ব্যাচ পিকনিক ২০০৯

গত দুবছর ধরেই আমরা ব্যাচ পিকনিক চালু করেছি।আমাদের এক ফ্রেন্ডের বাবা আমাদেরকে একটা বাস দেন আর আমরা নিজেরা খাবারটা ম্যানেজ করে পিকনিকটা করে আসি।খুবই মজা হয়।সারাদিন ক্রিকেট,ফুটবল,আর একে অন্যকে পঁচানি।কি করে যে দিনটা চলে যায় টের পাওয়া যায় না।এইবার আমাদের সেই পিকনিকের দায়িত্ব পরে গেলো আমার আর সোহেলের উপর।এবং টের পেলাম ব্যাপারগুলা যতটা সহজ মনে হয় অতটা সহজ নয়।আমার কাঁধে দায়িত্ব তার জন্যেই কিনা জানি না আংকেলের দেওয়া বাসটা এবার আর পাওয়া গেলো না।বাজেট বেশি হয়ে গেলে পোলাপাইন যেতে রাজি হয়না তাই আমি একটু চিন্তায় পরে গেলাম।পরে নাহিদ জানালো বাস না দিলেও আঙ্কেল তার নিজের জীপটা দিচ্ছেন।আমিও একটু শান্তি পেলাম।২০তারিখ সকালে একটা মাইক্রো,নাহিদের প্রাডো,স্টার থেকে নেওয়া লাঞ্চ আর সাথে ৪ জন ভাবী নিয়েআমরা রওনা দিলাম গাজিপুর ন্যাশনাল পার্কের উদ্দেশ্যে।

বিস্তারিত»

কাকঁড়া দ্বীপে আরেকবার

গত চাইনিজ নিউইয়ার ছুটিতে গিয়েছিলাম কাকঁড়া দ্বীপ, কিন্তু ছিলাম মাত্র কয়েক ঘন্টা, তখনি প্লান ছিল, আবার আসব এখানে, রাতে থাকতে হবে, এবারের থিম্পুসানের ছুটিতে আবার আমাদের সমুদ্র যাত্রা।

সকাল ১১ টাঃ ছুটির দিনের প্রাথমিক আলস্য কাটিয়ে যাত্রাহল শুরু, কে-এল সেন্টাল হয়ে ক্লাঙ্গ বন্দরের জেটিতে আসতে আসতে ১টা বেজে গেল। বেশি মজা করার জন্য ফেরি বাদ দিয়ে উঠলাম কাঠের মাছধরা ট্রলারে, প্রায় ১.৩০ ঘন্টা লাগল দ্বীপে আসতে,

বিস্তারিত»

মালেয়শিয়ার চিঠি – ৪

৯ দিনের ছুটির আজ শেষ দিন। আবার কবে লিখতে পারব জানি না। গতকাল সানা ভাই মালেয়শিয়া – থাইল্যান্ড – সিঙ্গাপুর রোড় ট্রিপ এর ব্যপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তানভীর ভাই এবং
ওবায়দুল্লাহ ভাই ও মালেশিয়ার আসাবেন। সে কারনে এই ইনফরমেটিভ লেখাটা দিলাম। যাতে সিসিবির কোন ভাই এই দিকে আসলে খুব সহজে এই তিনটা দেশ ঘুরে দেখতে পারেন। মালেয়শিয়া – থাইল্যান্ড – সিঙ্গাপুর রোড় ট্রিপ বিদেশীদের কাছে খুব লো্ভনীয় একটা রুট।

বিস্তারিত»

কাঁকড়া দ্বীপে কয়েক ঘন্টা …

কুয়ালালুমপুর থেকে মাত্র ২ ঘন্টার রাস্তা কাঁকড়া দ্বীপ । ক্রাব আইলান্ড, মাল্লাকা উপ সাগরের একটা দ্বীপ। এই দ্বীপ এ মাত্র ৮০০০ লোক বাস করে, এবং সবাই চাইনিজ। মূলত জেলেদের আবাস স্থল। একনকার কাঁকড়া খুব বিখ্যাত, এক কেজি কাঁকড়ার দাম ৪০ রিংগিত (৮০০ টাকা )।

বিস্তারিত»

মালয়েশিয়া ভ্রমন (পর্ব-২)

মালয়েশিয়া ভ্রমন (পর্ব-১)
অবশেষে ঢাকায় প্রায় ৮ দিন কাটানোর পর ঠিক করতে পারলাম যে, ২৪ তারিখ রাতে যেতে পারবো। ২৩ তারিখ গেলাম বেস্ট এয়ারের অফিসে টিকেট এর তারিখ চেঞ্জ করতে। ওরা বল্লো, ৩১ তারিখের আগে কোনো ফ্লাইট খালি নাই। মেজাজ টা একেবারে গরম হয়ে গেলো।
কি করবো, চলে আসলাম। এম্নিতেই টুর এর এতগুলো দিন নস্ট হলো। পারলে বিমান কিনে চলে যাই।

