শুভ জন্মদিন- ভিভ রিচার্ডস, দ্যা কিং!

৭ মার্চ, ১৯৫২ সালে ক্রিকেটের সর্বকালের সবচেয়ে আগ্রাসী এবং ভীতি জাগানো ব্যাটসম্যান ভিভ রিচার্ডস জন্মগ্রহণ করেন। পুরো নাম স্যার আইজ্যাক ভিভিয়ান আলেক্সান্ডার রিচার্ডস। মাঠে শুধু তাঁর উপস্থিতিই প্রতিপক্ষের শিরদাঁড়ায় ভয়ের শীতল স্রোত বইয়ে দিত। ২০১৩ সালে ক্রীড়া সাংবাদিক অরুনাভ সেনগুপ্ত ভিভের জন্মদিনে তাঁর ব্যক্তিগত ও খেলোয়াড়ি জীবন নিয়ে দারুণ একটি আর্টিকেল লিখেছিলেন। আমি সেই লেখাটির ভাবানুবাদ করার চেষ্টা করছি।

আমরা যদি ক্রিকেটের সব ধরনের ব্যাকরণ বই এবং পরিসংখ্যানের ঝাঁপি নিয়ে বসি তবুও ক্রিকেটের দীর্ঘ ইতিহাসে ভিভের চেয়ে ভাল ব্যাটসম্যান খুব বেশি পাওয়া যাবে না।

বিস্তারিত»

একজন কিংবদন্তীর কথা বলছিঃ ক্লাইভ লয়েড (শেষ পর্ব)

প্রথম পর্ব

শুধুই সামনে এগিয়ে যাওয়া

লয়েড সে সময় সম্ভবত জীবনের সেরা ফর্মে ছিলেন। সেরা ফর্ম দেখানোর জন্য তিনি বেছেও নিলেন সেরা প্ল্যাটফর্ম, প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচ! মাত্র ৮৫ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো তাঁর দৃষ্টিনন্দন ১০২ রানের ইনিংসটি আজও বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ইনিংস বলে স্বীকৃত। তিনি যখন মিড উইকেট দিয়ে অবলীলায় অসি বোলারদের পুল করছিলেন তা দেখে প্রখ্যাত সাংবাদিক জন আরলট লিখেছিলেন,

বিস্তারিত»

একজন কিংবদন্তীর কথা বলছিঃ ক্লাইভ লয়েড (১ম পর্ব)

প্রখ্যাত ক্রিকেট সাংবাদিক অরুনভ সেনগুপ্ত কয়েক বছর আগে ক্রিকেট সংক্রান্ত ওয়েবসাইট cricketcountry.com এ ক্লাইভ লয়েডের উপর বিশাল এক আর্টিকেল লিখেছিলেন। আর্টিকেলটির নাম Clive Lloyd: The mastermind behind West Indies’s domination of world cricket. এতে তাঁর ক্রিকেট জীবনের শুরু থেকে প্রায় সবকিছুই দারুণভাবে উঠে এসেছে। সুপাঠ্য এই লেখাটি সবার পড়ার জন্য দুই খণ্ডে অনুবাদ (ভাবানুবাদ) করার চেষ্টা করছি। মূল লেখাটি পাওয়া যাবে এখানে

বিস্তারিত»

পেস লাইক ফায়ার!

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ পোস্টটি কিন্তু বি শা ল বড়। একাধিক পর্বে দিলে ধারাবাহিকতা নষ্ট হয়ে যাবে বলে একবারেই দিলাম। বিরক্তির উদ্রেক করে থাকলে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি!
————-

১ ডিসেম্বর, ১৯৭৯।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল অস্ট্রেলিয়া সফরে যায়। দুটো কারণে এই সফরটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল- কেরি প্যাকার ওয়ার্ল্ড সিরিজের পর এই দুই ক্রিকেট পরাশক্তি পূর্ণ শক্তিতে ফিরেছে এবং প্রথমবারের মতন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের আক্রমণভাগে বিখ্যাত চারজন ত্রাস পেসারের সমন্বয় ঘটেছে,

বিস্তারিত»

১৬ বছর বয়সী নিজেকে লেখা চিঠিঃ পিট স্যাম্প্রাস

প্রিয় ১৬ বছর বয়সী পিট,
কয়েকদিনের মধ্যেই তুমি পেশাদার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছ এবং আমি জানি-এটা নিয়ে তুমি অনেক রোমাঞ্চিত! নিজের সামর্থ্যের ব্যাপারে তুমি যথেষ্ট অবগত আছো বলে মনে মনে নিশ্চিত জানো যে-ঠিকমত পরিশ্রম করলে, খেলাটার প্রতি সৎ থাকলে সাফল্য তুমি পাবেই। বিশ্বাস কর, যতটা আশা করছ-তারচেয়ে অনেক আগেই তুমি সাফল্যের স্বাদ পাওয়া শুরু করবে! শুরুতে কিছুটা উত্থান-পতন থাকবে, তবে বছর দুয়েকের মধ্যে তুমি বিশ্বের প্রথম পাঁচ জনের মধ্যে চলে আসবে এবং ইভান লেন্ডল,

