জাগরণ

হৃদয়ে শাহবাগ

তোরাই খাঁটি বাংলাদেশী
তোরাই আসল বাঙ্গাল।
আমরাতো সব বকধার্মিক
আবর্জনা জঞ্জাল!

আমরা হলাম ঘাটের মড়া
নইতো কারো বি-টিম !
কাদা আটকা হাতির মত
পরিস্থিতির ভিকটিম।

মসনদী খাব সত্য হতে
পেয়ারা সখার মান রাখতে
আখ্যা দিলাম দালাল এবং নাস্তিক !

গরল ঢাকা আছে মধু
অন্তর্যামী জানে শুধু !

বিস্তারিত»

মন্তব্য সংকলন

এক

একটি পারুল বোন

জেগে ওঠো সব ক্যাডেট,
সাত ভাই চম্পা।
রুপালী পর্দায়,
একটি পারুল বোন,
হাসনাইন শম্পা ।

( ০১.০২.২০১৪)

[ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ক্যাডেট চিত্র নায়িকা শম্পা হাসনাইনের সমর্থনে]

দুই

২০১৪ শিক্ষাবর্ষের পঞ্চম শ্রেণীর গণিত বইতে ২৪ নং পৃষ্ঠায় গড় অংকের ৫নং উদাহরণে ক্রিকেট দলে উইকেট রক্ষক নাই।

বিস্তারিত»

বেহায়া শীত

[ বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ইহা সুশীলদের জন্য নহে ]

কয়েক দিন হল মৃদু শৈত্য প্রবাহ চলছে । কেমন মৃদু ? হরতাল ঠেঙ্গাতে পুলিশ যেমন মৃদু লাঠিচার্জ করে সে রকম আর কি । যাই হোক মৃদু শীতে গুরুতর কম্পন ঠেকাতে হীটার ফ্যান কিনলাম। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। একটু বেশী দরেই উষ্ঞতা কিনতে হবে । এখন তো আর ভার্সিটিতে পড়িনা যে ফ্রি বিদ্যুত ব্যবহার করব! সেই সময়ের কথা মনে পড়লে এখন খারাপই লাগে।

বিস্তারিত»

তুমি আমার

তুমি আমার নিরাশার হাহাকারে
মেঘে ঢাকা তারা।
পেয়েও হারিয়ে হয়েছিলাম
খুজে খুজে সারা।

তুমি আমার একরত্তি মুক্তো
খুজেঁ পেয়ে নিমেষেই হাওয়া।
তুমি আমার অজস্র  চাওয়ার মাঝে
একবিন্দু পাওয়া।

তুমি আমার
সারা অংগে জড়িয়ে থাকা
শাড়ীর মত ভালবাসার ছোঁয়া।

 তুমি আমার ছেঁড়া কাঁথায়
ছারপোকার উপদ্রব।
তবু না পাওয়ার মাঝে
তুমিই আমার সব।

বিস্তারিত»

মরলে হিঁদু তোর কী তাতে???

71427_636663376391246_1430758625_n

 

কে বলেছিলেন ঠিক মনে নেই, মেবি প্লাটো/ প্লাতো।
“ঈশ্বর তোমাকে ধন্যবাদ যে আমাকে নারী করে তৈরি করোনি।”

আমি নিজে ঈশ্বর বিশ্বাসী নই। মা মারা গেলেন নভেম্বরে। বাবা বললেন,
“তুই তো আল্লাহ-খোদায় বিশ্বাস করিস না। তোর মার জন্য দোয়াও করতে পারবি না।”
আমি জবাব দিই,
“হু।”

বৌ বললো,
“সূরা ইয়াসিনটা একটু পড়ো।”

বিস্তারিত»

নীরব ভালোবাসা

ছাতা হাতে খোলা চুলে সতর্ক হরিণী।
“নীলচে জামা!” তুমি বলেছিলে, খেয়ালই করিনি।
লাজুক হাসি, “কোথায় যাবেন? বলুন কিছু?”
“যেদিকে বলো, দুচোখ যাবে তোমার পিছু।”
কপট রাগে উল্টো ঘুরে হাঁটা দিলে।
“এই মামা যাবে নাকি কার্জন হলে?”
রিকশায় বসে হয়না দেখা ঘাড় ঘুরিয়ে,
আলতো করে হাতটি ধরি চোখ সরিয়ে।
দুপুর গড়িয়ে শেষ বিকেলের লাল দালানে,
বসে আছি তুমি আমি আপন মনে।

বিস্তারিত»

জাপানী মামার সনেট

আহা কি সুন্দর দেখো, পূর্ণিমার রাতি
আকাশেতে উড়িতেছে একপাল হাতি।
শরীরেতে নেই কোনো উড়িবার পাখা
পদগুলো নীচে থেকে মেলে দেয় শাখা॥
পদের শাখার দ্বারা জুড়িয়া আঘাত্‍
হাতি গুলো উড়ে যায় মেলে দিয়ে হাত॥

গগনে দেখিয়া হাতি তেলাপোকা ভাবে,
আমি কি পারিব কভু এভাবে উড়িতে?
হাতিদের আছে মুখে শুঁড় একখানা,
দুইখানা শুঁড় মোর, সাথে আছে ডানা॥
যেই ভাবা সেই কাজ,

বিস্তারিত»

