ঘুম

সবাই হয়তো ভাবছেন, আমি এক একটা লেখা জমা দিয়ে বারবার ঘুমিয়ে পড়ি। আসলে ব্যাপারটা কিন্তু সেরকম কিছু নয়। গত দেড়মাস সিসিবিতে আমার অনুপস্থিতি উরফে ঘুমানোর কারন দুটি। প্রথমত, দীর্ঘদিন ধরে ল্যাপটপ নষ্ট থাকা আর দ্বিতীয়ত, একসাথে দুটি এ্যাপয়েন্টমেন্টে কাজ করার কারনে প্রচন্ড ব্যস্ত সময় পার করা। যাই হোক এবার ঈদ পরবর্তী ছুটিতে এসে কিছুটা সময় বের করতে পারলাম। সিসিবিতে কিছু একটা লিখার জন্য দুদিন যাবত আমার আঙ্গুল চুলকাচ্ছে।

বিস্তারিত»

অভিমানী প্রেম

love

কথায় কথায় অভিমান করো
কথায় কথায় অফলাইন,
ভালোবাসার জোরে চালাও
স্বেচ্চাচারী আইন।

হুট করে নেই কোন কথা,
অজুহাত দাও শরীর খারাপ ,মাথা ব্যাথ্যা
একটু এদিক সেদিক হলে
মুখটা করে হাঁড়ি,
দুচোখের নীরব চাহনীতে
লক্ষ লক্ষ ঝাড়ি।

বিস্তারিত»

অসংলগ্ন ভাবনাচিন্তা ……… হা পিত্যেশ পর্ব

বহুদিন হয় কোনো কিছু লেখা হচ্ছে না। আসলে লেখা তো দূরে থাকুক, সিসিবির পোস্টগুলো পড়ে ঠিকঠাক মতন কমেন্টও করা হচ্ছে না। দুই সপ্তাহ আগে মনে হয়, ছোট্ট রকিব মেইল দিয়ে বলেছিলো একটা লেখা দিতে। আসলে লিখতে কিন্তু খুব ইচ্ছে করে। বহুদিন ধরে একটা গল্পের প্লট মাথায় ঘুরছে, শব্দে রুপ দেয়া হচ্ছে না সেটাকে। মাঝখানে শখ হয়ে ছিলো অনুবাদ লিখবো। কিন্তু যে বইগুলো পড়ছি, সেগুলো সুন্দর করে অনুবাদ করার সাধ্য এবং ধৈর্য- দুইটারই অভাব আছে আমার মধ্যে।

বিস্তারিত»

আড়াই চক্কর

একটা জীবন শেষ করলাম। ঘোরের মধ্যে ছিলাম, আছিও হয়ত। ভাল লাগাটা এই পর্যায়ে ছিল যে লোকনাথের দোকানে বসে ডালপুরি খাওয়া এক বালকের টক দিয়ে সালাদের মাখামাখিতেও আমার মুগ্ধতা ছিল, কিংবা দুপুর বেলাতে শুয়ে শুয়ে বিছানার পাশের জানালা দিয়ে আকাশে খাবারের খোঁজে পাক খাওয়া পাখিদের দেখাতেও। আফিসার্স ক্লাবের ছাদে বসে চানাবুট আর পিঁয়াজু চিবুতে চিবুতে এক ঝাক চড়ুইয়ের সাথে সখ্যতা, আকাশে তাদের কিচির মিচির আর একপাশে শীতলক্ষ্যা।

বিস্তারিত»

দিনযাপন : কেটে যাচ্ছে, রক্ত ঝড়ছে না

এক. রোববার রাতে মামুনের বাসায় বন্ধুদের আড্ডা বসেছিল। রাত পৌণে বারটায় বাসা থেকে ফোন, “কোথায় তুমি?” বললাম, এখনও আড্ডায়। বললো, “শোনো, দেরি করো না। হাউজিংয়ের লোকজন এসে বলে গেছে, সাবধানে থাকবেন। বাসার পাহারাদারকে রাতে জাগিয়ে রাখবেন। হাতে লাঠি আর বাঁশি দেবেন। প্রায় প্রতিদিনই এখানে ডাকাতি হচ্ছে। এসব শুনে বাসায় সবাই বিশেষ করে আম্মা খুব টেনশন করছেন।” ঠিক আছে- বলে আমি বাসার লোকজনকে আশ্বস্ত করলাম। সাড়ে বারোটায় বাসায় পৌঁছেও গেলাম।

বিস্তারিত»