বিস্তারিত»

ঘানা ভ্রমন -৩ কাকুম ন্যাশনাল পার্ক (দ্বিতীয় পর্ব)

কাকুম ন্যাশনাল পার্কে ক্যানোপী ওয়াক এর একটি ঝুলন্ত সেতুর দৃশ্য।

‘কাকুম ন্যাশনাল পার্ক’এ একটি বিকেল থেকে সন্ধ্যা – ২

আমরা ক্যানোপী ওয়াকের কাছে গেলাম।
প্রথমে দেখে সত্যি অভিভূত হয়ে গেলাম। গহীন জঙ্গলের মাঝে উঁচু উঁচু গাছে ক্যানোপী সংযোগ করে ঝুলন্ত সেতু বানিয়েছে বেশ কায়দা করে। গাছে গাছে অ্যাংকরেজ গুলো বেশ মজবুত করে করা হয়েছে। আর তাই আমরা সবাই প্রায় একসঙ্গেই হেঁটে আসলাম পুরা পথ টুকু। মাঝে মাঝে গাছের সাথে অ্যাংকরেজ এর প্ল্যাটফর্মগুলোতে একটু অপেক্ষা।

বিস্তারিত»

ঘানা ভ্রমন -২ কাকুম ন্যাশনাল পার্ক (প্রথম পর্ব)

কাকুম ন্যাশনাল পার্ক এর টিকেট কাউন্টার এর সামনে ওপেন ক্যাফের দৃশ্য।
‘কাকুম ন্যাশনাল পার্ক’এ একটি বিকেল থেকে সন্ধ্যা -১
কেপ কোস্ট ক্যাসেল নিয়ে লেখার সময় ভাবছিলাম; ঘানার অপর পর্যটক কেন্দ্র -কাকুম এ অবস্থিত ‘ন্যাশনাল পার্ক’ সম্পর্কে দুচারটে কথা না লিখলে ঘানা ভ্রমন এর স্মৃতি রোমন্থনটা অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে। তাই এটাকে প্রচলিত ভ্রমন কাহিনীর রূপ দেয়া আমার পক্ষে একটু কঠিনই ঠেকছে। তাই সে চেষ্ঠা না করে আমি বরং লিখে যাই-আমার মত করে।

বিজ্ঞ পাঠকের প্রতি তাই অনুরোধ রাখছি এই বলে যে –

বিস্তারিত»

ফটো ব্লগ : বোমি লেক

ফটো ব্লগ : মনরোভিয়া
ফটো ব্লগ : মনরোভিয়ার পথে
ফটো ব্লগ : লাইবেরিয়া
ফটো ব্লগ : স্থির সময়

“স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট” করতে আমাদের লোকজন মনরোভিয়া আসে। আমি আপাতত মনরোভিয়ার বাসিন্দা। আমি তাহলে স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট করতে কই যাই? কলিগদের মুখে মুখে শুনে এবং ছবি দেখে অনেকদিন আগে থেকেই মনের মধ্যে “বোমি লেক”

বিস্তারিত»

আমার বিসিএস পরীক্ষা…!!!

আমার খুব শখ ছিল বিসিএস পরীক্ষাটা হেব্বি মাস্তি করে দেব…একে তো জীবনের প্রথমবার, তার উপর আবার চান্স পাব কিনা- এরকম কোন টেনশন নেই। কারন আমি নিশ্চিৎ যে আমার হচ্ছে না। জীবনে আর বিসিএস দেয়া হয় কিনা-কে জানে!! সুতরাং মাস্তি না করার কি আছে??

কিন্তু হায়! মানুষ ভাবে এক, হয় আরেক…সিট প্ল্যান দেখে জানতে পারলাম, আমার সিট পড়েছে কাজী নজরুল ইসলাম কলেজ, লক্ষ্মীবাজার!!! অর্থাৎ কিনা সদরঘাটের কাছাকাছি…আমি থাকি বনানী,

বিস্তারিত»

বিরিসিরিতে ঘোরাঘুরি, একটু স্মৃতির খোঁড়াখুঁড়ি…

ক্রিং ক্রিং ক্রিং। ফোন বেজেই চলেছে। এক বার দুই বার তিন বার। শালার আমি আর হ্যালো বলার চান্স পাইনা। সবাই যদি আমার মত এত সময় পর্যন্ত ঘুমায় তাইলে তো দেশের ভবিষ্যত অন্ধকার।
দেশের কথা পরে। আমাদের এই ঝটিকা মিশন কি তাইলে শুরুর আগেই শেষ হয়ে যাবে? আমি মহিব আর মুহাম্মদের দিকে মেজাজ খারাপ করে তাকাই।
কিন্তু না। কিছুক্ষণ পর ওপাশ থেকে কল ব্যাক।