বাংলার গ্রাম

প্রতি ঈদে অপেক্ষায় থাকি কবে গ্রামে যাব
প্রানভরে মাঠে দাড়িয়ে সতেজ বাতাস খাব।
চোখজুড়ে দেখব আমি গ্রামবাংলার সবুজ,
গ্রামে যাওয়ার জন্য তাই মনটা আমার অবুঝ।

বুক ভরে ঘ্রান নেব সরিষা ক্ষেতে যেয়ে
আমি নদীর ওপাড়ে যাব ছোট ডিঙ্গি বেয়ে।
কখনো বা হারিয়ে যাব ধান ক্ষেতের মাঝে,
গ্রাম ঘুরে নগ্ন পায়ে ফিরব ঘরে সাঁঝে।

নদিতে নেমে সাঁতার কাটব আরও ধরব মাছ
খালে আমি শাপলা তুলবো লুঙ্গি দিয়ে কাছ।

বিস্তারিত»

অনাকাঙ্খিত পরিচয়

বাসে ভীড় চমৎকার,

তার মধ্যে আবার-

যাত্রী নেওয়ায় ব্যস্ত কন্ডাক্টর,

সিট অবশ্য পেয়েছি একটা,

আর পাশে বসা মহিলাটাকে দেখছে আমার উৎসাহী চোখটা,

চেনা চেনা লাগে,

মনে হচ্ছে দেখেছি অনেকবার আগে-

কোথাও,

মনে পড়ছে না নামটাও ।

“ওহে টিকিটটা-”, আনমনে দিলাম তা,

“ওহে”- বলে কলেজের এক বন্ধুও ডাকত সবাইকে,

বিস্তারিত»

মিঠু-মন্টির ছড়ার বাকী অন্তরা

ক–এ কলা খ–এ খাই
এতো বেশী খেতে নাই।
গ–এ গরু ঘ–এ ঘাস
কত ঘাস খেতে চাস।
‘ঙ’ বলে, “কোলা ব্যাঙ,
সারাদিন ঘ্যাঙ ঘ্যাঙ!”
ক – খ – গ – ঘ – ঙ॥

চ–এ চাচা ছ–এ ছাই
দাঁত মাজো। ছাই চাই?
জ–এ জাম ঝ–এ ঝড়
ঝড় এলো জাম পড়।
‘ঞ’–বলে, “মিঞা ভাই,
বিয়ে খাব।

বিস্তারিত»

বিড়ম্বনা…


চরম ভাবে ছিলাম আমি
আইফোন নিয়ে,
কত কাজই করা যায়
এ ফোন দিয়ে।

হঠাৎ কি এক কারনে
যাচ্ছে না কোন কল।
মেজাজ খারাপ করে আমি
পাড়ছি সমান গাল।

এরি মাঝে এক সৈনিক
আমার কাছে এসে,
“স্যার নকিয়া বেশী ভাল”
বলল মুচকি হেসে।
কথা শুনে টাশকী খেয়ে
বললাম আমি তাই,

বিস্তারিত»

যখন তুমি হঠাৎ করেই এতোটা একা হয়ে যাও

কতটা একা হয়ে গেলে নিজেকেও অনেক একা মনে হয়!
ঢোক গিলে গিলে কাঠ হয়ে যাওয়া গলাকে ভেজাতে হয়
মীরাক্কেল দেখেও হাসি পায় না- কতটা একা হয়ে গেলে মানুষ হাসির কথাও ভূলে যায়!

কতটা একা হয়ে গেলে নিজেকেও অনেক একা মনে হয়!
এদিকে ওদিকে তাকাতে তাকাতে বেলা গড়ায়, বিছানায় গড়িয়ে গড়িয়ে প্রণব ভৌমিক আবার উঠে দাড়ায়-
কানের পাশে মাথার রগগুলো তিড়তিড় তড়পায়
হাতের নখগুলো দাঁতের আদুরে চিমটিতে ছোট থেকে ছোট হয়ে যায়
কতটা একা হয়ে গেলে মানুষ হতাশার কথা ভূলে যায়!

বিস্তারিত»

ব্যবধান

এখন না হয় সন্ধ্যা নামুক আর কিছুক্ষন পর
সত্যি বলছি তোমায় নিয়ে বাঁধবো নতুন ঘর
থাকবে আঁধার জোনাকীরা তোমায় দেবে আলো
আমি তখন চুপটি করে বাসবো তোমায় ভালো
রাত কেটেছে অনেক আগে এখন হলো ভোর
তোমার আমার ভালোবাসার কাটলোনা যে ঘোর
সকাল বেলা ঘর বাঁধাটা একটু অসম্ভব
দুপুর আসুক ভালোবাসার হবে কলরব
দুপুর রোদে লাগবে ছায়া তোমার আঁচল তাই
আর কিছু নয় আজ এ লগন এটুকুই চাই
দুপুর গেল রোদের তাপে সন্ধ্যা গেল কবে
তোমার আমার ঘর বাঁধা কি আর কখনো হবে?

বিস্তারিত»

কোন জটে যানজট পড়ল যে আটকা

যানজট চলে যান / আপনাকে চাই না/
যানজটে চলতে / জায়গা যে পাই না। ./
যানজটে জান যায় / কী ভীষণ কষ্ট/
জীবনের কত দামী / সময় যে নষ্ট।

যান যান যত বলি / যানজট যায় না/
চলে যতে যানজট / জায়গা যে পায় না।
কোন জটে যানজট / পড়ল যে আটকা/
এইসব ভেবে ভেবে / লেগে যায় খটকা।

বিস্তারিত»