আমি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি। তাই স্বপ্ন দেখি বিচার হচ্ছে সেইসব ঘাতকদের যারা একটা শিশু জন্মাবার আগেই তাকে চরম আঘাত করেছিল ডিসেম্বরের এই ১৪ তারিখ আটত্রিশ বছর আগে। তাই বিচারের স্বপ্নে আঙ্গুল গুনি, বছর গুনি। আটত্রিশ বছর। হয়ত ক্রমান্বয়ে এই সংখ্যাটার বেড়ে চলা মনে হতাশা বাড়ায়। কিন্তু এইসব হতাশা ঝেড়ে ফেলতে চাই। তাই খুঁজে ফিরি আটত্রিশ বছর আগে সেইসব যুদ্ধ বিজয়ী মানুষ গুলোর মনোবলের ভান্ডার। আশায় থাকি নিশ্চয় একদিন শেষ হবে আমাদের এই বছর গণনা।
বিস্তারিত»দ্য ওয়েল টেম্পার্ড ক্ল্যাভিয়ের
আমাদের চারপাশের মানুষগুলো কেমন?
আমি মাঝে মাঝে ভাবি আমি আজকে এখন পৃথিবীতে না থাকলে কেমন হতো? একেবারে সাধারণ ভাবনায়, শুরুতেই ধরে নেয়া যায় যে এই লেখাটা লেখা হতো না। আমি জানি আমার ভেতরে যে কথাগুলো জন্ম নিচ্ছে সেগুলো আর কেউ কোনোদিন বলে গেছে; তবে আমার মতো করে বলে নি। আর আমার মতো জীবন ঠিক আমার মতো করেও কেউ কাটায় নি। আমি যাদের সাথে মিশে মিশে,
বিস্তারিত»কতিপয় “অশিক্ষিত” আমজনতার বাংলাদেশ ভাবনা
আমজনতা কি বলে তা আমাদের জানা উচিত। নাগরিক সুযোগ সুবিধা এবং নিরাপত্তা ভোগ করে এবং এসির বাতাস খেয়ে এসব অনুভব করা একটু কঠিন।
বসে ছিলাম বাসে, ঘন কুয়াশার কারণে প্রায় ৪ ঘন্টা বাস আটকে ছিল। কানে আসলো কয়েক সিট পেছনে থাকা লোকজনের কথাবার্তা..
– দেখেন ভাই, এ দেশে এখন যা-ই হইবো, বা অলরেডি যা কিছু হইছে, সবই কইবো শেখ সাইবে স্বপ্ন দেইখা গ্যাছে।
খুশকি – ৬
১। ২০০৫ সালের শেষের দিকের ঘটনা। আমি তখন পিজিআর এ ছিলাম। একটা কোর্স উপলক্ষ্যে এস.এস.এফ. এ এটাচ ছিলাম প্রায় তিনমাস। কোর্সের নাম ডিপিসি (ডিগনিটরী প্রটেকশন কোর্স) বা ভি আই পি প্রটেকশন কোর্স। ঐ কোর্সে আর্মি, নেভী, এয়ারফোর্স ছাড়াও পুলিশ ও আনসারের অফিসাররা ট্রেনিং করে থাকে। কোর্স শেষে সব ষ্টুডেন্ট অফিসারদের বিভিন্ন ভিআইপি এসাসিনেশনের ঘটনার উপরে প্রেজেনটেশন দিতে হয়। ষ্টুডেন্ট অফিসাররা কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এই প্রেজেনটেশন দেয়।
বিস্তারিত»তিন চক্কর
অন টপিক
পিকনিক একখান হইছে, কিছুই বলমু না। আন্দালিব ভাইয়ের ছবি যেমন কথা বলে আমার নীরবতাও তেমনি চিৎকার করে। :grr:
অফ টপিক
ইদানীং কোন সমস্যায় পড়লেই গুগলাই। ব্যাপারটা যে বাড়াবাড়িতে চলে যাচ্ছে টের পেলাম
জিহাদের সাথে চ্যাটায়,
জিহাদঃ তোর ইন্টারে স্ট্যাটিকস ছিল?
আমিঃ না। কেন?
জিহাদঃ কাজ ছিল। পারবি করতে?
আমিঃ কোন ধরনের?
