এই পৃথিবীতে অদ্ভুত এক দেশ আছে
সেই দেশে অদ্ভুত এক নগর আছে
সেই নগরে অদ্ভুত এক কম্যুনিটি আছে
সেই কমুনিটির অদ্ভুত এক সামাজিক যোগাযোগস্থল আছে
তার নাম ডট ডট ডট ডট…
একদা ডট ডট ডট ডট-এর এক কনিষ্ঠ সদস্য আরেক জেষ্ঠ্যা সদস্যার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন কিছু কটুক্তি করলো যা সেই দেশের আইসিটি এক্টের ৫৭ ধারানুযায়ি শাস্তি যোগ্য অপরাধ।
যে শিশু ভূমিষ্ট হল আজ রাত্রে
তার মুখে খবর পেলুমঃ
সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,
নতুন বিশ্বের দ্বারে তাই ব্যক্ত করে অধিকার
জন্মমাত্র সুতীব্র চীৎকারে।
খর্বদেহ নিঃসহায়, তবু তার মুষ্টিবদ্ধ হাত
উত্তোলিত, উদ্ভাসিত
কী এক দুর্বোধ্য প্রতিজ্ঞায়।
সে ভাষা বুঝে না কেউ,
কেউ হাসে, কেউ করে মৃদু তিরস্কার।
আমি কিন্তু মনে মনে বুঝেছি সে ভাষা
পেয়েছি নতুন চিঠি আসন্ন যুগের-
পরিচয়-পত্র পড়ি ভূমিষ্ট শিশুর
প্যারিস হামলার ঘটনায় পুরো বিশ্ববাসী মোটামুটি স্তম্ভিত । অনেক ধরনের প্রতিক্রিয়া চোখে পড়ছে। বেশিরভাগ মানুষ এই ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছেন । অনেকে আবার এর সাথে লেবানন বোমা হামলা নিয়ে কেনো কোন কথা বলা হচ্ছে না তা নিয়ে নিন্দা করছেন । কিছু লোক আবার আরো দুই ডিগ্রী উপরে গিয়ে কাশ্মির, সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান, প্যালেস্টাইন এর পরিস্থিতি নিয়ে কেনো কোন কথা বলা হচ্ছে না তা নিয়ে তাফালিং করছেন ।
মধ্যবিত্ত নাগরিক জীবনের ছোট ছোট দুঃখ, বেদনা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, আশা-হতাশাময় শহুরে আটপৌরে জীবনের রূপকার হুমায়ূন আহমেদ। স্বাধীনতা পরবর্তী অস্থিতিশীল এলোমেলো সময়ে যার লেখা শীতল বাতাসের মতোই নাড়িয়ে গেছে সাহিত্য পিপাসু বইপড়ুয়া অগণিত মানুষদের। সহজ বাক্য, অনাড়ম্বর বর্ণনা আর নিজস্ব স্টাইল তাঁকে এনে দিয়েছে বাংলাসাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখকের সম্মান। আমাদের চারপাশের নিত্যনিয়ত ঘটে যাওয়া টুকরো টুকরো ঘটনাকে তিনি মিহিসুতোর কারুকার্যে একই সাথে সেলাই করেছেন অপরূপ নকশীকাঁথায়। নিজের জীবনের অভিজ্ঞতাগুলোই উঠে এসেছে তাঁর লেখায়।
আজ সকালেই দালাইলামার একটি কোটেশন পড়ে যা বুঝলাম তা হলো এই যে –
কখনো কারো ক্রোধের কারন হলেও, বিরক্তির কারন হতে নেই। কারন:
ক্রোধ ও বিরক্তি, দুই-ই মানব মনে থাকা কাছাকাছি ধরনের অবস্থা হলেও তাদের মধ্যে পার্থক্য বিস্তর।
ক্রোধ জিনিষটা তুলনামূলকভাবে তীব্রতর একটি অবস্থা হলেও তা আসে যায়। অর্থাৎ তা দীর্ঘস্থায়ী কিছু নয়।
কিন্তু বিরক্তি কম দৃশ্যমান হলোও তা দীর্ঘ্যস্থায়ী একটি অবস্থা যা ধিকি ধিকি করে জ্বলতেই থাকে।
দ্বিতীয় পর্বে বলেছিলাম, শেষ পর্বে চিকিতসা নিয়ে আরও কিছু কথা বলবো।