বিস্তারিত»

কামরুল ভাইয়ের ইফতারি আমার জিলাপি ভক্ষণ ও হাবিজাবি :মূল বৃত্তান্ত

সেদিন আকাশে শ্রাবণের মেঘ ছিল,ছিলনা চাঁদ(সাদী মহম্মদের গান থেকে না বলে ধার করলাম)।ধানমন্ডি ১১ নাম্বার রোডের লি বিউটি পার্লারের পাশে যে ফ্ল্যাটটা(না,প্রিয় পাঠক,আমার রুম থেকে সৌন্দর্যবর্ধন কেন্দ্রে আগত তন্বীদের তনুর লেশমাত্র দৃশ্যমান হয়না), সেটার কোনার রুমে রোজা-ক্লিষ্ট অবস্থায় আমি “পড়িয়া পড়িয়া ঘুমাইতেছিলাম”। দুচোখ জুড়ে আনাগোনা করছিল আসন্ন ইফতারের খানাদানার অবয়ব।ইফতারির সময় ছিল ৬ টা আর আমার ঘড়িতে তখন বাজে ৫ টা ৫০ । হঠাৎ মুঠোফোন বেজে উঠল-দেখি কামরুল ভাই।ঘুম জড়ানো অবস্থাতে বসকে সালাম দিলাম।আমি ভেবেছিলাম ইনি বাসাবোবাসী কামরুল ভাই,জাপান থেকে দেশে এসেছেন যিনি।

বিস্তারিত»

সাত দিনের পথ – নিরাময় পর্ব

মন খারাপ থাকাটা কোন রোগ না। খারাপ থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। আমার তো প্রায় সব সময়ই মন খারাপ থাকে, হটাৎ হঠাৎ ভাল হয়ে যায়। যাহোক, মন খারাপ যদি কোন রোগ না হয় তাহলে এই পর্বের নাম নিরাময় দিলাম কেন? যেখানে নিরাময় সেখানেই তো রোগ। তেমন কোন কারণ নেই। তবে নিজে নিজে একটা কারণ বানালাম, সাত দিনের পথ যে বিষাদ পর্ব দিয়ে শুরু হয়েছিল তাতে মন খারাপটা রোগ হিসেবেই দেখা দিয়েছিল।

বিস্তারিত»

সাত দিনের পথ – বিষাদ পর্ব

একাডেমি ব্লকের সামনে বিশাল গোলচত্বর। তার একেবারে মাথায় লেখা “শিক্ষা ভবন”। এটাকে জিরো পয়েন্ট ধরছি। সাত দিনের পথের দূরত্ব মাপার জন্য। ইলেভেনের এক্সকারশন, যাত্রা শুরু হয়েছিল এখান থেকেই। ফিরেও এসেছি এখানে। মাঝখানে সাতটা দিন, সরণ শূন্য, কাজ শূন্য, কিন্তু অনুভূতি অসীম। সেই অসীম শূন্যতার কথা লিখতে বসেছি। সেই অনুভূতির কথা যার জন্য ক্লাস সেভেন থেকে ইলেভেন পর্যন্ত পাঁচটা বছর অপেক্ষা করেছি, যেটা শেষ হয়ে যাবার পর মনে হয়েছে কলেজ ছেড়ে অচিরেই চলে যেতে হবে।

বিস্তারিত»

অপ্রাসঙ্গিক: একটি ভ্রমন কাহিনী

টিএসসি তে বসে আছি। আমি, মিম (সিসিসি) আর জ্যোতি (সেমিক্যাডেট)। মিম, জ্যোতির পরীক্ষা শেষ [মিম আর জ্যোতি আই.ইউ.টি তে পড়ে]। অনেকক্ষন আড্ডা দেবার পর বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলে এলাম। রাতে থাকার কথা ওখানে। ৩০৬ নং রুমে ঢুকে দেখি মর্তুজা যথারীতি ফিফা খেলতে বসেছে। একটু পর ডিনার করতে বের হলাম। দেখি মিম তার জিনিস গুছিয়ে নিয়ে বের হচ্ছে। জিজ্ঞেস করতেই বলল এমনি। এমনি এমনি যে কেউ রাতের খাবার খেতে চাংখারপুল যাবার সময় “ক্রনিকেলস অব নার্নিয়া” মুভির ডিভিডি নিয়ে বের হয় না সেটা বুঝতে বুয়েটে পরা লাগেনা।

বিস্তারিত»