আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি বলিষ্ঠ সমর্থন যুগিয়েছিলো বিভিন্ন রাষ্ট্র, ব্যক্তি বা সংগঠন।কোন কোন রাষ্ট্র আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামকে সমর্থন না করলেও তাদের জনগণ আমাদের পক্ষে ছিলো।এমনই একটি দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।যুক্তরাষ্ট্র সরকার পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ করে গণহত্যায় সহযোগিতা করেছে।আবার এই দেশেরই সাধারণ মানুষ আমাদের সাহায্য সহযোগিতা করেছে নানা ভাবে। পন্ডিত রবি শংকর এবং ‘বিটলস’ এর বিখ্যাত শিল্পী জর্জ হ্যারিসন কর্তৃক আয়োজিত ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর কথা আপনারা সবাই হয়তো জেনেছেন জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির কল্যাণে।
বিস্তারিত»তিন মহারথির পতন
২০০৮ এর ২৯ শে ডিসেম্বর এ অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেশ কিছু মহারথী ছিটকে পড়ে রাজনীতির রঙ্গমঞ্চ থেকে। এবং বলা বাহুল্য গত পাঁচ বছর এরাই টিভি, টকশো, রাস্তা মাতিয়ে রেখেছেন। বিষয়টা এতোটাই আমোদের যে সবার সাথে শেয়ার করতে মন চাইলো।
বিভাগওয়ারি ফলাফল


পাই চার্ট


একাধিক আসনে
চট্টগ্রাম ১৪ তে অলি আহমেদ জামাতের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন।
জাতীয় অস্ত্র ককটেল, পেট্রোল বোমা ও আমরা মা নু ষে রা
এই মুহুর্তে বাঙলাদেশের অন্যতম প্রতীক হচ্ছে ডিব্বা

হরতাল করা, বাসে-সিএনজিতে আগুন দেয়া এখন নাগরিক অধিকারের পর্যায়ে পড়ে।
অতীতের বিভিন্ন দলের পালন করা হরতাল, নাশকতার উদাহরণ টেনে এনে হালাল করা চেষ্টা চলছে আজকের এই নারকীয় হত্যাকান্ড, জনজীবনে ত্রাস সৃষ্টি করা, যানবাহন ধ্বংশ করার মহোৎসব।
আর গান্ধীবাবা তো হরতাল করেই গেছেন। তার শেখানো আর দেখানো পথে আমরা বঙ্গপুঙ্গবেরা চলিবো না তো যদু-মধু চলিবে!
মন রে, তুই মুক্ত হবি কবে? (১)
১
আমাদের বাড়ী জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার একটা গ্রামে। আপনারা অনেকেই হয়তো জেনে থাকবেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে হিন্দুদের সংখ্যাধিক্যের কথা। স্বাধীনতার আগে তারাই প্রধান ছিল, কি ব্যবসায়, কি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে, কি রাজনীতিতে। আমাদের গ্রামের পাড়াগুলোর নাম শুনলেও এটা বোঝা যাবে- ঘোষপাড়া, গোয়ালপাড়া, মালিপাড়া, দাসপাড়া, সাহাপাড়া, কৃষ্ণনগর, ইত্যাদি। বর্তমানে কোন পাড়াতে চার/পাঁচ ঘরের বেশি হিন্দু নেই, অধিকাংশই মুসলমান অধিবাসী। এখন সেসব পাড়ায় গেলে বোঝার উপায় নেই যে,
বিস্তারিত»১৫ ই আগষ্ট ১৯৭৫ – প্রেক্ষাপট
হাতে লিখতে সময় লাগবে তাই বইটি সরাসরি তুলে দিলাম। লেখক লে কর্নেল (অবঃ) এম এ হামিদ, পিএসসি। বই- তিনটি সেনা অভ্যুথ্বান ও কিছু না বলা কথা। বইটি শিখা প্রকাশনি থেকে প্রকাশ করা হয়েছিলো। প্রথম প্রকাশকাল ১৯৯৩।
বিস্তারিত»
কিছু প্রশ্ন
হুমায়ূ্নের মেজর জিয়াঃআমার ভুল সুপারহিরো লিখাটা পড়লাম। আমি লিখা নিয়ে কোন মন্তব্য করব না। তোমার মত আমারও কিছু প্রশ্ন আছে। সেগুলো অনেকটা এরকমঃ
১। আমাদের যে সেনাবাহিনীতে আজকে যে শৃঙ্খলা বিরাজমান ১৯৭৫ সালে এর কতটা ছিল?
