
ওরা সব পারে।
ওদের থেকে সাবধান।



না নিচের লেখা আমার নয়।
লেখাটা আসিফ সিবগাত ভুইয়া নামে একজন বিশিষ্ট ইসলাম বেত্তার।
উনি দাবী করিয়াছেন গতকাল হেফাযতিরা ইসলাম পুড়ায় নাই।
আর যদি পুড়াইয়াও থাকে তাইলেও দোষ নাই।

ওরা সব পারে।
ওদের থেকে সাবধান।



না নিচের লেখা আমার নয়।
লেখাটা আসিফ সিবগাত ভুইয়া নামে একজন বিশিষ্ট ইসলাম বেত্তার।
উনি দাবী করিয়াছেন গতকাল হেফাযতিরা ইসলাম পুড়ায় নাই।
আর যদি পুড়াইয়াও থাকে তাইলেও দোষ নাই।

কামারুজ্জামান তাঁর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর উচ্চস্বরে বলে ওঠেন, ‘রং জাজমেন্ট! রং জাজমেন্ট! ইতিহাস ক্ষমা করবে না।’
আরে কামারু, রায় শুনেও তুই বুঝলি না যে ইতিহাস তোরে ক্ষমা করে নাই? (ফেরদৌস ফয়সাল )
কামারুজ্জামান যে আল বদর বাহিনী (যা কিনা গঠিত হয়েছিলো তৎকালীন জামাতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ছাত্র সংঘ ;
বিস্তারিত»সূচনাঃ
১। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১। বৃটিশ রাজ বিদায় হয়ে যাবার পর ভারতীয় উপমহাদেশ এর আরেকটি ঘটনাবহুল সময়। বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ভারতীয় উপমহাদেশ ছেড়ে যাবার সময় তাদের বিখ্যাত Divide and rule এর আরো দুইটি নজির রেখে যায়। একটি হলো কাশ্মীর আর আরেকটি হল পাকিস্তান। মাঝখানে বিশাল রাষ্ট্র ভারতের দুই পাশে দুই পাকিস্তান, পশ্চিম আর পূর্ব। যাদের নাগরিকদের মাঝে ভৌগলিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক,
বিস্তারিত»১
আধুনিক দাম্পত্য চলে কতগুলো সূত্র মেনে। তার একটা হলো স্পেস। এই যেমন বর আর আমার কম্পিউটার দুটি সবসময়ই একে অপরকে পৃষ্ট-প্রদর্শন করে। মনিটরদের সাথে মালিকদের ক্রশ-কানেকশন হয়না। আমার ধারণা কি লিখি জানতে পারলে বর ক্ষেপাতে শুরু করবে। এর আগে আমি কবি না বলে রক্ষা পেয়েছিলাম। বর যেহেতু ব্লগের আগের প্রজন্ম, তাই এ সম্পর্কে তার ধারণা নেই। অন্ততঃ আমি এতোদিন তাই ভেবে এসেছিলাম। খুব দ্রুতই আমার সে ভাবনা ভুল প্র্মাণিত হলো।
# মেজর জিয়া তখনও ক্ষমতায় আসেননি। এক জুনিয়র অফিসারকে তিনি তখন অনুরোধ করেন মোহাম্মদপুরে ৭৫০ টাকায় তাকে একটি বাসা ভাড়া করে দেবার জন্য। জুনিয়র অফিসার এমন কথা শুনে প্রচণ্ড অস্বস্তি বোধ করতে থাকেন। কারণ ৭৫০ টাকায় তখন এক রুমের বাসা পাওয়াটাই ছিল সৌভাগ্য।
মেজর জিয়া ব্যক্তিগত ভাবে প্রচণ্ড সৎ ছিলেন। পরিমণ্ডলের সকল দুর্নীতি তিনি দেখে না দেখার ভান করলেও নিজে কখনও করাপশনে নিজেকে জড়াননি।
বিস্তারিত»প্রধান বিরোধীদল চিন্তা করছে এটারে সরকার দলীয় আন্দোলনের ফাঁদে ফেলতে পারলে আগামী নির্বাচনে ফায়দা হাসিল করা যাবে । তাছাড়া এই আন্দোলনের ফলে জামাতের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হলে এদের বড় অংশ আমাদের দলেই পার্মানেন্ট হয়ে যাবে । তাই তারা মনে করে যদিও জামাতের সাথে বর্তমানে জোট থাকায় গেঁড়াকলে পড়লেও শেষমেশ ফলাফল তাদের জন্য তেমন খারাপ হবে না ।
প্রধান সরকারি দল চিন্তা করছে যেহেতু মুক্তিযুদ্ধ আমাদের নিজস্ব সম্পত্তি আর এরা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ করছে,