পিকনিক পূর্ববর্তী প্যাচাল এবং ক্যাচাল
“আমি হলাম যারে বলে মাল সিংহ”
কালকে ঘুম থেকে উঠেই আমার চিটাগং এর এবং বোধহয় বাংলাদেশেরও একমাত্র খাঁচা ছাড়া সিংহের কথা মনে পড়লো সবার আগে। আহারে! সিংহ হয়াও শান্তি নাই। এই ইট প্রাসাদের জংগলে বেঁচে থাকার জন্য তাদেরও আজকাল সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দিতে হয়। কি আর করা! সিংহ বিনে গাজীপুর জংগলে যেতেই হবে। বাস্তব বড়ই কঠিন। এবং সেটা রজনীকান্ত ছাড়া মোটামুটি আর সবার জন্যই প্রযোজ্য।
বিস্তারিত»ক্লিকে ক্লিকে পিকনিক!
জনগণ ছবি দেখুন। ছবি দেখিয়া কথা বলুন। আমি বেশি কথা বলিবো না কারণ ছবি কথা বলে!
দ্রঃ এখানে খুবই কম ছবি দেয়া হয়েছে। মূল সংগ্রহটি এখানে।
বিস্তারিত»জীবন থেকে নেয়া……
১।
আমি আর আমার বউ কয়েকদিন আগে গেছিলাম সুন্দরবন। সেইখানে অপথালমোলজিস্ট তৌহিদ ভাই একটা চুটকি শুনিয়েছিলেন। চুটকিটা যেহেতু উনি শুনাইছিলেন, ফাটা কেউ দিতে চাইলে উনারে প্রতি নিয়ত কইরা দিয়েন, আমার কোন দায়-দায়িত্ব নাই।
এক লোক একবার কোথায় যেন যাবে, তাই বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে কাউন্টারে টিকিট চাইল। কাউন্টারম্যান তারে বলল, ফার্স্ট ক্লাস, সেকেন্ড ক্লাস আর থার্ড ক্লাসের টিকিট আছে। কোনটা চান? ভদ্রলোক নিজেকে সুশীল ভাবতেন,
বিস্তারিত»পিকনিক পিকনিক
১. রবিনের আইটেম
সকাল সাড়ে আটটায় পান্থপথ থেকে বাসে উঠলাম। সঙ্গে সঙ্গে রবিনের ফোন। ও অপেক্ষা করছে মহাখালী ফ্লাই ওভারের নিচে। সেখান থেকেই বাসে উঠবে। ভাবলাম বাস কতদূর এলো জানতে ফোন করেছে। কিন্তু রিসিভ করার পর শুনি অন্য কথা……দোস্ত একটা আইটেম পাইয়া গেলাম মহাখালী, পিকনিকে নিয়া যামু ওইটারে।
সর্বনাশের কথা- আমি মনে মনে ভাবলাম। শালার ভাই কি পিকনিকে দুই নম্বর কিছু নিয়া যাইতে চাইতেছে নাকি!
রিভিউঃ অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ
রিভিউঃ অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ
[ডিসক্লেইমারঃ এই লেখাটা শুরু করার মাত্র অল্প কিছুক্ষণ আগেই আমি “অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ” ধারাবাহিকের শেষ পর্বে আমার একটা ছোট্ট মন্তব্য যোগ করেছি। আসলে মন্তব্যের ঘরেই কথাগুলো চলে আসছিল। কিন্তু মন্তব্য বড় হয়ে যাবার আশংকায় একটা রিভিউ-ব্লগ লেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। এর মূল কারন অবশ্য দুটো – প্রথমতঃ আমি নিজে একজন ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র এবং দ্বিতীয়তঃ শেষ পর্বের বাস্তব ও জীবনমূখী সমাপনী যা আমাকে তীব্রভাবে আকর্ষন করেছে এবং বেশ ভাবিয়েছে।]
বলতে গেলে প্রায় একটানে গল্পগুলো (পুরো সিরিজটা) পড়ে শেষ করলাম।
বিস্তারিত»একনিষ্ঠ শিশ্ন-চর্চায় রত ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভ
সিনেমা বিষয়ে স্ট্যানলি কুবরিক এর কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। হাই স্কুল শিক্ষা যখন শেষ করেন তখন আমেরিকায় মন্দা চলছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সেই দেশে নিয়ম করা হয়েছিল, ৬৭% এর উপর নম্বর না থাকলে কেউ কলেজে ভর্তি হতে পারবে না। তাই হাই স্কুলের পর আর কুবরিকের পড়াশোনা করা হয় নি। পরবর্তীতে মন্তব্য করেছিলেন যে, স্কুল তাকে কিছুই শেখাতে পারে নি, এমনকি স্কুলের কোনকিছুতে তিনি কোনদিন উৎসাহও পান নি।
বিস্তারিত»ক্র্যাশ রিপোর্ট
আমার নতুন কম্পিউটারে এরই মধ্যে নানা অদ্ভুতুড়ে আর ভূতুড়ে অসুখ দেখা দিয়েছে। কেনার পরে প্রথমে দুইটা অপারেটিং সিস্টেম বসালাম, এক্সপি, যেহেতু আমি এক্সপি-কে ভালোবাসি; আর উইন্ডোজ৭, কারণ সে তন্বী তরুণীর দেহবল্লরি নিয়ে হাজির হলো। পাইরেসিকে জিন্দাবাদ বলতে আমার কোনই আপত্তি নাই, হীনমন্যতাও নাই; তাই দুইটা ড্রাইভে এক্সপি ও ‘৭’ জায়গা করে নিলো। আমি দুইখানেই যাই, ঘুরি ফিরি ভালো লাগে।
প্রথম সমস্যা শুরু হলো যেদিন থেকে লাইভ মেসেঞ্জারে কয়েকদিন ধরে ঝুলে থাকা নোটিফিকেশনের কারণে আমাকে লগইন করতেই দিলো না!
বিস্তারিত»মর্চুয়ারি
[এখানকার বক্তব্যগুলো হায়দারের স্ত্রী প্রেরণা’র লেখা]
ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে কেন যে লাশগুলোকে আইডেন্টিফাই করা হলো না, বুঝতে পারলাম না। ভাইদের লাশগুলোর তো খুবই বিশ্রী অবস্থা ছিল। খুবই কম সংখ্যককে চেনা গেছে। পোস্ট মর্টেম করার সময় স্যাম্পল সবারই রাখা হয়েছিল। দাফন করা লাশগুলোকে কেন কবর থেকেই বা তুলতে হবে, আমি বুঝি না। মেডিকেল সায়েন্স না পড়ে থাকলেও এতটুকু জ্ঞান তো আমার আছে। প্রত্যেকের বাচ্চার সাথে স্যাম্পলের ডিএনএ টেস্ট করা যেতে পারে।
বিস্তারিত»কেএফসি
[এখানকার বক্তব্যগুলো হায়দারের স্ত্রী প্রেরণা’র লেখা]
আমার ঠিক তারিখটা মনে নাই, জুন মাসের দিকেই হবে। মন খারাপ লাগলে প্রায় পিলখানার গেটের সামনে দিয়ে যাই এবং দাঁড়াই। মনে হয় এখানের মাটিতে তো তানভীর পাড়িয়েছে। ও আমার কাছ থেকে হারিয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, আমার অপেক্ষার প্রহর বেড়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনই ভাবি ও সামনে আসলে কি করবো। আমার সারাদিন ওর কথা ভাবতে ভীষণ ভালো লাগে।
বিস্তারিত»টিউবলাইট ছ্যাঁকা- দ্য নিউ মুনমুন
এম্নিতে আজগুবী সিনেমা আমি ব্যাপুক ভালু পাই। ধুমধাড়াক্কা সাই ফাই থিয়েটারে আসলে আমি নিয়মিত দেখি। আর ভুত-প্রেত-ভ্যাম্পায়ার থাকলে তো কথাই নাই! রাতের বেলা ঘর অন্ধকার করে ভুতের মুভি দেখার মজাই আলাদা।
শেষবার সিরিয়াসলি ভয় পেয়েছিলাম হিন্দি একটা মুভি দেখে, নাম ছিলো বাস্তশাস্ত্র। আমি তখন ডারবানে থাকি, ইউনিভার্সিটির ছুটি চলছিলো তখন। পুরো হলে আমি ও আমার মতন আরও দু’চারজন ভিনদেশী অভাগা ছিলাম শুধু, যাদের যাওয়ার কোন জায়গা নাই।