লেইক্ষ্যং ম্রোং এর খোঁজে

লেইক্ষ্যং ম্রোংনৌপথে পাবেন অনেক সাথী
বান্দরবানের পথে পথেঃ
“খুম” এবং “ম্রোং” এর দেশ বান্দরবান এর প্রতিটি পাহাড়ে পাহাড়ে ছড়িয়ে আছে বিচিত্রতা । লুকিয়ে আছে এমন সব স্থান যা দেখতে আমদের দেশের ভ্রমন পিপাসুরা ছুটে যান নানা দেশে। আকাশ ভরা মেঘ এর মাঝে লুকিয়ে থাকা পাহাড়, পাথরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া স্রোত যা স্থানীয় ভাষায় খুম নামে পরিচিত,বর্ষার মাঝে তৈরী হওয়া অজস্র ঝরনা যা কিনা ম্রোং নামে পরিচিত,কিংবা পাথরের বুকে বেয়ে চলা ঝিরিতে আমরা খুজে পেতে পারি চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য্য আর রোমাঞ্চের হাতছানি।

বিস্তারিত»

অক্সিডেন্ট আর ছায়াশ্রমিক- মধ্যিখানে ব্রেনার পাস

রোমে আসার আগে শুনতাম এই শহরে নাকি ৩০,০০০ বাঙালি আছে, আসার আগে বিশ্বাস হয়নি। কিন্তু আসার পর মনে হচ্ছে সংখ্যাটা এরও বেশি হতে পারে। আমি থাকি মূল শহরের বাইরে গ্রামমত একটা জায়গায়, আশেপাশে অনেক খোলা জায়গা, পাশেই ইউনিভার্সিটি। শহরকেন্দ্রে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ১ ঘণ্টা, বাসে ২০ মিনিট আর মেট্রোতে ৪০ মিনিট। প্রধান বাস এবং ট্রেন স্টেশনের কারণে কেন্দ্রটির নাম তেরমিনি (Termini)। এখান থেকেই শুরু অভিবাসীস্থানের।

বিস্তারিত»

বাইকে দেশভ্রমনঃ দুই হুজুগের বাসিন্দার একটি প্রডাক্তিভ পাগ্লামি—(৩)…এবারে জাফ্লং রোডে

জাফলং পথে – যেন ২ ওয়েস্টার্ন কাউবয় আর বিচিত্র ট্রেইল।।

রাজশাহী থেকে ঢাকা হয়ে সিলেট এসে পওছেছিলাম। ১৫০০ কিলোমিটার এর প্রায় ৭০০ কিলোমিটার এখানে আসতেই। এই লেখা যখন লিখছি আমার এক বন্ধু আমাকে বলছিল মাথায় আঘাত পেয়েছিলাম নাকি ছুটি যাওয়ার আগে! হ্যাঁ, হয়ত তাইই, বা তা না হয়ে অন্য যা কিছুই হয়ে থাক। আমি বলবো ভাগ্য ভাল আঘাত টা পেয়েছিলাম। না হলে এই দেশে থেকে নিজেকে ওয়েস্টার্ন কোন গল্পের অজ্ঞাত কাউবয় ভাবার সৌভাগ্য কিভাবে সম্ভব ছিল!

বিস্তারিত»

বাইকে দেশভ্রমণঃ দুই হুজুগের বাসিন্দার একটি প্রডাক্তিভ পাগলামি—-(২)

অজানার শুরু…ঢাকা থেকে সিলেট

অজানা সবকিছুই অন্যরকম থ্রিল আনে আমাদের মনে। সে হোক বা লটারির ড্র, কিম্বা ক্রিকেট ম্যাচের রেজাল্ট অথবা পরীক্ষার ফলাফল। বাইকে আমার আর কাইয়ুম এর সারা দেশ ব্যাপী ১৫০০ কিলমিটার এর অভিযানেও এই থ্রিল এর মরীচিকাই নিয়ে গিয়েছিল অতদুরে। রাজশাহী থেকে ঢাকার পথ ছিল আমাদের চেনা। তাই সামনে সিলেট এর পথ ছিল আমাদের জন্য পুরপুরি ভিন্ন এবং অজেয় চ্যালেঞ্জ।

বিস্তারিত»

OCAS পিকনিকঃ ছবি ব্লগ

গত ১৬ই ফেব্রুয়ারিতে OCAS (Old cadet Association of Sylhet) এর পিকনিক ছিল মানিকগঞ্জের কইট্যাতে। স্পটের নাম Proshika HRDC Trust complex। ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি থাকায় এই পিকনিক মিস করার কোন কারণই ছিল না। পিকনিকের কিছু মুহুর্ত নিয়ে এই ছবি ব্লগিং।


