ভণিতি

একটা হাইকু Some of griefs are gone /when they come naturally/force and it’s a crap এর শিরোনাম দিতে গিয়ে দেইনি। দুটো কারণ। হাইকুতে শিরোনাম চলে না। পাঠকের সাথে মজা করতে ইচ্ছা হল। কেউ আমার চিন্তাটা ধরতে পারে কি না সেটা বোঝা। যাক গে, ইংরেজীটা বাংলা করলাম।সেটা হয়ে গেল একটা ভণিতা।

আসলে পরে সহজেতে
পালায় কিছু যাতনা
জবরদস্তি করলে ভায়া
বাড়ে শুধু আবর্জনা

ফেসবুক মন্তব্য- শব্দযুগল অপনয়ন আবশ্যক।

বিস্তারিত»

আমি কেন ডঃ রমিত আজাদের কৃতকর্মের বিরুদ্ধে এত সোচ্চার — এডমিন সমীপে

গেল দুদিন খুব ঝক্কি গেল। ব্যাস্ততার কারণে অনেক প্রিয় লেখা পড়া হয় না, মন্তব্য করা হয় না।
মাঝেমধ্যে ঢুঁ মেরে চলে যাই। হঠাৎ ডঃ রমিত আজাদের সাম্প্রতিক একটি লেখায় অস্বাভাবিক ট্রাফিক লক্ষ্য করে কৌতূহলী হয়ে উঠি।
প্রসঙ্গৎ বলে রাখা ভালো, ইতোপূর্বে নানান কারণে তিনি সিসিবিতে হতাশার কারণ হয়েছিলেন দফায় দফায় – তা সেসবার বিস্তারে যাচ্ছিনা, অনেকে অবগত আছেন – প্রয়োজনে পুরনো লেখা উত্তোলন করে দেখয়ে নিতে পারেন (অবশ্য কোন ভায়াবহ দুর্যোগ যে নেমে আসবেনা তার নিশ্চয়তা দিতে পারবোনা)।

বিস্তারিত»

প্রিয় বই- ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ -মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

এক অদ্ভুত রঙ্গমঞ্চ আমাদের এ জীবন।প্রতিটি মানুষের স্বতন্ত্র জীবন বৈচিত্র্য, নর-নারীর এক অমোঘ আকর্ষণ,যুগ যুগ ধরে টিকে থাকা ভুয়োদর্শনের উপর অন্ধবিশ্বাস,সার্থক জীবনের নামে এক মরীচিকার পিছে ছুটে চলা এইসব মিলিয়ে ফুলে-ফেঁপে ওঠা জীবনকে সঙ্গী করে আমাদের বেঁচে থাকা।
বইটিতে মানিক বন্দোপাধ্যায় বলেছেন,এক গ্রাম্য যাপিত-জীবনের গল্প।আপাত দৃষ্টিতে যাকে বৈচিত্র্যহীন,সঙ্কীর্ণ স্বকেন্দ্রিক বলে ভুল হয়।কিন্তু মানিক দেখিয়েছেন এর মাঝেও আছে কত বৈচিত্র্য, কত রহস্য,ক্ষুদ্র-বৃহৎ ঘটনা প্রবাহের কত বিশাল প্রভাব সেখানকার মানুষগুলোর জীবনে।তারা বাস করে এক ঘোর লাগা জীবনে।সেখানে নিজেদের জীবন কেউ পরিবর্তন করতে পারেনা।নিজেদের সৃষ্ট সুতোর জালে নিজেরাই আটকে পড়ে অনেকটা পুতুলের মত নেচে যায় তারা অদৃশ্য কোন শক্তির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে।

বিস্তারিত»

একটা ‘ধন্যবাদ দিবস’ চালু করলে কেমন হয়?

কয়েক বছর আগেকার কথা। মতিঝিলে একটি অনেক উঁচু ভবনে লিফটে করে উঠে নামার সময় লিফট-ম্যানকে ‘ধন্যবাদ’ দিতেই তিনি আমার হাত খপ করে চেপে ধরে বলেছিলেন, ‘আপনাকেও ধন্যবাদ; আমার কুড়ি বছরের কর্ম-জীবনে আপনিই প্রথম আমার কাজের জন্য ধন্যবাদ দিলেন’। আমার এক ধন্যবাদে এই মানুষটির খুশি দেখে আমি ঠিক করেছিলাম মানুষকে আরও বেশি-বেশি করে ধন্যবাদ দিতে হবে। এই মানুষটির সঙ্গে আমার যেমন মনের যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছিল, তিনি যেমন আমার মনের ইতিবাচক দিকটি দেখতে পেয়েছিলেন,

বিস্তারিত»

কিজন্য আমি “বন্ধুবৃত্ত” নাটকের সাথে সংশ্লিষ্টতা পরিত্যাগ করেছি

আসসালামু আলাইকুম। আমাকে বোধহয় কমবেশি অনেকেই চেনেন। আমি সালেহ তিয়াস নামেই বেশি পরিচিত, এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজে ইন্টার্নশিপ করছি।

গত বছর আমি এবং আমার দুই বন্ধু মিলে একটা টিভি নাটক বের করি। এই নাটকে আমার ভূমিকা ছিল অতি নগন্য, কাহিনীর কিছু অংশ লিখেছি, স্ক্রিপ্টের কিছু অংশ লিখেছি, এবং নিরুপায় হয়ে এক অংশে অভিনয়ও করতে হয়েছে। এই নাটকে আমাদের পুরো ব্যাচ থেকে অনেকে অভিনয় করেছিল।

বিস্তারিত»

চুম্বন! চুম্বন!!