বিস্তারিত»প্রায় তিন বছর পর আজ সিসিবিতে লিখতে বসলাম। কিছু পারিপার্শ্বিক কারনে এবং কিছুটা ব্যক্তিগত কারনে ইচ্ছাকৃতভাবেই সিসিবি থেকে দূরে ছিলাম। আজ আর সেসব কারন ঘাটতে যাবনা। একটি বিশেষ কারনে আমার এই প্রত্যাবর্তন। যারা সিসিবিতে নতুন তাদের আমি অনুরোধ করব ১০/১৫ মিনিট সময় নিয়ে আমার আগের এই পোষ্টটিতে একটু ঘুরে আসার জন্য। এখানে ক্লিক করুনঃ একজন অখ্যাত মুক্তিযোদ্ধার গল্প। আশা করি লিংকটি পড়ে এসেছেন।
বিস্তারিত»কে দিল ওয়াইট হাউজের পেইজে বাংলাদেশ ১৯৭১ নিয়ে পেটিশন? সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে নোংরা রাজনীতি খেলছে কোন রাজাকারের বাচ্চা?
Express solidarity with the protesters in Bangladesh who are seeking justice for the war crimes of 1971
উপরের এই শিরোনামে দেয়া হয়েছে একটি পেটিশন ইউ এস সরকারকে জানিয়ে ওয়াইট হাউজের সাইটটিতে।
বিস্তারিত»১
শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে আন্দোলন চলছে, দিনে দিনে তা চারাগাছ থেকে মহীরুহে পরিণত হচ্ছে। প্রাথমিক উত্তেজনা খানিকটা থিতু হয়ে আসায় এখন এই গাছে কি ফলের সম্ভাবনা আছে, তা কবে পরিপক্ক হবে, কার পাতে যাবে- এইসব নিয়ে খানিকটা চিন্তারর ফুরসত পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রক্ষিতে রাব্বীর ব্লগটা খুব পরিচ্ছন্ন একটা ধারণা দিল এই আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষিত নিয়ে। এটা খুবই সত্য যে, স্বাধীনতা-উত্তর দেশে ইসলামীকরণ হয়েছে, আর সেই সুযোগে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আবার বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে বসেছে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ক্রমশঃ দূর্বল করে দিয়ে দেশকে বারবার পেছনে ঠেলে দিয়েছে।
খান আরিফা লোপা আমার বই “বিতংস”এর একটি সমালোচনা করে। সেটি এখানে পোস্ট করে দিলাম।
লোপা বুয়েটে আমার এক ক্লাস উপরে পড়তো – স্থাপত্যবিদ্যায়। যদিও আমেরিকাতে এসে সে বিষয় পরিবর্তন করে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়েছে। লোপার চিন্তা-ভাবনায় তার একটা নিজস্বতাবোধ কাজ করে। ওর বাবা কবি রফিক আজাদ যার “ভাত দে …” কবিতাটি মনে হয় সবারই কমবেশি জানা। যেহেতু এই কবিতাটি রচনাকালের সেই সময়টা আমার লেখায় উঠে এসেছে তাই আগ্রহ ছিল লোপা কি বলে তা জানার জন্য।
এটা প্রায় দেড় বছর আগের কথা। বারডেম হাসপাতালে গিয়েছিলাম ব্লাড ডোনেট করতে। একজন প্রৌঢ়, বয়স ৭০/৮০ হবে, ডায়াবেটিক। ইঁদুর জাতীয় কোন প্রাণীর কামড় থেকে ইনফেকশন, সেখান থেকে গ্যাংগ্রীন, তাই পা কেটে ফেলতে হবে। ভদ্রলোকের পরিবার-পরিজন সবাই সেখানে উপস্থিত। ছেলে-মেয়ে, তাদের স্বামী-স্ত্রী-সন্তান। সবাই বিহারী। ভাঙ্গা ভাঙ্গা উর্দু, আরও ভাঙ্গা ইংরেজী, এবং তার চেয়েও করুণভাবে ভাঙ্গা বাংলা মিলিয়ে কোন এক ভাষায় তারা আমার সাথে কথা বলছিলেন। যার শতকরা ৯০ ভাগই আমার বোঝার ক্ষমতার বাইরে।
বিস্তারিত»খেলাঘর
অনিন্দ্য ইমতিয়াজ
(………………………………………… this is dedicated to all cadets of 53rd batch of fcc)
আমি কোন বিতর্ক করতে আসিনি,
আসিনি কোন উপদেশ দিতে
শুধু একটি গল্প বলতে এসেছি,
শুধু একটি গল্প।
নাহ! এ কোন ইতিহাস নয়,
রূপকথা? তাও নয়,
শুধুই গল্প, শুধুই কল্পনা –
“একটা ঘর ছিল, খেলাঘর,
খেলার জন্য কিছু পুতুল, সুতো আরও কত কি!