খেরোখাতা – কাঁচা হলুদ রোদ এবং আমার কবিতারা

১।
পরের দিন সকালে বাসে চড়তে হবে বলে, আর দুপুরে আমাদের রাস্তায় খেতে হবে বলে রাত জেগে মা খাবার তৈরী করেন। বাবার হাঁক-ডাকে সক্কাল বেলায় উঠে আধো ঘুমেই আমরা জামা কাপড় পরে তৈরী হয়ে নেই। নয়টা সাড়ে নয়টার বাস ধরতে পারলেও লাল-দিঘী নামতে নামতে দুপুর সাড়ে বারো বা একটা বেজে যায়। লাল –দিঘীর হাটে গরু অথবা মহিষের গাড়ি অপেক্ষায় থাকে, আর সাথে থাকে সদা হাস্যময় প্রিয় খলিল চাচা।

বিস্তারিত»

আমার ফেরা

গত কয়েকটাদিন ধরে আমার মাথা ঠিকমতো কাজ করছেনা। হয়তো এর কারন আমি সারাক্ষণ কেনাকাটা আর গোছগাছ নিয়েই বেশি ভাবছি। ফ্লোরিডার সুদীর্ঘ
৫ বছরের পড়াশোনা আমার শেষ হয়ে এলো প্রায়। আর একটি মাত্র মাস, এরপর আমি ফিরে যাব আমার দেশে, আমার ভালবাসার দেশ, বাংলাদেশে! ও আমার মা,
আমার আমার প্রিয় জন্মভূমি, কবে আবার তোমার দেখা পাবো, পাবো তোমার স্নেহের স্পর্শ! কবে তমার বুকের শিশিরভেজা ঘাসের মাঝে হেঁটে বেড়াবো।

বিস্তারিত»

কৈশোর

56

রাত দুইটার সময় যদি কেউ ঘুম ভাঙিয়ে বলে “স্যার আপনারে ডাকে”-তাহলে কেমন মেজাজ গরম হয়!ঠিক সেই ঘটনাই ঘটলো!রাত দুইটায় হাউজ বেয়ারা গফুর ভাই দরোজা ধাক্কিয়ে ঘুম ভাঙালো,বললো
-আপনারে স্যার ডাকতাসে!
-“স্যার মানে?কোন স্যার?”আমার গলায় তীব্র বিরক্তি!
-ডি এম সাবের স্যার।স্যার ওইখানে খাড়ায়া আছে।
জানালায় দাঁড়িয়ে দেখলাম ডি এম রুমের লাইটা জ্বালানো,বাইরে একটা ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে!সাবের স্যার,ক্যাডেট কলেজে সবচেয়ে অপছন্দ করি এমন স্যারদের একজন।আমাদের ইংরেজী পড়ায়।পড়ায় মানে ক্লাসে আসে আর কি!পড়াশোনা কিচ্ছু নাই!আর ক্যাডেটদেরও নাক একটু উঁচু,ইংলিশ ভার্সনে পড়ি…ইংরেজী তো আমরা পারিই!তাই স্যারও অবসরে শুধু কার কী ফল্ট আছে এইসব খুঁজে বেড়ায়!আর সবসময় দেখেছি ইংলিশ ডিপার্টমেন্টটাই বজ্জাত হয় সবচেয়ে বেশী।আর ইয়াং টিচারদের গ্রুপদেরও নাম থাকে আলাদা,যেমন বন্ড,ডগ স্কোয়াড ইত্যাদি!

বিস্তারিত»

অতীত-বর্তমান

সে আমার নয়, ছিলো কি কখনো?
প্রেম এক বহমান নদী, বাঁকে বাঁকে যার
অসংখ্য পুরুষ – নারীর জন্য
আসংখ্য নারী – পুরুষের জন্য।
বাঁক থেকে বাঁকে তারা ছুটে ছুটে যায়।
পুরুষ ছুঁয়ে যায় কত নারী,
নারী স্পর্শ নেয় কত পুরুষের!
গতকাল ইতিহাস আজ, আগামী রহস্যে ভরা
কিন্তু বর্তমান আমার আশীর্বাদ।
তুমি আজ অন্যের বাহুডোরে,
কিন্তু জেনে রাখো,

বিস্তারিত»

ছোটবেলার ঈদ কিংবা বড় বেলার কম্পু দিন

“আজ ঈদ, মদীনার ঘরে ঘরে আনন্দ”- কোন একটা ছোট ক্লাসের বাংলা বইয়ের এই লাইনটা সম্ভবত আমাদের অনেকের ছোটবেলার ঈদের সবচেয়ে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন। ঈদের আগের সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার জন্য ব্যস্ততা, সকাল বেলা গোসল শেষে নামায আর তারপর বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে সালাম আর সেই সাথে সালামীর ভাগ। আর কোরবাণী ঈদের সময় পশু নিয়ে আমারা ছোটদের ছোটাছুটি মাঝেমাঝে বড়দের ব্যস্ততাকেও ছাড়িয়ে যেত নিশ্চিত। এত এত ব্যস্ততার মাঝে তখন বুঝতে পারিনি কিন্তু এখন নিশ্চিত কলোনী কিংবা গ্রামের বাড়িতে করা সেইসব ছোটবেলার ঈদ স্মৃতির দৌড়ে এগিয়ে থাকবে বহুদূর।