২। যখন ভাবি সেনানিবাসের ভিতর রাজনৈতিক নেতাদের অবাধ বিচরন এবং তারা সৈনিকদের সাথে অবাধে মিলামিশা করছেন আর সেনাবাহিনীর অনেক দৈনন্দিন কার্যক্রমের ব্যাপারে তার নাক গলাচ্ছেন তখন ব্যাপারটা কেমন হয়?
সাংবাদিকতা: টানটান উত্তেজনার যেই জীবন
সাংবাদিকতার বিষয়টি কিভাবে প্রথম মাথায় এসেছিল মনে করতে পারছি না। আমার পরিবার বা ঘণিষ্টজনদের মধ্যে এ পেশায় কেউ তখনো ছিলেন না। এইচএসসি পাশের পর যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে ভর্তি হলাম, প্রায় একই সাথে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতাও শুরু করেছিলাম। কেউ সে সময় শেখায়নি। সৃজনশীল লেখালেখি করতাম ক্যাডেট কলেজে থাকতে আর সংবাদপত্র পাঠের আগ্রহ ছিল ভীষণ। ফলে সংবাদ লেখার ভাষাটা পাঠ থেকেই রপ্ত করেছিলাম।
তবে এটা স্পষ্ট মনে করতে পারি,
বিস্তারিত»বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজঃ আমার প্রেডিকশন
বাংলাদেশের সবগুলো মানুষকে একই সূতাই গেঁথে ফেলার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ক্রিকেট। দেশের বর্তমান অচলাবস্থায় একমাত্র ক্রিকেটই পারে মনে একটু শান্তির পরশ বুলিয়ে দিতে। বাংলাদেশ গত কয়েকটি সিরিজে ওয়ানডেতে খুব ভালো পারফর্ম করছে। তাছাড়া প্রতিপক্ষ যখন নিউজিল্যান্ড প্রত্যাশাটা তখন এমনি একটু বেশি হয়ে যায়। তবে নিউজিল্যান্ড কিন্তু খুবই ভালো দল। বিশেষ করে ওয়ানডেতে। ২০১০ এ আমাদের কাছে ৪-০ তে হারলেও ওরা কিন্তু ঠিকই ২০১১ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে গিয়েছিল।
বিস্তারিত»বাঙলাদেশ – একটি স্বপ্ন
গত রাতে ঘুমানোর আগে টেলিভিশনে শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়ার পালটা পালটি বক্তব্য শুনেছিলাম। সে কারনেই হোক নাকি ইতোপূর্বে সরকারী কর্ম জীবনে উভয়ের কাছাকাছি যাওয়ার সৌভাগ্য হওয়ার কারনেই হউক, শেষ রাতে উভয়কে স্বপ্নে দেখলাম। উভয়ের চেহারার মধ্যেই কেমন একটা উপায় উদ্ভাবনীর মিষ্টি আভাষ উপলব্ধি করলাম। স্বপ্ন ছিল বলেই হয়তোবা আমাদের আশেপাশে আর কেউ ছিলনা।


দেশের কথা উঠতেই উভয়েই আমাকে প্রায় একসাথে বলে উঠলেন যে তাদের উভয়েই আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে ইচ্ছক।
আমলাতন্ত্রঃ সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড ও সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া – ২
পূর্ববর্তী পর্বসমূহঃ
অধ্যায় ১ – ১ম পর্ব
(গত পর্বের পর)
টেক্সাসের হান্টসভিলিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা সম্পন্ন কারাগারের সুশৃঙ্খল পরিবেশ দেখে চমকে উঠেছিলেন অধ্যাপক জন ডি’উলিও। সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা পরিষ্কার সাদা পোষাক পরিহিত, নিঃশব্দে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কারারক্ষীদের ‘স্যার’ বা ‘বস’ বলে সম্বোধনপূর্বক সম্মান বজায় রেখে কথা বলছে। নতুন মানুষ হিসেবে ডি’উলিও কে দেখে কেউ তার সাথে কথা বলতে আসে নি।