বিস্তারিত»

গৃহযুদ্ধ ও একজন স্ট্রাইকার

দ্রগবা, দিদিয়ার দ্রগবা।, পুরো নাম- দিদিয়ার ইয়েভেস দ্রগবা তেবেলি।
খুব অপরিচিত কোন বাক্তির নাম না। বর্তমান সময়ের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তো অতি পরিচিত এক নাম।
যাদের কাছে অপরিচিত মনে হচ্ছে তাদের জন্য পরিচয় পর্বটা সেরে নেওয়ায় ভাল।

উপরোল্লিখিত নামের যে মানুষটি নিয়ে কথা হচ্ছে তিনি পেশায় একজন ফুটবলার। জন্ম ১১ মার্চ ১৯৭৮, আইভরিকোস্টের আবিদজান শহরে। আইভরিকোস্টের জাতীয় দলের পাশাপাশি তিনি অনেক ক্লাবের হয়েও ফুটবল খেলেছেন,

বিস্তারিত»

কোর্টের রাণীঃ স্টেফি গ্রাফ!

১৯৯৫ সাল। উইম্বলডন,লন্ডন। প্রমীলা টেনিসের দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ খেলা চলছে! সার্ভ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্টেফি গ্রাফ।

-স্টেফি, আমাকে বিয়ে করবে?
দর্শকের সারি থেকে কে যেন হঠাৎ চিৎকার করে উঠল।

কয়েক সেকেন্ডের জন্য নীরবতা। প্রতিপক্ষের উপর থেকে চোখ না সরিয়েই স্টেফি গ্রাফ প্রশ্নকর্তার দিকে পালটা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন,
-কত টাকা আছে তোমার??!!

দর্শক থেকে শুরু করে উপস্থিত সবাই অট্টহাসিতে ফেটে পড়ল!

বিস্তারিত»

ঝিঁঝিঁ মারার সম্ভাব্য ফলাফল

ঝিঁঝিঁ বাঙ্গালদের পাঁড় ভক্ত এই অধম। বিশেষজ্ঞও বটেন। বিশেষ অজ্ঞতার উপর ভর করিয়াই গ্রেগরী বাবার বর্ষপঞ্জীর ২০১৫ অব্দে মাদিবার দেশ হইতে বঙ্গদেশে আগত স্প্রিংবকদের সহিত ঝিঁঝিঁ মারামারির ফলাফল অনুমিত। যাহা নিম্নরুপ-

মারদাঙ্গা অর্থাৎ টি টুয়েন্টি সিরিজ

ব্যাঘ্র ১- স্প্রিংবক ১

সারাবেলা অর্থাৎ এক দিবসীয় আর্ন্তজাতিক ম্যাচের সিরিজ

ব্যাঘ্র ১- স্প্রিংবক ২

সবুরে মেওয়া অর্থাৎ টেষ্ট সিরিজ

ব্যাঘ্র ০- স্প্রিংবক ০

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ অনন্ত সমস্যায় থুড়ি বর্ষা এবং … কারণে উল্লেখিত ফলাফলের হেরফের ঘটিতে পারে।

বিস্তারিত»

কে এই ডাস্টিন ব্রাউন??!!

সাংবাদিকগণ একেকজন খেলোয়াড়ের বর্ণনা লিখতে গিয়ে একেক রকম শব্দ ব্যবহার করেন। কেননা, প্রত্যকের জন্য আলাদা আলাদা বিশেষণের প্রয়োজন পড়ে। ডাস্টিন ব্রাউনের কথা মনে হলে যে কারও মনে যে শব্দটি প্রথম মনে পড়বে তা হল- প্রথাবিরোধী (Unconventional)!

তার খেলার স্টাইলটি প্রথাবিরোধী। তার মনোভাব প্রথাবিরোধী। তার বেশভূষা, আচার-আচরণ, ব্যাকগ্রাউন্ড সবকিছুই প্রথাবিরোধী। তবে, এ সমস্ত কিছুই টেনিসের মধ্যে দারুণ বৈচিত্র্য এনেছে! এবং টেনিসকে করেছে সমৃদ্ধ!

বিস্তারিত»

আর্থার অ্যাশের উইম্বলডন বিজয়ের ৪০ বছর পূর্তি!

