সুমন ভাইয়ের অচিনপুর পোস্টটা দেখে কলেজে লেখা একটা কবিতা (কোবতে বলা better) মনে পরে গেল। হঠাৎ খায়েশ হইসে একটা পোস্ট দেই, :shy: কিন্তু বহু দিন ধরে লিখি না, লেখাও তাই অভিমান করে আমাকে ছেড়ে ভাগসে। তাই কলেজে লেখা ওই কোবতেটাই দিলাম। এটা সেই আমলে লেখা, যখন ওয়াল ম্যাগাজিনের জন্য তাড়া খেতে খেতে কাগজ কলম নিয়ে সবাই কবি হয়ে যেত। আগে একটা ব্লগে দিয়েছিলাম, সেই ব্লগ আর নাই,
বিস্তারিত»“ভালবাসি বর্ষাকে”
(ছড়াটি অস্ট্রেলিয়া-প্রবাসী আদনান ভাইকে গিফট করা হলো।
আগেই জানিয়ে রাখি, বর্ষা এবং টিউলিপ দু’টি মেয়ের নাম আর জিহাদ হলো আমাদের অতি পরিচিত একটি ভাইয়া।)
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
মুষলধারে রাত্রি-দুপুর
জলের বুকে টিপটিপ
দেখছে বর্ষা-টিউলিপ।
বর্ষা শুধায়, “সখিরে
লাগছে কীযে আহারে
চলনা একটু ভিজি
হৃদয় সুখে মজি।”
টিউলিপ কয় জবাবে,
“আজ জিহাদের অভাবে
আমায় তবে পড়লো মনে
বৃষ্টিমুখর মিষ্টি ক্ষণে?
ভালবাসি তোমাকে
(ফ্র্যান্ডশিপ ডে উপলক্ষ্যে জিহাদকে গিফট করা হলো এই কবিতাটা।)
ছিপছিপে তার বদনখানি
মিষ্টি কোমল মুখ
এরই মাঝে খুঁজে ফিরি
এক পলকের সুখ।
নীলাম্বরী শাড়ি পরে
সামনে যখন এলো
আকাশ থেকে নামলো পরী
আমার মনে হলো।
লজ্জাবতী লতার মতো
কুঁকড়ে গেল নিমিষে
ছুটে কোথায় পালাতে চায়
অধর ছুঁতেই গ্রীবাদেশে।
টেলিফোনের ওপার হতে
বললো যেদিন আমাকে,
আমাদের কলেজ-২(ছড়া version)
আরও একটা part আমি লিখলাম……অন্য যে কেউ পরেরটুকু লিখে আমাকে বাঁচাতে
পারেন(মাথায় শুধু এটাই ঘুরতেছে…..)
কাধের ওপর দুই দাগ নিয়ে
সামনে কটা কেশ,
রুমক্রিকেট আর আড্ডা নিয়েই
যাচ্ছে জীবন বেশ।
আমাদের কলেজ-১(ছড়া version)
ধারাবাহিক উপন্যাসটা তো খুব হিট করেছে। তাই এবার একটা ধারাবাহিক ছড়া………….. যে কেউ পরের টুকু লিখতে পারেন…..
ভরদুপুরে “একশ তিনে”..
চলছে সমাবেশ,
“এইট” শালাদের অত্যাচারে
জীবন তাদের শেষ।