সকালের নাস্তার বিরতি ছিল জাতীয় স্মৃতিসৌধে।


বাস স্টার্ট নিচ্ছিল না। ড্রাইভার জানালো বাস ঠেলতে হবে।

বিস্তারিত»

পশ্চিম পর্ব (ক্যানিয়ন পর্ব)

ক্রিসমাসের লম্বা ছুটিটা শেষ করে আবার ক্লাস, কিছুই ভাল্লাগছিলোনা। আসলে আমরা সবাই তখন অধীর হয়ে আরিজোনা ট্যুরের দিন গুনছিলাম। ইন্টেলিজেন্স কোর্সে এসে ইন্টেলিজেন্ট হই বা না হই মুফতে ঘোরাফেরাটা বেশ ভালই হচ্ছিল। এমনিতে পশ্চিম নিয়ে আমার ফ্যান্টাসীর অন্ত নেই তার উপর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, ফ্লাগ স্টাফ, সেডোনা আর হারিয়ে যাওয়া নাবাহো, হোহোকাম সভ্যতার হাতছানি আমার অপেক্ষাটাকে অধীর হতে অধীরতর করে তুলছিলো। দেখতে দেখতে ব্যাগ গোছানোর দিন চলে এলো।

বিস্তারিত»

ঘুরে এলাম পাহাড়ের দেশ

লেখিকা হিসেবে এটা আমার প্রথম প্রচেষ্টা হলেও সিসিবি’র পাঠিকা হিসেবে আমি বেশ পুরনো। নিজে ক্যাডেট নই, কিন্তু প্রথমে বন্ধু-বান্ধব, তারপর ভাই এবং সবশেষে স্বামীর কাছ থেকে ক্যাডেট কলেজের গল্প শুনতে শুনতে আমি যেন হাফ-ক্যাডেট হয়ে উঠেছি। তাই বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, সিসিবি’র মাধ্যমে এর লেখকদের সাথে আমার হৃদ্যতা একেবারেই অকৃত্রিম. সিসিবি’র প্রতি আমার এই টান দেখে আমার হাসবেন্ড মাহমুদ (১৯৯০-৯৬) আমাকে প্রায়শই এখানে যোগ দিতে বলে।

বিস্তারিত»

পশ্চিম পর্ব (ভূমিকা পর্ব )

বজ্র পর্বতের পায়ে ছোট্ট একটা শহর। শহরে একটা মল, কিছু সাধারন দোকান আর গোটাকয়েক আবাসিক এলাকা। স্বল্প আয়তন, অল্প মানুষ আর গোছানো পরিসরে ছবির মত সাজানো শহরটার নাম সিয়েরা ভিস্তা। মেক্সিকোর সীমান্ত ঘেঁষা হুচুকা মাউন্টেনের পায়ের কাছে এই শান্ত শহরটাতে মাস সাতেক বাস করতে হয়েছিল আমাকে।

সিয়েরা ভিস্তা, নামটাই তো কেমন অন্যরকম। কিশোর বেলায় পড়া ওয়েস্টার্ন গুলোতে এই নামটা ছিলো কিনা মনে নেই,

বিস্তারিত»

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া

ঘোরা হয়নি হয়নি করেও একদম কম জায়গায় যাইনি। সেদিন বসে বসে চিন্তা করছিলাম কয়টা জেলা আমার দেখা হয়েছে। সর্বশেষ ভ্রমণটা ছিল ঢাকা থেকে প্রায় ২.৫ ঘন্টার দূরত্বে মানিকগঞ্জের ঝিটাকা নামক থানায়। ঝিটাকায় ফারুকের বাসায় ঘুরতে যেয়ে ‘ফ্রি’ হিসেবে পদ্মা দর্শনটা বেশ উপভোগ্যই ছিল বটে। তবে সবচেয়ে উপভোগ্য ছিল চরের বাচ্চাদের সাথে ফুটবল ম্যাচটা!

মানিকগঞ্জে যাওয়ার প্রায় মাস ছয়েক আগে ঘুরে এসেছিলাম পাহাড়ের জেলা বান্দরবান থেকে।

বিস্তারিত»

দ্যা হ্যাভেন রোলস ডাউন টু বাংলাদেশ

ঘোরাঘুরি করার শখ, অভ্যাস কিংবা বদঅভ্যাস – যে যেটাই বলুক না কেন, সে অভ্যাসটা আমার বহুদিনের । সৌভাগ্যক্রমে আমার বউও এটা পছন্দ করে । তাই আর কোন ঝামেলাই থাকে না যখন কোথাও যাওয়ার প্ল্যান করি । চাকুরী এবং ব্যাক্তিগতভাবে দেশে আর দেশের বাইরের কিছু জায়গায় আমার ঘোরার সৌভাগ্য হয়েছে । কিন্তু গত ২ দিনে আমার যে ফিলিংস, সেটা এ পর্যন্ত যত জায়গায় গিয়েছি তার তুলনায় কিছুই না ।