বিস্তারিত»

গরুর কথা

কলেজ থেকে বের হলাম প্রায় দেড় বছর হয়ে গেল…। কলেজ থেকে বের হবার আগে ক্লাসমেটরা কলেজ থেকে বের হওয়ার পর কি আমরা কলেজ কে মনে রাখবো কিনা বা কতদিন মনে থাকবে এই নিয়া অনেক কথা হতো। যেমন অনেকে বলতো কলেজ থেকে বের হবার ২/১ মাস পরই সব খতম। আমরা সব ভুলে যাবো।
আজকে ১.৫ বছর হয়ে গেল, কেউ ভুলতে পারেনাই বরং আরো বেশি করে কাহিনী মনে পড়ে।

বিস্তারিত»

ঈদ কুরবানী নিয়ে বিরক্ত জনৈক ব্যাক্তির দিনলিপি : (উৎসর্গ ঈদ উৎসবে গরু ছাগলের সাথে কুরবানী হওয়া সকল দ্বিপদী মানব মানবীদের)

[ঈদ চলে আসল উৎসবের আমেজ নিয়ে। ছোট বেলায় যখন ঈদ উৎসব নিয়ে রচনা লিখতাম ঈদের আনন্দে মোহবিষ্ট হয়ে গিয়ে যা করি আর যা করতে চাই সব কিছুকে চালিয়ে খাতার মাঝে এক জগত তৈরি করে ফেলতাম। নিজের রচনা নিজেই পড়তে পড়তে অদ্ভুত ভার্চুয়াল সুখে মেতে উঠতাম। সময়ের আবর্তনে এখন যখন একটু দেখি চারপাশে বাস্তবতার আঘাতে সেই আনন্দ হারিয়ে যেতে চায়। কুরবানীর ঈদকে অনেকে বলে বড় ঈদ।

বিস্তারিত»

দিনলিপি : উৎসবের মাঝে আমিত্বের আত্নত্যাগ স্বরণে

উৎসব উৎসব ভাবে চারদিক ছেয়ে গেছে আর বাই প্রোডাক্ট হিসেবে আছে গোবরের গন্ধ। গরু ছাগল উট ইত্যাদি ইত্যাদি। সকালে ছোটভাই এর সাথে একটা গবেষণা করলাম। কুরবানী করা যায় এইসব প্রাণীর ক্রাইটেরিয়া কি? মুরগী বা গাধাকে কেন বাদ দেয়া হবে ইত্যাদি।

উৎসবের প্রয়োজন মানব জীবনে কতটুকু সেটা আমি জানি না। সেটা ভ্যালেন্টাইনস ডেতে হুড তোলা রিকশায় লিপস্টিক দিয়ে রাঙ্গানো ঠোট চোষা বা ভরপেটে প্রাণীজ আমিষ খাওয়ার উপলক্ষ তৈরী করে দেয়া নাকি কোন সমাজতাত্বিক কারন আছে পৃথিবীজুড়ে উৎসবের দিনক্ষণ করার জন্যে।

বিস্তারিত»

খুচরো কথা-২

১।
জানালার ধারে বসে আঁধফালি চাঁদটা দেখছি খানিকক্ষণ। রুমের সাথে সাথে রাস্তার বাতিগুলোও নিভে গেছে; সম্ভবত বৈদ্যুতিক গোলযোগ; একটু অবাক হবার মতোই বৈকি। উত্তর আমেরিকার এসব দেশগুলোতে লোডশেডিং প্রায় নেই বললেই চলে, অন্তত আমার ক্ষুদ্র প্রবাস জীবনে এমনটি এই প্রথম। ভালোই লাগছে, ঘুঁটঘুটে অন্ধকারের মাঝে বসে মেঘের আড়ালে চাঁদের লুকোচুরি খেলা; এভাবে যে অনেকটা কাল চাঁদের নরম আলোয় গা ভেঁজ়েনি। ফুড়ুৎ করেই মনটা আবার উড়াল দেয় পেছন পানে।

বিস্তারিত»

সাপ্তাহিক ১৮

গত সাপ্তাহিকে সবার দোয়া চেয়েছিলাম যাতে পরবর্তী পর্ব ছুটিতে বসে লিখতে পারি। এর মাঝে ছুটিতে শেষ করেও ফেলেছি, কিন্তু লেখা হয়নি। ছুটিতে বিভিন্ন মহল থেকে আমার প্রতি অভিযোগ তোলা হয়েছে আমি নাকি তাদের থেকে ব্লগকেই বেশি সময় দেই। এ অভিযোগ থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে ছুটির মধ্যে রাতে অল্প কিছু সময়ের জন্য ঢুঁ মারা ছাড়া ল্যাপটপ চালুই করি নাই বলা যায়। ছুটি শেষ করেই আবার অফিসের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি।

বিস্তারিত»