বোনের আদেশ, “মজার কিছু লিখে ফেলো তো? কমেন্ট করে ভাসিয়ে দেই!”

চাইলেই কি আর মজার কিছু লিখা যায়?
তবুও ভাবলাম, “দেখি না একটা ট্রাই মেরে…”

যে কয়দিন থাইল্যান্ডে ছিলাম, অনেক কিছুই নিবিড় ভাবে পর্য্যবেক্ষন করেছি, যদি তা থেকে লিখার মত কোন কিছু খুঁজে পাই, এই ভেবে। কিন্তু “ভাগ্যটা ঘোলা জলের ঢোবা” খুজে যাও কিছু পাই, তা নিয়ে কি যে লিখা যায়,

বিস্তারিত»

আমি, আমরা হারিয়ে যাবো

অমরত্বের নিদান যেহেতু এখনো আসে নি তাই নিশ্চিত করেই বলা যায় আমি, আমরা সবাই মারা যাবো। কয়েক সপ্তাহ আগেই আমার প্রথম শিক্ষক যিনি আমাকে অ আ ক খ শিখিয়েছিলেন সেই লাভলু ভাই মারা গেলেন (মামাতো ভাই) । আরেক মামাতো ভাই জানালো ফেবু তে যে লাভলু ভাই নেই। ওনারা চার ভাই ছিলেন। মেজ জন এখন জীবিত। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যেই সবাই মারা গেলেন। বছর দুই হল মা মারা গেছেন।

বিস্তারিত»

গৃহযুদ্ধ ও একজন স্ট্রাইকার

দ্রগবা, দিদিয়ার দ্রগবা।, পুরো নাম- দিদিয়ার ইয়েভেস দ্রগবা তেবেলি।
খুব অপরিচিত কোন বাক্তির নাম না। বর্তমান সময়ের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তো অতি পরিচিত এক নাম।
যাদের কাছে অপরিচিত মনে হচ্ছে তাদের জন্য পরিচয় পর্বটা সেরে নেওয়ায় ভাল।

উপরোল্লিখিত নামের যে মানুষটি নিয়ে কথা হচ্ছে তিনি পেশায় একজন ফুটবলার। জন্ম ১১ মার্চ ১৯৭৮, আইভরিকোস্টের আবিদজান শহরে। আইভরিকোস্টের জাতীয় দলের পাশাপাশি তিনি অনেক ক্লাবের হয়েও ফুটবল খেলেছেন,

বিস্তারিত»

ছন্দে আনন্দভ্রমণ ৪

ছন্দে আনন্দভ্রমণ ১ (ভূমিকা ও মাত্রাবৃত্তের আলোচনা)

ছন্দে আনন্দভ্রমণ ২ (মাত্রাবৃত্তের উদাহরণ)

ছন্দে আনন্দভ্রমণ ৩ (স্বরবৃত্তের আলোচনা)

অক্ষরবৃত্ত
অক্ষরবৃত্ত বাংলা কবিতার বনেদী ছন্দ। এর মাত্রা গুনবার নিয়মটা হলো,

  • মুক্তদল (ওপেন সিলেবল) সবসময় পাবে ১ মাত্রা।
  • শব্দের শুরুতে কিম্বা মধ্যে থাকলে রুদ্ধদল (ক্লোজড সিলেবল) পাবে ১ মাত্রা, শব্দের শেষে থাকলে ২ মাত্রা।
বিস্তারিত»

খারাপ ছাত্রদের কথা

অষ্টম শ্রেনীর একজন ‘খারাপ ছাত্রের’ কথা ক’দিন ধরে খুব পীড়া দিচ্ছে। ইংলিশ স্কুলে পড়ে। পড়াশোনা করে না। পড়ুয়া নয়। সে কখনো’ই ছিল না।
সে কারনেই কখনো’ই ভালো নম্বর পায় না। এবং সেজন্যেই তার শিক্ষকরা তাকে পছন্দ করেন না। শুধু তাই নয়, তার প্রসঙ্গ এলেই চোখ-নাখ-মুখ কুঁচকিয়ে ফেলেন। তাকে খারাপ ছেলে বলেন; তার সাথে খারাপ ব্যাবহার করেন। অনেক খারাপ ব্যাবহার।
তাদেরই মধ্যে একজন শিক্ষক এই ছেলেটির পিছে লেগে থাকতেন।

বিস্তারিত»

ঘুমন্ত-স্বপ্ন-সুন্দরী

একসাথে অনেকগুলো বই কিনে ফেলার অনেক হ্যাপা। কোনটা ছেড়ে যে কোনটা পড়ব তা কিছুতেই মনঃস্থ করে উঠতে পারি না। একাঝাঁক সুন্দরী ললনা চারদিক ঘিরে লীলারত। কাকে ছেড়ে কাকে প্রেম দেব?

