
ফিরে এলো নারকতা !
বাকরুদ্ধ শোকে মোরা
ডুকরে কাঁদে মানবতা !
কাদা ছিটিয়ে ঘোলাপানি
ধরা পড়ে পুঁটিমাছ !
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং এবং মিউজিক ভিডিও
গত পরশুই মাত্র থিম সং টি শুনলাম। গানটা ভাল লেগেছে কিন্তু সিক্সটিন সিক্সটিন কেন বলছিল বুঝতে পারছিলাম না। আশাকরি লেখাটা পড়ে এবং গানটা শুনে সিক্সটিন সিক্সটিন কেন বলা হচ্ছিল সেটার উত্তর কেউ দিবেন। যাই হোক সেটা বাদে রেফায়াত আহমেদ ও অনম বিশ্বাসের কথায় এবং ফুয়াদ আল মুক্তাদির ও কৌশিকের সুরে গানটি ভালই লেগেছে যদিও গানের সুর কিংবা গানের কথা বাংলাদেশকে পুরোপুরি রিপ্রেজেন্ট করতে পারেনি। আমরা শত চেষ্টা করেও খাটি বাংলা গান বানাতে পারলাম না।যতটুকু না ঢুকালেই নয় যেমন স্টেডিয়াম কিংবা ক্রিকেট এসব বাদেও আরো ইংরেজীকে ঢুকাতেই হল।
বিস্তারিত»পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ৮
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪ রবিবার বিকাল ৪টা
ভালোবাসার ফুড প্রসেসরে
যাচ্ছে ‘কেটে’ দিনরাত্রি।
ফিরে এসো গরু হয়ে।
খেয়ে নাও ঘাসটুকু,
জাবর কেটো পরে।
তবু দোহাই লাগে-
কেটোনা মোরে এই
ভালোবাসার ফুড প্রসেসরে।
প্রচারে – মাথা নষ্ট
পেছনের কথাঃ এই ছড়াটা লিখেছি যখন প্রেমিকার সাথে সোভিয়েত রাশিয়া সময়কার স্নায়ু-যুদ্ধের আদলে যুদ্ধ শুরু হলো। কথা বললে উত্তর মিলে না।
বিস্তারিত»টঙ
ধাক্কাধাক্কি করে বাসে উঠা, মানুষের ভীড়ে দম ফেলে বাঁচার আকুলতা, কানের কাছে প্রচণ্ড জোরে হর্ন শুনে মনে মনে চালককে গালি দেয়া, চলন্ত গাড়ির মাঝেই রাস্তা পাড় হওয়া সব ই যেন কতই না গুরুত্ববহ।
টানা পাঁচদিন হরতাল আর দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটির জন্য দেরী করে ঘুম থেকে উঠাও হয় না। অথবা ঈদ-পূজার টানা ছুটিও পাওয়া হয় না।
ব্যাস্ত রাস্তায়, মানুষের উপচে পড়া ভীড়ে চলার সময় বন্ধুদের বলা হয় না- দোস্ত দাঁড়া,
বিস্তারিত»সিসিবি আড্ডা (বিজনেস টক) এবং চা-চক্র – আপডেট ফেব্রয়ারী ২৩ (সাময়িক পোস্ট)
আপডেটঃ প্রথমেই দুঃখিত বই উন্মোচন পর্ব অনুষ্ঠিত না হওয়ায়। বিষয়টি আসলেই বেশ হট্টগোল এবং জটঘট প্যাকানো বিষয়। বইমেলার আসলে চারটার পর না যাওয়াই ভালো। অস্বাভাবিক ভীড় হয়ে যায়।
জেট ল্যাগের প্যাঁচে যাতে না পরতে হয় এজন্য আমি যেদিন আসি সেদিনই বের হয়ে যাই। এবারও সাতটায় পৌঁছে বারটায় ঘর থেকে বের হলাম। তারপর বই মেলায় গেলাম। আমার সাথে আরও তিনজন ভার্সিটিতে পড়া মেয়ে ছিল যাদের মধ্যে দুজন এই প্রথম বই মেলায় গেল।
চোরের মায়ের বড় গলা
বেশ কিছুদিন ধরেই আমার মাথায় একটা বিজনেস আইডিয়া ঘুরতেসিল, এর জন্য দরকার ছিল কিছু ম্যান পাওয়ার এবং বিনিয়োগকারী। রাজীব ভাই এবং আমাদের ব্যাচের তিনজন মিলে আমরা প্ল্যান করলাম যে একটা অনলাইন বই এর দোকান খুলবো।
হার্ড কপি, সফট কপি যেটা সম্ভব সেটা বিক্রি করা হবে। হার্ড কপি সারা ইউরোপের মাঝে হোম ডেলিভারি দেয়া হবে, এবং সফট কপি যে কেউ ক্রেডিট কার্ড, পেপাল, মানিব্রুকারস এর মাধ্যমে পে করে ডাউন-লোড করতে পারবে।