ছাগলে তো সব ঘাস খেয়ে ফেললো…

ঢাকার বন্ধুর ফোন এল।

– কিরে, তুই নাকি ইউনুসের জন্যে ‘ফাইট’ করছিস।
– ঠিক ইউনুসের জন্যে না। আমার জন্যে।

অপর দিক থেকে খানিকক্ষন চুপচাপ।

– তাহলে ঠিক আছে।
– ঢাকার লোকের চিন্তাধারা কোন দিকে?
– সবাই আছে যায় যার তালে। এদিকে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে চলেছে প্রতিদিন। জানিনা কোন দিকে যাচ্ছে।
– তোর তো কোন অসুবিধা নেই।

বিস্তারিত»

“ইউনূসের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে”

এক. দেশের অবস্থা কেমন
বেশ কিছুদিন আগে শান্তা ফোন করেছিল। অনেকক্ষণ কথা হলো। আলাপের এক পর্যায়ে শান্তা জানতে চাইলো দেশের অবস্থা কি? বললো, যারা দেশ ঘুরে যায় প্রায় সবাই খারাপ বলে। দেশের অবস্থা নিয়ে শান্তাকে সেদিন অনেক কথাই বলেছিলাম। প্রবাসীরা যখন দেশের পত্রিকা পড়ে, তারা রীতিমতো ঘাবড়ে যায়। খুন, ধর্ষন, লুটপাট, দুর্নীতি, আওয়ামী লীগ-বিএনপির রেষারেষির সঙ্গে সম্প্রতি যোগ হয়েছে নারীর ওপর যৌন নির্যাতন। প্রতিদিন গণমাধ্যমে নির্যাতন,

বিস্তারিত»

বাবুরাম চাকুরে

বাবুরাম চাকুরে

কোথা যাস বাপুরে

আয় বাবা দেখে যা

CV খানা রেখে যা

যে লোকের চোখ নেই

দাঁত নেই নখ নেই

ছোটে সে তো হাটে না

ছুটি ছাটা নেয় না

করে না কো উৎপাত

খায় শুধু নুনভাত

সেই লোক জ্যান্ত

ধরে ক’টা আনতো

নিয়ে দাস খতে সইটা

দেই তারে JOBটা

(স্বর্গীয় সুকুমার রায়ের নিকট ক্ষমাপ্রার্থী)

বিস্তারিত»

কিংকু ইবনে কুদরতে এলাহী

একদিন ইনবক্স খুলে দেখি মেসেজে লেখা, বস আসতেছি। এমনিতেই পক্ক বয়সে বন্ধুবান্ধব খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল। তার উপ্রে খোট্টারদেশে হইলে তো কথাই নাই। জুন মাসের ছয় তারিখে অটোয়ার মুখ উজ্জ্বল করে এসে হাজির হইলেন তিনি নোভা স্কোশিয়ার শিয়াল গ্রাম থেইকা। ওইদিন আবার অটোয়ায় এক্স-ক্যাডেট গেট-টুগেদার আছিল। তারে নিয়ে গেলাম সেইখানে। লকিভুলও (রকিব) তারে দেইখা এক্কেরে গদগদ। তারপর সে ভাবী আর বাচ্চাদের একগাদা ছবিটবি তুইলা এলাহি কান্ডকারখানা।

বিস্তারিত»

দুষ্মন্তপুরান-৩

রাজা চৌকীতে হেলান দিয়া বিশ্রাম করিতেছিলেন। তাহার সম্মুখেই রাজপরিচারিকা উবু হইয়া ঘর ঝাড়ু দিতেছিল। বেটি বড়ই বেশরম,অর্ন্তবাস বলিয়া যে একটা জিনিষ আছে বোধহয় জানেই না। রাজা নিবিষ্ট মনে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষন করিতেছিলেন। এমন সময় দুম করে দরজা খুলিয়া প্রধানমন্ত্রীর অনুপ্রবেশ।
রাজা যারপরনাই বিরক্ত হইয়া কহিলেন, মন্ত্রী,বলি বোধবুদ্ধি সব সরবতের সহিত গুলিয়া খাইয়া ফেলিয়াছ নাকি? তোমাকে না বলিয়াছি, দেখা করিবার পূর্বে একটা মিস কল দিবে,নিদেন পক্ষে একটা টেক্সট।

বিস্তারিত»

প্রসব বেদনা..

তীব্র ঘুম থেকে ওঠার পর যখন ঝলমলে রোদ আমার দৃষ্টিসীমাকে চকিত সম্মোহিত করে যায়, পুকুরের শান্ত জলের ঢেউ ছুঁয়ে উঠে আসা ফাগুনী হাওয়া বাগানের সৌরভে দোলা খেয়ে এসে আছড়ে পড়ে আমার খোলা দরজায় । বসন্ত হাওয়ার ঝাপটায় আমি বিমোহিত হয়ে থাকি ক্ষণিক সময়। তারপর খালি পায়ে রুম থেকে কয়েক পা এগিয়েই বারান্দার গ্রীল ধরে শীত শেষের মিষ্টি রোদ।আমার ক্ষণিক অংশে রৌদ্র খেলে যায়। আমার মুখে ,

বিস্তারিত»

হাবিজাবি আর জাবিহাবি

(লেখাটা একটু পুরানো আর সংক্ষিপ্ত )