অমিতাভ রায়ের ভাষান্তরে গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস-এর গল্পসমগ্রটি কেনার পর সেটি একরকম অবহেলা অনাদরেই সেলফের এককোণে পড়ে ছিল। আজ সময় হলো হাতে তুলে নেবার। শুরুতেই একটি চমৎকার গল্প! বাংলা ভাষান্তরে ‘সুপ্ত সুন্দরী ও বিমান’ আর মূল স্প্যানিশে ‘El avión de la Bella Durmiente’ এর নাম।

বিস্তারিত»

দর্শন ও বিজ্ঞান

এক সময় বিজ্ঞান আর দর্শন আলাদা কিছু ছিল না। স্কুলে পড়েছি, মহামতি অ্যারিস্টোটল বিজ্ঞানের অনেকগুলো শাখার জন্ম দিয়েছিলেন। কিন্তু আদতে তিনি ছিলেন একজন দার্শনিক। এই যে দর্শন থেকে বিজ্ঞানের আলাদা হয়ে যাওয়াটা, এটা কিন্তু খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। এর আগ পর্যন্ত যিনি বিজ্ঞানী ছিলেন, মোটামুটি ধরে নেয়া যায় তিনি দার্শনিকও ছিলেন। তবে আমি ইতিহাসের দিকে যাচ্ছি না এখানে।

এখন কথা হল, বিজ্ঞান দর্শন থেকে কীসের ভিত্তিতে আলাদা হল?

বিস্তারিত»

যুক্তির নিরিখে বিজ্ঞানমনস্কতা, সত্যজ্ঞান ও প্রগতিশীলতার বিষয়ে আমার ভাবনা

১

বিজ্ঞানমনস্কতা আজকাল ভার্চুয়াল বাংলা জগতে স্মার্টনেসের নির্দেশ করার সাথে সাথে বিজ্ঞানমনস্কতার দাবিদার ব্যক্তিকে অন্যান্য সকলের থেকে আলাদা এবং প্রাগ্রসর হিসেবে চিহ্নিত করার অন্যতম পরিমাপক হয়ে উঠেছে। ব্লগে, ফেসবুকে, এমনকি টিভির টকশো’তেও কেউ কেউ নিজেদের বিজ্ঞানমনস্কতার দাবি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা বিশেষ ধারার জ্ঞানচর্চাকে প্রগতিশীল আর বাদবাকিগুলোকে প্রতিক্রিয়াশীল/পশ্চাৎমুখী/গোড়া ইত্যাদি বর্গে ফেলছে। মানুষ হিসেবে অগ্রগতি আমরা সকলেই চাই। আর এ’ পথের পাথেয় হিসেবে বিজ্ঞানমনস্কতাও একটা অতি প্রয়োজনীয়,

বিস্তারিত»

পুলিশ প্রশাসনের এ’কি হাল?

আজকের (জুলাই ১৪, ২০১৫) বাংলা পত্রিকাগুলোতে চোখ বুলাতে গিয়ে হঠাৎ দৃষ্টি আটকে গেল দৈনিক আমাদের সময়ের একটা সংবাদে যেখানে বলা হয়েছে যে, সিলেটের রাজন-হত্যার প্রধান আসামী কামরুলকে জনতা হাতেনাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ ঘুষের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দিলে সে সৌদি আরবে পালিয়ে যায়।- পুলিশ যে ঘুষের বিনিময়ে বড় বড় আসামীকে ছেড়ে দেয় এমন দু’একটা সংবাদ মাঝেমধ্যেই সংবাদপত্রে আসে। আর এমন দু’একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হাজার হাজার পুলিশের মধ্যে দু’একজন ঘটাতেই পারে।

বিস্তারিত»

সমকামি বিয়ে, অজাচার, ও কিছু নৃবৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভংগী

বিয়ের কোন সার্বজনীন সংগা নেই। দেয়া অসম্ভব। একেক সমাজে বিয়ে একেক অর্থ বহন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সেমিস্টারে একটা কোর্সে বিয়ে ছিল পাঠ্য বিষয়। পড়িয়েছিলেন শাহীন ম্যাডাম, কেমব্রিজ থেকে রেকর্ড সং্খ্যক নাম্বার পাওয়া সমাজবিজ্ঞানের এই ছাত্রীর সেই ক্লাসের পর চিন্তা চেতনায় আমুল ধাক্কা লেগেছিল। মাত্র বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশ করে আসা গতানুগতিক আমি সমাজ বিজ্ঞানের এই অগতানুগতিক বিষয় কে হজম করতে পারিনি তখনো।

সমকামী বিয়ে নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছে হলো।

বিস্তারিত»