পুতুলগুলো যেন ঠিক লজ্জাবতীর পাতা,
একে অন্যকে আড়াল করে ফেলত পরম মায়ায়
যেন কেউ ছুঁতে না পারে।
সিসিবিতে ধারাবাহিকভাবে একটি উপন্যাসটি লিখছিলাম। সেটি গত বছর বই আকারে বের হওয়ার কথা ছিল। শেষ পর্যন্ত তা হয়েছেও। তবে বইমেলাতে নয়। বছরের শেষে ডিসেম্বর মাসে। আগামী প্রকাশনী থেকে। ২০১৩’র বইমেলাতে সে বইটি আগামী প্রকাশনীর স্টলে পাওয়া যাবে। এবার নিশ্চিত হয়েই কথাটি বলছি। কারণ বইটি আমার হাতে এসেছে। আর আগামী প্রকাশনীও তাদের তালিকাতে বইটির নাম উল্লেখ করেছে। গতবার বইমেলাতে উপন্যাসটি বের হবার কথা ছিল বলে অনেকেই আমার কাছে তার খোঁজ জানতে চেয়েছিলেন।
বিস্তারিত»সম্প্রতি বিশ্বজিৎ দাসের হত্যাকান্ড প্রতিটি বিবেকবান মানুষের অন্তরে দাগ কেটে গেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে রাজধানী শহরে অসংখ্য চোখ ও ক্যামেরার সামনে একজন বনী আদমকে কুপিয়ে কুপিয়ে মৃত্যুমুখে পতিত করার এ ঘটনাকে হত্যাকান্ড না বলে মানব হত্যার প্রদর্শনী বললেই বেশি মানানসই হবে। এ নৃশংস পৈশাচিক কান্ড ইসলামপূর্ব জাহিলিয়াত তথা অন্ধকার যুগের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।
বিশ্বজিৎ দাসকে হত্যা করা হয়েছে প্রায় কয়েক সপ্তাহ হতে চললো (০৯/১২/১২)।
বিস্তারিত»১৯৭৫ এর আগস্টের রাত,ঘড়ির কাটা ১৫ তারিখের আগমণ জানিয়ে গেছে তাও বেশীক্ষণ হয়নি। এর মধ্যেই স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কময় অধ্যায়টির সূচণা করতে ক্যান্টনমেন্ট থেকে সাঁজোয়া বহর নিয়ে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ীর দিকে মুভ করে সেনাবাহিনীর জুনিয়র কিছু অফিসারের নেতৃত্বাধীন একটি সৈন্যদল। হত্যা করে শেখ মুজিব সহ পরিবারের অন্যদের। এই ইতিহাস আমরা মোটামুটি সবাই জানি।সেই রাতে অনেক রথী মহারথীদের রহস্যময় এবং ভীতু আচরণের বাইরে একজনকে দেখা যায় বীরত্ব এবং সাহসীকতা উপরন্তু কর্তব্যনিষ্ঠার এক জ্বলন্ত উদাহরণ স্থাপণ করতে।
বিস্তারিত»