আমি পশু-পাখি থেকে মানুষকেই বেশি ভালবাসি, তাই ঠিক করেছি মানুষই পোষ মানিয়ে পালব। কোন ভণিতা করে নয়, কোন সস্তা জনপ্রিয়তাও নয়, ভিন্ন ধরণের ভালবাসার কোন আবেগী বহিঃপ্রকাশ ও নয়। ভালবাসার উষ্ণতার ধরণ এমন যে আমার যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি কোন পোষা কুকুর-বেড়ালের নামে উইল করে যাব না বরং এমনই এক অনুভূতি-প্রবণ প্রানীকে দিয়ে যাব যে সম্পদের মুনাফা গুনতে দুখানা হাতই ব্যবহার করতে জানে।

বিস্তারিত»

কবিতাঃ সভ্যতা এক বেশ্যা মেয়ের মতো

সভ্যতা এক বেশ্যা মেয়ের মতো
শাড়ি তুলে দিয়ে দেখায় ফরসা উরু
বর্বর দেশে লোভ দেয় অবিরত
প্রলোভিত হলে কুঞ্চিত করে ভুরু!

অতঃপর তাকে ডেকে আনে নিজ ঘরে
আর চুপিসারে দ্বারে তুলে দেয় খিল
চোখে ঢেলে দেয় সকলের অগোচরে
মরীচিকাময় উজ্জ্বল লাল নীল!

এক ফাকে যত সম্পদ নেয় লুঠে
তখনো লোকেরা সভ্য হবার লোভে
চুমু খায় তার সভ্য লালচে ঠোঁটে
ততক্ষণে মেকী প্রেম উড়ে গেছে উবে!

বিস্তারিত»

হেকমত আলিদের দিন

কদিন ধরেই বাঁ চোখের পাতাটা নাচছে হেকমত আলির। লক্ষণটা নাকি শুভ কিন্তু শুভ ভাবার কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না এই অবসর প্রাপ্ত আমলা। সেই পাকিস্তান আমলে সরকারী চাকুরিতে ঢুকেছিলেন, বাংলাদেশ হওয়ার সময় ট্রেনিং এ ছিলেন ইংল্যান্ডে। তারপর স্বাধীন দেশের ফাঁকা পদে এসে ফেঁদে বসেছেন। একে ওকে এটা ওটা বুঝিয়ে নিজের পকেটটা ভরানোর কায়দাটা ভালোই জানতেন। হল জীবনে এই করেই তো কত বন্ধুর ঘাড় ভেঙ্গে খেয়েছেন!

বিস্তারিত»

বৃষ্টি বিড়ম্বনা ও বিভ্রাট

গল্প শব্দবিভ্রাট নিয়ে। বাস্তবে ঘটা এবং সত্য ঘটনা।

সুকুমার রায়ের গল্পে পড়েছি, “দাদা। জল পাই কোথায় বলুন তো?” প্রতিউত্তরে বলেছে “মুশকিলে ফেললেন, এখনতো জলপাই এর সময় না।তবে আম-কাঠাল হলে চলবে?”

আমার গল্প এইসব বিড়ম্বনা বা বিভ্রাট নিয়েই। একবার ক্লাসে এক ম্যাডাম জিজ্ঞাসা করলেন,”এই তোমাদের ক্লাস ক্যাপ্টেন কে?” আমার বন্ধুর সরল মনের উত্তর, “কাদের”।

ম্যাডাম খেপে গিয়ে বললেন, “ফাজলামো করো।একটা চড় দিয়ে দাত কয়টা ফেলায় দেবো।কাদের আবার?

বিস্তারিত»

‘হলি’ থেকে শিখলাম, জীবনের রং মেখে মানুষ হই ।

দিল্লী। মার্চ ১ , ২০১০। বাংলা type নিয়ে রীতিমত যুদ্ধ করতে হচ্ছে । কিন্তু তাই বলে পিছিয়ে পরলে চলবেনা , অনেক কষ্ট করে লিখছি , প্রথমেই বলি অনেক typo এবং বানান ভুল থাকবে , দয়া করে অনুবাদ করে নেবেন । অনেকদিন পরে ব্লগিং করছি । আজকে আমার ছুটি , ইন্ডিয়াতে আজকে হলি উত্সব, সবাই রং মেখে একাকার । আমিও গিয়েছিলাম , নিজেকে একটু রাঙাতে ।

বিস্তারিত»

আমার প্রেমিকারা-১

একটা একটা করে প্রেমিকাদের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, আর আমি ডাকটিকেট সংগ্রহ করার মত তাদের বিয়ের কার্ড জমিয়ে যাচ্ছি। আমার প্রেমিকারা কিন্তু ভাল,একটু বেশি-ই ভাল কারণ এখন ও আমাকে ওরা খুব মিস করে তাই নিমন্ত্রন দিতে ভুলেনা। আর আমি ও মহান হৃদয়ের মানুষ,যেতে একদম ভুল করিনা। তবে বিপদ হয়েছে গত মাসে। একজনের বিয়েতে গিয়ে এমনই হয়েছে যে আমাকে দেখে কান্না শুরু করে দিল, আর কান্নার ধরন এমনই যে বেচারির পার্লারের খুব ঘষামাজা সাজ ধুয়েমুছে একবারে ফকফকা।

বিস্তারিত»