বিস্তারিত»

ঢাকার দূর্গাপুজা ২০১০ ফটোব্লগ

ব্লগে কি ফটোব্লগ দেয়া যায়? কদিন আগে দূর্গা পুজা হয়ে গেলো, আমিও ধুমায়ে ছবি তুললাম, এখান শেয়ার না করলে কেমন হয়? আরেক ব্লগে ডে-ওয়াইস পোস্ট করছি, এখানে দেখি ছবি আরো কমায়ে এক পোস্টই শেষ করব। আমার ঘুরাঘুরি হয়েছে মুলত কলাবাগান, বনানী, ঢাকেশ্বরী মন্দির, শাখারীবাজার, তাতীবাজার, রামকৃষ্ণ মিশন, লোকনাথ বাবা আশ্রম, জগন্নাথ হল, রমনা, সিদ্ধেশ্বরী … আর কিছু বাদ গেলো নাকি?

ছবি তুলতে তুলতে একটা জিনিষ শিখলাম,

বিস্তারিত»

বন্য সুন্দরে পাঁচদিন চাররাত

ভ্রমণ কাহিনীর আমি গোগ্রাসে গিলি। তাতে মজা একটাই। অদেখা, অজানা সব জায়গায় নিজে যেতে না পারলেও অন্যের চোখ দিয়ে দেখে নিই। এই যে আমাদের শান্তা, এমন সব দারুণ লেখে। পড়েও অতৃপ্তিটা থেকে যায়। যদি আরো কিছু পাওয়া যেত। কিন্তু ভ্রমণ তো এক জায়গায় শেষ হতেই হবে। শান্তা দেশ দেখে, স্থান দেখে, মানুষ দেখে, সেসব নিয়ে ভাবে- তারপর দারুণভাবে আমাদের সামনে তুলে ধরে। সাইফ ভাই মানুষ দেখেন।

বিস্তারিত»

বগা লেক (ফটোব্লগ)

বগা লেক
আয়তন : ১৫ একর।
সমুদ্র প্বষ্ট হতে উচ্চতা : প্রায় ২৭০০ ফুট ।
উপজেলা সদর হতে দুরত্ব : প্রায় ১৫ কিলোমিটার ।

বিস্তারিত»

রাঙ্গামাটির রঙ্গে চোখ জুড়ালো……এবং আমাদের হিরোহিতোর বিয়ে…

হিরোহিতোর বিয়ে…হিরোহিতো চাকমা…..চাকমাদের বিয়ে দেখার লোভ সামলাতে পারলামনা।..এমনিতে পোলাপাইনকে ঠেলতে লাগে দশদিন।কিন্তু যেই মাত্র তানভীর বলল, “দোস্ত, চাকমা বিয়ে দেখাও হবে, সেই সাথে চান্সে রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই ট্যুর। ব্যাস আর পায় কে?যেই ভাবা, সেই কাজ। তাড়াতাড়ি টিকিট ম্যানেজ করো। এই গরমে এ.সি বাস ছাড়া কাজ হবেনা, হাসনাতের আবদার। করপোরেট মানুষ।আমাদের মতন ছা পোষা না। ওর কথা তো ভাবতেই হয়।তো দায়িত্ব পড়ল ফরিদের ঘাড়ে। না করতে পারেনাই। কিন্ত এই গরমে আমাকে ধরছে যে টিকিট কিনতে ওর সাথে যেতে হবে।

বিস্তারিত»

অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (জীবনের টুকরো দেশে-বিদেশে)


মাঝে মধ্যে রাতের খাবারের সময়টাতে আমরা পরিবারের সদস্যরা মিলে গল্প গল্প খেলি। খেলাটা হচ্ছে কোন একটা বিষয়বস্তু নিয়ে পালাক্রমে সবাই একটা করে গল্প বলবে। যেমন কোন একদিনের বিষয়বস্তু ছিল এম্বুলেন্স। রাইসা গল্প বললো এইভাবে যে ফেইরী গড মাদারের দেরি দেখে সিন্ডারেলা ৯১১ (আমেরিকার জরুরী বিভাগের নাম্বার) নাম্বারে ফোন করে এম্বুলেন্স ডেকে এনে তাড়াতাড়ি রাজপুত্রের নাচের অনুষ্ঠানে চলে গেল। রাসীনের গল্পটা হলো এম্বুলেন্স আর ফায়ার ট্রাক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল।

বিস্তারিত»