বিস্তারিত»আমলাতন্ত্রঃ সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড ও সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া – ১
প্রারম্ভিকাঃ এই সেমিস্টারে একটি বিষয় নিয়ে পড়ছি যার নাম পাবলিক সেক্টর ম্যানেজমেন্ট। সেখানে দেয়া পাঠ্যবই গুলোর একটি হলো Bureaucracy: What Government Agencies Do and Why They Do it. লিখেছেন James Q. Wilson, মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও গণ-প্রশাসন অধ্যাপক, হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। অনুবাদ করার মত কোন বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম নয় এটি। তবে ১৯৮৯ সালে প্রথম ছাপানো এই বইটি সমগ্র আমেরিকার গণ-প্রশাসন বিষয়ক পড়াশোনার পাঠ্যবই হিসেবে বহুদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
বিস্তারিত»এইভাবে মৃত্যু আমাদের কারো কাম্য নয়
হেলাল হাফিজের কবিতা ওড়না: কিছু বিতর্ক এবং আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি
হেলাল হাফিজ অতিসাম্প্রতিক কালে আবার কবিতা লিখছেন। কবির পয়ষট্টিতম জন্মদিন উপলক্ষে যুগান্তরের সাহিত্য পাতায় তিনটি কবিতা ছাপা হয়েছে। এর মধ্যে একটি কবিতার নাম ওড়না। বলাবাহুল্য কবির সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা এর আগে বহু লেখায় উল্লেখ করেছি। সেই সূত্রে এই কবিতাটির প্রসব বেদনায় যখন কবি ছটফট করছেন তখন আমি কবির সাথে ছিলাম। প্রায়ই তিনি অনুভূতিহীন অন্যমনস্ক হয়ে যেতেন। স্বাভাবিক দৃষ্টিতে কবিরা একটু অন্যমনস্ক,অগোছালো থাকবে এটাই নিয়ম হলেও কবি হেলাল হাফিজ অত্যন্ত গোছানো একজন মানুষ।
বিস্তারিত»গুঁড়ো দুধ!!!!
২০০১ সাল। স্থানঃ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ড্রিল গ্রাউন্ডে নামার সিঁড়ি।
মাস মনে করতে পারছি না। রাত ১২ টা বেজে ১০ মিনিট।
একটু আগেই আইয়ুব বাচ্চু (এল আর বি) র কনসার্ট শেষ হয়েছে। তার আগে একটা কালচারাল শোতে উপস্থাপনা করেছেন গিয়াস ভাই। কনসার্টের এক পর্যায়ে দেখলাম বাচ্চু ভাই গিয়াস ভাইয়ের খুব প্রশংসা করল। তাঁকে স্পেশাল থ্যাংকস জানালো।
আমি একটু খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম গিয়াস ভাই আমাদের কলেজ এর এক্স ক্যাডেট।আমাদের থেকে ১৮ ব্যাচ সিনিয়র।
বিস্তারিত»শিরোনামহীন শব্দচয়ন…!!!
সুখ দুঃখ নিয়ে এই ছোট্ট জীবনে অনেক ভাবতে হয়েছে আমাকে। সেটা যে কারনেই হোক আমার চিন্তাধারা খুলে যায় ২০০৪ সালে শহীদ ক্যাডেট কোচিং এ থাকাকালীন ভবন-১ এ থাকতে। ৪ তালার হাবিব স্যার এর ফ্ল্যাট এ শুয়ে এক বিকালে বেডমেটের সাথে কথা বলতেসিলাম। রাজীব নাম ছিল ছেলেটার। খুব গরীব পরিবারের ছেলে, শুদ্ধ ভাষায় কথা বলা শিখেনি বলে কারও সাথে তেমন কথা বলত না, আর আমার ডুয়েল পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার ছিল আই মীন খুব তাড়াতাড়ি পরিবর্তনশীল ছিলাম বলে আলাদা থাকতাম,তাই আমার বেডমেট হিসাবে স্যার ওকে ঠিক করে দিয়েছিলেন এই ভেবে যে আমিও বেশি কথা বলিনা আর রাজীব ও বলেনা,
বিস্তারিত»