দীর্ঘ ২৭ বছর কারাগারে কাটিয়ে মুক্তির পর নেলসন ম্যান্ডেলা যে গুটিকতক মানুষের সাথে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করলেন- তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সাবেক উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন আর্থার অ্যাশ! দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণ-বৈষম্য ও সারা পৃথিবীর জাতিগত ভেদাভেদ দূর করার অভিপ্রায়ে এই দু’জন কিংবদন্তীর মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল! পরবর্তীতে তাঁরা এইডস এর ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করেছেন। শেষ পর্যন্ত সেই এইডস এর করাল গ্রাসেই ১৯৯৩ সালে আর্থার অ্যাশ এর জীবনের অবসান ঘটে।

বিস্তারিত»

মুস্তাফিজের কাছে খোলা চিঠি!

মুস্তাফিজ,
তুমি আজ যে কীর্তি করে দেখালে তা একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে আর কেউ করে দেখায় নি! অভিষিক্ত হবার ম্যাচসহ পরপর দুই ম্যাচে সর্বমোট ১১ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্রায়ান ভেটোরির রেকর্ড তুমি ভেঙ্গে দিয়েছ! তারচেয়েও বড় কথা তুমি ভেঙ্গেছ টিম ইন্ডিয়ার মেকি আভিজাত্য এবং দাম্ভিকতার দেয়াল! আজ থেকে ভারতের প্রতিটি ব্যাটসম্যান (এবং অন্যান্যরা) বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কথা বলার আগে সসম্মানে কথা না বলুক, অন্ততঃ অবজ্ঞা করার সাহস পাবে না!

বিস্তারিত»

বাংলার বাঘদের ভারত-বধ নিয়ে কোন সাড়া নেই?!!!

অন্তর্জালের সর্বত্র বাংলার বাঘদের ভাতরবধের কাহিনীতে সয়লাব, কিন্তু সিসিবিতে কিছু নেই!

দেশ-বিদেশের তাবৎ বাঙ্গাল উৎসবে মাতোয়ারা, কিন্তু সিসিবিতে কোন কিছু নেই!!!

সবাইরে কি রোজায় ধরেছে?

বিস্তারিত»

ভাল ধারাভাষ্যকার হবার কিছু দিকনির্দেশনা!

কয়েক বছর আগেও ধারাভাষ্যকারদের গুরুত্বের ব্যাপারে অনেককেই হয়ত অনেক কিছু বুঝিয়ে বলতে হত। তবে, বর্তমানে ধারাভাষ্যকারদের তারকা খ্যাতি এবং জনপ্রিয়তা এটাই প্রমাণ করে যে এখনকার দর্শকেরা এঁদের অবদানের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন। সত্যি কথা বলতে কি- যে কোন খেলাকে আকর্ষণীয় ও উপভোগ্য করতে খেলোয়াড়, খেলার মান, মাঠের দর্শক, সম্প্রচারের পাশাপাশি দক্ষ ধারাভাষ্যকারের গুরুত্ব কোন অংশেই কম নয়, বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশিই! বাংলাদেশে এখনো তেমন সাড়া ফেলতে না পারলেও পৃথিবীর অনেক দেশেই ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার বেশ লোভনীয় পেশা!

বিস্তারিত»

বিদায় ক্রিকেটের কন্ঠস্বর

আমার টেলিভিশনে ক্রিকেট দেখার প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল বিটিভির সাপ্তাহিক আয়োজন স্পোর্টস প্রোগ্রামে চ্যানেল নাইনের ক্রিকেট হাইলাইটস প্রোগ্রাম। যেটার উপস্থাপনা করতেন সাদা চুলের এক নাম না জানা ভদ্রলোক। একটা সময় পর্যন্ত কোমল কন্ঠের সাদা চুলওয়ালা ঐ ভদ্রলোকই ছিল আমার কাছে ‘ফেস অফ ক্রিকেট’, ‘ভয়েস অফ ক্রিকেট’।

এরপর ক্যাবল টিভির কল্যানে প্রচুর ক্রিকেট দেখা শুরু হলো, সেই সাথে পরিচিত হলাম প্রচুর কমেন্টেটর এর সাথে কিন্তু কেউই সেই সাদা চুলের মানুষটি যার নাম তত দিনে জেনেছি ‘রিচি বেনো’

বিস্তারিত»

ওয়েস্ট ইন্ডিজঃ সোনালী অতীত, বিবর্ণ বর্তমান ও ধূসর (!) ভবিষ্যত!!

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা উইন্ডিজ (ইংরেজি: West Indies cricket team) বহুজাতিক ক্রিকেট দল নিয়ে গঠিত। ১৫টি ইংরেজিভাষী ক্যারিবিয় দেশ, ব্রিটিশ উপনিবেশ এবং ব্রিটিশ উপনিবেশবিহীন দ্বীপরাষ্ট্রসমূহের ক্রিকেট দলের অংশগ্রহণ ঘটেছে এতে।
উইকিপিডিয়া

সদস্য দেশ ও অঞ্চলগুলো হচ্ছেঃ
১। এন্টিগা এবং বারবুডা
২। বার্বাডোজ
৩। ডোমিনিকা
৪। গ্রানাডা
৫। গায়ানা
৬।

বিস্তারিত»