তবে জানিয়ে রাখা দরকার যে। “চিকিৎসা” কথাটা বললেই যেমন তা অসুস্থ্যকে সুস্থ্য করে তোলার একটা প্রক্রিয়া কথা মাথায় ঢোকায়, বাইপোলার ডিসঅর্ডারের চিকিৎসা কিন্তু আক্ষরিক অর্থে ব্যাপারটাকে সেই ভাবে কাজ করায় না।
VAT শব্দটা প্রথম জানতে পাই ক্লাস সিক্সে সাধারণ জ্ঞান বইয়ের এব্রিভিয়েশন সেকশনে। ভ্যালু এডেড ট্যাক্স। কাঠখোট্টা টাইপের জিনিস। তো কথা হলো সিসিবিতে এখন এই ভ্যাট নিয়ে হুট করে লেখার কি দরকার পড়লো? কারন আছে.. ভ্যাট এমনিতেই বেশ হট টপিক ছিল গতমাসে। স্পেশালি শিক্ষাখাতে ভ্যাট যোগ করা নিয়ে অনেক আন্দোলন হয়ে গেল। তবে এই পোস্ট এর ফোকাসটা একটু অন্য জায়গায়। সাম্প্রতিক সময়ে আরো কিছু ব্যাপার আমাদের গোচরে আসছে।
কাজের কারণে দেশের নানা জেলায় যেতে হয়। কখনও রেলগাড়িতে, কখনও বাসে, কখনও বিমানে। দু-তিন দিন করে থাকাও হয়। হোটেলে থেকে কাজ করা বেশ অন্যরকম অভিজ্ঞতা। হোটেলগুলোর স্থাপত্যকলা চমৎকার, থাকার রুমগুলো ঝকঝকে, আসবাবপত্র অপূর্ব, গোসলখানা আরামদায়ক! সুইমিং পুল আছে, শরীরচর্চার জন্য জিম আছে। কোথাও-কোথাও আবার বারও আছে। মনে হয় পারলে হোটেলেই থেকে যাই। ঢাকায় ফেরার দরকার নেই।
তবে প্রায় প্রতিটি হোটেলেই আপ্যায়নের অভাব। আর এতেই ভাটা পড়ে আমার উৎসাহে।
জীবনের পরিপ্রেক্ষিতেই সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা অকৃত্রিম।নতুন প্রান জন্মদানেরগৌরব,আনন্দের অনুভূতি অতুলনীয়।সেই সাথে চাওয়াও থাকে সন্তানের জন্য নিরাপদ,স্বচ্ছল,সৃজনশীল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার।এ আকাঙ্খা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি থেকেই।মানুষ নামের শব্দটির প্রতি সুবিচারের আশা থেকেই।
এই বইয়ে একজন মা তাঁর অনাগত সন্তানকে উদ্দেশ্য করে বলে গেছেন জীবনের কথা,কঠিন কঠোর বাস্তবতার কথা।বলে গেছেন মানবসৃষ্ট সমাজের নিয়মের বেড়াজালের কথা।ভারসাম্যহীন সেই সমাজের অন্ধকারে মানুষের স্বাধীনতা নামক আকাঙ্খাকে হারিয়ে ফেলার কথা।নিরন্তর বয়ে চলা জীবন স্রোতের গতিতে মানুষ নামক শ্রেষ্ঠ প্রাণীর অস্তিত্বের নৌকা বেয়েচলার কথা।শুনিয়ে গেছেন হৃদয় আর মস্তিস্কের অনুশাসিত হবার গল্প।আবেগ ,চিন্তা ভাবনাকে নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধে আবদ্ধ করে ফেলার প্রক্রিয়ার গল্প।
[ কবির জন্মদিনে স্মরণ ও শ্রদ্ধা হিসেবে পুরোনো এ লেখাটাকেই সিসিবি-র ফোরামে শেয়ার করলাম ]
স্বপ্ন দেখার সক্ষমতাই সম্ভবত মনুষ্য জীবের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ স্বাতন্ত্র। স্বপ্ন দেখতে পারে বলে মানুষ নিয়ত নির্মাণ করে আপন স্বভাব, সভ্যতা, সৌকর্য; তার আপন প্রভায়। মানুষ মাত্রেই বলতে পারি স্বাপ্নিক। স্বপ্নদ্রষ্টা তাই হয়তো সবাই। কিন্তু স্বপ্নস্রষ্টা ক’জন! কবিরা সম্ভবত স্বপ্নস্রষ্টাদের মাঝে অগ্রগণ্য।
“মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কোন কিছু লিখার বড় রিস্ক হলো, যেই তা পড়ে তারই মনেহয়, সমস্যাটা বোধহয় তারও আছে।
মন ভাল হওয়া মন খারাপ হওয়া, সবার জীবনের অতি স্বাভাবিক ও দৈনন্দিন একটি ব্যাপার।
আবার বাইপোলার ডিজঅর্ডার-এ আক্রান্তগণ যে হাই (ম্যানিক স্টেজ) ও লো (ডিপ্রেসিভ স্টেজ) এর মধ্য দিয়ে যান,
আমাদের আশেপাশে এমন অনেককেই দেখি, যারা সময় সময় কি যে উৎসাহের সাথে নানান উদ্যোগে ঝাঁপিয়ে পড়েন, উচ্ছাসে উল্লাসে ভরপুর হয়ে ওঠেন, আবার হঠাৎ করেই তেমন কোন কারন ছাড়াই নিজেদের গুটিয়ে নেন সব কিছু থেকে। আর তা এতটাই যে আমরা গভীর ভাবনায় পড়ি, “হলোটা কি ওর? এই না সেদিন দেখলাম, কি দারুন প্রানোচ্ছাসে ভরপুর? আর আজ………?”
অনেক সময়েই এঁদের এইসব অচরনকে আমরা “খামখেয়ালিপনা” ভেবে তাদেরকে “খেয়ালি মানুষ”
সেন্ট পল, মিনেসোটা, আমেরিকা। লিবারেল আর্টস-এর এক শিক্ষাঙ্গন ‘ম্যাকাল্যাস্টা কলেজ’’। ‘সাহিত্য আর সৃজনশীল লেখনী’ (লিটারেচার এন্ড ক্রিয়েটিভ রাইটিং) বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক। পড়াচ্ছেন ২০০৭ সাল থেকে। তাঁর নিজের পড়াশোনাও ছিল এসব নিয়েই। ‘ভাষা ও সাহিত্য’ (ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড লিটারেচার) নিয়ে গ্রাজুয়েশন করেছেন ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে, ১৯৯১ এ। মাস্টার্স করেছেন ‘ক্রিয়েটিভ রাইটিং’ বিষয়ে উইল্কস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, ২০০৬ এ।
মিনেসোটা, নিউইয়র্ক আর জ্যামাইকা – এই তিন জায়গায় তাঁর নিয়মিত বিচরণ।
Most people can get along better without a vote than without a roof over their heads. Or without their heads. – Diana Johnstone
Destabilisation is Washington’s tool and game in a time when America’s long-lost economic-capitalist hegemony is fading at an ever accelerating pace. – Paul Street
১৪৫৩ সাল। ২১ বছর বয়সী তুর্কি সুলতান মেহমেত (দ্বিতীয়) বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল অবরোধ করেন।
এবছরের মে মাসে আমেরিকার একাডেমিয়াতে বেশ একটা ঝড় বয়ে গেছে University of California Los Angeles (ইউসিএলএ) থেকে সদ্য পলিটিক্যাল সায়েন্স এ পিএইচডি সমাপ্ত করে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদানের অপেক্ষায় থাকা মাইকেল লা’ক (Michael LaCour) এর লেখাচুরি বা প্লাজিয়ারিজম এর কাহিনী উম্মোচিত হলে। গত ডিসেম্বরে সুপ্রসিদ্ধ একাডেমিক জার্নাল ‘Science’ মাইকেলের একটা আর্টিকেল প্রকাশ হয়েছিল কিভাবে সংখ্যাগুরু এবং সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান কন্টাক্ট মাইনরিটিদের প্রতি কুসংস্কার (prejudice) হ্রাস করে এই বিষয়ে।